Card image cap
গ্রানাইট এবং মার্বেল এর মধ্যে পার্থক্য
engr.tushar - 23 Jun 2011

আমরা অনেকেই গ্রানাইট এবং মার্বেল চিনি। কিন্তু সঠিক ভাবে বর্ণনা করতে পারি না যে এদের মধ্যে পার্থক্য কি। আমিও যে খুব বেশি জানি তা নয়। তবে ইনটারনেট এবং বিভিন্ন বই থেকে যা জেনেছি তাই আপনাদের মধ্য তুলে ধরছি।

গ্রানাইট: প্রাকৃতিক পাথর যা ফেল্ডসপার, মাইকা এবং কোয়ার্টজ দিয়ে তৈরি।

মার্বেল: প্রাকৃতিক পাথর যা ফেল্ডসপার, মাইকা এবং কোয়ার্টজ দিয়ে তৈরি।

গ্রানাইটমার্বেল
মার্বেল এর চেয়ে শক্তগ্রানাইট এর চেয়ে নরম
আভ্যন্তরিন সুক্ষ ছিদ্র বেশিআভ্যন্তরিন সুক্ষ ছিদ্র কম
তাপ বা অন্য কোন কারণে প্রসারণ হয নাতাপ বা অন্য কোন কারণে প্রসারণ হয
নখ বা মেটাল দিয়ে আচড় সহজে পড়ে নাসহজে মেটাল দিয়ে আচড় দেয়া যায়
দেখতে খুব বেশি সুন্দর নাদেখতে গ্রানাইট থেকে সুন্দর
খুব বেশি পলিশ বা চকচকে করা যায় নাযেহেতু ছিদ্র কম তাই অনেক চকচকে করা যায়
দাম মার্বেল এর তুলনায় কমদাম মার্বেল এর তুলনায় বেশি
কারবনিক  অ্যাসিড এর প্রভাব এর উপর তেমন নাই। ভিক্সল,টিক্সল বা অন্য ফ্লোর পরিস্কার করার ক্যামিকেল এর প্রভাব নাই।কারবনিক এসিড দিলে মার্বেল জ্বলে বা পুড়ে যায়। ভিক্সল,টিক্সল বা অন্য ফ্লোর পরিস্কার করার ক্যামিকেল এর প্রভাব আছে।
 
গ্রানাইট আগ্নেয়গিরির লাভা থেকে তৈরি যা হাজার বছর ধরে পরিবর্তিত হয়ে হয়।মার্বেল চুনাপাথর থেকে উৎপত্তি যা হাজার বছর ধরে পরিবর্তিত হয়ে হয়।

আপনাদের কাছে যদি আরও কোন তথ্য থাকে তাহলে জানাতে এবং মন্তব্য করতে অনুরোধ জানাচ্ছি।

Card image cap
ফ্লাই এ্যাশের ইট
engr.tushar - 21 Jun 2011

আজকে আলোচনা করবো ফ্লাই এ্যাশের ইট নিয়ে। কাদা-মাটির ইটের চেয়ে এই ইট বেশ উন্নতমানের এবং পরিবেশ বান্ধব। পরিবেশ বান্ধব বলতে বোঝাচ্ছি যে, এই ইট ফ্লাই এ্যাশ দিয়ে তৈরি যা পরিবেশের বর্জ্য।

উপাদান সমুহ

এই ইটের প্রধান কয়েকটি উপাদান হলো

  • ফ্লাই এ্যাশ
  • সিমেন্ট
  • বালি
  • পানি

ফ্লাই এ্যশের উৎস:

উপমহাদেশের পাওয়ার প্ল্যান্ট এর গুলোর মধ্য শতকরা ৭২ ভাগ কয়লা নির্ভরশীল। এই কয়লা পোড়ানোর ফলে প্রচুর ফ্লাই এ্যাশ উৎপন্ন। এছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই ফ্লাই এ্যাশ উৎপন্ন হয়। এ বিষয়ে আমি আগে আলোচনা করেছিলাম। তাই এই নিয়ে আর বেশি আলোচনা করতে চাই না। শুধু এই উপমহাদেশে প্রতি বছরে প্রায় ৪ কোটি টন ফ্লাই এ্যাশ উৎপন্ন হয়। সাইক্লোন কনভার্টার এর মাধ্যমে কল-কারখানা থেকে এই ফ্লাই এ্যাশ আলাদা করা হয়। পরবর্তিতে এই ফ্লাই এ্যাশ ইটের কাচামাল হিসাবে ব্যবহার করা হয়। 

