Card image cap
রি-ইনফোর্স বার চেইক করার বিষয়গুলি
engr.tushar - 10 Feb 2014
  • ড্রয়িং এর নাম্বার ও তারিখ ঠিক আছে
  • বার বেন্ডিং শিডিউল করা আছে
  • বর্তমান রডের সাথে নতুন রডের এলাইনমেন্ট ঠিক থাকতে হবে
  • বারের সাইজ ও স্পেসিং ড্রয়িং অনুসারে থাকতে হবে
  • ল্যাপিং লেন্থ ও পজিশন ঠিক আছে কিনা
  • বার ও সাটারিং পরিস্কার আছে কিনা
  • চেয়ার দেয়া আছে কিনা ঠিক মত
  • রি-ইনফোর্সমেন্ট এর ক্লিয়ার কভার ঠিক আছে কিনা দেখতে হবে
  • ক্লিয়ার কভারের জন্য ব্লক তৈরি আছে কিনা, এবং ব্লক ঠিকমত দেয়া হয়েছে কিনা
  • অতিরিক্ত রি-ইনফোর্সমেন্ট দেয়া হলে তার রেকর্ড রাখতে হবে এবং সাইন নিতে হবে
  • কন্সট্রাকশন জয়েন্ট ঠিক আছে কিনা রড বসানোর পুর্বেই তা চেক করে নিতে হবে
  • সেই বারের ডায়া যেখানে হবে, ড্রয়িং অনুসারে সেখানে থাকতে হবে
  • রিবারের টেষ্ট রেজাল্ট থাকতে হবে
  • 18 গেজ তার দিয়ে ঠিকমত রড বাধা হয়েছে কিনা তা ভালমত চেইক করতে হবে।
  • কোন পরিবর্তন থাকলে সেটা করা হযেছে কিনা দেখে নিতে হবে

Card image cap
সাইট মোবিলাইজেশন ও ভূমি জরিপ (অধ্যায় ৪)
engr.tushar - 08 Feb 2014

সাইট মোবিলাইজেশন প্রকৌশলীদের মধ্যে বহুল ব্যবহৃত শব্দ। বাংলা একাডেমীর অভিধান অনুযায়ী মোবিলাইজশব্দটির বাংলা অর্থ হলো-ব্যবহার বা দ্বায়িত্বে নিয়োজনের জন্য একত্র করা বা যুদ্ধার্থে সমবেত করা।প্রকৌশলীদের কাছে নির্মানাধীন যেকোন সাইট অনেকটা যুদ্ধক্ষেত্রের মতো। একটি ভবন নির্মাণ করতে বহু প্রতিকূল পরিবেশ-পরিস্থিতি পার হতে হয়। তাই যুদ্ধে জয়লাভের জন্য প্রয়োজন বিভিন্ন ধরণের লোকবল, মালামাল ও যন্ত্রপাতীর সমাবেশ। এই সমস্ত কিছুর একত্রীকরণই হলো সরঞ্জাম সন্নিবেশকরণ বা সাইট মোবিলাইজেশন।

বলা যায়, সাইট মোবিলাইজেশন হলো নির্মাণ কাজের প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই পর্যায়ের সাথে ভূমি জরিপ পর্যায়টি অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে জড়িত। এই ধাপ দুইটিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর প্রকৌশলীদের  নজর দিতে হয়- যেগুলোকে উপ-পর্যায় আকারে নিচে দেয়া হলো-

৪.১ সন্নিবেশকরণ বা সাইট মোবিলাইজেশনঃ

৪.১.১ এই সময় সাইট শুরু করার আগে কাজের তালিকানুযায়ী প্রয়োজনীয় মালামাল, জনবল, যন্ত্রপাতীর তালিকা তৈরী করতে হয় এবং সেই সমস্ত সরঞ্জামগুলো কে সাইটে একত্রিত করা হয়।

৪.১.২ প্রস্তাবিত ভবনের নকশা দেখে শ্রমিকদের থাকার ঘর ও বাথরূম বা টয়লেট, বিভিন্ন ধরণের মালামাল রাখার স্থান, স্টোররূম, অফিস ঘরের জন্য এমনভাবে জায়গা নির্ধারণ করা হয় যেন পরবর্তিতে ভবন নির্মানের ক্ষেত্রে কোনরকম অসুবিধা না হয়। জায়গা নির্বাচনের পরপরই ঐ সমস্ত ঘর নির্মাণ করে ফেলতে হয়।

