Editor Choice

Featured post

Nov 12

Continue reading
Top Viewed

Post title

Nov 11

This is a wider card with supporting text below as a natural lead-in to additional content.

Continue reading
Card image cap
Card image cap
ছাদে ব্যবহূত কিছু টালি (সিরামিক)
engr.tushar - 22 May 2011
001
002
003
004
005
006
008
007
009
010
011
012
013
014
015
016
017
018
019
020
021
022
023
024

Card image cap
ভাল ইটার বৈশিষ্ট্য
engr.tushar - 22 May 2011

বিভিন্ন ধরনের ইট রয়েছে। তবে কাদা মাটির ইটাই বেশি পরিচিত ইট হিসাবে। নিচে এদের কিছু বৈশিষ্ট্য দেয়া হলো

১। খুব বেশি পানি শোষণ করবে না
২। নখ দিয়ে আঁচড় দেয়া যাবে না
৩। এর ধারগুলো সমান এবন একই ধরনের হবে।
৪। মসলা ধরার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ সরন্ধ্র  থাকবে
৫।  4000 পি এস আই এর বেশি বার বহন এর ক্ষমতা থাকবে
৬। ৩ ঘণ্টা পানিতে চুবিয়ে রাখলে গলে যাবে না
৭। হাটুর দিয়ে আঘাত করলে ধাতব্য শব্দ দিবে
৮। রঙ টকটকে হবে
৯। সাধারণ আকার হবে ৯.৫" X ৪.৫" X ২.৭৫"

Card image cap
আধুনিক বাথরুম
engr.tushar - 22 May 2011

বিভিন্ন ধরনের বাথরুম আসবাব এবং উপকরন এর কারণে বর্তমান গোসলখানা আগের চেয়ে অন্যরকম। নিচের ছবি দেখে কিছুটা বোঝা যাবে।

New concept of Modern Bathrooms

আধুনিক গোসলখানা

বর্তমানে গোসল্খনতে প্রচুর কাঠের আসবাব ব্যেবহার করা হয়। এখন অনেক প্রতিষ্ঠান পানি ও আদ্রতা রোধক আসবাব তৈরি করছে।

 

 New Concept of Modern Bathrooms

আধুনিক বাথরুম

বর্তমানে গোসলখানা বা পায়খানা কিছুটা লিভিং বা ড্রইং রুম এর মত হয়ে উঠেছে। 

 New Concept of Modern Bathrooms

আধুনিক বাথরুম

এখন এর সৌন্দর্য্য এর প্রতি অনেক গুরুত্ত্ব দেয়া হয়। একই সাথে আরামদায়ক করা হয়।

Card image cap
FAR এবং MGC আবাসিক বাড়ি এবং হোটেল এর জন্য
engr.tushar - 22 May 2011

সারণী-৩ (ক)
ইমারতের জন্য রাস্তার স্বাভাবিক প্রস্থ, ফোর এরিয়া অনুপাত (FAR) এবং সর্বোচ্চ ভুমি আচ্ছাদন (MGC) ঃ
[Type: A (A১-A৫)আবাসিক বাড়ী ও হোটেল

 

প্লটের পরিমান
ব:মি: বা উহার নীচে

ইমারতের শ্রেণী- A৪) [১] 
(আবাসিক বাড়ি)

ইমারতের শ্রেণী- (A৫) [২]
(আবাসিক হোটেল)

রাস্তার প্রস্থ
(মিটার)

FAR

MGC

রাস্তার প্রস্থ
(মিটার)

FAR

MGC

বর্গমিটার

কাঠা

(%)

(%)

