Card image cap
পানির স্তর ও সিপেজ চাপ নিয়ন্ত্রণ
engr.tushar - 23 May 2011

 

অনেকেই বলে থাকেন মাটির ভেতর যদি পানি না থাকত তাহলে সয়েল মেকানিক্স বিষয়টি পড়বার দরকার পড়তো না। দেখা যায় মাটির ধারণ ক্ষমতা,  সেটেলমেন্ট, সিপেজ, পাইল ডিজাইন ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে পানি একটি মুখ্য ভূমিকা রাখে। আসলেই কি তবে মাটির ভেতরকার পানি প্রকৌশলীদের বিরক্তির কারণ? মাটির মধ্যে পানি না থাকলেই ভাল হতো? এ প্রশ্ন অবান্তর। কারণ পানির অপর নাম জীবন। পানি না থাকলে গাছ-পালা, শষ্য, প্রাণীজীবন কিছুই বেচে থাকত না। তাই মাটির ভেতর পানি থাকবেই আর সেই পানি কে আমলে নিয়ে বা নিয়ন্ত্রণ করাই প্রকৌশলীদের কাজ।

 

ঢাকা শহরে এখন মাটির নিচে একতলা থেকে শুরু করে পাচ তলা ভবন পর্যন্ত নির্মিত হচ্ছে যাকে বেজমেন্ট বলা হয়। বেজমেন্ট নির্মাণের সময় যখন মাটি কেটে গর্ত বানানো হয় তখন দেখা যায় মাটির চারপাশ থেকে এমন কি নিচ থেকেও পানি চুইয়ে চুইয়ে আসছে। এই পানি চুইয়ে আসা কে প্রকৌশলবিদ্যায় সিপেজ বলে। ঢাকার মাটির রিপোর্টে দেখা যায় যে প্রায় ১৫-২৫ ফুট পর্যন্ত লাল এটেল মাটি বা ক্লে সয়েল পাওয়া যায় এরপর আরও  ২০-৩০ ফুট বালি মাটি বা স্যান্ডি সয়েল পাওয়া যায়। বালি মাটির মধ্যে পানি থাকলে তার সিয়ার স্ট্রেন্থ থাকেনা এ অবস্থা কে লিকুইফ্যাকশন বলা হয়। অনেক সময় দেখা যায় মাটি প্রোটেকশনের জন্য যে শোর পাইল করা হয় তার ফাক দিয়ে বালি সহ পানি বেজমেন্টের জন্য তৈরি করা গর্তের মধ্যে চলে আসে। যার ফলে আশেপাশের রাস্তা বা ভবনের নিচ থেকে যদি মাটি সরে যায় তাহলে ঐ রাস্তা বা ভবনের ক্ষতি হবার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। এছাড়াও প্রকল্পের ভিতর পানি আসলে প্রকল্পের কাজেও বেশ সমস্যা হয় যেমনঃ কাদামাটির ভেতর ঢালাই করলে ঢালাই এর কোয়ালিটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়, প্রকল্পের ভেতর মাটি ভেঙ্গে আসে, শ্রমিকদের হাটাচলা অসুবিধা, ভেজা মাটির মধ্যে কাজ করার জন্য নিরাপত্তাজনিত ও অসুস্থতাজনিত সমস্যা দেখা দেয়। তাই প্রকৌশলীদের সিপেজ এবং মাটির মধ্যে পানির স্তর নিয়ন্ত্রন করার প্রয়োজন হয়।

 

সিপেজ পানির প্রবাহ সাধারণত দুই রকমের হয়ে থাকে একটিকে বলা হয় আর্টেসিয়ান প্রবাহ আর অপরটিকে গ্রাভিটি প্রবাহ। যদি বালি মাটির উপরে ও নিচে এটেলমাটি বা শিলা থাকে তাহলে পানি প্রবাহ সাধারণত সেদিকেই হতে থাকবে যেদিকে মাটি বা পানি চাপ কম হবে এই ধরণের প্রবাহ কে আর্টেসিয়ান প্রবাহ বলে। এই প্রবাহে পানির চাপ বেশি থাকে। অনেকসময় ভিত্তি তলের জন্য নির্মিত লীন কঙ্ক্রীট ভেংগে পানি ভিত্তি তলের উপরে চলে আসে। অপরদিকে, কোনো জায়গায় যদি গর্ত খোড়া হয় আর পানির স্তর যদি ঐ গর্তের তলের উপরে থেকে তখন উচ্চতার পার্থক্যের জন্য এবং মাধ্যাকর্ষণজনিত কারণে পানি গর্তের গা বেয়ে চুইয়ে চুইয়ে পড়তে থাকে এই ধরণের প্রবাহ কে গ্রাভিটি প্রবাহ বলে। এই প্রবাহের কারণে বালি মাটিসহ পানি গর্তের মধ্যে আসতে থাকে। এই প্রবাহ কে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে ভয়াবহ দুর্ঘটনার সৃষ্টি হতে পারে। নিচে পানির স্তর এবং সিপেজ নিয়ন্ত্রনের কয়েকটি উপায় নিয়ে আলোচনা করা হলোঃ

 

 

 

১) ভিত্তি তল বা ফাউন্ডেশন লেভেলের নিচে ছোট গর্ত করাঃ  যদি প্রকল্পের আকার ছোট হয় এবং একটা বা দুইটা বেজমেন্ট হয় তাহলে এই পদ্ধতি বেশ কাজ করে। এখানে প্রকল্পের মাটি অপসারণের সময় ভিত্তি তলের চারপাশ দিয়ে ছোট নালা করা হয় এবং এই নালাগুলো বিভিন্ন জায়গায় তৈরি করা কয়েকটি ছোট ছোট গর্তের সাথে সংযোজিত করা হয়। ফলে পানি সবসময় একটি নির্দিষ্ট পথে চালিত হবে, গর্তের মধ্যে জমা হবে। পরে পাম্প দিয়ে পানিকে প্রকল্পের বাইরে নিয়ে যাওয়া যাবে। এতে করে পানি ভিত্তি তলের উপরে আসতে পারবেনা এবং ভিত্তি তল শুকনা থাকবে।      