৪.১.৩ এছাড়া নিরাপত্তার জন্য বেষ্টনী ও বিভিন্ন ধরণের সরকারি সেবা যেমনঃ বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাসের ব্যবস্থা করাও এই পর্যায়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ।  

৪.২ ভূমি জরিপঃ

৪.২.১ প্রস্তাবিত সাইটে কিভাবে বা কোন রাস্তা ব্যবহার করে মালামাল আসবে এবং সেই সব মালামাল প্রাথমিক অবস্থায় কোথায় নামানো হবে তা নির্ধারণ করা হয় এই পর্যায়ে।

৪.২.২ এই সময়ে প্রস্তাবিত সাইটে প্রাথমিক জরিপ করে দেখা হয় যে, আশেপাশের ভবন থেকে প্রস্তাবিত ভবনের দূরত্ব কতটুকু। সেই সাথে ঐ সমস্ত ভবনের ভিত্তি তল বা ফাউণ্ডেশন লেভেল বর্তমান ভূমি থেকে কত নিচে আছে তাও খতিয়ে দেখা হয়।  

৪.২.৩  প্রস্তাবিত সাইটের আশেপাশে কোথায় বা কতদূরে নালা বা নর্দমা আছে তা জরিপ করা হয়। বেজমেন্ট নির্মাণের জন্য এই সমস্ত তথ্য জানাটা খুবই জরুরী। কারণ,  পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নিলে বেজমেন্টের মাটি কাটার সময় এই সমস্ত নালা বা নর্দমা ভেঙ্গে গিয়ে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

৪.২.৪ এছাড়া ভূমির অভ্যন্তরে মাটি পরীক্ষার রিপোর্ট থেকে ভূমির অভ্যন্তরে পানির গভীরতা কতদূরে তা জেনে নেয়া হয় এবং সেই অনুযায়ী বেজমেন্ট নির্মাণের জন্য মাটি কাটার পদ্ধতি নির্ধারণ করতে হয়।

Card image cap
কনসিল বীম
Ashraful Haque - 06 Feb 2014

কনসীল বীম এর অন্য একটি নাম হলো হিডেন বীম। স্ল্যাবের সমান পুরুত্বের বীমকে কনসীল বীম বলা হয়ে থাকে।

মুলত ফ্লাট স্ল্যাবে কলাম বরাবর যেভাবে স্ট্রীপ চিন্তা করে অতিরিক্ত রিইনফোর্সমেন্ট দেয়া হয়, এমন চিন্তা থেকেই এই কনসীল বীমের ধারণা এসেছে। তবে ইঞ্জিনিয়ারিং এ এই কনসীল বীম হিসাবে আসলে তেমন কিছু নেই।

200 মিমি এর নিচের পুরত্বের কোন ছাদে এই জাতীয় বীম ব্যবহার করা উচিত না। তবে সবসময়ই এই কনসীল বীম পরিহার করে চলা উচিত।

যদি করতেও হয় তাহলে শুধু বীম নয়, পুরো স্ল্যাব সহ মডেলটি এনালাইসিস করতে হবে।

কনসীল বীমের জন্য কলামের পাঞ্চিং শেয়ার অবশ্যই চেক করে নিতে হবে। 

Card image cap
মাটি কাটার সময় লক্ষনীয় কিছু বিষয়
engr.tushar - 06 Feb 2014
  1. পয়:নিষ্কাশন, গ্যাস, ইলেকট্রিক , পানি সরবরাহ বা অন্য কোন দরকারি লাইন জমির মধ্যে দিয়ে আছে কিনা
  2. মাটি কাটার পুর্বে খনন জায়গা ঠিকমত প্রতিরোধক বা নিরাপত্তামুলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কিনা
  3. খনন করার জন্য নির্বাচিত স্থানের চতুর্দিকে নিরাপত্তা রেইলিং দেয়া আছে কিনা
  4. খননকৃত মাটি খননজায়গা থেকে কমপক্ষে এক মিটার দুরে রাখতে হবে
  5. ভারি মেশিন খনন জায়গা থেকে কমপক্ষে ছয় মিটার দুরে থাকতে হবে
  6. বিপদ-সংকেত মুলক সাইন বোর্ড থাকতে হবে খনন যায়গার প্রবেশের কাছে
  7. প্রবেশ ও বাহির হওয়ার জায়গা বা রাস্তা থাকতে হবে।
  8. যেই পর্যন্ত খনন করতে হবে, অর্থাৎ গভীরতা ঠিকমত যাচাই করতে হবে, বেশি বা কম যেন না হয়
  9. কোন লুজ মাটি থাকলে তা সরিয়ে ফেলতে হবে

