Card image cap
মহাজাগতিক শক্তি ও ভর...
engr.tushar - 29 Aug 2011

আইনস্টাইন আপেক্ষিক তত্ত্বের সবচেয়ে বিশ্বয়কর দিক হল ভর ও শক্তির রুপান্তর। সামান্য ভরের রুপান্তরে আমরা প্রায় অসীম শক্তি লাভ করছি। মজার ব্যাপার হল সাধারণ পদার্থবিজ্ঞানে আমরা জানি বস্তুর ভর অবিনশ্ব এবং তা বস্তুর মৌলিক ধর্মগুলোর একটি। আইনস্টাইনের সূত্রে আমরা ভর ও শক্তির মাঝে তাল গোল পাকিয়ে একটিকে অপরটিতে (অথবা শুধু ভরকে শক্তিতে) রুপান্তরের ফালতু চেষ্টা করেছি এবং পরবর্তীতে সফলও হয়েছি...! ব্যাপারটা মজার...! তাই না...?

ব্যাপারটা বর্তমানে অনেকটা বিশ্বাস যোগ্যও বটে। কারণ আমাদের চোখের সামনেই আমরা আজ পারমানবিক বিস্ফোরণের ফলে ভরকে শক্তিতে রুপান্তরিত হতে দেখছি।

ভর-শক্তিতে রুপান্তরিত হতে পারলে শক্তিও ভরে রুপান্তরিত হতে পারবে, তাই না? আপনার যুক্তি কি বলে? শক্তি থেকে কি ভর তৈরি করা সম্ভব? বস্তুর ভরের উপাদান আর শক্তির উপাদান কি এক? কখনোই না। আমি  আপনাকে অপরিমেয় শক্তি এনে নিলেও আপনি সামান্য পরিমাণ ভরও তৈরি করতে পারবেন না। এটাই সত্য এবং এটাই বাস্তব। আমরা আমাদের ভরকে ধ্বংস করে চলেছি শক্তির প্রয়োজনে। নষ্ট করে চলেছি ভর শক্তির সাম্যবস্থা। কিন্তু মজার ব্যাপার কি জানেন , সাম্যবস্থা কিন্তু নষ্ট হচ্ছে না!! কারণ ভর তৈরি হচ্ছে এবং শক্তির রুপান্তরেই তা তৈরি হচ্ছে । বিগ ব্যাঙ তত্ত্বে আমরা জেনেছি, মহাবিশ্ব এখন পর্যন্ত সম্প্রসারণশীল এবং প্রতিনিয়ত তা সম্প্রসারিত হচ্ছে। আমার মতে মহাবিশ্ব শুধু সম্প্রসারিতই হচ্ছে না, তার ভরও বেড়ে চলেছে ক্রমাগত!! মহাবিশ্ব ক্রমাগত ভারী হচ্ছে!! হচ্ছে বুড়ো!! ভরের এই অমূলক সৃষ্টি কিন্তু শক্তির রুপান্তরেই ঘটছে এবং সেই শক্তির নাম মহাজাগতিক শক্তি। মানুষের চিন্তা, মানুষের বিজ্ঞান যেটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। ভর সৃষ্টি হচ্ছে তার আপন নিয়মে, এক অদ্ভুত ইশারায়!! কিন্তু ভরের এই সৃষ্টি আর বেশি দিন ঘটবে না!! মহাবিশ্বের সংকোচন শুরু হবে। তখন আর শক্তি থেকে ভর রুপান্তরিত হবে না একমুখী বিক্রিয়ার মত শুধু ভরই শক্তিতে তাও আবার একই প্রকার শক্তিতে(হয়তো তাপ বা আলোক শক্তিতে) রুপান্তরিত হতে থাকবে...এতে মহাবিশ্বে শক্তির সাম্মবস্থাও নষ্ট হয়ে যাবে...বারতে থাকবে একই প্রকার শক্তি...শুরু হবে বিপর্যয়। এই বিপর্যয়ের কথা নিশ্চ আমরা সকলেই জানি!! কারণ প্রায় সকল ধর্মগ্রন্থই এই বিপর্যয়ের কথা উল্লেখ আছে। পবিত্র আল-কোরআনে এই বিপর্যয়কে উল্লেখ করা হয়েছে কেয়ামত হিসাবে...।

Card image cap
আইনস্টাইন ভক্তদের জন্য কিছু তথ্য...
engr.tushar - 29 Aug 2011

# ১৮৭৯ সালে ১৪ই মার্চ জার্মানির একটি ছোট শহর উলমে আইনস্টাইনের জন্ম

# আইনস্টাইন  যখন তার আপেক্ষিক তত্ত্ব আবিষ্কার করেন তখন পর্যন্ত গবেষণার জন্য তার ছিলনা কন ল্যাবরেটরি বা কোন যন্ত্রপাতি, তার একমাত্র অবলম্বন ছিল খাতা-কলম।