 

২) প্রকল্পের চারপাশে নলকুপ বসানোঃ যদি প্রকল্পের আকার মাঝারি হয় এবং দুইটা বা তিনটা বেজমেন্ট থাকে তাহলে প্রকল্প শুরু করার প্রায় তিন-চার মাস আগে থেকে শোর পাইলের বাইরে ১০-২০ ফুট দূরে দূরে কিছু নলকুপ বসানো যায়। ৩/৪ টি নলকুপের রাইজার পাইপ একত্র করে তার সাথে পাম্প লাগিয়ে সার্বক্ষনিকভাবে পানি উত্তোলন করা যায়। এতে করে ওই প্রকল্পের চারপাশে পানির স্তর ভিত্তি তলের নিচে নেমে যেতে থাকে। ফলে সিপেজ পানির চাপ অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

 

৩) প্রকল্পের চারপাশে গভীর কুপ খননঃ যদি প্রকল্পের আকার বড় হয় এবং তিনটি বা তার অধিক বেজমেন্ট থাকে তখন প্রকল্প শুরুর ৬/৭ মাস আগে থেকে প্রস্তুত হতে হবে সিপেজ পানি নিয়ন্ত্রন নিয়ে। প্রকল্পের চারপাশে খালি জায়গায় শোর পাইলের বাইরে বড় বড় গভীর কুপ খনন করা প্রয়োজন এবং এই কুপগুলি থেকে সাবমারসিবল পাম্প দিয়ে পানি লাগাতার ভাবে উত্তোলন করতে হবে। যাতে করে প্রকল্পের আশেপাশের সমস্ত এলাকা জুড়ে পানির স্তর ভিত্তি তলের নিচে থাকে। পুনরায় মাটি পরীক্ষা করে পানির স্তর সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে প্রকল্পের মাটি কাটা শুরু করতে হবে।

 

পানির স্তর নিচে নামিয়ে আনা বা সিপেজ পানির চাপ নিয়ন্ত্রন করতে পারলে প্রকল্পের অনেক ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।

 

 

 

 

 