পরিবেশে ফ্লাই এ্যাশের প্রভাব:

ফ্লাই এ্যাশ পরিবেশ খুব মারাত্বকভাবে ক্ষতি করে বাতাস এবং পানিকে দুষিত করার মাধ্যমে। এবং একে সরিয়ে ফেলার জন্যও অনেক যায়গা নষ্ট হয়। কিন্তু একে যদি আমরা পুন:ব্যবহার করতে পারি তাহলে পরিবেশের উপ ফ্লাই এ্যাশের দুষণ যেমন কমবে তেমনি সম্পদের সঠিক ব্যবহারও হবে। 

সাধারণ ইট এবং ফ্লাই এ্যাশ ইটের তুলনামুলক তালিকা:

গুনাগুন

 

সাধারণ ইট

 

ফ্লাই এ্যাশ ইট

 

মন্তব্য

 

ঘনত্ব

১৬০০-১৭৫০ কেজি/ঘনমিটার

১৭০০-১৮৫০ কেজি/ঘনমিটার

ওজন একটু বেশি

চাপ শক্তি

৩৫-৪০ কেজি/বর্গ সে:মি:

৯০-১০০ কেজি/বর্গ সে:মি:

বেশি লোড নিতে পারে
পানি শোষন

১৫-২৫%

১০-১৪%

ড্যাম্প কম

মাপ সঠিক থাকার ক্ষমতা

সঠিক হয় কম

প্রায় সঠিক থাকে

২৫% মসলা বাচায়

পরিবহনের সময় অপচয়

১০% পর্যন্ত

২% এর কম

৮% খরচ কমায়

প্লাস্টার বিষয়ক

এক পাশ সমান থাকলেও অন্য পাশ থাকে না

দুই পাশেই প্রায় সমান থাকে

১৫% প্লাস্টার কমায়

Card image cap
এডমিক্চার বা উপযোগ
engr.tushar - 14 Jun 2011

এডমিক্চার বা উপযোগ। এটি কংক্রিট এর কাজের সাথে সম্পর্কিত একটি খুব গুরুত্বপুর্ন শব্দ। আপনারা অনেকেই এই সম্মন্ধে অনেক কিছু জানেন। যেহেতু এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন বিষয়, তাই এই বিষয়টি নিয়ে লেখার আগ্রহ প্রকাশ করছে। আর আমার এক বড়ভাই (রাকসান ভাই) এটি সম্মন্ধে লেখার আগ্রহ দেখিয়েছেন। তাই ভাবলাম আমি যতটুকু জানি কিছুটা শেয়ার করি। যদি কোন ভুল অথবা তথ্যের কম থাকে তাহলে লেখাটিকে সমৃদ্ধ করার জন্য আপনার মন্তব্য বিষেশভাবে চাইছি কি এই এইমিক্সার বা উপযোগ প্রাকৃতিব বা কৃত্তিম উপাদান যা কাচা বা শক্ত কংক্রিট এর অতিরিক্ত যোগ্যতা বা বৈশিষ্ট যোগ করে।
ঠান্ডা গরম প্রতিরোধক
বায়ু-বলয় Air entrainment ব্যবহার করা হয় ঠান্ডা-গরম আবহাওয়া সহ্য ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য। বিশেষ করে যেই আবহাওয়াতে এটি হয় সেখানে বায়ু-বলয় উপযোগ ব্যবহার করা হয়।
এর ব্যবহারের ফলে কংক্রিট এর মধ্যে ছোট ছোট বাতাশের বল তৈরি হয়। বরফ ঠান্ডাতে কংক্রিট এর মধ্যে অবস্থিত পানি জমাট বেধে আয়তন বৃদ্ধি পায়। আয়তন বৃদ্ধি পাওয়াতে এই বরফ এর ভেতরে চাপ সৃষ্টি করে যা কংক্রিট এর জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু যদি এর ভেতরে ছোট ছোট বলয় থাকে তখন বাতাস এই চাপ নিয়ে কংক্রিট এর উপর থেকে চাপ কিছুটা কমিয়ে ফেলে।
কখনো কখনো এর বায়ু হাইড্রেশন এও সাহায্য করে।
বরফ-গরন পক্রিয়া থেকে সুরক্ষার জন্য এই বায়ু বলয় সঠিক আকার, আয়তন এবং বিন্যস্ত হতে হবে। ASTM C 260 এই এডমিক্চার এর প্রয়োজনীয় গুনাগুন ঠিক করে দেয়।
এই এডমিক্চার এর সুবিধাগুলি নিচে দেয়া হলো:

  •     অতি কুয়াশা বা ঠান্ডা থেকে কংক্রিট রক্ষা করে।
  •     কার্য্যউপযোগিতা বাড়ায়
  •     টেকসই বা মজবুত

পানি স্বল্পকরণ (ওয়াটার রিডিউসার)
কংক্রিট এ এই এডমিক্চারটি খুব গুরুত্বপুর্ণ। এটিকে কংক্রিট এর ৫ম উপাদান বলা হয়। এর ব্যবহার এর কারণে তিন ধরণের কাজ করা হয়।

১। স্ল্যাম্প বাড়ানো
২। পানি-সিমেন্ট এর অনুপাত কমানো
৩। সিমেন্ট এর পরিমান কমানো

কম, মাঝারি এবং অধিক এই তিন প্রকারে পানি-স্বল্পকরণ এডমিক্চার ব্যবহার করা হয়। তা নির্ভর করে কাজের পরিধী এবং কাজের প্রকারের উপর। আবার আবহাওয়ার উপরও এই পরিমান ।

যেমন উচু স্থানে কংক্রিট তুলতে হলে পাম্প এর সাহয্যে তুলতে হয়। তখন এর স্ল্যাম্প বাড়ানোর প্রয়োজন হয়। অথবা মেঝে বা ছাদের কাজের জন্যও স্ল্যাম্প বাড়ানোর প্রয়োজন হয়। মোট কথা এই উপযোগ ব্যবহার এর কারণে কংক্রিট এর স্ল্যাম্প বাড়ে কিন্তু শক্তি কমেনা।

সাধারণ ওয়াটার রিডিউসার বা পানি-স্বল্পকরণ এডমিক্চার
এটি ৫% পানি কমায়। এবং এর স্ল্যাম্প ১ থেকে ২ ইঞ্চি বাড়ায়।
মাঝারি পানি-স্বল্পকরণ এডমিক্চার
এটি ৮% থেকে ১৫% পানি কমায়। ৪ থেকে ৫ ইঞ্চি স্ল্যাম্প ব্যবহার করতে হলে এটি ব্যবহার করা হয়।

  • গরম আবহাওয়াতে এটি বেশি ব্যবহার করা হয় যাতে করে গরম আবহাওয়াতে এর কংক্রিট কম সময়ে জমাট বাধতে না পারে
  • কংক্রিট এর প্রাথমিক জমাট বাধা (সেটিং ) ধীরগতি করে দেয়
  • কংক্রিট রাখা বা কাজের স্থানে ফেল সহজ করে

উচ্চ পানি-স্বল্পকরণ এডমিক্চার  (সুপারপ্লাস্টিসাইজার)
এটি ১২% থেকে ৪০ পর্যন্ত পানি কমায়। ৮ থেকে ১১ ইঞ্চি স্ল্যাম্প ব্যবহার করার জন্য এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কংক্রিট
যেই কংক্রিট এর উচ্চ ক্ষমতা প্রয়োজন এবং কম পানিগম্যতা দরকার সেখানে এই এডমিক্চার ব্যবহার করা হয়। এতে মাহক্রো বা ক্ষুদ্র সিলিকা থাকে। এই উপাদানের ব্যবহারের ফলে কংক্রিট এর যেই বৈশিষ্ঠ্য যোগ হয় তা হলো

  • পারমিয়াবিলিটি বা পানিগম্যতা কমানো
  • এর শক্তি বাড়ানো
  • টেকসই করা

উচ্চ বল বহনকারি কলাম,বীম ইত্যাদি কাঠামোতে এটি ব্যবহার করা হয়। গাড়ি রাখার স্থানেও এটি ব্যবহার করা হয়। ঘর্ষণ প্রতিরোধক কাঠামোতেও এটি ব্যবহার করা হয়। এই উপযোগ এর ব্যবহার করে ২০,০০০ পি,এস,আই পর্যন্ত কংক্রিট এর চাপ ক্ষমতা বাড়ানো যাই। এটি পেষ্ট বা অর্ধতরল কিংবা শুকনা পাউডার হিসাবে ব্যবহার করা যায়। প্রয়োজন অনুসারে অর্ধতরল বা শুকনা পাউডার ব্যবহার করা যায়। যেই প্রকারেই ব্যবহার করা যাক না কেন, গুনাগুন সমান হয়।