# আইনস্টাইন যখন তার আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রকাশ করেন তখন তার বয়স ছিল মাত্র ২৬ বছর।

# সূর্যগ্রহেনর একাধিক ছবি দেখে বিজ্ঞানীরা ধারণা করলেন আলোক রশ্মি বাকে।

# ১৯১৪ সালের ৬ই নভেম্বর ইংল্যান্ড এর রয়াল সোসাইটিতে ঘোষনা করা হল সেই যুগান্তকারী আবিষ্কার! আলো বেকে যায়! এই বাকের নিয়ম নিউটনের তত্ত্বে নেই, আলোর বাকের এই মাপ আছে আইনস্টাইনের আপেক্ষিক তত্ত্বে।

# একদিন এক তরুণ সাংবাদিক, বিজ্ঞানী আইনস্টাইনকে তার আপেক্ষিক তত্ত্ব সম্পর্কে ব্যাখ্যা করতে বললে, আইনস্টাইন কৌতুক করে বললেন- যখন  একজন লোক কোন সুন্দরীর সাথে ১ ঘন্টা গল্প করে, তখন তার কাছে মনে হয় যেন এক মিনিট বসে আছেকিন্তু যখন তাকে কোন গরম উননের পাশে এক মিনিট দাড় করিয়ে দেওয়া হয় তবে তার মনে হবে সে একঘন্টা দাড়িয়ে আছে। এটাই আপেক্ষিক তত্ত...

# মজার ব্যাপার হল আইনস্টাইনের সবেচেয়ে আলোচিত ও সবচেয়ে মহৎ আবিষ্কার আপেক্ষিক তত্ত্ব হলেও নোবেল কমিটি তাকে এই তত্ত্বের জন্য নোবেল পুরষ্কার দিতে পারেনি, কারণ নোবেল পুরস্কারের শর্ত ছিল পদার্থিবদ্যায় নোবেল পুরষ্কার পাবে এমন আবিষ্কারক যার আবিষ্কার মানুষের কাজে লাগে। কিন্তু যখন তিনি নোবেল পুরষ্কারে ভুষিত হন তখন পর্যন্ত এটা প্রমাণিত হয়নি যে আপেক্ষিক তত্ত্ব আদেও মানুষের কোন কাজে লাগে...! তিনি নোবেল পুরুষ্কার পান তার ফটো ইলেকিট্রক ইফেক্ট আবিষ্কারের কারনে...নোবেল সনদে তা উল্লেখ আছে এভাবে...

“Serfvice to the theory of Physics especially for the law of the Photo Electric Effect”

# আইনস্টাইন বিশ্বাস করতেন ধর্ম মানবতারই এক মূর্ত প্রকাশ। বিজ্ঞান আর ধর্মে প্রেভদ নেই। প্রভেদ শুধু দৃষ্টি ভঙ্গিতে। বিজ্ঞান শুধু কি তার উত্তর দিতে পারে, কেন বা কি হওয়া উচিৎ  সে উত্তর দেবার ক্ষমতা নেই। অপর দিকে ধর্ম শুধু মানুষের কাজ আর চিন্তার মূল্যায়ন করতে পারে মাত্র।

# মূলত পারমানবিক শক্তির সম্ভবনা সৃষ্টির মাধ্যমে আইনস্টাইনের আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রমানিত হয়। সামান্য ভরের রুপান্তরের জন্য পাওয়া যাচ্ছে অপরিমেয় শক্তি। আইনস্টাইন লিখেছেন-“ আমার জীবনকালে এই শক্তি পাওয়া যাবে ভাবেত পারিনি”।

# ১৯৫০ সালে আইনস্টাইন প্রকাশ করেন তার মহাকর্ষের সার্বজনীন তত্ত্ব।

# দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গড়ে ওঠা নতুন ইহুদী রাষ্ট্র ইসরায়েলের রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য আইনস্টাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হলে তিনি তা প্রত্যাখান করেন।

# ১৯৫৫ সালে ১৮ই এপ্রিল আইনস্টাইন মারা যান। তার দেহ পুড়িয়ে ফেলা হলেও তার ব্রেন গেবষণার জন্য এখনও সংরক্ষিত আছে। তবে তা কোথায় সেটা অনেকেরই অজানা...

 

প্রথমে নিছকই কিছু ফালতু এবং যার উত্তর বিজ্ঞানমনস্ক সবারই জানা এরকম কিছু প্রশ্ন দিয়ে শুরু করি -

·         আলোর গতিবেগ সর্বত্রই এক বা সর্বোচ্চ হয়তো এই যক্তিতে ভুল আছে।

·         আলোর গতিবেগের সাথে অন্য কিছুর তুলনা করা চলে না,  কিন্তু আলো স্থানান্তরিত হতেও সময় লাগে।

·         আলো স্থানান্তরিত হয় কিভাবে?