Card image cap
প্রকল্প ব্যবস্থাপকের জন্য কিছু প্রশ্ন
engr.tushar - 22 May 2011

১। ফলপ্রসূ নয় এমন সদস্য কে কিভাবে পরিচালনা করবেন?
২। কাজে অনীহা চলে এসেছে এমন সদস্যের কিভাবে পরিচালনা করবেন ?
৩। কোনো সদস্য তার ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে আসলে কী করবেন?
৪। আপনার পেশাগত লক্ষ্য কী?
৫। একাধিক ডিপার্টমেন্ট আপনি কিভাবে চালাবেন?
৬। যদি একই কাজ একাধিক উপায়ে করা যাই এবং অন্য উপায় গুলিও অন্যদের কাছে ভালোমতো গ্রহণযোগ্য তাহলে আপনি কী করবেন?
৭। আপনি যদি অনুকূল পরিবেশে থাকেন,আপনি আপনার নেত্তৃত্ত্ব কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?
৮। একটি ভাল নেত্তৃত্ত্বের ভাল উদাহরণ দেন যেখানে দলগত ভূমিকা বেশি থাকে।
9। যেখানে সততা রক্ষা করা খুব কঠিন হয়ে যায় সেখানে আপনি কী করেন? কেন করেন?
১০। কোন অবস্থায় আপনি আপনার ব্যবস্থাপকের কাছে সততা ছেড়ে দিবেন?
১১। বর্তমানে ব্যবসায়িক পরিবেশে কখন আপনার সততা বিশেষভাবে গুরুত্ত্বপূর্ণ?
১২। আপনি এই পদে আগ্রহী কেন?
১৩। একই কাজ প্রতিদিন করতে হবে, এ সম্পর্কে মন্তব্য দিন
১৪। এই পদে আপনি নিজেকে যোগ্য মনে করেন কেন?
১৫। আপনার ব্যর্থতা থেকে আপনি কী শিখেছেন?
১৬। আপনার আগের কাজে কী সবচেয়ে বেশি উপভোগ করতেন? কী আপনি সবচেয়ে বেশি বা কম উপভোগ করতেন? কেন? আপনার বড় সাফল্য কী? আপনার সবচেয়ে বড় হতাশা কী?
১৭। এই কাজে উপকার আসবে এমন কী প্রকল্প বা প্রশিক্ষণ আপনি করেছেন?
১৮। আপনার কাজে কী আপনি জড়িত করতে চান না?
১৯। আপনার বর্তমান কাজের পরিকল্পনা কী? আপনি বর্তমান চাকরি ছাড়তে চান কেন?
২০। আপনার সবচেয়ে পছন্দের কাজ কী? আপনার জন্য আদর্শ চাকরি কী?
২১। যদি কোনও ঠিকাদার এর কাজের আগ্রহ না থাকলে কী করবেন?
২২। আপনার পূর্ববর্তী প্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ করতে তারা আপনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সম্পর্কে কী বলবে?
২৩। জেতা জেতা অবস্থায় আপনি কিভাবে আলোচনা বা পরামর্শ করেন?
২৪। যোগাযোগ এর ক্ষেত্রে আপনার মৌখিক এবং লেখার ক্ষমতা কতটুকু? আপনার সম্পর্কে আপনি অন্যের কাছে নিজেকে কিভাবে উপস্থাপন করেন?
২৫। অনেক চাপে ছিলেন এমন অবস্থার উদাহরণ দিন এবং আপনি কিভাবে তা নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন? যদি এইটা আবার করতে হয় তাহলে কী অন্য উপায় বের করবেন? চাপ বা অযৌক্তিক চাহিদা থাকলে আপনি কী করবেন?
২৬। কঠিন সিদ্ধান্ত্ত নিতে হলে আপনি করবেন?
২৭। গতকাল আপনি আপনার কার্যস্থলে কী করেছেন?
২৮। প্রযুক্তিগত সমস্যা হলে আপনি কী করবেন?
২৯। আপনার সর্বশেষ পদে আপনি কী অর্জন করেছেন?
৩০। সফল প্রকল্প ব্যবস্থাপক হতে গেলে প্রয়োজনীয় ধাপ গুলি কী কী?
৩১। আপনি কোনও প্রকল্প কিভাবে পরিকল্পনা করেন?
৩২। কোনও প্রকল্প পরিকল্পনা করতে গেলে কী কী বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে?
৩৩। কোনও প্রকল্প পরিকল্পনা করতে গেলে কী কী বিষয় কম বিবেচনায় রাখলেও চলবে ?
৩৪। গতানুগতিক কাজ থেকে প্রকল্পের পার্থক্য কী?
৩৫। কোনও প্রকল্পের তিনটি বাধা উল্ল্যেখ করেন
৩৬। প্রকল্প নিয়ন্ত্রণ করে এমন পাঁচটি বিষয় উল্লেখ করেন
৩৭। একজন ফলপ্রসূ প্রকল্প ব্যবস্থাপক হতে গেলে কী গুণাগুণ থাকা দরকার?
৩৮। প্রকল্প ব্যবস্থাপনা আপনার কী অভিজ্ঞতা আছে?
৩৯। প্রকল্প ব্যর্থ হতে পারে এমন পাঁচটি কারণ বলেন
৪০। একটা প্রকল্প সম্পর্কে বলেন যেখানে আপনি ছিলেন এবং সেখানে আপনার দায়িত্ত্ব কী ছিল?
৪১। কোনও প্রকল্প আপনাকে দেওয়া হবে তখন আপনি কী কী পদক্ষেপ নিবেন?
৪২। যখন আপনি প্রকল্প ব্যবস্থাপক হিসাবে কাজ শুরু করলেন তখন আপনি বুঝতে পারলেন যে , ব্যয় বহনকারী প্রতিষ্ঠান পপ্রকল্পটির বার বহন করতে চাচ্ছে না, তখন কী করবেন?
৪৩। আপনার তিন মাসের প্রকল্পে দেখা গেল যে  প্রথম মাসেই যা খরচ হওয়ার কথা ছিল তার চেয়ে বেশি হল। তখন আপনি কী করবেন?
৪৪। আপনার সফল একটি প্রকল্পের নাম বলেন এবং সফলতার পেছনে আপনার ভূমিকা কী ছিল?
৪৫। আপনাকে এক্ট দল সহ একটি প্রকল্প দেওয়া হল। তখন দলের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জন্য আপনি কী পদক্ষেপ নিবেন?
৪৬। একেবারে নতুন কর্মচারী বা কর্মকর্তা দিয়ে আপনাকে একটি প্রকল্প চালানোর দায়িত্ত্ব দেয় হল। এদের কে দিয়ে সঠিক সময়ে আপনি প্রকল্প শেষ করবেন কিভাবে? কী কী পদক্ষেপ নিবেন?
৪৭। প্রকল্প মাইল ফলক কী?
৪৮। প্রজেক্ট ফ্লোট কী?
৪৯। ব্যবহারকারীদের নিয়মিত পরিবর্তনের জন্য আপনার প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে গেলে এবং সময় পিছিয়ে গেলে আপনি এটাকে কিভাবে নেবেন?
৫০। প্রকল্পের শুরুতে পিছিয়ে গেলে আপনি সময় এগিয়ে আনার জন্য কী পদক্ষেপ নিবেন? কোন পদক্ষেপ আপনার জন্য সবচেয়ে বেশি কাজে দিবে?
৫১। যেখানে কঠিন প্রকল্প পরিবেশে, সেখানে বাজেট এবং সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে আপনি কী করেছেন?
৫২। একটি প্রকল্পের সফল কার্যকরী পৃষ্ঠপোষকতার জন্য কি করা হয়
৫৩। আপনি আপনার শেষ প্রকল্প কিভাবে পেয়েছিলেন?
৫৪। আপনার সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব কী ছিল?
৫৫। ওই প্রকল্পের পছন্দের ও অপছন্দের কী কী ছিল?
৫৬। ওই প্রকল্প থেকে আপনি কী শিখেছেন?
৫৭। খুব কঠিন সময়ের কথা বলেন এবং সেই সময় আপনি কী করেছিলেন?
৫৮। অন্যান্য  সহকর্মীদের সাথে আপনার সম্পর্ক কেমন?
৫৯। কোনটি শেষে আপনি নিজেকে গর্বিত মনে করেছেন?
৬০। আপনার পূর্ববর্তী কেও কী আপনার কাজের সম্পর্কে বলতে পারবে?
৬১। পরামর্শক বা নিজস্ব কোনও কাজে জড়িত ছিলেন কিনা?
৬২। আমাদের সাথে স্বতন্ত্র কনট্রাকটর বা পরামর্শক হিসাবে কাজ করার বিষয়ে আপনার চিন্তাভাবনা কী?
৬৩। মতের অমিলের দায়িত্ব কী থাকতে পারে?
৬৪। আপনার সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব কী থাকবে?
৬৫। আপনার কোন অভিজ্ঞতা আপনার জন্য উপকারী হবে বলে আপনি মনে করেন?
৬৬। এই কাজে আপনার কোন কোন ধরণে মানুষের সাথে কাজ করতে হবে? এই সকল মানুষের সাথে কাজ করতে আপনার কী ধরনের অভিজ্ঞতা আছে?
৬৭। এই নতুন কাজ থেকে আপনি কী আশা করেন?
৬৮। এই ধরনের প্রকল্পের বড় দুইটি বাধার নাম বলেন? এই ধরনের বাধার সম্মুখীন হলে আপনি কী করবেন যাতে সময় মত কাজ শেষ হয়?
৬৯। প্রকল্প চার্টার কী? এর উপাদান গুলি কী কী?
৭০। ভবিষ্যত সিদ্ধান্তের জন্য আপনি কোন দলীলাদি উল্লেখ করবেন?
৭১। স্কোপ বটে কী বুঝায়?
৭২। স্কোপ সংজ্ঞায়িত করার ফলাফল কী?
৭৩। মানসম্মত ব্যবস্থাপনা কী?
৭৪। গুণগত মান এর জন্য আপনার পরিকল্পনা কী?
৭৫। EVM কী? প্রকল্প ব্যবস্থাপনাতে আপনি এটা কিভাবে কাজে লাগাবেন?
৭৬। প্রজেক্ট ও প্রোগ্রাম এর মধ্যে পার্থক্য কী?
৭৭। প্রকল্প নির্ধারণের উপায় কী কী?
৭৮। প্রকল্প নিয়ন্ত্রণ করার হাতিয়ার কী?
৭৯। ঝুকি ব্যবস্থাপনা কী? ঝুকিতে সাড়া দিতে আপনার পরিকল্পনা কী?
৮০। প্রকল্প সমাপ্তিতে কী পাওয়া যায়?
৮১। প্রকল্প আনুমানিক হিসাবের কী কী উপায় আছে?
৮২। আপনি কোন পদ্ধতি নির্বাচন করবেন(আনুমানিক হিসাব করার জন্য)?
৮৩। আপনি প্রকল্প কিভাবে শুরু করবেন?
৮৪। কাস্টমার এর কাছে প্রকল্প হস্তান্তর করার জন্য সব-কনট্রাকটর এর উপর সময় নির্ভর করলে আপনি কী ব্যবস্থা নিবেন এবং কী ধরনের চুক্তি করবেন?
৮৫। একজন ভাল ব্যবস্থাপক হিসাবে আপনার এই ধরনের প্রকল্পের জন্য তিনটি সংকট বিষয় কী?
৮৬। প্রকল্পের সফলতা পরিমাপ করার জন্য আপনি কী করবেন?
৮৭। আপনার সর্বোচ্চ দক্ষতা কী?
৮৮। কোনও সদস্য অঙ্গীকার পূরণে ব্যর্থ হলে আপনি করবেন?
৮৯। অতীতে আপনি কতগুলি প্রকল্প করেছেন? সময়ের মধ্যে কতগুলি শেষ করেছেন? বাজেটের মধ্যে কতগুলি ঠিক করেছেন? কী কী বাধা অতিক্রম করেছেন?
৯০। মাইলস্টন, ইন্টারডেপেন্ডেন্সি এবং রিসোর্স এলকেশন বলতে কী বোঝায়?
৯১। নতুন কোম্পানী কোন প্রজেক্ট সফ্টওয়্যার ব্যাবহার করে? তার জন্য কী কোনও প্রশিক্ষণ দরকার আছে?
৯২। আপনার সম্পর্কে বলেন।
৯৩। আপনার সামর্থ্য কতটুকু?
৯৪। আপনার দুর্বলতা কী কী?
৯৫। আপনার সম্পর্কে আপনার বর্তমান উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বক্তব্য কী?
৯৬। আপনার উর্দ্ধতন কর্মকর্তার কাজ কী?
৯৭। উর্দ্ধতন কর্মকর্তার সম্মন্ধে আপনার মতামত দিন। (তাদের সম্পর্কে কোনও খারাপ মন্তব্য করা যাবে না)

