Editor Choice

Featured post

Nov 12

Continue reading
Top Viewed

Post title

Nov 11

This is a wider card with supporting text below as a natural lead-in to additional content.

Continue reading
Card image cap
Card image cap
আগুন প্রতিরোধ ক্ষমতার সময়সীমা
engr.tushar - 25 Feb 2014
কাঠামোর ধরণআগুন প্রতিরোধের সময়সীমা 

তিন ইঞ্চি ইটের দেয়াল

পাঁচ ইঞ্চি ইটের দেয়াল

দশ ইঞ্চি ইটের দেয়াল

পৌণে এক ঘন্ট

দেড় ঘন্টা

পাঁচ ঘন্ট

ছয় ইঞ্চি কংক্রিট দেয়াল

আট ইঞ্চি কংক্রিট দেয়াল

দশ  ইঞ্চি কংক্রিট দেয়াল

এক ফুট / বারো  ইঞ্চি কংক্রিট দেয়াল

তিন ঘন্টা

চার ঘন্টা

পাঁচ ঘন্টা

ছয় ঘন্টা

চার ইঞ্চি ছাদ ১৩ মিলি কভার

ছয় ইঞ্চি ছাদ ১৯ মিলি কভার

আট ইঞ্চি ছাদ ১৯ মিলি কভার

দশ ইঞ্চি ছাদ ২৫ মিলি কভার

এক ঘন্টা

আড়াই ঘন্টা

পৌণে চার ঘন্টা

পাঁচ ঘন্টা

দশ বাই দশ ইঞ্চি কলাম ২৫ মিলি কভার

বারো বাই বারো ইঞ্চি কলাম ২৫ মিলি কভার

 ষোল বাই ষোল ইঞ্চি কলাম ২৫ মিলি কভার

ষোল বাই ষোল ইঞ্চি কলাম ৫০ মিলি কভার

 তিন ঘন্টা

চার ঘন্টা

ছয় ঘন্টা

আট ঘন্টা

Card image cap
ফেব্রিকেশনের সময় লক্ষনীয়
engr.tushar - 25 Feb 2014

গ্রীল

  • প্রজেক্ট শেষ হওয়া পর্যন্ত স্যাম্পল গ্রীলটি রেখে দিতে হবে
  • সকল জয়েন্ট ঠিকমত ওয়েল্ডিং করা হয়েছে এবং গ্রিন্ডিং/ঘষে মসৃণ করা হযেছে তা দেখতে হবে
  • জিনক ক্রোমেট প্রাইমেট ব্যবহার করতে হবে, এটা সাধারণ রেড-অক্সাইড থেকে ভাল
  • লাগানোর পুর্বে এর সাইজ এবং ওজন ভালমত দেখে নিতে হবে
  • ড্রয়িং অনুসারে ঠিকমত সোজা থাকতে হবে (উলম্ব ও আনুভুমিক)
  • গ্রীল তিন ইঞ্চি পর্যন্ত দেয়ালের সাথে আটকাতে হবে এবং 1:2:4 কংক্রিট দিয়ে জ্যাম দিতে হবে

দরজার ক্ল্যাম্প

  • দরজার ক্ল্যাম্প সঠিক আছে কিনা দেখতে হবে। সোয়া ইঞ্চি চওড়া এবং ছয় মিলি ক্ল্যাম্প সাধারাণত ব্যবহার হয়ে থাকে
  • শুধু ব্ল্যাক-অক্সাইড স্ক্রু ব্যবহার করতে হবে ফ্রেমের সাথে ক্ল্যাম্প আটকানোর জন্য
  • ড্রয়িং অনুসারে অথবা ক্ল্যাম্পের প্রকৃতি অনুসারে ক্ল্যাম্পের সংখ্যা নির্বাচন করতে হবে

