Card image cap
বিশ্বের সবচেয়ে বসবাসের ব্যয়বহুল শহর
engr.tushar - 04 Mar 2014

এতোদিন ধরে জাপানের টোকিও শহর ছিল সবচেয়ে ব্যায়বহুল শহর। এখানে থাকা-খাওয়া-চলাচল-কেনাকাটা সবকিছুই ছিল ব্যায় বহুল। কিন্তু এই প্রথম এই ব্যায়বহুল তালিকা থেকে ছিটকে পড়েছে এই শহরটি। এর জায়গাতে দখল করে নিয়েছে সিঙ্গাপুর। ইকোনোমিস্টের জরিপে ১৩১ দেশের মধ্যে সিঙ্গাপুরের স্থান প্রথম। এর পরেই আছে যথাক্রমে

  1. সিঙ্গাপুর
  2. প্যারিস
  3. অসলো
  4. জুরিক
  5. সিডনী
  6. ক্যারাকাস,জেনেভা, মেলবোর্ণ ও টোকিও
  7. কোপেনহেগেন
আর সবচেয়ে কম ব্যায়বহুল শহরের তালিকাতে আছে
  1. দামেস্ক ও কাঠমুন্ডু
  2. নয়াদিল্লী
  3. করাচী
  4. মুম্বাই
১৬০ টি দ্রব্য ও সার্ভিসের প্রায় ৪০০ মুল্যের উপর ভিত্তি করে এই তালিকা প্রণয়ন করা হয় বছরে দুইবার। খাদ্য, পানীয়, পোশাষাক, নিজস্ব জিনিষপত্র, বাড়ি ভাড়া, লেখা-পড়া, বিনোদন সহ বিভিন্ন ধরণের বিষয় থাকে এই খরচ হিসাবের তালিকাতে।

Card image cap
কি পরিমান লাইটের উজ্জ্বলতা প্রয়োজন
engr.tushar - 03 Mar 2014

বাসা বাড়ির বিভিন্ন অংশের জন্য লাইটের উজ্জলতার প্রয়োজন 

অংশউজ্জলতা ( লাক্স )
বাসা বাড়ি 
সাধারণ ঘর৫০
ড্রেসিংটেবিল সহ ঘর১৫০
রান্না ঘর২০০
ডাইনিং রুম১০০
সাধারণ গোসলখানা১০০
সেভিং, মেকাপ সহ গোসলখানা৩০০
সিড়ি ঘর১০০
লাউঞ্জ১০০
গ্যারেজ ও পোর্চ৭০
সেলাই এর ঘর৬০০
পড়ার জন্য১৫০
নিয়মিত পড়ার ঘর৩০০
হোটেল 
প্রবেশ হল১৫০
রিসিপশন বা অভ্যর্থনা৩০০
ডাইনিং রুম১০০
লাউঞ্জ১৫০
সাধারণ শোয়ার ঘর১০০
ড্রেসিং টেবিল, হেড বেড লাইট সহ শোয়ার ঘর১৫০
লেখার টেবিল৩০০
করিডর বা বারান্দা৭০
সিড়ি১০০
লন্ড্রি২০০
রান্না ঘর (খাদ্য সংরক্ষণ )১০০
রান্না ঘর (কাজের জায়গা )২৫০
লিফ্ট৭০
টয়লেট ও চেঞ্জরুম১০০
গোসলখানা১০০
গোসলখানা ও টয়লেটের আয়নার উপরে৩০০

Card image cap
বি.এন.বি.সি 93 অনুসারে পানির ট্যাংকের কিছু তথ্য
engr.tushar - 02 Mar 2014

Table 8.6.2

  Sizes of Storage Tank Drainage Pipes

Tank Capacity (V)

in Litres (l)

Diameter of Drainage Pipe

(mm)

 V  ≤ 2800

2800 < V  ≤ 5500

 5500 < V  ≤ 11000

11000 < V  ≤ 19000

19000 < V  ≤ 28000

 28000 <V

25

38

50

63

75

100

 Table 8.6.3

 Sizes of Overflow Pipes for Storage Tank

Maximum Discharge (Q) of Water Supply Pipe into Storage Tank

(l/min)

Diameter of Overflow Pipe

(mm)