১৩৪ ব:মি: বা উহার নীচে

২  কাঠা বা নিচে

৬.০

৩.১৫

৬৭.৫

৬.০

২.৫০

৬৭.৫

১৩৪ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ২০১ ব:মি: পর্যন্ত

২ কাঠার উর্ধ্ব হতে ৩  কাঠা

৬.০

৩.৩৫

৬৫.০

৬.০

২.৭৫

৬৫.০

২০১ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ২৬৮ ব:মি: পর্যন্ত

৩ কাঠার উর্ধ্ব হতে ৪  কাঠা

৬.০

৩.৫০

৬২.৫

৬.০

৩.০০

৬২.৫

২৬৮ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ৩৩৫ ব:মি: পর্যন্ত

৪ কাঠার উর্ধ্ব হতে ৫  কাঠা

৬.০

৩.৫০

৬২.৫

৬.০

৩.২৫

৬২.৫

৩৩৫ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ৪০২ ব:মি: পর্যন্ত

৫ কাঠার উর্ধ্ব হতে ৬  কাঠা

৬.০

৩.৭৫

৬০.০

৬.০

৩.৫০

৬০.০

৪০২ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ৪৬৯ ব:মি: পর্যন্ত

৬ কাঠার উর্ধ্ব হতে ৭  কাঠা

৬.০

৩.৭৫

৬০.০

৬.০

৩.৭৫

৬০.০

৪৬৯ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ৫৩৬ ব:মি: পর্যন্ত

৭ কাঠার উর্ধ্ব হতে ৮  কাঠা

৬.০

৪.০০

৬০.০

৬.০

৪.৫০

৫৭.৫

৫৩৬ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ৬০৩ ব:মি: পর্যন্ত

৮ কাঠার উর্ধ্ব হতে ৯  কাঠা

৬.০

৪.০০

৬০.০

৯.০

৫.৫০

৫৭.৫

৬০৩ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ৬৭০ ব:মি: পর্যন্ত

৯ কাঠার উর্ধ্ব হতে ১০  কাঠা

৬.০

৪.২৫

৫৭.৫

৯.০

৬.০০

৫৫.০

৬৭০ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ৮০৪ ব:মি: পর্যন্ত

১০ কাঠার উর্ধ্ব হতে ১২  কাঠা

৯.০

৪.৫০

৫৭.৫

৯.০

৬.৫০

৫৫.০

৮০৪ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ৯৩৮ ব:মি: পর্যন্ত

১২ কাঠার উর্ধ্ব হতে ১৪  কাঠা

৯.০

৪.৭৫

৫৫.০

৯.০

৭.০০

৫২.৫

৯৩৮ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ১০৭২ ব:মি: পর্যন্ত

১৪ কাঠার উর্ধ্ব হতে ১৬  কাঠা

৯.০

৫.০০

৫২.৫

৯.০

৭.৫০

৫২.৫

১০৭২ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ১২০৬ ব:মি: পর্যন্ত

১৬ কাঠার উর্ধ্ব হতে ১৮  কাঠা

৯.০

৫.২৫

৫২.৫

৯.০

৮.০০

৫০.০

১২০৬ ব:মি: এর উর্ধ্বে  হতে ১৩৪০ ব:মি: পর্যন্ত

১৮ কাঠার উর্ধ্ব হতে ২০  কাঠা

৯.০

৫.২৫

৫০.০

৯.০

৮.৫০

৫০.০

১৩৪০ ব:মি: এর উর্ধ্বে

২০  কাঠার উর্ধ্বে

১২.০

৫.৫০

৫০.০

১২.০

৯.৫০

৫০.০[]

যে কোন পরিমাণ

যে কোন পরিমাণ

১৮.০

৬.০০

৫০.০

১৮.০

NR*

৫০.০[]

যে কোন পরিমাণ

যে কোন পরিমাণ

২৪.০

৬.৫০

৫০.০

২৪.০

NR*

৫০.০[]


[১] ট্রাফিক, পার্কিং এবং অন্যান্য চাহিদা পূরণ সাপেক্ষে অপরিকল্পিত আবাসিক এলাকায় নিম্নে বর্ণিত ব্যবহার চলিতে পারিবে: (ক) ডরমিটরি ও হোস্টেল; (খ) শিশু নিবাস, এতিম খানা এবং বৃদ্ধ নিবাস; (গ) সর্বাধিক ২০ কক্ষ বিশিষ্ট হোটেল বা লজ; (ঘ) অনূর্ধ ১০০ বর্গমিটারের রেস্টুরেন্ট; (ঙ) অনূর্ধ্ব ২০০ বর্গমিটারের ধর্মীয় উপাসনার স্থান; (চ) আবাসিক ভবনের নীচতলায় পেশাজীবীদের অফিস, স্টুডিও বা চেম্বার যাহা ১০০ বর্গমিটারের বেশী নয় এবং যেখানে মোট জনবল অনূর্ধ্ব ১৫ জন; এবং (ছ) শুধুমাত্র কর্নার পটের জন্য অনূর্ধ্ব২৫ বর্গমিটারের সেলুন, বিউটি পার্লার, ঔষধের দোকান, মুদি দোকান, দর্জ্জির দোকান।
[২] (আবাসিক হোটেল) ইমারতের ক্ষেত্রে, ২০ কাঠার উধের্্ব জমি বা ১৫ মিটার বা তদূর্ধ্ব প্রশস্ত রাস্তার পার্শে যে কোন পরিমাপের জমির বেলায় নীচ তলায় প্রযোজ্য আবশ্যিক সেটব্যাক স্পেস ব্যতীত সংলগ্ন রাস্তার উপরিতল ১২ মিটার উচ্চতার (প্যারাপেট সহ) পোডিয়াম নির্মান করা যাইবে। *NR (Non restricted)–FAR এর বাধ্যবাধকতা নাই।