হ্যান্ড রেইল

  • স্যাম্পল রেইল বিল্ডিং শেষ হওয়া পর্যন্ত রাখতে হবে
  • সিড়ির ধাপে টাইলস বা অন্যকিছু ফিনিশিং করার আগে রেইলের বেইজ লাগাতে হবে
  • বেইজ প্লেট তিন ইঞ্চি ভেতরে ঢোকাতে হবে
  • যেখানে রেইল বাঁক নিবে, সেখানে যেন ধারালো বাঁক না হয় খেয়াল রাখতে হবে
  • এর আনুভুমিকতা ও উলম্বিকতা ভালমত পরীক্ষা করতে হবে
  • রেইল দৃঢ় হতে হবে
  • ভালমত ওয়েল্ডিং করতে হবে, এবং ঘষতে হবে
  • জিংক-অক্সাইড দিয়ে প্রাইমার দিতে হবে

 

Card image cap
রঙের সময় যা করা যাবে ও যাবে না
engr.tushar - 21 Feb 2014

করতে হবে:

  1. সার্ফেস বা তলা শুষ্ক থাকতে হবে.
  2. 120 নম্বর ওয়াটার পেপার দিয়ে ভালভাবে ঘষতে হবে। তারপর এটা ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। 
  3. বাহিরের পুরাতন রঙের উপর করার জন্য পুরাতন রঙ তুলে ফেলে পানি দিয়ে ভালভাবে মুছে ফেলতে হবে এবং দুই-তিনদিন রৌদ্রজ্বল দিনে শুকাতে হবে। 
  4. অভ্যন্তরের জন্য রেডিমিক্স পুটি ব্যবহার করতে হবে এবং বাহিরের জন্য সিমেন্ট বেজ পুটি ব্যবহার করতে হবে ফিলার হিসাবে। 
  5. সঠিক রঙের জন্য সঠিক থিনার ব্যবহার করতে হবে।
  6. রঙ ব্যবহারের পুর্বে ভালভাবে তা ঘুটে নিতে হবে
  7. ঘরের মধ্যে বাতাস ও আলো চলাচলের ব্যবস্থা রখতে হবে
  8. এক কোট  বা আস্তর থেকে অন্য আস্তরের মধ্যে যতটুকু সময় প্রয়োজন ততটুকু দিতে হবে। এই আস্তর সিলার,প্রাইমার,পুটি,অথবা রঙ যেকোন কিছু হতে পারে। 
  9. যেকোন রঙ ব্যবহারের পুর্বে এই রঙের নিয়মাবলী ভালভাবে জেনে নিতে হবে। 
  10. রঙের বালতি পুরাটা শেষ না হলে কাজের পর আবার ভালভাবে এর মুখ বন্ধ করতে হবে, যাতে করে এর মধ্যে বাতাস ঢুকতে না পারে। 
  11. রঙের গায়ে লেখা সময়ের মধ্যেই অবশ্যই রঙ ব্যবহার করে ফেলতে হবে। নাহলে পরে ব্যবহার করলে সেই রং স্থায়ী হবে না।

 

করা যাবে না:

  1. ড্যাম্প, স্যাঁতস্যাঁতে, নোনা স্থানে রঙের প্রলেপ বা আস্তর দেয়া যাবে না 
  2. পুর্ববর্তি আস্তর না শুকানো পর্যন্ত বা না রেডি হওয়া পর্যন্ত পরবর্তি আস্তর দেওয়া যাবে না। 
  3. রঙের সাথে প্রয়োজনীয় ও যথাযথ থিনার ছাড়া অন্য কোন কিছু মেশানো যাবে না। যেমন চকপাওডার,চুন ইত্যাদি মেশানো যাবে না। 
  4. কাজের পর ব্রাশ বা রোলার অবশ্যই থিনার দিয়ে বা পানি দিয়ে ভালভাবে ধুয়ে রাখতে হবে। 
  5. স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়াতে রঙের কাজ না করাই ভাল 
  6. রঙ অতিরিক্ত পাতলা করা যাবে না বা বেশি পরিমানে থিনার ব্যবহার করা যাবে না 
  7. রঙের কাজের সময় ধুমপান করা যাবে না। কেননা রঙ একটি দাহ্য পদার্থ। 
  8. রঙ এবং এর আনুসাঙ্গিক মালামাল আগুন থেকে দুরে রাখতে হবে। 
  9. শিশুদের নাগালের বাইরে রাখতে হবে রঙ, থিনার ও অন্যান্য পদার্থ 
  10. হাতে ভারী কিছু থাকা অবস্থায় রঙের কাজ করা যাবে না। 
  11. চোখের মধ্যে রঙের কোনকিছু গেলে অবশ্যই ভালভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে এবং ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। 
  12. রঙের কাজের সময় এবং কাজ শেষ হওয়ার সাথে সাথেই দরজা-জানালা বন্ধ করা যাবে না। ভেতরের গ্যাস বা গন্ধ না যাওয়া পর্যন্ত দরজা-জানালা বন্ধ রাখতে হবে। 
সুত্র: বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ

Card image cap
বাথরুম ও গোসলখানা
engr.tushar - 21 Feb 2014

বাথরুম বা গোসলখানা অতি গুরুত্বপুর্ণ একটি এরিয়া। কিন্তু আমাদের দেশে এই বাথরুম বেশ অবহেলিত। বাথরুম বা টয়লেট নিয়ে তেমন একটা চিন্তা কেউ করে না বললেই চলে। টয়লেট এর জন্য কয়েকটি গুরুত্বপুর্ণ বিষয় নিম্নে দেয়া হলো

  • বাথরুমের রং একটি গুরুত্বপুর্ণ বিষয়। সাদাটে রং হলে সেটা স্বাস্থ্য সম্মত হয়। কেননা তাহলে সহজে ময়লা চোখে পড়ে। সাদার সাথে কিছু নীল ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে চোখে প্রশান্তি আসে
  • বাথরুমে বাতাস ও আলো চলাচলের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকতে হবে। এতে করে বাথরুমে জিবাণু বাসা বাঁধতে পারে না।
  • বাথরুমের ফ্লোরে টাইলস ব্যবহার করা ফ্লোর টাইলস। হোমোজিনিয়াস টাইলসই সাধারণত ফ্লোরে ব্যবহার করা হয়। তবে সিরামিক টাইলসও অনেকে ব্যবহার করে থাকে
  • বাথরুমে বিভিন্ন ধরণের কেবিনেট ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে কেবিনেটে সাধারণ কাঠের পরিবর্তে মেরিন কাঠ ব্যবহার করলে ভাল। 
  • বর্তমানে শাওয়ার ডোর বা গোসল এর স্থানে আলাদা দরজা ব্যবহার বাড়ছে। এটি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়।
  • কাঁচের ঘরে তৈরি করে সেখানে গোসলের ব্যবস্থাও বর্তমানে করা হয়।সেই ক্ষেত্রে কাঁচের ঘরে পর্দা ব্যবহার করা হয়।
  • পেডাস্টাল , কেবিনেট ও কাউন্টার টাইপের বেসিন ব্যবহার করা হয়। বাথরুমের সাইজ, ধরণ ও বাজেটের উপর এই বেসিনের টাইপ নির্ভর করে।
  • বাথরুমে বিভিন্ন ধরণের বাথটাব ব্যবহার করা হয়।
  • বাথরুমের বেসিনের কল বিভিন্ন ধরণের, বিভিন্ন দামের পাওয়া যায়
  • অনেকে বাথরুমের গরম পানির জন্য গিজার ব্যবহার করে থাকেন।
  • অনেকে বাথরুমে ভেজা অংশ ও শুকনা অংশকে আলাদা করার ব্যবস্থা করে থাকেন
  • মডার্ন বাথরুমে মাল্টিমিডিয়া ব্যবস্থা থাকে

Card image cap
পলিশ নিয়ে কিছু কথা
engr.tushar - 17 Feb 2014

ফ্রেন্স পলিশ এবং স্প্রিট পলিশ এর মধ্যে বেশ পার্থক্য আছে। ফ্রেন্স পলিশ রেডিম্যড কিনতে পাওয়া যায়। আর স্প্রিট পলিশ বানাতে হয়। পলিশ কাঠকে দেখতে সুন্দর করে, চকচকে করে এবং কাঠের নিজস্ব রংটি দেখা যায়। কেননা পলিশ সাধারণত স্বচ্ছ হয়।   