Q  ≤  190

190 < Q  ≤  570

570 < Q  ≤  760

 760 < Q  ≤  1500

1500 < Q  ≤  2650

2650 < Q  ≤  3800

3800 < Q

50

63

75

100

125

150

200

Card image cap
পানি ব্যবহারের পরিমাণ
engr.tushar - 25 Feb 2014
 ব্যবহারের ধরণ বর্ণনাজনপ্রতি দৈণিক প্রয়োজন (লিটার)
পুর্ণ সুবিধাহিসাবি বা বাধাগ্রস্থ সুবিধা
আবাসিক

একক পরিবার

এপার্টমেন্ট বা বাসা

মেস, হোষ্টেল

সাধারণ আবাসিক বা নিম্নবিত্ত পরিবার

আবাসিক হোটেল

৪০০

২২৫

১৩৫

-

৩০০

১৩৫

১৩৫

৭০

৭০

১৩৫

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা (প্রাইমারি,হাইস্কুল,ইত্যাদি)

স্কুল পুর্ব (শিশু বা বাচ্চা)

৭০

৫০

৪৫

৩৫

প্রতিষ্ঠান

শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র

প্রাপ্ত বয়স্ক পরিচর্যা কেন্দ্র (সুস্থ মানুষ)

প্রাপ্ত বয়স্ক পরিচর্যা কেন্দ্র (পঙ্গু বা মানসিক অসুস্থ)

মানসিক পরিচর্যা কেন্দ্র

১৮০

১৮০

১২০

১২০

১০০

১০০

৭০

৭০

 স্বাস্থ্য সেবা

 সাধারণ

ইমার্জেন্সি বা নিবীড় পরিচর্যা

 ৪৫০

৩৫০

 ২২৫

১৩৫

 হল বা গ্যালারী

 বড় আকারের এবং সীট বা বসার জায়গা স্থায়ী

ছোট আকারের এবং সীট বা বসার জায়গা স্থায়ী

বড় আকারের এবং সীট বা বসার জায়গা অস্থায়ী

ছোট আকারের এবং সীট বা বসার জায়গা অস্থায়ী

খেলাধুলার সুবিধা সহ

 ৯০

৯০

 ৪৫

৪৫

 বাণিজ্যিক ভবন ও অফিস

 অফিস

ছোট দোকান ও মার্কেট

বড় দোকান ও মার্কেট

গ্যারেজ ও পেট্রোল স্টেশন

গুরুত্বপুর্ণ সেবা প্রতিষ্ঠান

 ৪৫

৪৫

৭০

৭০

৭০

 ৩০

৩০

৪৫

৪৫

৪৫

 ইন্ডাস্ট্রি বা কারখানা

 কম  ঝুঁকিপুর্ণ

মাঝারী ঝুঁকিপুর্ণ

 ৪০

৪০

 ২৫

২৫

 গুদাম

 কম অগ্নী ঝুঁকিপুর্ণ

মাঝারী অগ্নী ঝুঁকিপুর্ণ

 ১০

১০

 ৬

 ঝুঁকিপুর্ণ ভবন

 বিষ্ফোরক ঝুঁকিপুর্ণ

ক্যামিক্যাল ঝুঁকিপুর্ণ

 ৮

 ৫

Card image cap
আগুন প্রতিরোধ ক্ষমতার সময়সীমা
engr.tushar - 25 Feb 2014
কাঠামোর ধরণআগুন প্রতিরোধের সময়সীমা 