সেট এক্সিলারেটর (দ্রুত সেট হওয়া)
এর ব্যবহার করা হলে সিমেন্ট এর হাইড্রেশন দ্রুত হয়। যার কারণে অল্পসময়ে কংক্রিট সেট হয় এবং অল্প সময়ে শক্তে অর্জন করে।  বিশেষ করে ঠান্ডা তাপমাত্রাতে।
এক সময় ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড এই এডমিক্চার হিসাবে ব্যবহার করা হতো। কিন্তু এটি দীর্ঘমেয়াদী কংক্রিট এর জন্য ক্ষতিকর। তাই বর্তমানে ক্যলসিয়াম ক্লোরাইড ব্যবহার করা হয় না। ইউরোপে কিছু কিছু ক্ষেত্র এর ব্যবহার সম্পুর্ন নিষিদ্ধ। ক্লোরাইড মরিচা ধরতে সাহায্য করে এবং যার ফলে রি-ইনফোর্সমেন্ট হুমকির সম্মুখিন হয়। অনেক সময় কাঠামো ভেঙ্গ পড়ে, ক্র্যাক দেখা যায়। তবে বর্তমানে ক্লোরাইড বিহীন সেট এক্সিলারেটর পাওয়া যায়।

আগে ক্যালসিয়াম ক্লোরাই ব্যবহার করা হতো কারণ এর দাম অনেক কম। কিন্তু দেখা যায় যে ২০ বছর পর এটি দুর্বল হয়ে যায়। যেকোন ধরণের এডমিক্চার ব্যবহার এর পুর্ব এর গুনাগুন, ব্যবহার বিধি সতর্কভাবে খেয়াল করতে হবে।

সেট রিটার্ডার (ধিরে সেট হওয়া)

যখন সেটিং সময় বাড়ানোর প্রয়োজন হয় তখন এই এডমিক্চার ব্যবহার করা হয়। এটি করা হয় যাতে করে কংক্রিট বিছানো, ভাইব্রেশন বা কমপ্যক্শন সঠিক ভাবে করা যায়।

ব্যবহার:

  • অনেক দুরত্ব
  • কংক্রিট এর গাড়ি রাস্তায় অনেক সময় লাগে
  • বিছানোর জন্য দক্ষ শ্রমিকের অভাব

যেই বিষয়গুলি মাথায় রাখতে হবে:

  • প্রকল্প স্থান
  • মিশ্রনের আয়তন
  • মিশ্রন বিছানোর দ্রততা
  • বিছানোর নিযম
  • ব্যবহার স্থান (বাহিরে বা ভেতরে)
  • অন্য যেকোনো কারণে দেরি হলে

যদি মোটা কোন কিছু তৈরি করতে হয় তাহলে উপরের অংশ খুব আগে জমাট বেধে যায় এবং নিচের অংশ পরে। যার কারণে ক্র্যাক দেখা যায়। এর থেকে রক্ষা পেতেও এই এডমিক্চার ব্যবহার করা হয়।e

কখন এর ব্যবহার না করলেও চলবে

  • অল্প দুরত্বে ব্যবহার হলে
  • ঠান্ডা আবহাওয়া এবং ভেতরে ব্যবহার করা হলে
  • বেজমেন্ট
  • দ্রত বিছানো গেলে

ফ্লাই এ্যাশ

ফ্লাই এ্যাশ কয়লার পোড়ানোর কারণে তৈরি হয়। এর ব্যবহারের কারণে কংক্রিট শক্তিশালি হয়, টেকসই হয় এবং সহজে এই কংক্রিট দিয়ে কাজ করা যায়।

ফ্লাই যোগ করার কারণে কংক্রিট এর মধ্যে পানি প্রবেশের ক্ষমতা কম হয়। অর্থাৎ ইমপারমিয়াবিলিটা বৈশিষ্ঠ্য যোগ হয়।

কংক্রিট প্রধানত দুই ধরনের ফ্লাই এ্যাশ ব্যবহার করা হয়। ক্লাশ এফ এবং সি

ক্লাশ এফ

ব্লিডিং এবং সেগ্রিগেশন কমায়। শৃঙ্কেজ এবং পারমিয়াবিলিটা কমায়। হাইড্রেশনের তাপমাত্রা কমায় এবং ক্রিপ কমায়।