সার্ফেস প্রিপারেশন

সার্ফেস অবশ্যই পরিস্কার করে হবে। সিরিজ কাগজ বা স্যান্ড পেপার দিয়ে ঘষে এর তলা তেলতেলে করতে হবে। এরপরে তুলা দিয়ে পরিস্কার করতে হবে যেন কোন ময়লা বা গুড়া না থাকে। যদি কাঠের মধ্যে কোন ছিদ্র থাকে তাহলে পুটি দিয়ে তা বন্ধ করতে হবে। এরপর উড ফিলার দিয়ে এর তলা ভালভাবে স্মুথ করতে হবে এবং গ্লাস পেপার দিয়ে উপরিভাগ পরিস্কার করতে হবে।

পলিশ দেওয়ার পদ্ধতি

  • সাদা কাপড় পলিশে ভিজিয়ে কাঠের তলাতে সুন্দরভাবে এবং সমভাবে ঘষতে হবে
  • তলা শুকানোর পর আবার আগের মত সমভাবে পলিশে ভেজা কাপড় দিয়ে ঘষতে হবে।
  • সবশেষে সাদা কাপড় হালকা স্প্রিটে ভিজিয়ে বৃত্তাগার গতিতে খুব দ্রুত ঘষতে হবে। এতে করে বেশ উজ্জল ও সুন্দর দেখাবে।
  • সবশেষে লেকার দিলে ভাল হবে। এতে পলিশের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পায় এবং সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি পায়।

পুরাতন কাজের উপর পলিশ

  • পুরাতন পলিশের উপর নতুন পলিশ করতে হলে প্রথমে তারপিন দিয়ে ময়লা উঠিয়ে ফেলতে হবে। এরপর স্যান্ড পেপার দিয়ে ভালভাবে ঘষতে হবে।
  • এরপার পলিশ রিমুভার দিয়ে পুরাতন পলিশ উঠিয়ে ফেলতে হবে।
  • এরপর নতুন পলিশের মত করে একই পদ্ধতিতে পলিশ করতে হবে

পলিশের সুবিধা

  • কাঠের ফার্নিচার যেমন ডাইনিং টেবিল, চেয়ার ইত্যাদি, মোট কথা দামি কাঠের তৈরি ফার্নিচারে এর ব্যবহার অপরিহার্য
  • অল্প মানুষের চলাচলের স্থানের উডেন ফ্লোরেও এর ব্যবহার করা হয়
  • 15-20 মিনিটে প্রতি কোট বা আস্তর পলিশ করা যায়। তাই একঘন্টাতেই পলিশের কাজ শেষ করা সম্ভব। সুতরাং সময় কম লাগে

অসুবিধা

  • পুরাতন পলিশের উপর করা যায় না। পুরাতন পলিশ উঠিয়ে তারপর করতে হয়
  • ইন্টেরিয়র বা ভেতরে স্থানে ব্যবহার উপযোগি, বাহিরে ব্যবহার করা যায় না।
  • টয়লেট, রান্নাঘর এর জন্য ব্যবহার করা যায় না।

Card image cap
ইঞ্জিনিয়ার বাবা ও তার শিশু সন্তানের কথোপকথন
engr.tushar - 14 Feb 2014

সভ্যতা যন্ত্রচালিত নাকি বিবেকচালিত সেই প্রশ্ন অবান্তর মনে হতে পারে । ছোট্ট ছেলে তার ব্যস্ত ইঞ্জিনিয়ার বাবার কাছে ;;;;

ছেলে : বাবা , তুমি এক ঘন্টায় কত টাকা আয় কর বাবা : (রাগতস্বরে) এটা তোমার জানার বিষয় নয় ।

ছেলে : প্লিজ বাবা , বল না ?

বাবা : মনে কর ১০০ টাকা ।

ছেলে : ওহ ! তুমি কি আমাকে ৫০ টাকা ধার দিত পার ?