তিন ইঞ্চি ইটের দেয়াল

পাঁচ ইঞ্চি ইটের দেয়াল

দশ ইঞ্চি ইটের দেয়াল

পৌণে এক ঘন্ট

দেড় ঘন্টা

পাঁচ ঘন্ট

ছয় ইঞ্চি কংক্রিট দেয়াল

আট ইঞ্চি কংক্রিট দেয়াল

দশ  ইঞ্চি কংক্রিট দেয়াল

এক ফুট / বারো  ইঞ্চি কংক্রিট দেয়াল

তিন ঘন্টা

চার ঘন্টা

পাঁচ ঘন্টা

ছয় ঘন্টা

চার ইঞ্চি ছাদ ১৩ মিলি কভার

ছয় ইঞ্চি ছাদ ১৯ মিলি কভার

আট ইঞ্চি ছাদ ১৯ মিলি কভার

দশ ইঞ্চি ছাদ ২৫ মিলি কভার

এক ঘন্টা

আড়াই ঘন্টা

পৌণে চার ঘন্টা

পাঁচ ঘন্টা

দশ বাই দশ ইঞ্চি কলাম ২৫ মিলি কভার

বারো বাই বারো ইঞ্চি কলাম ২৫ মিলি কভার

 ষোল বাই ষোল ইঞ্চি কলাম ২৫ মিলি কভার

ষোল বাই ষোল ইঞ্চি কলাম ৫০ মিলি কভার

 তিন ঘন্টা

চার ঘন্টা

ছয় ঘন্টা

আট ঘন্টা

Card image cap
ফেব্রিকেশনের সময় লক্ষনীয়
engr.tushar - 25 Feb 2014

গ্রীল

  • প্রজেক্ট শেষ হওয়া পর্যন্ত স্যাম্পল গ্রীলটি রেখে দিতে হবে
  • সকল জয়েন্ট ঠিকমত ওয়েল্ডিং করা হয়েছে এবং গ্রিন্ডিং/ঘষে মসৃণ করা হযেছে তা দেখতে হবে
  • জিনক ক্রোমেট প্রাইমেট ব্যবহার করতে হবে, এটা সাধারণ রেড-অক্সাইড থেকে ভাল
  • লাগানোর পুর্বে এর সাইজ এবং ওজন ভালমত দেখে নিতে হবে
  • ড্রয়িং অনুসারে ঠিকমত সোজা থাকতে হবে (উলম্ব ও আনুভুমিক)
  • গ্রীল তিন ইঞ্চি পর্যন্ত দেয়ালের সাথে আটকাতে হবে এবং 1:2:4 কংক্রিট দিয়ে জ্যাম দিতে হবে

দরজার ক্ল্যাম্প

  • দরজার ক্ল্যাম্প সঠিক আছে কিনা দেখতে হবে। সোয়া ইঞ্চি চওড়া এবং ছয় মিলি ক্ল্যাম্প সাধারাণত ব্যবহার হয়ে থাকে
  • শুধু ব্ল্যাক-অক্সাইড স্ক্রু ব্যবহার করতে হবে ফ্রেমের সাথে ক্ল্যাম্প আটকানোর জন্য
  • ড্রয়িং অনুসারে অথবা ক্ল্যাম্পের প্রকৃতি অনুসারে ক্ল্যাম্পের সংখ্যা নির্বাচন করতে হবে

হ্যান্ড রেইল

  • স্যাম্পল রেইল বিল্ডিং শেষ হওয়া পর্যন্ত রাখতে হবে
  • সিড়ির ধাপে টাইলস বা অন্যকিছু ফিনিশিং করার আগে রেইলের বেইজ লাগাতে হবে
  • বেইজ প্লেট তিন ইঞ্চি ভেতরে ঢোকাতে হবে
  • যেখানে রেইল বাঁক নিবে, সেখানে যেন ধারালো বাঁক না হয় খেয়াল রাখতে হবে
  • এর আনুভুমিকতা ও উলম্বিকতা ভালমত পরীক্ষা করতে হবে
  • রেইল দৃঢ় হতে হবে
  • ভালমত ওয়েল্ডিং করতে হবে, এবং ঘষতে হবে
  • জিংক-অক্সাইড দিয়ে প্রাইমার দিতে হবে

 

Card image cap
রঙের সময় যা করা যাবে ও যাবে না
engr.tushar - 21 Feb 2014

করতে হবে:

  1. সার্ফেস বা তলা শুষ্ক থাকতে হবে.
  2. 120 নম্বর ওয়াটার পেপার দিয়ে ভালভাবে ঘষতে হবে। তারপর এটা ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। 
  3. বাহিরের পুরাতন রঙের উপর করার জন্য পুরাতন রঙ তুলে ফেলে পানি দিয়ে ভালভাবে মুছে ফেলতে হবে এবং দুই-তিনদিন রৌদ্রজ্বল দিনে শুকাতে হবে। 
  4. অভ্যন্তরের জন্য রেডিমিক্স পুটি ব্যবহার করতে হবে এবং বাহিরের জন্য সিমেন্ট বেজ পুটি ব্যবহার করতে হবে ফিলার হিসাবে। 
  5. সঠিক রঙের জন্য সঠিক থিনার ব্যবহার করতে হবে।
  6. রঙ ব্যবহারের পুর্বে ভালভাবে তা ঘুটে নিতে হবে
  7. ঘরের মধ্যে বাতাস ও আলো চলাচলের ব্যবস্থা রখতে হবে
  8. এক কোট  বা আস্তর থেকে অন্য আস্তরের মধ্যে যতটুকু সময় প্রয়োজন ততটুকু দিতে হবে। এই আস্তর সিলার,প্রাইমার,পুটি,অথবা রঙ যেকোন কিছু হতে পারে। 
  9. যেকোন রঙ ব্যবহারের পুর্বে এই রঙের নিয়মাবলী ভালভাবে জেনে নিতে হবে। 
  10. রঙের বালতি পুরাটা শেষ না হলে কাজের পর আবার ভালভাবে এর মুখ বন্ধ করতে হবে, যাতে করে এর মধ্যে বাতাস ঢুকতে না পারে। 
  11. রঙের গায়ে লেখা সময়ের মধ্যেই অবশ্যই রঙ ব্যবহার করে ফেলতে হবে। নাহলে পরে ব্যবহার করলে সেই রং স্থায়ী হবে না।

 

করা যাবে না:

  1. ড্যাম্প, স্যাঁতস্যাঁতে, নোনা স্থানে রঙের প্রলেপ বা আস্তর দেয়া যাবে না 
  2. পুর্ববর্তি আস্তর না শুকানো পর্যন্ত বা না রেডি হওয়া পর্যন্ত পরবর্তি আস্তর দেওয়া যাবে না। 
  3. রঙের সাথে প্রয়োজনীয় ও যথাযথ থিনার ছাড়া অন্য কোন কিছু মেশানো যাবে না। যেমন চকপাওডার,চুন ইত্যাদি মেশানো যাবে না। 
  4. কাজের পর ব্রাশ বা রোলার অবশ্যই থিনার দিয়ে বা পানি দিয়ে ভালভাবে ধুয়ে রাখতে হবে। 
  5. স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়াতে রঙের কাজ না করাই ভাল 
  6. রঙ অতিরিক্ত পাতলা করা যাবে না বা বেশি পরিমানে থিনার ব্যবহার করা যাবে না 
  7. রঙের কাজের সময় ধুমপান করা যাবে না। কেননা রঙ একটি দাহ্য পদার্থ। 
  8. রঙ এবং এর আনুসাঙ্গিক মালামাল আগুন থেকে দুরে রাখতে হবে। 
  9. শিশুদের নাগালের বাইরে রাখতে হবে রঙ, থিনার ও অন্যান্য পদার্থ 
  10. হাতে ভারী কিছু থাকা অবস্থায় রঙের কাজ করা যাবে না। 
  11. চোখের মধ্যে রঙের কোনকিছু গেলে অবশ্যই ভালভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে এবং ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। 
  12. রঙের কাজের সময় এবং কাজ শেষ হওয়ার সাথে সাথেই দরজা-জানালা বন্ধ করা যাবে না। ভেতরের গ্যাস বা গন্ধ না যাওয়া পর্যন্ত দরজা-জানালা বন্ধ রাখতে হবে। 
সুত্র: বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ

Card image cap
বাথরুম ও গোসলখানা
engr.tushar - 21 Feb 2014

বাথরুম বা গোসলখানা অতি গুরুত্বপুর্ণ একটি এরিয়া। কিন্তু আমাদের দেশে এই বাথরুম বেশ অবহেলিত। বাথরুম বা টয়লেট নিয়ে তেমন একটা চিন্তা কেউ করে না বললেই চলে। টয়লেট এর জন্য কয়েকটি গুরুত্বপুর্ণ বিষয় নিম্নে দেয়া হলো