ক্লাশ সি

এটি প্রধানত প্রি-স্টেস কংক্রিট এ ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করা যেখানে অল্প সময়ে স্ট্রেন্থ প্রয়োজন সেখানে এটি ব্যবহার করা হয়।

শীতল আবহাওয়ার জন্য এডমিকচার

২০o ফারেনহাইট তাপমাত্রা কমার কারণে সেটিং টাইম প্রায় দুই গুন হয়ে যায়। এ থেকে রক্ষার জন্য এক্সিলারেটর এবং ওয়াটার রিডিউসার এর সমন্বয়ে এই সমস্যা দুর করা যায় বা কমানো যায়।

গরম আবহাওয়ার জন্য এডমিকচার

সাধারণত প্রতি ১০o ফারেনহাইট তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে স্লাম্প ১" কমে যায়। ৩০o ফারেনহাইট তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে সেটিং টাইম প্রায় অর্ধেক হয়ে যায়। পানির প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি পায়। ওয়াটার রিডিউসিং এবং রিটার্ডার  এর ব্যবহার করে গরম আবহাওয়াতে কংক্রিট ব্যবহারে সুফল পাওয়া যায়।

চলবে..........................................................

Card image cap
সাহায্য / প্রশ্ন / সমাধান
Ashraful Haque - 13 Jun 2011

সম্মানিত সদস্য এবং অতিথিবৃন্দ। যেকোনো ধরনের সাহায্য, প্রশ্ন , পরামর্শ ইত্যাদি থাকলে এইখানে মন্তব্য দিন।

আমরা সাধ্যমত চেষ্টা করব উত্তর , সমাধান বা সাইট এর উন্নতি। আপনাদের পরামর্শ আমাদের সাহায্য করবে বাংলাদেশের প্রকৌশলীদের

ভাব এবং জ্ঞান আদানপ্রদান করতে

ধন্যবাদ

সাইট ব্যবহারের সহজ এর জন্য কিছু পাতার নাম নিচে দেয়া হলো

Card image cap
কিভাবে নতুন সদস্য হতে হয়
Ashraful Haque - 13 Jun 2011

নতুন সদস্য হতে গেলে আপনাকে নিচের লিঙ্ক এ যেতে হবে

http://need4engineer.com/user/register

উপরের লিঙ্ক কপি করে আথবা এর উপর ক্লিক করে আপনি উক্তো পাতাতে যেতে পারেন

এরপর আপনার সদস্য নাম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে নতুন সদস্য গঠন বোতামে ক্লিক করতে হবে

এরপর আপনার ইমেইল এ প্রয়োজনীয় তথ্য চলে যাবে। কখনো কখনো ইমেইলটি স্প্যাম হিসাবে থাকতে পারে

সেই জন্য অবশ্য আপনাকে স্প্যাম ফোল্ডার দেখতে হবে।

এরপরও যদি কোনও সমস্যা হয় তাহলে [email protected] এ ইমেইল করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে অথবা

আপনার সদস্য নাম এবং ইমেইল লিখে নিচে মন্তব্য দিন। আপনার সদস্য নাম এবং ইমেইল মন্তব্য আকারে দেখা যাবেনা। শুধু সাইট পরিচালক এটি দেখতে পারবে।