 

 

Card image cap
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
engr.tushar - 21 May 2011

সংজ্ঞা:

ডিজাইন, কনস্ট্রাকশন এবং রক্ষণাবেক্ষন এর প্রকৌশলী বিজ্ঞান।
প্রকৌশল জ্ঞান এর মা বলা হয়। সবচেয়ে পুরান, বড় এবং সকল প্রকৌশল জ্ঞানের সমন্বয়।

এর ভাগগুলি নিচে দেয়া হলো:

  1. মৃত্তিকা প্রকৌশল
  2. স্ট্রাকচারাল প্রকৌশল
  3. পরিবহন প্রকৌশল
  4. পানি সম্পদ প্রকৌশল
  5. পরিবেশ প্রকৌশল
  6. ভুমিকম্প প্রকৌশল
  7. নগর উন্নয়ন বা নকশা

সিভিল ইঞ্জিনিয়ার বা পুরকৌশলী কি করে থাকে?

পরিকল্পনা, ডিজাইন, গঠন এবং রক্ষনাবেক্ষন করার কাজ করের সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। সিভিল ইঞ্জিনিয়ার জরিপের কাজ করে থাকে, প্রযুক্তিগত প্রতিবেদন দেয়, এমনকি প্রকল্প ব্যবস্হাপক এর কাজও করে থাকে।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর পরিসর

যেহেতু সময়ের সাথে সাথে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর পরিসর বাড়ছে তাই এর অনেক শাখা বের হয়েছে। এদের উল্লেখযোগ্য হলক স্ট্রাকচারাল, জিওটেক , ট্রান্সপোর্টসন, হাইড্রলিক,এনভায়রনমেনটাল , ইত্যাদি ।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর গুরুত্ত্ব এবং প্রয়োগ

সময়ের সাথে সাথে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর গুরুত্ত্ব বাড়ছে। বর্তমানে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণ নিয়েও কাজ করে। তারা আগুনে ক্ষয় ক্ষতি যেন কম হয় সেই বিষয়েও কাজ করে। পুরাতন মিশর এর পিরামিড বা রাস্তা নির্মাণে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর ভূমিকা উল্ল্যেখযোগ্য অবদান ছিল। প্রকৌশল বিজ্ঞান এর মধ্যে সবচেয়ে পুরানো হলো সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং। পানি,বাতাস এবং মাটি পরিশোধনের বিভিন্ন উপায় নিয়েও সজাগ।

 

Card image cap
ড্যাম্প
engr.tushar - 21 May 2011

সংজ্ঞা :

দেয়াল, ফ্লোর,ছাদ  ইত্যাদি দিয়ে বিল্ডিং এর মধ্যে পানি প্রবেশ করা এবং ভেজা ভেজা ভাব থাককে  ড্যাম্প বলে।

বিল্ডিং এর উপর এর প্রভাব:

  1. কাঠ নষ্ট করে

  2. ধাতুতে মরিচা ধরায়

  3. ইলেক্ট্রিক তার এর ইনসুলেশন নষ্ট করে

  4. কার্পেট ও আসবাবপত্র ক্ষয় হয়

  5. ওয়াল এবং মেঝেতে দাগ পড়ে

  6. প্লাস্টার ক্ষসে পড়ে

  7. রং এর উপর নোনা পড়ে

  8. রং গুড়া গুড়া হয়ে যায়

  9. শরীরেরর জন্য ক্ষতিকর

  10. কাঠামোর জিবনকাল কমিয়ে দেয়

 ড্যাম্প এর কারণ

  1. বৃষ্টির পানি ঢোকা

  2. সাইট এর লেভেল বা উচ্চতা

  3. মাটির পানি নিস্কাশনের ক্ষমতা

  4. আবহাওয়ার অবস্থা

  5. কাঠামের ভুল দিক নির্বাচন

  6. কাঠামো তৈরির সময় আদ্রতা জমা থাকা

  7. দুর্বল কনস্ট্রাকশন

ড্যাম্প প্রতিরোধের উপায়

  1. ডি.পি.সি ব্যবহার করে

  2. রং ব্যবহার করে

  3. পানি প্রতিরোধক করে

  4. ফাপা দেয়াল তৈরি করে

Card image cap
রঙ এর গঠন তন্ত্র
engr.tushar - 21 May 2011

রঙ

ধাতু, কাঠ আথবা প্লাসটার কে রক্ষা করার জন্য রঙ ব্যাবহার করা হয়। সৌন্দর্য্য বৃদ্ধির জন্যও এটি ব্যাবহার করা হয়।

রঙ এর গঠন তন্ত্র

তৈল রঙ এর মৌলিক উপাদান :

১। শরীর
২। মাধ্যম
৩। পিগমেন্ট বা রঞ্জক পদার্থ
৪। থিনার বা তরলিকরণ
৫। শুষ্ককারী

১। শরীর

  • রঙ এর প্রধান অংশ
  • রঙ এর ঝিল্লি কে শক্ত করে এবং ঘর্ষণ এর ফলে উপড়ে পড়া প্রতিরোধ করে
  • শুষ্ক হওয়ার সময় ফাটল প্রতিরোধ করে

সাধারণত সাদা শীষা, জিংক অক্সাইড, আইরন অক্সাইড, ধাতুক গুড় যেমন এলুমিনিয়াম ,কপার,ব্রোঞ্জ ইত্যাদির গুড়া। শরীর উপর নাম করেই সাধারনত রঙ এর নামকরণ করা হয়। জিংক পেইণ্ট, এলুমিনিয়াম পেইণ্ট ইত্যাদি।

২। মাধ্যম

  • তৈলাক্ত তরল যার মধ্যে শরীর এবং পিগমেন্ট দ্রবীভুত হয়।
  • ব্যবহারিক তল এর উপর সহজে ছড়িয়ে যেতে সাহায্য করে।
  • মাধ্যম হিসাবে তৈল সবচেয়ে বেশি ব্যাবহার করা হয়।

প্রধান কাজ হল ভিসকোসিটি বা সান্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করা।

৩। রজন

রঙ এর রঙ এই পিগমেন্ট হ রজন এর উপর নির্ভর করে।

৪। থিনার বা তরলিকরণ

এর ব্যাবহার করার কারণ

  • তারল্যতা বাড়ায়
  • রঙ কে মসৃণ করে
  • ছিদ্রের মধ্যে প্রবেশ করতে সাহায্য করে

তার্পিন হলো সাধারণ থিনার 

৫। শুষ্ককারী

  • মাধ্যম তাড়াতাড়ি শুকানোর জন্য
  • মাধ্যম তাড়াতাড়ি শক্ত হওয়ার জন্য

Card image cap
কখন এবং কিভাবে রং করতে হয়
engr.tushar - 21 May 2011

ধাপগুলো নিচে দেওয়া হল

১। সিলিং বা ছাদের তলা

আলোক উৎস থেকে শুরু করতে হবে, যেমন জানালা।

২। দেওয়াল

সিলিং একটি লাইন দিয়ে বাগ করতে হবে। তারপর উপর থেকে ১ বর্গ মিটার এলাকা উপর-নিচ করে রং করতে হবে।

৩। জানালা

ফ্রেম এর আগে শার্শি রং করতে হবে। প্রয়োজনে কাঁচ ঢেকে দিতে হবে।

৪।  দরজা

ফ্রেম আগে রং করতে হবে।

5। ইস্কার্টিং

কার্পেটের উপর বোর্ড জাতীয় কিছু রেখে ছোট ব্রাশ দিয়ে রং করতে হবে। 

৬.কেবিনেট ও শেলভ

ক্রম: পেছনের দিক, পার্শের দিক, শেলভের উপর , ধারগুলি, নিচের অংশ, তলা, দরজার ভেতরের অংশ, দরজার বাহিরের দরজা, ড্রয়ারের সামনের অংশ। 

যেই যন্ত্রপাতি বেশি ব্যবহার হয়।

  1. স্যান্ড পেপার
  2. স্ক্র্যাপার
  3. গরম বাতাস দেওয়ার যন্ত্র
  4. বালতি
  5. রাবার হাত মোজা
  6. ব্রাশ
  7. রোলার, ট্রে এবং সঠিক রোলারের তুলি
  8. রং এর ট্রে ও প্যাড
  9. থান কাপড়
  10. মাস্কিং টেপ
  11. স্টীল ল্যাডার 

কিভাবে রং করতে হয়?