·         শূন্য মাধ্যমে আলো স্থানান্তরিত হয় ।

·         শূন্য মাধ্যমটা কি?

·         বায়ুহীনতাই কি শূন্য মাধ্যম? শূন্য মাধ্যমে কি কোন চাপ আছে?

·         শূন্য মাধ্যমে আমরা চাপ পরিমাপ করব কিভাবে?

·         চাপের সাথে হয়তো আলোর বেগের সম্পর্ক আছে।

·         চাপের হ্রাস-বৃদ্ধির ফলে হয়তো আলোর বেগ সামান্য পরিবর্তন হয়।

·         হয়তো তাপমাত্রাও আলোর গতিবেগের উপর প্রভাব ফেলে।

·         বিজ্ঞানীরা আলোর প্রকৃতি ও গতি সম্পর্কে যে সব তত্ত্ব দিয়েছেন তার অনেকগুলোই পরস্পর বিরোধী!

·         আচ্ছা আলো বলেত আমরা কোন আরো বুঝাচ্ছি? আলো তো বিভিন্ন রঙের হতে পারে!

·         তরঙ্গ তত্ত্ব মতানুসারে একেক রঙ্গের আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য একেক রকম। এতে একেক রঙ্গের আলোর গতিবেগও একেক রকম হওয়ার কথা।

·         আলো কি বস্তু না শক্তি? নাকি বস্তুহীন শক্তি?

·         হয়তো আলো কোন ভরহীন বস্তু যা অসীমের দিকে ছুটে চলেছে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্য।

·         আলোর প্রাবল্য কি আলোর গতিবেগের উপর প্রভাব ফেলে? কারণ সূক্ষ্ম আলোর পরিসর হয়তো সীমিত।

·         আলো কিন্তু 2d বা 3d কোন পর্যেবক্ষণ নয়, আলো কিন্তু 4d মাধ্যমে চলাফেরা করে

·         আচ্ছা শূন্য মাধ্যমে তো আলো বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার কথা নয়। তবু হয়তো শূন্য মাধ্যমে আলো অসীম পর্যন্ত পৌছাতে পারে না, কেন?

·         যদি আলো অসীম পর্যন্ত বিস্তৃত হয়, তবে কিভাবে শক্তির সংরক্ষণশীল নীতি বজায় থাকে? মহাবিশ্বের বাপ্তি তখন কল্পনার অতীত একটা ব্যাপার হয়ে দাড়ায়। মহাবিশ্বের সর্বশেষ প্রান্তের আলো আমরা কিভাবে নির্ণয়, যাচাই বা পরিমাপ করব...? আচ্ছা, আলো পর্যবেক্ষণ করে আমরা কি  তার উৎসের দূরত্ব বা প্রকৃতি সম্পকে জানাতে পারব?

·         শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ একই হতে পারে। কিন্তু কোন মাধ্যমের মধ্য দিয়ে আলো গমনের সময় আলোর গতিবেগ উক্ত মাধ্যমের প্রিতসারণাঙ্কের উপর নির্ভর করে হ্রাস বৃদ্ধি পায়।

·         আলো কিভাবে উৎপন্ন হয়। এর উত্তরের মাঝেই হয়তো অনেক রহস্যের সমাধান আছে। উৎপন্নের প্রক্রিয়া নয় উৎপন্নের ধারা।

 

 

 

আইনস্টাইন তার সুবিখ্যাত সমীকরণ দ্বারা ভর ও শক্তির মধ্য সম্পর্ক স্থাপন করেছেন।   সমীকরণ দ্বারা এটাই প্রতিয়মান হয় যে ভর, শক্তির  একটি রুপ, অর্থাৎ ভর ও শক্তি একই সত্তার ভিন্নরুপবাস্তবেও আমরা দেখেছি পারমানবিক বিস্ফোরণের সময় ভর নিঃশেষ হয়ে শক্তিতে রুপান্তরিত হয় যা আইনস্টাইনের সূত্রের এক বিমূর্ত প্রমাণ।

আচ্ছা শক্তি রুপান্তরিত হয়, পরিবাহীত হয় (যে জিনিস এর গতি আছে, অবশ্যই তার স্থিতিও আছে) আইনস্টাইন তার  সমীকরণে আলোর বেগ সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। তার মতে আলোর বেগ সর্বদাই একই। আমার প্রশ্ন হল আলোর বেগ কি কখনও শূন্য হতে পারেনা…!...?