বাবা : নিশ্চই তুমি কোন ফালতু খেলনা কেনার জন্য ৫০ টাকা নিতে চাও এবং এই জন্যই তুমি আমার প্রতি ঘন্টার আয় জানত চাচ্ছ বার বার । এসব ফাজলামি রেখে সোজা তোমার ঘরে যাও এবং ঘুমিয়ে পড় ।

ছোট্ট বাচ্চা ছেলেটি ধীরপায়ে তার ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিল । তার বাবার রাগ কিছু সময় পর আস্তে আস্তে কমে আসল । বাবা চিন্তা করতে লাগল বাচ্চাটার ৫০ টাকা হয়ত দরকার পড়েছে । কিছু হয়ত কিনবে । কখনও কিছু চায় না । সে বাচ্চা ছেলেটিকে ৫০ টাকা দেবার জন্য তার ঘরে গেল ।

বাবা : বাবা, ঘুমিয়ে পড়েছ ?

ছেলে : না বাবা ঘুমাই নি , জেগে আছি ।

বাবা :আমি তখন হুট করে রেগে গেছি , তার জন্য আমি সরি । এই নাও তোমার ৫০ টাকা ।

ছেলে : ধন্যবাদ বাবা । এরপর সে তার বালিশের তলা থেকে গোছানো আরও মোট ৫০ টাকা বর করে সব টাকা একসাথে করতে লাগল ।

বাবা : তোমার কাছে তো টাকা ছিলই আবার আমার কাছ থেক কেন নিলে ?

ছেলে : আমার কাছে কিছু টাকা জমানো ছিল কিন্তু সেটা তোমার এক ঘন্টা কেনার জন্য যথেষ্ট ছিল না । এখন আমার কাছে ১০০ টাকা আছে । আমি কি তোমার এক ঘন্টা সময় কিনতে পারি বাবা ? কাল অফিস থেক তাড়াতাড়ি ফিরে এস , আমরা একসাথে রাতে খাব ?

( সংগৃহীত)

Card image cap
কয়েক ধরণের এ.সি.
engr.tushar - 13 Feb 2014

ডাইকান কোম্পানির ছয় ধরণের এ.সি বেশি পরিচিত

1) ওয়াল টাইপ: 


  • আকারে ছোট
  • বেডরুম বা লিভিং রুমে ব্যবহার করা হয়

সুবিধা সমুহ :

  • আধুনিক
  • বিভিন্ন ডিজাইনের পাওয়া যায়
  • শব্দ কম হয়
  • সহজে ইন্সটল করা যায়

অসুবিধা:

  • খুব বেশি লোড নিতে পারে না। সারাদিন চলানো যায়না। কেননা এর কয়েল তুলনামুলক ছোট। কয়েল ছোট হওয়ার কারণে ময়লা বেশি জমে।

2) সিলিং বা ফ্লোর টাইপ: 

ছোট বা বড় দুই যায়গাতেই ব্যবহার করা যায়। যেমন বেডরুম, কনফারেন্স রুম, অফিস ইত্যাদি 

সুবিধা সমুহ : 

  • ফ্লোর এবং সিলিং দুই জায়গাতেই সেট করা যায়
  • যেকোন যায়গাতে লাগানো যায় এবং বাতাসের চলাচল ভাল হয়

অসুবিধা: 

  • বিভিন্ন ডিজাইন ও রঙের পাওয়া যায় না

3) প্যাকেজ টাইপ, দেখতে ক্যাবিনেটের মত


যেখানো মানুষের চলাচল বেশি সেখানে ব্যবহার করা হয়, যেমন দোকান, টয়লেট ইত্যাদি

সুবিধা সমুহ :

  • সহজে লাগানো যায়
  • এটা ফ্লোরে ইচ্ছামত বসানো যায় এবং সরানো যায় 

অসুবিধা :