রঙের পুর্বে সার্ফেস ভালভাবে পরিস্কার করে নিতে হবে। ওয়টার পেপার দিয়ে ঘষে তারপর কাপড় বা ব্রাশ দিয়ে পরিস্কার করে দিতে হবে। কাঠের উপর রং করার পুর্বে অবশ্যই ভালভাবে সীজন করে নিতে হবে। কাঠে বা সার্ফেসে কোন ছিদ্র থাকলে তা অবশ্যই বন্ধ করে নিতে হবে। এরপর খুব ভালভাবে প্রাইমার মারতে হবে। প্রাইমারের পুরত্ব যেন সমান হয় এবং মসৃণ হয় তা খেয়াল রাখতে হবে। স্যাতস্যাতে দিনে রঙের কাজ না করাই ভাল। .

গবেষণাতে দেখা গেছে যে প্রাইমার এবং দুই স্তর রঙের পুরুত্ব ৩.৫ থেকে ৫ মিলিমিটার পর্যন্ত হলে ভাল হয়। এর বেশি হলে রং ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং কম হলে খশে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। রোলার বা স্প্রে থেকে ব্রাশের ব্যবহার অনেক ভাল। তাই কমপক্ষে প্রথম স্তার বা প্রাইমার ব্রাশ দিয়ে বা বোর্ড দিয়ে করাই ভাল। সব জায়গাতে দুই কোট না দিলেও চলে। তবে দক্ষিণ ও পশ্চিমে দুই স্তর দেয়া উচিত। কেননা এই দুই দিকে আবহাওয়ার প্রভাব বেশি। 

যে জায়গাতে বৃষ্টি-রোদ-বাতাসের প্রভাব বেশি, সেখানে দুই স্তর রং করতে হবে। 

রঙের স্থায়ীত্বের জন্য প্রাইমারের দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রথম স্তর মারা উচিত। আর দ্বিতীয় স্তর প্রথম স্তরের দুই সপ্তাহের মধ্যে মারা উচিত। তা নাহলে বিভিন্ন ধরণের তেল,ময়লা, ইত্যাদি লেগে যেতে পারে যা স্তরের মধ্যের বাধণে বাধা সৃষ্টি করবে। যা রঙের জন্য ক্ষতিকর। তেল নির্ভর রঙ ৪০ ডিগ্রী ফারেণহাইট তাপমাত্রাতে করা উচিত। এবং পানি রং ৫০ ড্রিগ্রী ফারেণহাইটের নিচে করা উচিত নয়।  দুই ক্ষেত্রই রং করার পর ২৪ ঘন্টার মধ্যে যেন তাপমাত্র খুব বেশি না কমে সেটার চেষ্টা করতে হবে। 

রঙে ভাজ, ফ্যাকাশে, বা উজ্জলতা রক্ষার জন্য অবশ্যই ঠান্ডা দিনের শেষ ভাগে রঙের কাজ পরিহার করতে হবে

ঘণ কুয়াশার সময় রং করলে তা ক্ষতিকর। রঙের মিশ্রণ খুব জরুরী। তবে কোন প্যানেলের মাঝে রঙের কাজ ছাড়া যাবে না। এতে পরবর্তি এবং আগের রঙের মধ্যে একটা লাইনের সৃষ্টি হয়। যা খারাপ দেখায় এবং ক্ষতিকর। ছায়াতে রং করলে তার স্থায়ীত্ব বাড়ে। কেননা শুকানোর সময় বেশি দ্রুত না হলে তার স্থায়ীত্ব বাড়ে। 

রং সবসময় আগুণ থেকে দুরে রাখতে হবে। কাঠের উপর দ্বিতীয় স্তর মারার পর থিনার ভেজা কামড় বা স্পঞ্জ দিয়ে আলতো করে উপরে ঘষতে হবে এক ঘন্টা পর। এতে করে অতিরিক্ত কোন কিছু থাকলে তা উঠে আসবে এবং মসৃণ হবে। থিণার খুবই দাহ্য , তাই খুব সাবধাণে রাখতে হবে। 