 

আমরা যে পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে লেখাপড়া করছি তাতে অনেক Restriction আছে। আমরা কোন কিছু নিয়ে বেশিদূর

Card image cap
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রধান শাখাগুলি
engr.tushar - 23 Aug 2011

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রধাণ ৭ টি শাখা আছে নিচে এগুলো নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করা হল

স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং

বাড়ি,হোটেল, পার্ক, ব্রীজ, বিল্ডিং ইত্যাদির উপরে নিজস্ব ভার বা বাইরের ভার প্রতিরোধ ক্ষমতা সহ বাতাস,পানি,ভুমিকম্প,তাপমাত্রা ইত্যাদির প্রভাব থেকে রক্ষার জন্য সিমেন্ট,বালি,রি-ইনফোর্সমেন্ট,কাঠ, অন্যান্য উপাদানের সমন্বয়ে সঠিক ডিজাইন করা হলো এই শাখার কাজ।

এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং

পরিবেশ তথা বাতাস এবং পানির দুষণ রোধ, বিশুদ্ধকরণ ইত্যাদি করা এই শাখার কাজ। বর্তমানে এটি একটি গুরুত্বপুর্ন শাখা। বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, বর্জ্য, মল ইত্যাদি অপসারণ এবং বিশুদ্ধকরণ করা নিয়ে আলোচনা করা হয় এই শাখাতে।

জিওটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং

প্রায় সকল সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখাতেই এটি কাজে লাগে। কারণ বেশির ভাগ স্ট্রাকচার ভুমির উপর অবস্থিত। মাটি বা পাথরের এর উপর স্ট্রাকচার এর প্রভাব এবং এদের বৈশিষ্ঠ্য নিয়ে আলোচনা করে এই শাখাটি। ভুগর্ভের সিপেজ,ভুমিকম্পের প্রভাব, স্থিতিশিলতা ইত্যাদি নিয়ে কাজ করে এর সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখাটি। বাধ, রিটেইনিং ওয়াল, ফাউন্ডেশন ইত্যাদির আংশিক ডিজাইন করা হয় এই শাখার মাধ্যমে।

ওয়াটার রিসোর্স ইঞ্জিনিয়ারিং

পানি আমাদের জিবনে অনেক গুরুত্বপুর্ন এটা আমরা সবাই যেমন জানি, তেমনি এটাও ঠিক যে এটি অত্যান্ত্য সাধারণ একটি কথা। আবার এই পানি আমাদের মরণও ডেকে নিয়ে আসে। তাও আমরা জানি। পানি সম্পদ প্রকৌশল পানির ভৌত অবস্থা নিয়ে আলোচনা করে। বন্যা, শহরের-কারখানা-সেচ এর পানি সরবরাহ, নদি ভাঙ্গন রোধ, নদির শাষন ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা এবং ডিজাইন করে থাকে। হাইড্রলিক পাওয়ার, বাধ, খাল, পানিধস ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে এই শাখাটি। 

ট্রান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিং

কোন সমাজের বৈশিষ্ঠ্য বা গুন এর যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর নির্ভর করে। কোন সমাজের উন্নয়ন অনেকটা প্রভাবিত হয় এই যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর। মানুষ, মালামাল ইত্যাদি পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে গবেষনা, ডিজাইন, সমস্যা, সমাধান নিয়ে কাজ করে ট্র্যান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিং। অল্প রাস্তায় অধিক পরিবহন সুবিধা, দুর্ঘটনা কমানো, খরচ কমানো ইত্যাদি নিয়ে কাজ করে এই শাখাটি।

কন্সট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং

এই শাখাতে আলোচনা করা হয় যে কি ভাবে একটি কাঠামো গঠন করতে হবে। অর্থের ব্যবহার, সময়ের সংক্ষেপন, প্রয়োজনীয় মালামাল-যন্ত্রপাতি ইত্যাদির যোগান, কাঠামো গঠনের পদ্ধতি বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করা হয় শাখাতে।

আরবান এবং কম্যিনিটা প্লানিং

নগরায়ণ এবং শহর পরিকল্পনা করা হয় মুলত একটি গোষ্ঠি নিয়ে কাজ করা। একটি গোষ্ঠি বা জোট এ কি কি লাগতে পারে এবং কিভাবে লাগাতে হবে তা নিয়ে গবেষণা করা হয় এই শাখাতে

Card image cap
AutoCAD tutorial-04
engr.tushar - 23 Aug 2011

আজ থেকে শুরু করবো একটি বাস্তব ড্রয়িং। এই ড্রয়িং করতে গিয়ে আমি ক্যাড এ যা যা করেছি তাই তুলে ধরব ধাপে ধাপে আশা করি এটি আপনাদের জন্য বেশি সহজবোধ্য হবে।

নিচে ড্রয়িংটির একটি ছবি যোগ করা হল

autocad sample drawing

প্রথমেই আমি এই ড্রয়িং করার জন্য প্রয়োজনীয় সেটিংস ঠিক করে নিয়েছি।

যেমন:

১। ইউনিট আর্কিটেকচারাল করেছি যা আমি autocad-tutorial-03 তে দেখিয়েছি

২। প্রয়োজনীয় লেয়ার নিয়েছি। এবং এর কালার বা রং, লাইন এর ধরন, লাইনের থিকনেস বা মোটা-চিকন নির্বাচন করেছি

৩। টেক্স স্টাইল ঠিক করেছি।

৪। ডাইমেনশন স্টাইল ঠিক করেছি।

উপরের কাজগুলি শেষ করার পর ড্রয়িং করা শুরু করেছি। এবং দুই নাম্বার ধাপ থেকে বিস্তারিত আমি আপনাদের সামনে নিয়ে আসবো খুব শিঘ্রই। আপনাদের দোয়া এবং উৎসাহ কামনা করছি

Card image cap
সিস্টেম অফ ফোর্স
engr.tushar - 21 Aug 2011

যখন একাধিক বল কোন বস্তুতে প্রয়োগ করা হয় তখন একে সিস্টেম অফ ফোর্স বলে। একে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়

১.কো-প্লানার: যখন সকল বলসমুহ একই তলে থাকে ( চিত্র ৫ এবং ৬ )

২.ননকোপ্লানার: যখন সকল বলসমুহ একই তলে থাকে থাকে না ( চিত্র ৭ এবং ৮ )

৩.কোনকারেন্ট: যখন সকল বলসমুহ একই বিন্দুতে মিলিত হয় ( চিত্র ৫ এবং ৭ )

৪.ননকোনকারেন্ট: যখন সকল বলসমুহ একই বিন্দুতে মিলিত হয় না ( চিত্র ৬ এবং ৮ )

৫.কোপ্লানার-কোনকারেন্ট: যখন সকল বলসমুহ একই তলে থাকে এবং একই বিন্দুতে মিলিত হয়

৬.কোপ্লানার-ননকোনকারেন্ট: যখন সকল বলসমুহ একই তলে থাকে  কিন্তু একই বিন্দুতে মিলিত হয় না

৭.ননকোপ্লানার-কোনকারেন্ট: যখন সকল বলসমুহ একই তলে থাকে থাকে না কিন্তু একই বিন্দুতে মিলিত হয়

৮.ননকোপ্লানার-ননকোনকারেন্ট: যখন সকল বলসমুহ একই তলে থাকে থাকে না এবং একই বিন্দুতে মিলিত হয় না

nonconcurrent-noncoplanner

Card image cap
ইঞ্জিনিয়ারিং মেকানিক্স
engr.tushar - 21 Aug 2011

ইঞ্জিনিয়ারিং মেকানিক্স দুই ভাগে ভাগ করা যায়

১. স্ট্যাটিক:

স্থির বস্তুর বল এবং এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করে।

২. ডাইনামিক:

গতিশিল বস্তুর উপর বল এবং এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করে।

ডাইনামিক মেকানিক্স আবার দুই ভাগ

ক)কাইনেটিক্স:

বল প্রয়োগের ফলে চলমান বস্তু নিয়ে আলোচনা করে

খ)কাইনেমেটিক্স:

চলমান বস্তু নিয়ে আলোচনা করে কিন্তু যেই বলের প্রভাবে চলমান হচ্ছে তা নিয়ে আলোচনা করে না

Card image cap
নিউটন এর গতি সুত্র সমুহ
engr.tushar - 21 Aug 2011

১. বাহ্যিক কোন বল প্রয়োগ করা না হলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির এবং গতিশিল বস্তু সমগতিতে সোজা পথে চলবে

২. বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে, পরিবর্তনও সেদিকে হয়।

৩. প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরিত প্রতিক্রিয়া আছে

Card image cap
About us
Ashraful Haque - 10 Aug 2011

Dear Visitor

Thank you for visiting our website. This site has been developed to help people to know about engineering. This site is not only for engineers but also for others.

This site is for bengali people. We suggest that, all article of this site will be in bangla. This is the first bangla web blog related to engineering. Bangladeshi, indian and others part of the world who speak or read or write in bengali are requested to submit article.

Engineering is very vast sector. All the people are involed with with engineering. Some are visible and some are hidden.

To increase knowledge,consousness,responsibility we must know each and everypoint as much as possible and obviously correctly.

For this knowledge sharing engineering blog site will also provide some web application from which visitor can calculate basic engineering calculation or any other option requested by visitors.

Most of the content in this site will be free.