  • বাথরুমের রং একটি গুরুত্বপুর্ণ বিষয়। সাদাটে রং হলে সেটা স্বাস্থ্য সম্মত হয়। কেননা তাহলে সহজে ময়লা চোখে পড়ে। সাদার সাথে কিছু নীল ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে চোখে প্রশান্তি আসে
  • বাথরুমে বাতাস ও আলো চলাচলের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকতে হবে। এতে করে বাথরুমে জিবাণু বাসা বাঁধতে পারে না।
  • বাথরুমের ফ্লোরে টাইলস ব্যবহার করা ফ্লোর টাইলস। হোমোজিনিয়াস টাইলসই সাধারণত ফ্লোরে ব্যবহার করা হয়। তবে সিরামিক টাইলসও অনেকে ব্যবহার করে থাকে
  • বাথরুমে বিভিন্ন ধরণের কেবিনেট ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে কেবিনেটে সাধারণ কাঠের পরিবর্তে মেরিন কাঠ ব্যবহার করলে ভাল। 
  • বর্তমানে শাওয়ার ডোর বা গোসল এর স্থানে আলাদা দরজা ব্যবহার বাড়ছে। এটি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়।
  • কাঁচের ঘরে তৈরি করে সেখানে গোসলের ব্যবস্থাও বর্তমানে করা হয়।সেই ক্ষেত্রে কাঁচের ঘরে পর্দা ব্যবহার করা হয়।
  • পেডাস্টাল , কেবিনেট ও কাউন্টার টাইপের বেসিন ব্যবহার করা হয়। বাথরুমের সাইজ, ধরণ ও বাজেটের উপর এই বেসিনের টাইপ নির্ভর করে।
  • বাথরুমে বিভিন্ন ধরণের বাথটাব ব্যবহার করা হয়।
  • বাথরুমের বেসিনের কল বিভিন্ন ধরণের, বিভিন্ন দামের পাওয়া যায়
  • অনেকে বাথরুমের গরম পানির জন্য গিজার ব্যবহার করে থাকেন।
  • অনেকে বাথরুমে ভেজা অংশ ও শুকনা অংশকে আলাদা করার ব্যবস্থা করে থাকেন
  • মডার্ন বাথরুমে মাল্টিমিডিয়া ব্যবস্থা থাকে

Card image cap
পলিশ নিয়ে কিছু কথা
engr.tushar - 17 Feb 2014

ফ্রেন্স পলিশ এবং স্প্রিট পলিশ এর মধ্যে বেশ পার্থক্য আছে। ফ্রেন্স পলিশ রেডিম্যড কিনতে পাওয়া যায়। আর স্প্রিট পলিশ বানাতে হয়। পলিশ কাঠকে দেখতে সুন্দর করে, চকচকে করে এবং কাঠের নিজস্ব রংটি দেখা যায়। কেননা পলিশ সাধারণত স্বচ্ছ হয়।   

সার্ফেস প্রিপারেশন

সার্ফেস অবশ্যই পরিস্কার করে হবে। সিরিজ কাগজ বা স্যান্ড পেপার দিয়ে ঘষে এর তলা তেলতেলে করতে হবে। এরপরে তুলা দিয়ে পরিস্কার করতে হবে যেন কোন ময়লা বা গুড়া না থাকে। যদি কাঠের মধ্যে কোন ছিদ্র থাকে তাহলে পুটি দিয়ে তা বন্ধ করতে হবে। এরপর উড ফিলার দিয়ে এর তলা ভালভাবে স্মুথ করতে হবে এবং গ্লাস পেপার দিয়ে উপরিভাগ পরিস্কার করতে হবে।

পলিশ দেওয়ার পদ্ধতি

  • সাদা কাপড় পলিশে ভিজিয়ে কাঠের তলাতে সুন্দরভাবে এবং সমভাবে ঘষতে হবে
  • তলা শুকানোর পর আবার আগের মত সমভাবে পলিশে ভেজা কাপড় দিয়ে ঘষতে হবে।
  • সবশেষে সাদা কাপড় হালকা স্প্রিটে ভিজিয়ে বৃত্তাগার গতিতে খুব দ্রুত ঘষতে হবে। এতে করে বেশ উজ্জল ও সুন্দর দেখাবে।
  • সবশেষে লেকার দিলে ভাল হবে। এতে পলিশের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পায় এবং সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি পায়।

পুরাতন কাজের উপর পলিশ

  • পুরাতন পলিশের উপর নতুন পলিশ করতে হলে প্রথমে তারপিন দিয়ে ময়লা উঠিয়ে ফেলতে হবে। এরপর স্যান্ড পেপার দিয়ে ভালভাবে ঘষতে হবে।
  • এরপার পলিশ রিমুভার দিয়ে পুরাতন পলিশ উঠিয়ে ফেলতে হবে।
  • এরপর নতুন পলিশের মত করে একই পদ্ধতিতে পলিশ করতে হবে