Card image cap
নির্মাণ কাজের পর্যায়ক্রমিক ধাপ (অধ্যায়-৩)
engr.tushar - 06 Feb 2014

ইংরেজীতে একটা কথা আছে-“A stitch in time saves nine” অর্থ্যাৎ কিনা যাকে বলে সময়ের এক ফোঁড় আর অসময়ের দশ ফোঁড়। জীবনের চলার পথে মানুষকে প্রতিটি কাজ সঠিক সময়ে সঠিক ক্রমানুসারে করতে হয়। না হলে পা পিছলে আছাড় খাবার ভয় থাকে। সেরকমই শুধু ইটের পর ইট গাঁথলে বাড়ি তৈরী হয় না। এর জন্য প্রয়োজন বিভিন্ন ধরণের কর্মকান্ড। কোনো কোনো কাজ শুরু হয় আরেকটি কাজ শেষ হবার পর আবার কোনো কোনোটি আরেকটি কাজের সাথে সমান্তরালে চলতে থাকে। কোন কাজ কখন শুরু হবে তা নির্ধারণের জন্য আসলে একটি নির্মানক্রমের প্রয়োজন হয়। এই নির্মানক্রম কে ইংরেজিতে প্রকৌশলীরা ‘কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স’ বলে থাকেন।

মোটা দাগে বলতে গেলে বাড়ি তৈরীর নির্মানক্রম কে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। একটিকে কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজ আর অন্যটিকে সৌন্দর্য বর্ধণ বা ফিনিশিং কাজ বলা হয়ে থাকে। এই দুই অংশ কে কয়েকটি ধাপে বা পর্যায়ে ভাগ করা যেতে পারে-

ক) কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজ



পর্যায় ১- সরঞ্জাম সন্নিবেশ বা সাইট মোবিলাইজেশন

পর্যায় ২- ভূমি জরিপ ও ভূগর্ভস্থ মাটি পরীক্ষা

পর্যায় ৩-আর্কিটেকচারাল, স্ট্রাকচারাল, প্লাম্বিং এবং ইলেকট্রিক্যাল নকশা চুড়ান্ত করা।

পর্যায় ৪- ভবনের লে-আউট ও লেভেল দেয়া

পর্যায় ৫- পাইলিং করা (যদি প্রয়োজন হয়) ও মাটি কাটা

পর্যায় ৬- ফাউন্ডেশনের নিচে ব্লাইন্ড বা লীন কংক্রীট ঢালাই ও ইটের সোলিং করা

পর্যায় ৭-ফাউন্ডেশন ঢালাই

পর্যায় ৮-কলাম ঢালাই

পর্যায় ৯-বীম ও ছাদ ঢালাই

পর্যায় ১০-মেঝেতে ইটের লে-আউট দেয়া

পর্যায় ১১-ইটের গাঁথুনী করা

খ-সৌন্দর্য বর্ধণ বা ফিনিশিং কাজ



পর্যায় ১- দরজার চৌকাঠ লাগানো

পর্যায় ২- জানালার গ্রীল লাগানো

পর্যায় ৩-বাথরূম ও কিচেন সহ ছাদের বাগানের স্যানিটারী ও প্লাম্বিং এর সব ধরণের পাইপ ফিটিং করা

পর্যায় ৪-বৈদ্যুতিক সুইচবোর্ডের দেওয়ালের ভিতরের অংশ লাগানো

পর্যায় ৫- ভিতরের প্লাষ্টার করা

পর্যায় ৬- বাইরের দিকের প্লাষ্টার করা

পর্যায় ৭-কিচেন ও বাথরূমের বেসিন বা সিঙ্কের স্ল্যাব ঢালাই ও কনসিল অংশ লাগানো

পর্যায় ৮-থাই-এলুমিনিয়াম জানালা বা দরজা লাগানো (গ্লাস সহ)