Card image cap
কি ধরণের সফটওয়্যার চান?
Ashraful Haque - 09 Aug 2011

সম্মানিত সদস্য এবং অসদস্যবৃন্দ

আমাদের এই সাইটে প্রবেশ করার জন্য আপনাদের অনেক ধন্যবাদ।

আমার কিছু আইডিয়া দরাকার। আর এই ব্যপারে আপনারা আমাকে সাহায্য করতে পারেন।

আপনার হয়ত অনেক সময় বিভিন্ন ছোট-খাট সমস্যার পড়েন। যা অনেক ক্যালকুলেশন করতে হয়। আপনাদের যদি এমন কোন বিষয়ের উপর অনলাইন সফটওয়্যার দরকার হয় তাহলে এখানে মন্তব্য করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। আমরা চেষ্ট করব তা করার জন্য।

আপনাদের যদি কোন এক্সেল এ করা ফাইল থাকে তাহলেও আমাদের এখানে মন্তব্য করতে পারেন এবং মেইল করতে পারেন [email protected] এই ঠিকানাতে।

আপনাদের সহযোগিতা একন্ত কাম্য

এডমিন

need4engineer.com

Card image cap
প্রাথমিক অটোক্যাড শব্দাবলি
engr.tushar - 08 Aug 2011

 

Absolute coordinates

পয়েন্ট নির্বাচনের পদ্ধতি।

Acad.dwt

টেমপ্লেট ফাইল

Associated Dimensioning

বিন্দুর সাথে ডাইমেনশন সম্পর্কিত। বিন্দু সরলে ডাইমেনশন পরিবর্তন হবে

Backup file

ব্যকাপ ফাইল, আসল ফাইল নষ্ট হলেও এই ফাইল দিয়ে সারা যায়।

Block

ড্রয়িং এর একটি গোষ্টি বা সমন্বয়। একই জিনিষ এর একাধিক ব্যবহার হলে এটি ব্যবহার হয়। যাতে ব্লকটি পরিবর্তন করলে সবগুলি একসাথে পরিবর্তন হয়।

Crosshairs

ড্রয়িং বোর্ড এর মধ্যবর্ত কারসরকে রেসহেয়ার বলে

Cursor

কার্সর। বিভিন্ন সময় এটি বিভিন্ন রকম হয়।

Dialog box

তথ্য সংগ্রহের জন্য ডায়ালগ বক্স প্রদির্শিত হয়

Grid

গ্রিড লাইন। গ্রাফের মত দাগকাটা বা বিন্দু বিন্দু। কাজের সুবিধার জন্য এবং শুধু দেখানোর জন্য। প্রিন্ট এর জন্য নয়।

Layer

সচ্ছ পাতা। কিছুটা

Linetype

লাইন কেমন হবে তা। যেমন ডটেট,লেখা সহ লাইন

Model space

যেখানে ড্রয়িং করা হয়।

Modify

কোন কিছু পরিবর্তন/পরিমার্জন করা

Object

যেকোন কিছুকে অবজেক্ট বলে

Origin

মুল বিন্দু (০,০)

Ortho mode

শুধুমাত্র ডান-বাম-উপর-নিচ দিকে কাজ

Orthographic Projection

একসঙ্গ দুই তল দেখা।

Osnap - Object Snap

কোন অবজেক্ট এর নির্দিষ্ট পয়েন্ট ধরার সুবিধা

Pan

ড্রয়িং বোর্ড উপর-নিচ-ডান-বাম করা

Panel

রিবন এর কিছু কমান্ড এর গ্রুপ

Path

যেখানে অটোক্যাড এর ফাইল সেইভ করতে হবে

Pick

কোন অবজেকট মাউসের বাম বোতাম দিয়ে ক্লিক করার মাধ্যমে সিলেক্ট করা বা নিবাচন করা।

Plot

কাগজে প্রিন্ট করা

Polar coordinates

দুরত্ব এবং কোণ এর মাধ্যমে স্থানাংক নির্বাচন

Property

অবজেক্ট এর গুনাগুন বা চরিত্র। যেমন রং,লাইন টাইপ, লাইন মোটা-চিকন, লেয়ার ইত্যাদি

Relative coordinates

পয়েন্ট এর সাপেক্ষে স্থানাংক।

Snap

গ্রিড এর পয়েন্টের সাপেক্ষে কার্সর নড়াচড়া

Styles

বিভিন্ন কিছু প্রদর্শনের পদ্ধতি যেমন লেখা,ডাইমেনশন ইত্যাদি কেমন হবে তা নির্ধারণ

Units 

পরিমাপের পদ্ধতি

User coordinate system (UCS) 

সাধারণ কো-অর্ডিনেট থেকে ব্যবহারকারির কো-অর্ডিনেট এ রুপান্তর

View

ড্রয়িং এর একটি বিশেষ জায়গা দেখা

Viewport

পেপার স্পেস এ বিভিন্ন মডেল প্রদর্শণ

Zoom

ড্রয়িং কাছে-দুরে বা বড়-ছোট করে দেখা

Card image cap
AutoCAD tutorial-03
engr.tushar - 08 Aug 2011

আগের দুই পর্ব ছিল অটোক্যাড সম্পর্কে ধারণা এবং কাজ সম্পর্ক ধারনা নেওয়ার জন্য। এখন তিনটি বিষয় নিয়ে কাজ করব।