Card image cap
ছাদে ব্যবহূত কিছু টালি (সিরামিক)
engr.tushar - 22 May 2011
001
002
003
004
005
006
008
007
009
010
011
012
013
014
015
016
017
018
019
020
021
022
023
024

Card image cap
ভাল ইটার বৈশিষ্ট্য
engr.tushar - 22 May 2011

বিভিন্ন ধরনের ইট রয়েছে। তবে কাদা মাটির ইটাই বেশি পরিচিত ইট হিসাবে। নিচে এদের কিছু বৈশিষ্ট্য দেয়া হলো

১। খুব বেশি পানি শোষণ করবে না
২। নখ দিয়ে আঁচড় দেয়া যাবে না
৩। এর ধারগুলো সমান এবন একই ধরনের হবে।
৪। মসলা ধরার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ সরন্ধ্র  থাকবে
৫।  4000 পি এস আই এর বেশি বার বহন এর ক্ষমতা থাকবে
৬। ৩ ঘণ্টা পানিতে চুবিয়ে রাখলে গলে যাবে না
৭। হাটুর দিয়ে আঘাত করলে ধাতব্য শব্দ দিবে
৮। রঙ টকটকে হবে
৯। সাধারণ আকার হবে ৯.৫" X ৪.৫" X ২.৭৫"

Card image cap
আধুনিক বাথরুম
engr.tushar - 22 May 2011

বিভিন্ন ধরনের বাথরুম আসবাব এবং উপকরন এর কারণে বর্তমান গোসলখানা আগের চেয়ে অন্যরকম। নিচের ছবি দেখে কিছুটা বোঝা যাবে।

New concept of Modern Bathrooms

আধুনিক গোসলখানা

বর্তমানে গোসল্খনতে প্রচুর কাঠের আসবাব ব্যেবহার করা হয়। এখন অনেক প্রতিষ্ঠান পানি ও আদ্রতা রোধক আসবাব তৈরি করছে।

 

 New Concept of Modern Bathrooms

আধুনিক বাথরুম

বর্তমানে গোসলখানা বা পায়খানা কিছুটা লিভিং বা ড্রইং রুম এর মত হয়ে উঠেছে। 

 New Concept of Modern Bathrooms

আধুনিক বাথরুম

এখন এর সৌন্দর্য্য এর প্রতি অনেক গুরুত্ত্ব দেয়া হয়। একই সাথে আরামদায়ক করা হয়।

Card image cap
FAR এবং MGC আবাসিক বাড়ি এবং হোটেল এর জন্য
engr.tushar - 22 May 2011

সারণী-৩ (ক)
ইমারতের জন্য রাস্তার স্বাভাবিক প্রস্থ, ফোর এরিয়া অনুপাত (FAR) এবং সর্বোচ্চ ভুমি আচ্ছাদন (MGC) ঃ
[Type: A (A১-A৫)আবাসিক বাড়ী ও হোটেল

 