পলিশের সুবিধা

  • কাঠের ফার্নিচার যেমন ডাইনিং টেবিল, চেয়ার ইত্যাদি, মোট কথা দামি কাঠের তৈরি ফার্নিচারে এর ব্যবহার অপরিহার্য
  • অল্প মানুষের চলাচলের স্থানের উডেন ফ্লোরেও এর ব্যবহার করা হয়
  • 15-20 মিনিটে প্রতি কোট বা আস্তর পলিশ করা যায়। তাই একঘন্টাতেই পলিশের কাজ শেষ করা সম্ভব। সুতরাং সময় কম লাগে

অসুবিধা

  • পুরাতন পলিশের উপর করা যায় না। পুরাতন পলিশ উঠিয়ে তারপর করতে হয়
  • ইন্টেরিয়র বা ভেতরে স্থানে ব্যবহার উপযোগি, বাহিরে ব্যবহার করা যায় না।
  • টয়লেট, রান্নাঘর এর জন্য ব্যবহার করা যায় না।

Card image cap
ইঞ্জিনিয়ার বাবা ও তার শিশু সন্তানের কথোপকথন
engr.tushar - 14 Feb 2014

সভ্যতা যন্ত্রচালিত নাকি বিবেকচালিত সেই প্রশ্ন অবান্তর মনে হতে পারে । ছোট্ট ছেলে তার ব্যস্ত ইঞ্জিনিয়ার বাবার কাছে ;;;;

ছেলে : বাবা , তুমি এক ঘন্টায় কত টাকা আয় কর বাবা : (রাগতস্বরে) এটা তোমার জানার বিষয় নয় ।

ছেলে : প্লিজ বাবা , বল না ?

বাবা : মনে কর ১০০ টাকা ।

ছেলে : ওহ ! তুমি কি আমাকে ৫০ টাকা ধার দিত পার ?

বাবা : নিশ্চই তুমি কোন ফালতু খেলনা কেনার জন্য ৫০ টাকা নিতে চাও এবং এই জন্যই তুমি আমার প্রতি ঘন্টার আয় জানত চাচ্ছ বার বার । এসব ফাজলামি রেখে সোজা তোমার ঘরে যাও এবং ঘুমিয়ে পড় ।

ছোট্ট বাচ্চা ছেলেটি ধীরপায়ে তার ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিল । তার বাবার রাগ কিছু সময় পর আস্তে আস্তে কমে আসল । বাবা চিন্তা করতে লাগল বাচ্চাটার ৫০ টাকা হয়ত দরকার পড়েছে । কিছু হয়ত কিনবে । কখনও কিছু চায় না । সে বাচ্চা ছেলেটিকে ৫০ টাকা দেবার জন্য তার ঘরে গেল ।

বাবা : বাবা, ঘুমিয়ে পড়েছ ?

ছেলে : না বাবা ঘুমাই নি , জেগে আছি ।

বাবা :আমি তখন হুট করে রেগে গেছি , তার জন্য আমি সরি । এই নাও তোমার ৫০ টাকা ।

ছেলে : ধন্যবাদ বাবা । এরপর সে তার বালিশের তলা থেকে গোছানো আরও মোট ৫০ টাকা বর করে সব টাকা একসাথে করতে লাগল ।

বাবা : তোমার কাছে তো টাকা ছিলই আবার আমার কাছ থেক কেন নিলে ?

ছেলে : আমার কাছে কিছু টাকা জমানো ছিল কিন্তু সেটা তোমার এক ঘন্টা কেনার জন্য যথেষ্ট ছিল না । এখন আমার কাছে ১০০ টাকা আছে । আমি কি তোমার এক ঘন্টা সময় কিনতে পারি বাবা ? কাল অফিস থেক তাড়াতাড়ি ফিরে এস , আমরা একসাথে রাতে খাব ?