এই তিনটি বিষয় ড্রয়িং করার সময় কাজে লাগবে। এগুলি হল

১) ESC বাটন

২) unit কমান্ড

৩) zoom কমান্ড

১) কোন কমান্ড থেকে বের হওয়ার জন্য ESC বাটন চাপদিতে হয়। এই বাটনটি থাকে কিবোর্ড এর একদম উপরে এবং বামে। কিছু কিছু কমান্ড আছে যা এই বাটন চাপ না দেওয়া পর্যন্ত চালু থাকে যেমন লাইন,অফসেট, জুম ইত্যাদি।

২) পরিমাপ পদ্ধতি নির্বাচন করার জন্য unit কমান্ড ব্যবহুত হয়। এই কমান্ড এর সংক্ষিপ্ত হর un । এই কমান্ড দিলে নিচের মত একটি ডায়ালগ বক্স আসবে।

এখানে architectural এবং decimal বেশি ব্যবহুত হয়। architectural এ ফিট-ইঞ্চ পদ্ধতিতে ড্রয়িং হয় এবং decimal এ দশমিক পদ্ধতিতে। ঠিক এর নিচে আছে precision। এর কাজ হল উপরেরর প্রধান একক গুলির ক্ষুদ্রতমতা কত হবে। যেমন দশমিক এর পর কত ঘর পর্যন্ত হবে। ডানে আছে clockwise এ টিক দিলে কোন কিছু ঘোরানো বা রোটেশন এর প্রয়োজন হলে তা ঘড়ির কাটার দিকে হিসাব করতে হবে। নাহলে ঘড়ির কাটার উল্টোদিকে হিসাব করতে হবে।

Sample output এর নিচের দুই নাম্বার লাইনে আছে ৩.০০০<৪৫.০.০০০০। এটি আসলে পোলার স্থানাংক পদ্ধতি। এটা খুব একটা কাজে লাগে না। তবে ভবিষ্যতে এই নিয়েও লেখা হবে।

৩) জুম এর মাধ্যমে কাছে-দুরে বা ছোট-বড় করে দেখা যায়। এই কাজটি অনেক সময় করা হয়। যেমন আগের পর্ব যেমন লাইন একেছি। তাতে করে অনেক সময় সেই লাই দৃষ্টিগোচর হতেও পারে আবার নাও পারে। যদি দেখা না যায়। সেই ক্ষেত্র জুম কমান্ড ব্যবহার করতে হবে। যেহেতে অটোক্যাড এর ড্রয়িং এর পাতা বিশাল-বিশাল-বিশাল। তাই অনেক সময় মনিটরের বাইরে ড্রয়িং থাকতে পারে। তখন এই কমান্ড এর মাধ্যমে মনিটরের ভেতরে আনা হয়। জুম এর অনেক ধরণ আছে

  1. All
  2. Center
  3. Dynamic
  4. Extents
  5. Previous
  6. Scale
  7. Window
  8. Object

এর মধ্যে extents এবং window বেশি ব্যবহুত হয়। extents দিলে সকল ড্রয়িং মনিটরের মধ্যে আসবে। আর window দিলে একটি আয়াতারের উপর এবং নিচের দুই কোনা নির্বাচন করতে হবে। এবং সেই অনুযায়ি ছোট বা বড় হবে। মাউসের স্ক্রলবাটন ঘুরিয়েও ড্রয়িং জুম করা যায়।

z কমান্ড দিয়ে তার পর ধরণ নির্বাচন করতে হয়। যেমন extents এর জন্য e এবং window এর জন্য w দিয়ে স্পেসবার দিতে হয়।

নোট: যেকোন কমান্ড দেওযার পর কমান্ড লাইনের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। অনেক কমান্ড এর সাথে []-এই ব্রাকেট এর মধ্যে বিভিন্ন অপশন থাকে। বড় হাতের বর্ণ গুলি টাইপ করে এই অপশন নির্বাচন করতে হয়। যেমন আমরা করেছি এই জুম কমান্ড এর সময়।

পুর্ববর্তি পার্টগুলি

Card image cap
AutoCAD tutorial-02
engr.tushar - 07 Aug 2011

 আজকে আলোচনা করব স্থানাংক বা co-ordinate নিয়ে। এটা জানা থাকলে কাজ করতে অনেক সুবিধা হয়। এটা জানা ছাড়াও কাজ করা সম্ভব। কিন্তু আমি বলব এটা জেনে কাজ করাটা সুবিধাজনক এবং গুরুত্বপুর্ণ।