প্লটের পরিমান
ব:মি: বা উহার নীচে

ইমারতের শ্রেণী- A৪) [১] 
(আবাসিক বাড়ি)

ইমারতের শ্রেণী- (A৫) [২]
(আবাসিক হোটেল)

রাস্তার প্রস্থ
(মিটার)

FAR

MGC

রাস্তার প্রস্থ
(মিটার)

FAR

MGC

বর্গমিটার

কাঠা

(%)

(%)

১৩৪ ব:মি: বা উহার নীচে

২  কাঠা বা নিচে

৬.০

৩.১৫

৬৭.৫

৬.০

২.৫০

৬৭.৫

১৩৪ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ২০১ ব:মি: পর্যন্ত

২ কাঠার উর্ধ্ব হতে ৩  কাঠা

৬.০

৩.৩৫

৬৫.০

৬.০

২.৭৫

৬৫.০

২০১ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ২৬৮ ব:মি: পর্যন্ত

৩ কাঠার উর্ধ্ব হতে ৪  কাঠা

৬.০

৩.৫০

৬২.৫

৬.০

৩.০০

৬২.৫

২৬৮ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ৩৩৫ ব:মি: পর্যন্ত

৪ কাঠার উর্ধ্ব হতে ৫  কাঠা

৬.০

৩.৫০

৬২.৫

৬.০

৩.২৫

৬২.৫

৩৩৫ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ৪০২ ব:মি: পর্যন্ত

৫ কাঠার উর্ধ্ব হতে ৬  কাঠা

৬.০

৩.৭৫

৬০.০

৬.০

৩.৫০

৬০.০

৪০২ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ৪৬৯ ব:মি: পর্যন্ত

৬ কাঠার উর্ধ্ব হতে ৭  কাঠা

৬.০

৩.৭৫

৬০.০

৬.০

৩.৭৫

৬০.০

৪৬৯ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ৫৩৬ ব:মি: পর্যন্ত

৭ কাঠার উর্ধ্ব হতে ৮  কাঠা

৬.০

৪.০০

৬০.০

৬.০

৪.৫০

৫৭.৫

৫৩৬ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ৬০৩ ব:মি: পর্যন্ত

৮ কাঠার উর্ধ্ব হতে ৯  কাঠা

৬.০

৪.০০

৬০.০

৯.০

৫.৫০

৫৭.৫

৬০৩ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ৬৭০ ব:মি: পর্যন্ত

৯ কাঠার উর্ধ্ব হতে ১০  কাঠা

৬.০

৪.২৫

৫৭.৫

৯.০

৬.০০

৫৫.০

৬৭০ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ৮০৪ ব:মি: পর্যন্ত

১০ কাঠার উর্ধ্ব হতে ১২  কাঠা

৯.০

৪.৫০

৫৭.৫

৯.০

৬.৫০

৫৫.০

৮০৪ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ৯৩৮ ব:মি: পর্যন্ত

১২ কাঠার উর্ধ্ব হতে ১৪  কাঠা

৯.০

৪.৭৫

৫৫.০

৯.০

৭.০০

৫২.৫

৯৩৮ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ১০৭২ ব:মি: পর্যন্ত

১৪ কাঠার উর্ধ্ব হতে ১৬  কাঠা

৯.০

৫.০০

৫২.৫

৯.০

৭.৫০

৫২.৫

১০৭২ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ১২০৬ ব:মি: পর্যন্ত

১৬ কাঠার উর্ধ্ব হতে ১৮  কাঠা

৯.০

৫.২৫

৫২.৫

৯.০

৮.০০

৫০.০

১২০৬ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ১৩৪০ ব:মি: পর্যন্ত

১৮ কাঠার উর্ধ্ব হতে ২০  কাঠা

৯.০

৫.২৫

৫০.০

৯.০

৮.৫০

৫০.০

১৩৪০ ব:মি: এর উর্ধ্বে

২০  কাঠার উর্ধ্বে

১২.০

৫.৫০

৫০.০

১২.০

৯.৫০

৫০.০[]

যে কোন পরিমাণ

যে কোন পরিমাণ

১৮.০

৬.০০

৫০.০

১৮.০

NR*

৫০.০[]

যে কোন পরিমাণ

যে কোন পরিমাণ

২৪.০

৬.৫০

৫০.০

২৪.০

NR*

৫০.০[]


[১] ট্রাফিক, পার্কিং এবং অন্যান্য চাহিদা পূরণ সাপেক্ষে অপরিকল্পিত আবাসিক এলাকায় নিম্নে বর্ণিত ব্যবহার চলিতে পারিবে: (ক) ডরমিটরি ও হোস্টেল; (খ) শিশু নিবাস, এতিম খানা এবং বৃদ্ধ নিবাস; (গ) সর্বাধিক ২০ কক্ষ বিশিষ্ট হোটেল বা লজ; (ঘ) অনূর্ধ ১০০ বর্গমিটারের রেস্টুরেন্ট; (ঙ) অনূর্ধ্ব ২০০ বর্গমিটারের ধর্মীয় উপাসনার স্থান; (চ) আবাসিক ভবনের নীচতলায় পেশাজীবীদের অফিস, স্টুডিও বা চেম্বার যাহা ১০০ বর্গমিটারের বেশী নয় এবং যেখানে মোট জনবল অনূর্ধ্ব ১৫ জন; এবং (ছ) শুধুমাত্র কর্নার পটের জন্য অনূর্ধ্ব২৫ বর্গমিটারের সেলুন, বিউটি পার্লার, ঔষধের দোকান, মুদি দোকান, দর্জ্জির দোকান।
[২] (আবাসিক হোটেল) ইমারতের ক্ষেত্রে, ২০ কাঠার উধের্্ব জমি বা ১৫ মিটার বা তদূর্ধ্ব প্রশস্ত রাস্তার পার্শে যে কোন পরিমাপের জমির বেলায় নীচ তলায় প্রযোজ্য আবশ্যিক সেটব্যাক স্পেস ব্যতীত সংলগ্ন রাস্তার উপরিতল ১২ মিটার উচ্চতার (প্যারাপেট সহ) পোডিয়াম নির্মান করা যাইবে। *NR (Non restricted)–FAR এর বাধ্যবাধকতা নাই।