( সংগৃহীত)

Card image cap
কয়েক ধরণের এ.সি.
engr.tushar - 13 Feb 2014

ডাইকান কোম্পানির ছয় ধরণের এ.সি বেশি পরিচিত

1) ওয়াল টাইপ: 


  • আকারে ছোট
  • বেডরুম বা লিভিং রুমে ব্যবহার করা হয়

সুবিধা সমুহ :

  • আধুনিক
  • বিভিন্ন ডিজাইনের পাওয়া যায়
  • শব্দ কম হয়
  • সহজে ইন্সটল করা যায়

অসুবিধা:

  • খুব বেশি লোড নিতে পারে না। সারাদিন চলানো যায়না। কেননা এর কয়েল তুলনামুলক ছোট। কয়েল ছোট হওয়ার কারণে ময়লা বেশি জমে।

2) সিলিং বা ফ্লোর টাইপ: 

ছোট বা বড় দুই যায়গাতেই ব্যবহার করা যায়। যেমন বেডরুম, কনফারেন্স রুম, অফিস ইত্যাদি 

সুবিধা সমুহ : 

  • ফ্লোর এবং সিলিং দুই জায়গাতেই সেট করা যায়
  • যেকোন যায়গাতে লাগানো যায় এবং বাতাসের চলাচল ভাল হয়

অসুবিধা: 

  • বিভিন্ন ডিজাইন ও রঙের পাওয়া যায় না

3) প্যাকেজ টাইপ, দেখতে ক্যাবিনেটের মত


যেখানো মানুষের চলাচল বেশি সেখানে ব্যবহার করা হয়, যেমন দোকান, টয়লেট ইত্যাদি

সুবিধা সমুহ :

  • সহজে লাগানো যায়
  • এটা ফ্লোরে ইচ্ছামত বসানো যায় এবং সরানো যায় 

অসুবিধা :

  • খুব বেশি এরিয়াতে বাসাতের ফ্লো হয় না

4) বিল্ড-ইন টাইপ

যেখানে এসি লুকিয়ে রাখা দরকার বা দৃষ্টি গোচর করা যাবেনা, সেখানে ব্যবহার করা হয়।

ষুবিধা : 

  • সিলিং এর মধ্যে লুকিয়ে রাখা যায়। ইন্টেরিয়রের জন্য সুবিধাজনক

অসুবিধা সমুহ : 

  • মেইনটেইন করা অসুবিধা
  • ইন্সটল করা তুলনামুলক কঠিন

5)উইন্ডো টাইপ

দেয়ালের মধ্যৈ কেটে এইটা বসানো হয়

সুবিধা :

  • কন্ডেন্সিং ইউনিট না থাকার কারণে জায়গা কম লাগে
  • রেফ্রিজারেন্ট পাইপ না থাকার কারণে সহজে ইন্সটল করা যায়
  • পাইপ না থাকার কারণে তাপ বের হয় না, এর কারণে ঠান্ডা হওয়ার জন্য খুব কার্যকরি

অসুবিধা :

  • কম্প্রেসরের কারণে অনেক শব্দ হয়
  • দেয়ালে ভাইব্রেশন হয়

6) মুভেবল টাইপ

যেকোন যায়গাতে বসানো যায়

সুবিধা : 

  • ছোট
  • ইন্সটলেশনের প্রয়োজন নেই
  • ইনডোর বা আউটডোর দুই জায়গাতেই বসানো যায়।

অসুবিধা : 

  • শুধুমাত্র ছোট যায়গাতে কার্যকরি

Card image cap
কনস্ট্রাকশন সাইন
engr.tushar - 11 Feb 2014

বর্তমানে কনস্ট্রাকশন কাজে একটি কথার উপর গুরুত্ব দেয়া হয়।

" SAFETY FIRST"

এই সেইফটি বা নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বেশি যেই বিষয়টা দরকার, সেটা হলো সচেতনতা। আর সচেতনতার সবচেয়ে বড় পদ্ধতি হলো একই বিষয় বারবার বলা।

অথবা সাইনবোর্ড বা সাইন প্লেট এর মাধ্যমে সবার দৃষ্টি আকষর্ণের মাধ্যমে এই সচেতনতা বাড়ানো যায়।

তবে শুধু সচেতনতা দিয়েই হবে না, এর পাশাপাশি কিছু উপকরণও দরকার যেমন

  • চশমা
  • হেলমেট
  • সেইফটি জুতা
  • গ্লাফস
  • ইয়ার প্রটেকশন
  • ইত্যাদি

কিছু নমুনা নিচের লিংকে পাওয়া যাবে, তবে গুগলে খোঁজ করেও পাওয়া যাবে।

https://drive.google.com/folderview?id=0B0IPUHLYZ0gsRTVWU0NVSkRadWs&usp=drive_web

তবে আমরা খুব শিঘ্রই বাংলাতে আমাদের এখানে কিছু সাইনবোর্ড দিবো।