উপরের ছবিটি একটি আয়াতাকার। যার চারটি কোনা আছে। এই চারটি বিন্দুই আয়াতাকারের বৈশিষ্ঠ্য নির্ধারণ করে। যেমন এর আকার, আয়তন।

আবার মনে করুন আপনি একটি লাইন আকতে চাচ্ছেন তাহলে আপনার দুইটি বিন্দু দরকার। এবং প্রতিটি বিন্দুরই স্থানাংক থাকে। একটি কাগজে কোন কিছু আকতে গেলে দুই দিকের স্থানাংক লাগে। একটি হল এক্স (X) এবং অপরটি হলো ওয়াই (Y)। আবার ত্রিমাত্রিক বা বাস্তবে আরও একটি অতিরিক্ত দিক লাগে তাহলো জেড (Z)।

বর্তমানে দুইমাত্রিক বা 2D নিয়ে আলোচনা করব।

ধরুন আপনি উপরের আয়াতাকারটি আকতে চাচ্ছেন, এই ক্ষেত্র আপনি দুইভাবে আকতে পারেন

১) আপনি সরাসরি একটি আয়াতাকার আকবেন

২) চারটি লাইন অংকন করার মাধ্যমে

আমি ২ নম্বর উপায় নিয়ে আলোচনা করব। কেননা প্রথমটি অতি সহজ। দ্বিতীয় পদ্ধতি থেকে আপনি স্থানাংক সম্পর্কে ভাল ধারনা পাবেন।

প্রথমে লাইন ড্র করতে হলে আমাকে line কমান্ড দিতে হবে। লাইন কমান্ড এর সংক্ষিপ্ত হল, line এর প্রথম অক্ষর " l "। এল লিখে কি বোর্ড এর এনটার বাটন বা স্পেসবার এর চাপ দিতে হবে।

মনযোগ: কমান্ড দেওয়া বলতে বোঝায়, নির্দষ্ট কাজের জন্য এর সংক্ষিপ্ত শব্দ বা বর্ণ টাইপ করে এনটার বা স্পেসবার চাপ দেওয়া। যেমন লাইন এর জন্য l, বৃত্তের জন্য c, চতুর্ভুজের জন্য rec ইত্যাদি।

কমান্ড দেওয়ার পর কমান্ডলাইনের দিকে লক্ষ্য রাখুন

এখানে লেখা থাকবে

LINE Specify first point:

অর্থাৎ আপনাকে প্রথম পয়েন্ট নির্বাচন করতে হবে। কোন এক জায়াগায় ক্লিক করেও করতে পারেন। আবার কো-অর্ডিনেট বা স্থানাংক দিয়েও করতে পারেন। ধরে নেই আমরা ০,০ পয়েন্ট থেকে লাইন শুরু করতে চাই। তাহলে ০,০ লিখে স্পেসবার দেই ( স্পেসবার বা এন্টার উভয় বাটন কমান্ডের জন্য একই কাজ করে)।

এখন লেখা থাকবে

Specify next point or [Undo]:

অর্থাৎ পরের বিন্দুটি কোথায় হবে, যেই পয়েন্ট এবং প্রথম পয়েন্ট যোগ করলে একটি লাইন হবে। এই ক্ষেত্রে আমরা লিখতে পারি 0,3 অথবা 5,0।

যদি 0,3 লিখি তাহলে বামের লাইন তৈরি হবে। আর যদি 5,0 লিখি তাহলে নিচের লাইন তৈরি হবে।

ধরে নিলাম আমরা 0,3 লিখেছি। এবার এর পরের বিন্দুটি দিতে হবে। এইবার কোন বিন্দুর স্থানাংক দিলে ঐ বিন্দু এবং আগের বিন্দুটি যোগ হয়ে লাইন হবে। এই ক্ষেত্রে আমরা যদি 5,3 দেই তাহলে উপরের লাইন হবে। কেননা 0,3 এবং 5,3 বিন্দু দুইটি সরল রেখা দ্বারা যুক্ত হবে।

আমরা কিন্তু শুরু করেছিলাম 0,0 বিন্দু থেকে। কিন্তু আমরা যদি প্রথমে ০,০ না লিখে যেকোন স্থানে ক্লিক করে বিন্দু নির্বাচন করতাম তাহলে সেই বিন্দু থেকে লাইন শুরু হত।

সেই ক্ষেত্রে 0,3 না লিখে লিখতে হত @0,3 এবং পরেরবার 5,3 না লিখে লিখতে হত @5,0। অর্থাৎ @ দিলে আগের বিন্দু 0,0 হিসাবে চিন্ত করা হয়। এইটা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। তবে ২০১২ ভার্সনে @ না দিলেও আগের বিন্দু ০,০ হিসাবেই ধরা হয়।