Card image cap
বাংলাদেশ বি আর টি এ অনুযায়ী গাড়ির রেজিস্ট্রেশন কোড
engr.tushar - 11 Jun 2011
কোডবর্ণনা  সংকেতশুরু নম্বরশেষ নম্বর
  মটর সাইকেল (ছোট)  A১১৯৯
  মটর সাইকেল (মাখারি)  HA১১৯৯
  মটর সাইকেল (বড়)  LA১১৯৯
  বেবি ট্যাক্সি ২ সিট  TWA১১৯৯
  বেবি ট্যাক্সি ৩ সিট  TAW১১৯৯
অটো রিক্সা  DWA১১৯৯
  অটো টেম্পো (পাবলিক)  FA১১৯৯
 অটো টেম্পো (প্রাইভেট)  WUA১১৯৯
  ট্যাক্সি  PA১১৯৯
১০  মটর কার (ছোট)  KA১১৯৯
১১  মটর কার (মাখারি)  KHA১১৯৯
১২  মটর কার (বড়)  GA১১৯৯
১৩  মটর কার (খুব বড়)  BHA১১৯৯
১৪  প্রাইভেট প্যাসন্জার (জিপ)  GHA১১৯৯
১৫   প্রাইভেট প্যাসন্জার (মাইক্রোবাস)  CHA১১৫০
১৬  প্রাইভেট সার্ভিস মাইক্রোবাস   CHA৫১৯৯
১৭  পাবলিক সার্ভিস মাইক্রোবস   CAA১১৯৯
১৮  হেলথ সার্ভিস মোটর  CAA৭১৯৯
১৯  পাবলিক সার্ভিস  মিনিবাস  JA১১৯৯
২০  প্রাইভেট সার্ভিস  মিনিবাস  JHA১১৯৯
২১  পাবলিক সার্ভিস  ওমনিবাস  BA১১৯৯
২২   প্রাইভেট সার্ভিস  ওমনিবাস  SA১১৯৯
২৩ হালকা পাবলিক মালামাল   NA১১৯৯
২৪ মাঝারী পাবলিক মালামাল   DA১১৯৯
২৫ ভারী পাবলিক মালামাল   TA১১৯৯
২৬  হালকা ব্যক্তিমালিকানা মালামাল   MA১১৫০
২৭  মাঝারী ব্যক্তিমালিকানা মালামাল   AU১১৯৯
২৮  ভারী ব্যক্তিমালিকানা মালামাল   U১১৯৯
২৯  প্রাইভটে ট্যাংক লরী  DHA১১৪০
৩০  পাবলিক ট্যাংক লরী  DHA৪১৬০
৩১  প্রাইভেট আর্টিকুলেটেড  DHA৬১৮০
৩২ পাবলিক আর্টিকুলেটেড  DHA৮১৯৯
৩৩কৃষিকাজে নিয়জিত  E১১৬০
৩৪  প্রাইভেট ট্রেইলর  E৬১৭০
৩৫  পাবলিক ট্রেইলর  E৮১৯৯
৩৬  দ্বৈত ব্যাবহার  THA১১৯৯
৩৭  রাষ্ট্রপতি অফিস  RA১১৯৯
৩৮  প্রধানমন্ত্রির অফিস  ZA১১৯৯
৩৯  বিষেশকাজে নিয়জিত  SHA১১৯৯
৪০  কুটনৈতিক গাড়ি   
৪১  জাতিসংঘ বাংলাদেশ গাড়ি  
৪২বিশিষ্ঠ ব্যাক্তিবর্গ  
৪৩ ডাক বা বিতরণ  MA৫১৯৯

Card image cap
ক্ষেত্রফল বের করার সুত্র
engr.tushar - 10 Jun 2011
আকার

সুত্র

আয়াতাকার
ক্ষেত্রফল= দৈর্ঘ X প্রস্থ
ক্ষেত্রফল A = lw
পরিসিমা  = ২ X দৈর্ঘ + ২ X প্রস্থ
P = ২ l + ২ w

P = পরিসীমা, A =ক্ষেত্রফল , l =দৈর্ঘ্য , w = প্রস্থ

প্যারালালগ্রাম
ক্ষেত্রফল = ভুমি X উচ্চতা
a = bh

a = ক্ষেত্রফল, b = ভুমি, h = উচ্চতা

ত্রিভুজ
ক্ষেত্রফল= ১/২
X ভুমি X উচ্চতা
a = ½ bh
পরিসীমা = a + b + c
ট্রাপিজিয়াম
ক্ষেত্রফল
পরিসীমা = a + b1 + b2 + c
P = a + b1 + b2 + c
বৃত্ত
ব্যাস বা ডায়া d = ২ X r (রেডিয়াস)
পরিসিমা = ২ 
X পাই X রেডিয়াস
ক্ষেত্রফল A =
পাই X রেডিয়াস
(পাই=৩.১৪)

ঘনক
  আয়তন= দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X উচ্চতা
V = lwh
পৃষ্ঠতল= ২
X (দৈর্ঘ্য X প্রস্থ +দৈর্ঘ্য X উচ্চতা+প্রস্থ X উচ্চতা)