পর্যায় ৯- বাথরূম ও কিচেনের দেওয়ালের টাইলস লাগানো

পর্যায় ১০- সিলিং রং এর ১ম কোট দেয়া (সিলার বা পুটি সহ)

পর্যায় ১১- ঘরের ভিতরে বা বাইরে মেঝেতে ও সিড়িতে বা লিফটের দেওয়ালে টাইলস বা মার্বেল লাগানো

পর্যায় ১২- বৈদ্যুতিক তার টানা

পর্যায় ১৩- বাইরের ও ভিতরের দেওয়ালের রং এর ১ম কোট দেয়া

পর্যায় ১৪- দরজার পাল্লা ফিটিং করা

পর্যায় ১৫- বাথরূম ও কিচেনের ফিটিংস লাগানো

পর্যায় ১৬- বৈদ্যুতিক সুইচ বা সকেট লাগানো

পর্যায় ১৭-টাইলসের পয়েন্টিং করা

পর্যায় ১৮-ছাদের উপরের বাগান মাটি ভরা ও সুইমিং পুলের টাইলস লাগনো

পর্যায় ১৯-বেজমেন্ট বা ছাদের উপর পেটেন স্টোন করা

পর্যায় ২০-কাঠের বার্নিশ ও দেওয়ালের চুড়ান্ত রং করা

Card image cap
শাবিপ্রবির ড্রোন আকাশে
engr.tushar - 31 Jan 2014

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আকাশে পরীক্ষা মূলকভাবে ড্রোন থেকে ছবি তোলা হয়েছে।

নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি চালকবিহীন বিমান (ড্রোন)-এর সফল পরীক্ষা চালালেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।


Card image cap
সাটারিং এর কিছু লক্ষণীয়
engr.tushar - 28 Jan 2014

Image result for form work

সাটারিং

  • সাটারিং ম্যাটেরিয়াল নতুন / পুরাতন
  • রিপেয়ার / মেরামত করা হয়েছে
  • সাটার পরিস্কার করা হয়েছে
  • সাটার তেল দেয়া হয়েছে
  • সাটার ফিট করা বা লাগানো
  • সটারের ডিজাইন ঠিক করা হযেছে
  • লাইন, লেভেল ও দৃঢ়তা ঠিক আছে
  • প্রপস ঠিকমত লাগানো হয়েছে
  • এক্রো স্প্যান ঠিক আছে কিনা
  • ব্রেসিং ঠিকমত করা আছে কিনা, (স্কাফোল্ডিং বা প্রপস এর গুলি)
  • সাটারের কোন ছিদ্র থাকলে তা ঠিকমত বন্ধ করা হয়েছে
  • দুই সাটারের জয়েন্টে ফোম দেয়া হয়েছে কিনা
  • সটার ক্লিপ, U-Head , রানার ঠিক মত লাগানো হয়েছে

সাটারের অপসারণের পর

  • কংক্রিট এর সার্ফেস সুন্দর আছে, মসৃণ আছে
  • কোথাও কোন মেরামত প্রয়োজন আছে কি ?

Card image cap
প্লেইন কংক্রিট ঢালাই এর সময় লক্ষনীয়
engr.tushar - 25 Jan 2014

খেয়াল রাখতে হবে

  • সার্ফেস ঠিক আছে
  • ড্রয়িং অনুসারে লেভেল ও মার্কিং
  • ফর্ম ওয়ার্ক বা শাটার
  • ফিনিশ লেভেল
  • সিমেন্ট, বালি ও এগ্রিগেটের মিশ্রন অনুপাত
  • ঢালার স্থানের উচ্চতা এক মিটারের বেশি হবে না
  • ভাল ফিনিশিং এর জন্য এর উপরে আলাদা সিমেন্টের গোলা দেয়া যাবে না
  • এগ্রিগেটের টেষ্ট রিপোর্ট বা গুনাগুন
  • উপযুক্ত যন্ত্রপাতি দিয়ে এর সার্ফেস ঠিক করতে হবে
  • কংক্রিটের থিকনেস বা পুরুত্ব ঠিক আছে
  • কিউরিং ঠিক মত হচ্ছে