  • খুব বেশি এরিয়াতে বাসাতের ফ্লো হয় না

4) বিল্ড-ইন টাইপ

যেখানে এসি লুকিয়ে রাখা দরকার বা দৃষ্টি গোচর করা যাবেনা, সেখানে ব্যবহার করা হয়।

ষুবিধা : 

  • সিলিং এর মধ্যে লুকিয়ে রাখা যায়। ইন্টেরিয়রের জন্য সুবিধাজনক

অসুবিধা সমুহ : 

  • মেইনটেইন করা অসুবিধা
  • ইন্সটল করা তুলনামুলক কঠিন

5)উইন্ডো টাইপ

দেয়ালের মধ্যৈ কেটে এইটা বসানো হয়

সুবিধা :

  • কন্ডেন্সিং ইউনিট না থাকার কারণে জায়গা কম লাগে
  • রেফ্রিজারেন্ট পাইপ না থাকার কারণে সহজে ইন্সটল করা যায়
  • পাইপ না থাকার কারণে তাপ বের হয় না, এর কারণে ঠান্ডা হওয়ার জন্য খুব কার্যকরি

অসুবিধা :

  • কম্প্রেসরের কারণে অনেক শব্দ হয়
  • দেয়ালে ভাইব্রেশন হয়

6) মুভেবল টাইপ

যেকোন যায়গাতে বসানো যায়

সুবিধা : 

  • ছোট
  • ইন্সটলেশনের প্রয়োজন নেই
  • ইনডোর বা আউটডোর দুই জায়গাতেই বসানো যায়।

অসুবিধা : 

  • শুধুমাত্র ছোট যায়গাতে কার্যকরি

Card image cap
কনস্ট্রাকশন সাইন
engr.tushar - 11 Feb 2014

বর্তমানে কনস্ট্রাকশন কাজে একটি কথার উপর গুরুত্ব দেয়া হয়।

" SAFETY FIRST"

এই সেইফটি বা নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বেশি যেই বিষয়টা দরকার, সেটা হলো সচেতনতা। আর সচেতনতার সবচেয়ে বড় পদ্ধতি হলো একই বিষয় বারবার বলা।

অথবা সাইনবোর্ড বা সাইন প্লেট এর মাধ্যমে সবার দৃষ্টি আকষর্ণের মাধ্যমে এই সচেতনতা বাড়ানো যায়।

তবে শুধু সচেতনতা দিয়েই হবে না, এর পাশাপাশি কিছু উপকরণও দরকার যেমন

  • চশমা
  • হেলমেট
  • সেইফটি জুতা
  • গ্লাফস
  • ইয়ার প্রটেকশন
  • ইত্যাদি

কিছু নমুনা নিচের লিংকে পাওয়া যাবে, তবে গুগলে খোঁজ করেও পাওয়া যাবে।

https://drive.google.com/folderview?id=0B0IPUHLYZ0gsRTVWU0NVSkRadWs&usp=drive_web

তবে আমরা খুব শিঘ্রই বাংলাতে আমাদের এখানে কিছু সাইনবোর্ড দিবো।

 

Card image cap
রি-ইনফোর্স বার চেইক করার বিষয়গুলি
engr.tushar - 10 Feb 2014
  • ড্রয়িং এর নাম্বার ও তারিখ ঠিক আছে
  • বার বেন্ডিং শিডিউল করা আছে
  • বর্তমান রডের সাথে নতুন রডের এলাইনমেন্ট ঠিক থাকতে হবে
  • বারের সাইজ ও স্পেসিং ড্রয়িং অনুসারে থাকতে হবে
  • ল্যাপিং লেন্থ ও পজিশন ঠিক আছে কিনা
  • বার ও সাটারিং পরিস্কার আছে কিনা
  • চেয়ার দেয়া আছে কিনা ঠিক মত
  • রি-ইনফোর্সমেন্ট এর ক্লিয়ার কভার ঠিক আছে কিনা দেখতে হবে
  • ক্লিয়ার কভারের জন্য ব্লক তৈরি আছে কিনা, এবং ব্লক ঠিকমত দেয়া হয়েছে কিনা
  • অতিরিক্ত রি-ইনফোর্সমেন্ট দেয়া হলে তার রেকর্ড রাখতে হবে এবং সাইন নিতে হবে
  • কন্সট্রাকশন জয়েন্ট ঠিক আছে কিনা রড বসানোর পুর্বেই তা চেক করে নিতে হবে
  • সেই বারের ডায়া যেখানে হবে, ড্রয়িং অনুসারে সেখানে থাকতে হবে
  • রিবারের টেষ্ট রেজাল্ট থাকতে হবে
  • 18 গেজ তার দিয়ে ঠিকমত রড বাধা হয়েছে কিনা তা ভালমত চেইক করতে হবে।
  • কোন পরিবর্তন থাকলে সেটা করা হযেছে কিনা দেখে নিতে হবে