V = আয়তন, l= দৈর্ঘ্য, w = প্রস্থ, h = উচ্চতা

প্রজম
  আয়তন= ভুমি X উচ্চতা
v=bh
পৃষ্ঠতল = ২b + Ph

b= ভুমিতল

P=পরিসীমা

h=উচ্চতা

সিলিন্ডার
আয়তান=
পাই X রেডিয়াস X উচ্চতা
V = pr2 h
পৃষ্ঠতল=
২  X পাই X উচ্চতা
S = 2prh + 2pr2

পিরামিড
V = ০.৩৩৩ bh
V = আয়তন

b = ভুমিতল

h =উচ্চতা

কৌণ
  আয়তান= ০.৩৩৩
পাই X রেডিয়াস X উচ্চতা
V= ০.৩৩৩ pr2h
পৃষ্ঠতল = pr2 + prs
S = pr2 + prs
=
pr2 + pr

গোলক
আয়তন= ১.৩৩৩ pr
V = ১.৩৩৩ pr
পৃষ্ঠতল = ৪
X p X r
S = 4pr2

V = আয়তন

p = পাই = ৩.১৪

r = রেডিয়াস

S = পৃষ্ঠতল

Card image cap
পরিমাপের একক এর রুপান্তর তালিকা
Ashraful Haque - 10 Jun 2011
যা পরিবর্তন হবে (a)যাতে পরিবর্তিত হবে (b)গুন দিতে হবে (c) (a=b x c)
ইঞ্চ ........................ফুট...............................০.০৮৩৩
ইঞ্চ ........................মিলিমিটার......................২৫.৪
ফুট............................ইঞ্চ............................১২
ফুট............................গজ.............................০.৩৩৩৩
গজ .........................ফুট...............................
বর্গ ইঞ্চ .............বর্গ ফুট.....................০.০০৬৯৪
বর্গ ফুট..................বর্গ ইঞ্চ.................১৪৪
বর্গ ফুট..................বর্গ গজ ..................০.১১১১১
বর্গ গজ...............বর্গ ফুট.....................
ঘন ইঞ্চ ...............ঘন ফুট.......................০.০০০৫৮
ঘন ফুট....................ঘন ইঞ্চ...................১৭২৮
ঘন ফুট....................ঘন গজ ....................০.০৩৭০৩
ঘন গজ.................ঘন ফুট.......................২৭
ঘন ইঞ্চ ...............গ্যালন ..........................০.০০৪৩৩
ঘন ফুট....................গ্যালন ..........................৭.৪৮
গ্যালন.......................ঘন ইঞ্চ...................২৩১
গ্যালন.......................ঘন ফুট.......................০.১৩৩৭
গ্যালন.......................তরল পাউন্ড..............৮.৩৩
তরল পাউন্ড ..........গ্যালন ..........................০.১২০০৪
আউন্স.......................পাউন্ড ..........................০.০৬২৫
পাউন্ড.......................আউন্স ..........................১৬
ইঞ্চ of water ............পাউন্ড প্রতি বর্গইঞ্চ .........০.০৩৬১

Card image cap
পরিমাপের একক এর পরিবর্তন
engr.tushar - 10 Jun 2011

দূরত্বের একক
১ ইঞ্চ = ২.৫৪ সেন্টিমিটার
১ ফুট = ০.৩০৫ মিটার
১গজ = ০.৯১৪  মিটার
১ মাইল = ১.৬০৯ কিলোমিটার
১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার
১ সেন্টিমিটার = ০.৩৯ ইঞ্চ
১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চ = ৩.২৮ ফুট = ১.০৯৪ গজ
১ কিলোমিটার = ০.৬২ মাইল
১ ইঞ্চ (ইঞ্চ) = ১/৩৬ গজ = ১/১২ ফুট
১ ফুট (ফুট) = ১/৩ গজ
১ রড (রড) = ৫ ১/২ গজ
১ ফারলং (ফার) = ২২০ গজ = ১/৮ মাইল
১ মাইল (মাইল) = ১,৭৬০ গজ = ৫,২৮০ ফুট
১ নটিক্যাল মাইল = ৬,০৭৬.১ ফুট
১ মিলিমিটার (মিমি) = ১/১,০০০ মিটার
১ সেন্টিমিটার (সেমি) = ১/১০০ মিটার
১ ডেসিমিটার (ডেসি) = ১/১০ মিটার
১ ডেকামিটার (ডেকা) = ১০ মিটার
১ কিলোমিটার (কিমি) = ১০০০ মিটার