Card image cap
দরজা জানালার রঙের পূর্বে দেখে নিন
engr.tushar - 25 Jan 2014

দরজা জানালার রঙের পূর্বে দেখে নিন

  • দরজার ও জানালার সাটার ঠিকমত কাজ করছে
  • দরজা ও জানালার ফ্রেম লম্ব বা শলে আছে
  • সাটার ও ফ্রেমে কোন ক্র্যাক আছে
  • প্রাইমারি আস্তার দেয়া আছে
  • প্রাইমারি আস্তর এর পর কোন ক্যাক থাকলে পুটি মারতে হবে
  • যেই রং দেওয়া আছে সেটার অনুমোদন আছে কিনা

Card image cap
ঢাকা বসবাসের সবচেয়ে অযোগ্য শহর
engr.tushar - 22 Jan 2014

বিশ্বে বসবাসের সবচেয়ে অযোগ্য শহর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। গত বছরও এই মন্দ তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল দ্বিতীয়।
বসবাসের অযোগ্যতার দিক দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শহরের একটি তালিকা তৈরি করেছে ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিট। অপরাধের মাত্রা, সংঘাতের ঝুঁকি, স্বাস্থ্যসেবার মান, বাধানিষেধের মাত্রা, তাপমাত্রা এবং বিদ্যালয় ও যোগাযোগব্যবস্থা বিবেচনায় নিয়ে মূল্যায়ন করা হয়েছে শহরগুলোর বসবাসের ভালো-মন্দ দিক। এসব বিষয়ের ওপর মোট ১০০ পয়েন্টের সূচকের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে তালিকা।
সর্বনিম্ন ৩৮ দশমিক ৭ পয়েন্ট পেয়ে সবচেয়ে অযোগ্য শহর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে ঢাকা। এরপর আছে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ দেশ পাপুয়া নিউগিনির পোর্ট মোরেসবাই শহর। এই শহরটি পেয়েছে ৩৯ দশমিক ৯ পয়েন্ট।
এরপর পর্যায়ক্রমে আছে নাইজেরিয়ার লাগোস (৩৯), জিম্বাবুয়ের হারারে (৩৯.৪), আলজেরিয়ার আলজিয়ার্স (৪০.৯), পাকিস্তানের করাচি (৪০.৯), লিবিয়ার ত্রিপোলি (৪২.৮), ক্যামেরুনের দৌয়ালা (৪৩.৩), ইরানের তেহরান (৪৫.৮) ও আইভরি কোস্টের আবিদজান (৪৫.৯) শহর।

Card image cap
ভাড়া দেয়ার পুর্বে ভাড়াটিয়ার সাথে চেইক করে নিন
engr.tushar - 21 Jan 2014

চুক্তি নামা : নিচের বিষয়গুলি চুক্তিনামাতে উল্লেখ থাকতে হবে।

  • তারিখ
  • বাড়ির মালিক ও ভাড়াটিয়ার নাম
  • বাড়ির ঠিকানা
  • ভাড়ার নিয়মাবলী
  • ভাড়ার মুল্য বা টাকার পরিমাণ
  • সিকিউরিটি মানি / ডিপোজিট

এডভান্স ভাড়া: অনেক সময় অগ্রীম ভাড়াও নেয়া হয়ে থাকে। এক থেকে তিন মাস পর্যন্ত সাধারাণত ভাড়া এডভান্স হয়ে থাকে। সিকিউরিটি মানি ফেরতযোগ্য। বাড়ির কোন ক্ষতি হলে বাড়ির মালিক এই ভাড়া কেটে রাখতে পারবেন।

চাবি: এটি খুব গুরুত্বপুর্ন। ভাড়াটিয়াকে চাবি বুঝিয়ে দিতে হবে এবং প্রতিটি চাবির সাথে ট্যাগ লাগাতে হবে। যেমন প্রধাণ ফটক, বেড-১, স্টৌর, ইত্যাদি। 

মিটার রিডিং: ভাড়া দেয়া-নেয়ার সময় ইলেক্ট্রিক মিটার এর রিডিং অবশ্যই দুই পক্ষকেই লিখে রাখতে হবে। প্রতি ভাড়াটিয়ার জন্য অবশ্যই আলাদা আলাদা মিটার থাকতে হবে। 