 

 

Card image cap
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
engr.tushar - 21 May 2011

সংজ্ঞা:

ডিজাইন, কনস্ট্রাকশন এবং রক্ষণাবেক্ষন এর প্রকৌশলী বিজ্ঞান।
প্রকৌশল জ্ঞান এর মা বলা হয়। সবচেয়ে পুরান, বড় এবং সকল প্রকৌশল জ্ঞানের সমন্বয়।

এর ভাগগুলি নিচে দেয়া হলো:

  1. মৃত্তিকা প্রকৌশল
  2. স্ট্রাকচারাল প্রকৌশল
  3. পরিবহন প্রকৌশল
  4. পানি সম্পদ প্রকৌশল
  5. পরিবেশ প্রকৌশল
  6. ভুমিকম্প প্রকৌশল
  7. নগর উন্নয়ন বা নকশা

সিভিল ইঞ্জিনিয়ার বা পুরকৌশলী কি করে থাকে?

পরিকল্পনা, ডিজাইন, গঠন এবং রক্ষনাবেক্ষন করার কাজ করের সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। সিভিল ইঞ্জিনিয়ার জরিপের কাজ করে থাকে, প্রযুক্তিগত প্রতিবেদন দেয়, এমনকি প্রকল্প ব্যবস্হাপক এর কাজও করে থাকে।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর পরিসর

যেহেতু সময়ের সাথে সাথে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর পরিসর বাড়ছে তাই এর অনেক শাখা বের হয়েছে। এদের উল্লেখযোগ্য হলক স্ট্রাকচারাল, জিওটেক , ট্রান্সপোর্টসন, হাইড্রলিক,এনভায়রনমেনটাল , ইত্যাদি ।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর গুরুত্ত্ব এবং প্রয়োগ

সময়ের সাথে সাথে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর গুরুত্ত্ব বাড়ছে। বর্তমানে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণ নিয়েও কাজ করে। তারা আগুনে ক্ষয় ক্ষতি যেন কম হয় সেই বিষয়েও কাজ করে। পুরাতন মিশর এর পিরামিড বা রাস্তা নির্মাণে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর ভূমিকা উল্ল্যেখযোগ্য অবদান ছিল। প্রকৌশল বিজ্ঞান এর মধ্যে সবচেয়ে পুরানো হলো সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং। পানি,বাতাস এবং মাটি পরিশোধনের বিভিন্ন উপায় নিয়েও সজাগ।

 

Card image cap
ড্যাম্প
engr.tushar - 21 May 2011

সংজ্ঞা :

দেয়াল, ফ্লোর,ছাদ  ইত্যাদি দিয়ে বিল্ডিং এর মধ্যে পানি প্রবেশ করা এবং ভেজা ভেজা ভাব থাককে  ড্যাম্প বলে।

বিল্ডিং এর উপর এর প্রভাব:

  1. কাঠ নষ্ট করে

  2. ধাতুতে মরিচা ধরায়

  3. ইলেক্ট্রিক তার এর ইনসুলেশন নষ্ট করে

  4. কার্পেট ও আসবাবপত্র ক্ষয় হয়

  5. ওয়াল এবং মেঝেতে দাগ পড়ে

  6. প্লাস্টার ক্ষসে পড়ে

  7. রং এর উপর নোনা পড়ে

  8. রং গুড়া গুড়া হয়ে যায়

  9. শরীরেরর জন্য ক্ষতিকর

  10. কাঠামোর জিবনকাল কমিয়ে দেয়

 ড্যাম্প এর কারণ

  1. বৃষ্টির পানি ঢোকা

  2. সাইট এর লেভেল বা উচ্চতা

  3. মাটির পানি নিস্কাশনের ক্ষমতা

  4. আবহাওয়ার অবস্থা

  5. কাঠামের ভুল দিক নির্বাচন

  6. কাঠামো তৈরির সময় আদ্রতা জমা থাকা

  7. দুর্বল কনস্ট্রাকশন

ড্যাম্প প্রতিরোধের উপায়

  1. ডি.পি.সি ব্যবহার করে

  2. রং ব্যবহার করে

  3. পানি প্রতিরোধক করে

  4. ফাপা দেয়াল তৈরি করে

Card image cap
রঙ এর গঠন তন্ত্র
engr.tushar - 21 May 2011

রঙ

ধাতু, কাঠ আথবা প্লাসটার কে রক্ষা করার জন্য রঙ ব্যাবহার করা হয়। সৌন্দর্য্য বৃদ্ধির জন্যও এটি ব্যাবহার করা হয়।

রঙ এর গঠন তন্ত্র

তৈল রঙ এর মৌলিক উপাদান :

১। শরীর
২। মাধ্যম
৩। পিগমেন্ট বা রঞ্জক পদার্থ
৪। থিনার বা তরলিকরণ
৫। শুষ্ককারী

১। শরীর

  • রঙ এর প্রধান অংশ
  • রঙ এর ঝিল্লি কে শক্ত করে এবং ঘর্ষণ এর ফলে উপড়ে পড়া প্রতিরোধ করে
  • শুষ্ক হওয়ার সময় ফাটল প্রতিরোধ করে

সাধারণত সাদা শীষা, জিংক অক্সাইড, আইরন অক্সাইড, ধাতুক গুড় যেমন এলুমিনিয়াম ,কপার,ব্রোঞ্জ ইত্যাদির গুড়া। শরীর উপর নাম করেই সাধারনত রঙ এর নামকরণ করা হয়। জিংক পেইণ্ট, এলুমিনিয়াম পেইণ্ট ইত্যাদি।

২। মাধ্যম

  • তৈলাক্ত তরল যার মধ্যে শরীর এবং পিগমেন্ট দ্রবীভুত হয়।
  • ব্যবহারিক তল এর উপর সহজে ছড়িয়ে যেতে সাহায্য করে।
  • মাধ্যম হিসাবে তৈল সবচেয়ে বেশি ব্যাবহার করা হয়।

প্রধান কাজ হল ভিসকোসিটি বা সান্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করা।