Card image cap
সাইট মোবিলাইজেশন ও ভূমি জরিপ (অধ্যায় ৪)
engr.tushar - 08 Feb 2014

সাইট মোবিলাইজেশন প্রকৌশলীদের মধ্যে বহুল ব্যবহৃত শব্দ। বাংলা একাডেমীর অভিধান অনুযায়ী মোবিলাইজশব্দটির বাংলা অর্থ হলো-ব্যবহার বা দ্বায়িত্বে নিয়োজনের জন্য একত্র করা বা যুদ্ধার্থে সমবেত করা।প্রকৌশলীদের কাছে নির্মানাধীন যেকোন সাইট অনেকটা যুদ্ধক্ষেত্রের মতো। একটি ভবন নির্মাণ করতে বহু প্রতিকূল পরিবেশ-পরিস্থিতি পার হতে হয়। তাই যুদ্ধে জয়লাভের জন্য প্রয়োজন বিভিন্ন ধরণের লোকবল, মালামাল ও যন্ত্রপাতীর সমাবেশ। এই সমস্ত কিছুর একত্রীকরণই হলো সরঞ্জাম সন্নিবেশকরণ বা সাইট মোবিলাইজেশন।

বলা যায়, সাইট মোবিলাইজেশন হলো নির্মাণ কাজের প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই পর্যায়ের সাথে ভূমি জরিপ পর্যায়টি অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে জড়িত। এই ধাপ দুইটিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর প্রকৌশলীদের  নজর দিতে হয়- যেগুলোকে উপ-পর্যায় আকারে নিচে দেয়া হলো-

৪.১ সন্নিবেশকরণ বা সাইট মোবিলাইজেশনঃ

৪.১.১ এই সময় সাইট শুরু করার আগে কাজের তালিকানুযায়ী প্রয়োজনীয় মালামাল, জনবল, যন্ত্রপাতীর তালিকা তৈরী করতে হয় এবং সেই সমস্ত সরঞ্জামগুলো কে সাইটে একত্রিত করা হয়।

৪.১.২ প্রস্তাবিত ভবনের নকশা দেখে শ্রমিকদের থাকার ঘর ও বাথরূম বা টয়লেট, বিভিন্ন ধরণের মালামাল রাখার স্থান, স্টোররূম, অফিস ঘরের জন্য এমনভাবে জায়গা নির্ধারণ করা হয় যেন পরবর্তিতে ভবন নির্মানের ক্ষেত্রে কোনরকম অসুবিধা না হয়। জায়গা নির্বাচনের পরপরই ঐ সমস্ত ঘর নির্মাণ করে ফেলতে হয়।

৪.১.৩ এছাড়া নিরাপত্তার জন্য বেষ্টনী ও বিভিন্ন ধরণের সরকারি সেবা যেমনঃ বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাসের ব্যবস্থা করাও এই পর্যায়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ।  

৪.২ ভূমি জরিপঃ

৪.২.১ প্রস্তাবিত সাইটে কিভাবে বা কোন রাস্তা ব্যবহার করে মালামাল আসবে এবং সেই সব মালামাল প্রাথমিক অবস্থায় কোথায় নামানো হবে তা নির্ধারণ করা হয় এই পর্যায়ে।