অন্যান্য: ভাড়াটিয়াকে বাড়িওয়ালার কিছু যন্ত্রপাতি সম্পর্কে বলে দিতে হবে। যেমন গিজার, পানির মিটার, ইলেক্ট্রিক লাইন, ইত্যাদি। ভাড়াটিয়া দেখে নিবে যে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা আছে কিনা, উভয় পক্ষের মোবাইল নাম্বার উভয় পক্ষের কাছে থাকতে হবে। 

আশেপাশের পরিবেশ সম্পর্কে ভাড়াটিয়ার খবর নেওয়া উচিত। বাড়িওয়ালা পরিবেশ সম্পর্কে ভাড়াটিয়াকে অবহিত করবেন। 

Card image cap
সিভিল কাজের চুক্তিনামা
engr.tushar - 18 Jan 2014

 

সিভিল কাজের চুক্তিনামা

প্রথমপক্ষ: নিয়োগদাতা নিডফর ইঞ্জিনিয়ার লি:, কখগ গুলশান, ঢাকা। উহার প্রতিনিধি প্রকৌশলী মো: আশারাফুল হক প্রকল্প সমন্বয়কারী

দ্বিতীয় পক্ষ: সাব কন্ট্রাকটর মেসার্স কখগ , কখগ গুলশান, ঢাকা, যাহার মালিক মো: কখগ

এই মর্মে জানানো যাচ্ছে যে, নিডফর ইঞ্জিনিয়ার এর , গুলশান ক্লাবের, ৪ বেজমেন্ট এবং ২৫ তলা ভবনের সিবিল নির্মান কাজসহ আনুসাঙ্গীক কাজ নিম্নে বর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে আপনার প্রতিষ্ঠানের নামে চুক্তি নামা করা হলো।

শর্ত সমূহ:

1. চুক্তিনামা প্রাপ্তির সাত দিনের মধ্যে কাজ শুরু করতে হবে।

2. প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি (বেলচা,তাগারি,সাবল,কোদাল,বালতি,রড কাটার মেশিন, জি.আই তারকাটা ইত্যাদি) ঠিকাদার সরবরাহ করবে।

3. প্রয়োজনীয় মালামাল ঠিকাদারকে নিজ খরচে গোডাউন/সংরক্সিত স্থান থেকে নিয়ে কাজ করতে হবে।(সর্বোচ্চ দুরত্ব ১৫০ ফুট)

4. কর্তৃপক্ষ কাজের যে কোন স্তরে এবং যে কোন সময়ে উক্ত চুক্তি বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে, যদি কাজের অগ্রগতির অবস্থা ও গুণগত মান এবং ঠিকাদারের কর্মক্ষমতা সন্তোষজনক ন হয় এবং যদি ঠিকাদার উক্ত কার্যাদেশ (Work Order) এর যে কোন শর্ত পালনে অপরাগ / ব্যর্থ হন তাহলে তার ওয়ার্ক অর্ডার বাতিল এবং সিকিউরিটি ডিপোজিট বাজেয়াপ্ত করা হবে। এই জন্য কোন ধরনের দাবী বা আবেদন গৃহীত হবে না।

5. কাজ চলাকালীন সময়ে প্রতিটি কার্য দিবসে ঠিকাদার অবশ্যই নিজে সাইটে অবস্থান করবেন এবং তার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে তার নিযুক্ত লোকজন কাজ করবেন। বিশেষ প্রয়োজনে ঠিকাদার নিজের অনুপস্থিতিতে তার নিযুক্ত একজন ফোরম্যান / সুপারভাইজার এর মাধ্যমে কাজ তত্ত্বাবধান করাতে পারবেন। উক্ত ফোরম্যান/সুপারভাইজার সংশ্লিষ্ট ইঞ্জিনিয়ারের উপদেশ, পরামর্শ ও দিক নির্দেশনা অনুসারে কাজ করতে বাধ্য থাকবে।

6. ঠিকাদারকে অবশ্যই প্রজেক্টের সাপ্তাহিক মিটিং অথবা যেকোন ধরনের মিটিং এ উপস্থিত থাকতে হবে।