৩। রজন

রঙ এর রঙ এই পিগমেন্ট হ রজন এর উপর নির্ভর করে।

৪। থিনার বা তরলিকরণ

এর ব্যাবহার করার কারণ

  • তারল্যতা বাড়ায়
  • রঙ কে মসৃণ করে
  • ছিদ্রের মধ্যে প্রবেশ করতে সাহায্য করে

তার্পিন হলো সাধারণ থিনার 

৫। শুষ্ককারী

  • মাধ্যম তাড়াতাড়ি শুকানোর জন্য
  • মাধ্যম তাড়াতাড়ি শক্ত হওয়ার জন্য

Card image cap
কখন এবং কিভাবে রং করতে হয়
engr.tushar - 21 May 2011

ধাপগুলো নিচে দেওয়া হল

১। সিলিং বা ছাদের তলা

আলোক উৎস থেকে শুরু করতে হবে, যেমন জানালা।

২। দেওয়াল

সিলিং একটি লাইন দিয়ে বাগ করতে হবে। তারপর উপর থেকে ১ বর্গ মিটার এলাকা উপর-নিচ করে রং করতে হবে।

৩। জানালা

ফ্রেম এর আগে শার্শি রং করতে হবে। প্রয়োজনে কাঁচ ঢেকে দিতে হবে।

৪।  দরজা

ফ্রেম আগে রং করতে হবে।

5। ইস্কার্টিং

কার্পেটের উপর বোর্ড জাতীয় কিছু রেখে ছোট ব্রাশ দিয়ে রং করতে হবে। 

৬.কেবিনেট ও শেলভ

ক্রম: পেছনের দিক, পার্শের দিক, শেলভের উপর , ধারগুলি, নিচের অংশ, তলা, দরজার ভেতরের অংশ, দরজার বাহিরের দরজা, ড্রয়ারের সামনের অংশ। 

যেই যন্ত্রপাতি বেশি ব্যবহার হয়।

  1. স্যান্ড পেপার
  2. স্ক্র্যাপার
  3. গরম বাতাস দেওয়ার যন্ত্র
  4. বালতি
  5. রাবার হাত মোজা
  6. ব্রাশ
  7. রোলার, ট্রে এবং সঠিক রোলারের তুলি
  8. রং এর ট্রে ও প্যাড
  9. থান কাপড়
  10. মাস্কিং টেপ
  11. স্টীল ল্যাডার 

কিভাবে রং করতে হয়?

রঙের পুর্বে সার্ফেস ভালভাবে পরিস্কার করে নিতে হবে। ওয়টার পেপার দিয়ে ঘষে তারপর কাপড় বা ব্রাশ দিয়ে পরিস্কার করে দিতে হবে। কাঠের উপর রং করার পুর্বে অবশ্যই ভালভাবে সীজন করে নিতে হবে। কাঠে বা সার্ফেসে কোন ছিদ্র থাকলে তা অবশ্যই বন্ধ করে নিতে হবে। এরপর খুব ভালভাবে প্রাইমার মারতে হবে। প্রাইমারের পুরত্ব যেন সমান হয় এবং মসৃণ হয় তা খেয়াল রাখতে হবে। স্যাতস্যাতে দিনে রঙের কাজ না করাই ভাল। .

গবেষণাতে দেখা গেছে যে প্রাইমার এবং দুই স্তর রঙের পুরুত্ব ৩.৫ থেকে ৫ মিলিমিটার পর্যন্ত হলে ভাল হয়। এর বেশি হলে রং ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং কম হলে খশে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। রোলার বা স্প্রে থেকে ব্রাশের ব্যবহার অনেক ভাল। তাই কমপক্ষে প্রথম স্তার বা প্রাইমার ব্রাশ দিয়ে বা বোর্ড দিয়ে করাই ভাল। সব জায়গাতে দুই কোট না দিলেও চলে। তবে দক্ষিণ ও পশ্চিমে দুই স্তর দেয়া উচিত। কেননা এই দুই দিকে আবহাওয়ার প্রভাব বেশি। 

যে জায়গাতে বৃষ্টি-রোদ-বাতাসের প্রভাব বেশি, সেখানে দুই স্তর রং করতে হবে। 

রঙের স্থায়ীত্বের জন্য প্রাইমারের দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রথম স্তর মারা উচিত। আর দ্বিতীয় স্তর প্রথম স্তরের দুই সপ্তাহের মধ্যে মারা উচিত। তা নাহলে বিভিন্ন ধরণের তেল,ময়লা, ইত্যাদি লেগে যেতে পারে যা স্তরের মধ্যের বাধণে বাধা সৃষ্টি করবে। যা রঙের জন্য ক্ষতিকর। তেল নির্ভর রঙ ৪০ ডিগ্রী ফারেণহাইট তাপমাত্রাতে করা উচিত। এবং পানি রং ৫০ ড্রিগ্রী ফারেণহাইটের নিচে করা উচিত নয়।  দুই ক্ষেত্রই রং করার পর ২৪ ঘন্টার মধ্যে যেন তাপমাত্র খুব বেশি না কমে সেটার চেষ্টা করতে হবে। 

রঙে ভাজ, ফ্যাকাশে, বা উজ্জলতা রক্ষার জন্য অবশ্যই ঠান্ডা দিনের শেষ ভাগে রঙের কাজ পরিহার করতে হবে

ঘণ কুয়াশার সময় রং করলে তা ক্ষতিকর। রঙের মিশ্রণ খুব জরুরী। তবে কোন প্যানেলের মাঝে রঙের কাজ ছাড়া যাবে না। এতে পরবর্তি এবং আগের রঙের মধ্যে একটা লাইনের সৃষ্টি হয়। যা খারাপ দেখায় এবং ক্ষতিকর। ছায়াতে রং করলে তার স্থায়ীত্ব বাড়ে। কেননা শুকানোর সময় বেশি দ্রুত না হলে তার স্থায়ীত্ব বাড়ে। 