৪.২.২ এই সময়ে প্রস্তাবিত সাইটে প্রাথমিক জরিপ করে দেখা হয় যে, আশেপাশের ভবন থেকে প্রস্তাবিত ভবনের দূরত্ব কতটুকু। সেই সাথে ঐ সমস্ত ভবনের ভিত্তি তল বা ফাউণ্ডেশন লেভেল বর্তমান ভূমি থেকে কত নিচে আছে তাও খতিয়ে দেখা হয়।  

৪.২.৩  প্রস্তাবিত সাইটের আশেপাশে কোথায় বা কতদূরে নালা বা নর্দমা আছে তা জরিপ করা হয়। বেজমেন্ট নির্মাণের জন্য এই সমস্ত তথ্য জানাটা খুবই জরুরী। কারণ,  পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নিলে বেজমেন্টের মাটি কাটার সময় এই সমস্ত নালা বা নর্দমা ভেঙ্গে গিয়ে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

৪.২.৪ এছাড়া ভূমির অভ্যন্তরে মাটি পরীক্ষার রিপোর্ট থেকে ভূমির অভ্যন্তরে পানির গভীরতা কতদূরে তা জেনে নেয়া হয় এবং সেই অনুযায়ী বেজমেন্ট নির্মাণের জন্য মাটি কাটার পদ্ধতি নির্ধারণ করতে হয়।

Card image cap
কনসিল বীম
Ashraful Haque - 06 Feb 2014

কনসীল বীম এর অন্য একটি নাম হলো হিডেন বীম। স্ল্যাবের সমান পুরুত্বের বীমকে কনসীল বীম বলা হয়ে থাকে।

মুলত ফ্লাট স্ল্যাবে কলাম বরাবর যেভাবে স্ট্রীপ চিন্তা করে অতিরিক্ত রিইনফোর্সমেন্ট দেয়া হয়, এমন চিন্তা থেকেই এই কনসীল বীমের ধারণা এসেছে। তবে ইঞ্জিনিয়ারিং এ এই কনসীল বীম হিসাবে আসলে তেমন কিছু নেই।

200 মিমি এর নিচের পুরত্বের কোন ছাদে এই জাতীয় বীম ব্যবহার করা উচিত না। তবে সবসময়ই এই কনসীল বীম পরিহার করে চলা উচিত।

যদি করতেও হয় তাহলে শুধু বীম নয়, পুরো স্ল্যাব সহ মডেলটি এনালাইসিস করতে হবে।

কনসীল বীমের জন্য কলামের পাঞ্চিং শেয়ার অবশ্যই চেক করে নিতে হবে। 

Card image cap
মাটি কাটার সময় লক্ষনীয় কিছু বিষয়
engr.tushar - 06 Feb 2014
  1. পয়:নিষ্কাশন, গ্যাস, ইলেকট্রিক , পানি সরবরাহ বা অন্য কোন দরকারি লাইন জমির মধ্যে দিয়ে আছে কিনা
  2. মাটি কাটার পুর্বে খনন জায়গা ঠিকমত প্রতিরোধক বা নিরাপত্তামুলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কিনা
  3. খনন করার জন্য নির্বাচিত স্থানের চতুর্দিকে নিরাপত্তা রেইলিং দেয়া আছে কিনা
  4. খননকৃত মাটি খননজায়গা থেকে কমপক্ষে এক মিটার দুরে রাখতে হবে
  5. ভারি মেশিন খনন জায়গা থেকে কমপক্ষে ছয় মিটার দুরে থাকতে হবে
  6. বিপদ-সংকেত মুলক সাইন বোর্ড থাকতে হবে খনন যায়গার প্রবেশের কাছে
  7. প্রবেশ ও বাহির হওয়ার জায়গা বা রাস্তা থাকতে হবে।
  8. যেই পর্যন্ত খনন করতে হবে, অর্থাৎ গভীরতা ঠিকমত যাচাই করতে হবে, বেশি বা কম যেন না হয়
  9. কোন লুজ মাটি থাকলে তা সরিয়ে ফেলতে হবে


Header
Info card title

www


Left
Center
Right