7. ঠিকাদারের প্রতিটা বিল থেকে সর্বমোট বিলে ৫% (শতকরা পাঁচ ভাগ) অর্থ সিকিউরিটি ডিপোজিট হিসাবে কেটে রাখা হবে। যা যেকোন অতিরিক্ত প্রদান অথবা যেকোন ধরনের ত্রুটি বিচ্যুতি ব্যায় সাধনের পর (যদি থাকে) উপরোক্ত সিকিউরিটি ডিপোজিট কার্য সম্পুর্ণ সম্পাদনের তারিখ হইতে ০৬ (ছয়) মাস পর ফেরত দেওয়া হবে।

8. ঠিকাদার কাজের মধ্যবর্তী অবস্থায় যে কোন কারণে কাজ সম্পাদনে অপারগতা প্রকাশ করলে অথবা অন্য কাউকে সাব কন্ট্রাক দিলে অথবা কাজ ফেলে চলে গেলে তবে তার বর্তমান রানিং বিল ও জমাকৃত সিকিউরিটি ডিপোজিট সমুদয় অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হবে এবং ওয়ার্ক অর্ডার বাতিল করা হবে।

9. রানিং বিল মাসিক অথবা লক্ষ টাকার উর্ধ্বে সাবমিট করতে হবে যা চেকিং সহ ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে প্রদাণ করা হবে।