রং সবসময় আগুণ থেকে দুরে রাখতে হবে। কাঠের উপর দ্বিতীয় স্তর মারার পর থিনার ভেজা কামড় বা স্পঞ্জ দিয়ে আলতো করে উপরে ঘষতে হবে এক ঘন্টা পর। এতে করে অতিরিক্ত কোন কিছু থাকলে তা উঠে আসবে এবং মসৃণ হবে। থিণার খুবই দাহ্য , তাই খুব সাবধাণে রাখতে হবে। 

কোথায় কোন রং

সীলার

  • যেখানে রং হয়নি এবং করা হবে, সেখানে প্রথমে সীলার মারতে হবে। 

  • টপ কোট থেকে কোন দাগ, ছিদ্র উঠিয়ে ফেলতে হবে। 

  • তৈলাক্ত বা ধোয়া লেগেছে এমন জায়গাতে এক্রেলিক থিণার ব্যবহার করতে হবে। 

  • রং করা জায়গাতে সাধারণত সীলার এর প্রয়োজন পড়ে না। 

  • প্লাস্টার বোর্ডের জন্য এক্রেলিক সিলার ব্যবহার করতে হবে।

  • কাঠের জন্য এক্রেলিক প্রাইমার বা সিলার ব্যবহার করতে হবে। 

  • আশযুক্ত প্লাস্টারের তৈল নির্ভর সীলার ব্যবহার করা উচিতFor fibrous plaster use an oil-based sealer

  • যেই জায়গা আদ্র তাতে অবশ্যই তৈল নির্ভর সীলার ব্যবহার করতে হবে।  

  1. ক্র্যাক, ফাটল বা এয়ার স্পেস থেকে রক্ষা পেতে

  2. আবহাওয়ার প্রভাব থেকে মুক্ত রাখতে

  3. সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি ও স্থায়ীত্ব বৃদ্ধির জন্য। 

  4. ভাল বন্ডিং এর জন্য দুই ফুটের বেশি উচ্চতার দেয়াল না করাই ভাল। 

  5. কাঠের মধ্যে আদ্রতার প্রবেশ এবং ফুলে যাওয়া প্রতিরোধ করে 

  6. যেকোন ধরণের ফিনিশিং কাঠকে সুন্দর করে, পরিস্কারযোগ্য করে এবং সার্ফেসকে রক্ষা করে। 

  7. কাঠের উপর কোনও প্রকার ফিনিশিং (রং, বার্ণিশ) না করলে কাঠ ক্ষয় হয়, ময়লা ধরে, ফুলে যায়, নষ্ট হয় 

  8. কাঠের টেক্চার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন পদ্ধতিতে ফিনিশ করা হয়। 

রং কোনও প্রিজার্ভেটিভ নয়, ফাঙ্গাস পড়ার উপোযগী হলে এটা রক্ষা করতে তেমন পারদর্শী নয়। 

Card image cap
বার্নিশ, প্লাস্টার এবং ডিস্টেম্পার
engr.tushar - 21 May 2011

বার্নিশ

এটি স্বচ্ছ তরল, যা রঙ এর মতই প্রতিরোধক হিসাবে কাজ করে। রঙ এবং বার্ণিশ এর মধ্যে পার্থক্য হলো, বার্ণিশ এর বস্তুর আসল রং দেখায় (যেই বস্তুর উপর দেয়া হয় এবং অনেক সময় কিছুটা পরিবর্তন ও চকচকে হয়)।

সাধারণত রঙ এর মধ্যে যেই উপাদান থাকে, বার্ণিশ এও একই উপাদান থাকে।

বার্ণিশ সাধারণত কাঠে ব্যাবহার করা হয়। সুকবা তৈল , রজন এবং থিনার দিয়ে তৈরি।

সাধারনত চকচকে হয় তবে অনেক সময় ধুসর ও হয়ে থাকে।

বার্নিশ এর প্রকারভেদ

১। প্রাকৃতিক রজন বার্নিশ :

২। কৃত্তিম বার্নিশ :

৩। সিনথেটিক রজন বার্নিশ :

প্লাস্টার

সিমেন্ট এবং বালির মিশ্রিত প্রলেপ হলো প্লাস্টার। 1:4,1:5 ইত্যাদি অনুপাতে এই আস্তর তৈরি করা হয়। অনুপাতটি সিমেন্ট:বালি। মিশ্রিত উপাদান এর সাথে প্রয়োজনীয় পানি মিশিয়ে দেওয়াল বা সিলিং এ লাগানো হয়। এটি দেওয়ালকে যেমন সুন্দর করে তেমনি মজবুতও করে।

ডিসটেমপার 

এটা রঙ এর মতই , তবে তৈল এর পরিবর্তে পানি ব্যাবহার করা হয়। অনেক সময় একে জল-রঙ বলা হয়। এটি আবহাওয়ার পরিবর্তনে টেকসই না এবং পানিতে নষ্ট হয়ে যায় ।

Card image cap
ভাল রঙ এর বৈশিষ্ট্য
Ashraful Haque - 21 May 2011

১ টেকসই :

অবহাওয়ার কারণে রঙ এর বৈশিষ্ট ঠিক থাকবে। যেমন এর রঙ,  মসৃনতা এবং জীবনকাল দীর্ঘ সময় ধরে ঠিক থাকবে।

২ ছড়ানোর বা ঢাকার ক্ষমতা :

রঙ সব জয়গাই সমান ভাবে ছড়াবে। 

৩ পরিস্কার করার ব্যবস্থা :

পরিস্কার করার ক্ষমতা থাকবে। পরিস্কার করার সময় এর গুণাগুণ ঠিক থাকবে।

৪ পরিবেশ বান্ধব :

পরিবেশ বান্ধব হতে হবে যেন এর ব্যাবহার এ পরিবেশ এর কোনও ক্ষতি না হয়

৫ সৌন্দর্য্য :

অবশ্যই দেখতে সুন্দর হতে হবে। এর ব্যাবহার এর কারণে যেন দেখতে খারাপ না লাগে 

৬ বাস্তবিক এবং সাশ্রয়ী হতে হবে :

দাম অবশ্যই কম হতে হবে এবং ব্যাবহার উপযোগী হতে হবে।