  1. সকল প্রকার বিল চেকের মাধ্যেম প্রদান হবে। খোরাকি বা এডভান্স বিল প্রদান করা হবে না।
  2. তালিকাভুক্ত নয় (non schedule) এমন আইটেম সমুহের দর (যদি প্রয়োজন হয়) উভয় পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে চলতি বাজার দর অনুসার স্থির করা হবে।
  3. ওয়ার্ক অর্ডারের সাথে প্রদত্ত নির্ধারিত রেটে কাজ করতে হবে। লেবারের মজুরি অথবা অন্যান্য জিনিসপত্রের দাম বাড়ার কারনে লেবার রেট বৃদ্ধির আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
  4. কাজ চলাকালীন সময়ে সাইটে নিযুক্ত সমস্য লোকজনের নিরপত্তা সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে নিশ্চত করতে হবে। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন ব্যতিরেখে কোন শ্রমিক যেন ঝুকিপুর্ণ কাজে নিযুক্ত না হয় ঠিকাদারকে অবশ্যই তা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। শ্রমিকের নিরাপত্তা সংক্রান্ত যাবতীয় মালামাল কোম্পানী সরবরাহ করবে, উক্ত মালামাল ব্যবহার ও সংরক্ষনে ঠিকাদারকে সর্বদা সক্রিয় ভুমিকা পালন করতে হবে এবং তা বিনষ্টের কারনে জরিমানার সম্মুকিন হতে হবে তা সত্ত্বেও যদি কোন দুর্ঘটনা ঘটে তবে কোন অবস্থাতেই কোম্পানী ইহার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবে না।
  5. ঠিকাদার প্রতিদিনের কার্য সম্পাদনের পর সাইট পরিস্কার রাখবে। যদি ঠিকাদারের অসাবধনতা / কর্তব্যহীনতার দরুণ অন্যান্য কাজের ক্ষতি/ক্রটি হয় তবে তা ঠিকাদারকে নিজ খরচে যথাযথ ভাবে পুনরায় সম্পাদন করে দিত হবে।
  6. কাজের নিখুঁত গুণগতমান এবং সন্তোষজনক সম্পাদনের জন্য ঠিকাদার অবশ্যই দায়ী থাকবে। যদি ঠিকাদারের নিজের ভুলের জন্য সংশ্লিষ্ট কাজে কোন ত্রুটি বিচ্যুতি ঘটে, তা ঠিকাদারের নিজ খরচে সংশোধন করতে হবে।
  7. ঠিকাদারকে নির্ধারিত সময় সীমার মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে। যদি ঠিকাদারের লোকবলের অভাবে কাজের অগ্রগতি সিডিউল মোতাবেক না হয় সেক্ষেত্রে ঠিকারকে নোটিশ প্রদান করা হবে। নির্দিষ্ট সময় অন্তে ৩ টি নোটিশ প্রদান করার পরও যদি কাজের চাহিদা অনুযায়ী ঠিকাদার দক্ষ লোকবল নিয়োগে ব্যর্থ হন সেক্ষেত্র তার কার্যাদেশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। এ ব্যাপারে ঠিকাদার কোন ওজর আপত্তি করতে পারবে না, করলেও তা গ্রহনযোগ্য হবে না।
  8. সর্বশেষ ছাদ ঢালাই এর পর সাটারিং মালামাল ঠিকাদারকে নিজ খরচে গ্রাউন্ড ফ্লোরের নির্দিষ্ট স্থানে স্থানান্তর করতে হবে।
  9. ঠিকাদারের লোক প্রকার অসামাজিক কাজে লিপ্ত হতে পারবে না, যদি এরকম কিছু ঘটে তার দায়-দায়িত্ব ঠিকাদারকে নিতে হবে।
  10. সাইটে শিশু লেবার (১৮ বছরের নিচে) দিয়ে কাজ করানো যাবে না।
  11. একই সাইটে একই প্রকার কাজের জন্য কোম্পানী যেকোন সময় একাধিক ঠিকাদার নিয়োক করার অধিকার সংরক্ষণ করে।
  12. সকল প্রকার কিউরিং কোম্পানী করবে
  13. কোম্পানী অস্থায়ী লেবার সেড তৈরির মালামাল সরবাহ করবে
  14. বিভিন্ন প্রকার অস্থায়ী ইউটিলিটি সংযোগ কোম্পানি সরবরাহ করবে।
  15. কার্যাদেশ বাতিলের সংগে সংগে সাব-কন্ট্রাকটরের কোন লোককে সাইটে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। কোন বকেয়ে থাকলে, নতুন কন্ট্রাকটরের ফাইনাল বিল পরিশোধের পর পরিশোধ করা হবে।  এবং নতুন কন্ট্রাকটরের রেইট বেশি হলে, সেই বেশি রেইটের দায়ভার আগের সাব-কন্ট্রাকটরকে নিতে হবে।
  16. কোনও শ্রমিকের বকেয়া বিলের জন্য কোম্পানি দায়ি থাকবে না। দায়িত্ব সাব-কন্ট্রাকটরকেই বহন করতে হবে।
  17. যে কোন কাজের সময় সেইফটি রক্ষা করে সকল শ্রমিককে কাজ করতে হবে।
  18. কোম্পানির তালিভুক্ত কোন মেডাক্যাল সেন্টার থেকে শ্রমিকের মেডিক্যাল সার্টিফিকেট কোম্পনিতে জমা দিতে হবে। সার্টিফিকেটের ব্যায়ভার কন্ট্রাকটরকে বহন করতে হবে
  19.  
  20. দ্বিতীয় বা তদুর্ধ্ব তলার জন্য, প্রতি তলাতে ২.৫% হারে বর্ধিত দর হবে।
  21. কোম্পানী যেকোন সময় নিম্নলিখিত কারণে কার্যাদেশ বাতিল করতে পারবে

a. কাজের অগ্রগতি এবং কাজের মান খারাপ হলে

b. ঠিকাদার অথবা ঠিকাদারের লেবার কোম্পানি স্টাফ এর সাথে কোন প্রকার খারাপ আচরণ অথবা অবাধ্য হলে

c. কাজের শর্তসমুহের মধ্যে কোন শর্ত ভঙ্গ করলে

d. কাজের সময় প্রয়োজনীয় সেফটি মেনে কাজ করতে অপারগতা প্রকাশ করলে

e. ঠিকাদার কাজের মধ্যবর্তী অবস্থায় যে কোন অযুহাতে কাজ সম্পাদনে অপরাগতা প্রকাশ করলে অথবা অন্য কাউকে সাব কন্ট্রাক দিলে অথবা কাজ ফেলে চলে গেলে তবা তার বর্তমান রানিং বিল ও জমাকৃত সিকিউরিটি ডিপোজিটের সমুদয় অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হবে এবং ওয়ার্ক অর্ডার বাতাল করা হবে।

উপরোক্ত বক্তব্য, ব্যাখ্যাদি সমূহ সম্মখ প্রত্যক্ষ করে এবং উহার অর্থ বুঝে ও অনুধাবন করে সহি প্রদান করলাম