কোথায় কোন রং

সীলার

  • যেখানে রং হয়নি এবং করা হবে, সেখানে প্রথমে সীলার মারতে হবে। 

  • টপ কোট থেকে কোন দাগ, ছিদ্র উঠিয়ে ফেলতে হবে। 

  • তৈলাক্ত বা ধোয়া লেগেছে এমন জায়গাতে এক্রেলিক থিণার ব্যবহার করতে হবে। 

  • রং করা জায়গাতে সাধারণত সীলার এর প্রয়োজন পড়ে না। 

  • প্লাস্টার বোর্ডের জন্য এক্রেলিক সিলার ব্যবহার করতে হবে।

  • কাঠের জন্য এক্রেলিক প্রাইমার বা সিলার ব্যবহার করতে হবে। 

  • আশযুক্ত প্লাস্টারের তৈল নির্ভর সীলার ব্যবহার করা উচিতFor fibrous plaster use an oil-based sealer

  • যেই জায়গা আদ্র তাতে অবশ্যই তৈল নির্ভর সীলার ব্যবহার করতে হবে।  

  1. ক্র্যাক, ফাটল বা এয়ার স্পেস থেকে রক্ষা পেতে

  2. আবহাওয়ার প্রভাব থেকে মুক্ত রাখতে

  3. সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি ও স্থায়ীত্ব বৃদ্ধির জন্য। 

  4. ভাল বন্ডিং এর জন্য দুই ফুটের বেশি উচ্চতার দেয়াল না করাই ভাল। 

  5. কাঠের মধ্যে আদ্রতার প্রবেশ এবং ফুলে যাওয়া প্রতিরোধ করে 

  6. যেকোন ধরণের ফিনিশিং কাঠকে সুন্দর করে, পরিস্কারযোগ্য করে এবং সার্ফেসকে রক্ষা করে। 

  7. কাঠের উপর কোনও প্রকার ফিনিশিং (রং, বার্ণিশ) না করলে কাঠ ক্ষয় হয়, ময়লা ধরে, ফুলে যায়, নষ্ট হয় 

  8. কাঠের টেক্চার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন পদ্ধতিতে ফিনিশ করা হয়। 

রং কোনও প্রিজার্ভেটিভ নয়, ফাঙ্গাস পড়ার উপোযগী হলে এটা রক্ষা করতে তেমন পারদর্শী নয়। 

Card image cap
বার্নিশ, প্লাস্টার এবং ডিস্টেম্পার
engr.tushar - 21 May 2011

বার্নিশ

এটি স্বচ্ছ তরল, যা রঙ এর মতই প্রতিরোধক হিসাবে কাজ করে। রঙ এবং বার্ণিশ এর মধ্যে পার্থক্য হলো, বার্ণিশ এর বস্তুর আসল রং দেখায় (যেই বস্তুর উপর দেয়া হয় এবং অনেক সময় কিছুটা পরিবর্তন ও চকচকে হয়)।

সাধারণত রঙ এর মধ্যে যেই উপাদান থাকে, বার্ণিশ এও একই উপাদান থাকে।

বার্ণিশ সাধারণত কাঠে ব্যাবহার করা হয়। সুকবা তৈল , রজন এবং থিনার দিয়ে তৈরি।

সাধারনত চকচকে হয় তবে অনেক সময় ধুসর ও হয়ে থাকে।

বার্নিশ এর প্রকারভেদ

১। প্রাকৃতিক রজন বার্নিশ :

২। কৃত্তিম বার্নিশ :

৩। সিনথেটিক রজন বার্নিশ :

প্লাস্টার

সিমেন্ট এবং বালির মিশ্রিত প্রলেপ হলো প্লাস্টার। 1:4,1:5 ইত্যাদি অনুপাতে এই আস্তর তৈরি করা হয়। অনুপাতটি সিমেন্ট:বালি। মিশ্রিত উপাদান এর সাথে প্রয়োজনীয় পানি মিশিয়ে দেওয়াল বা সিলিং এ লাগানো হয়। এটি দেওয়ালকে যেমন সুন্দর করে তেমনি মজবুতও করে।

ডিসটেমপার 

এটা রঙ এর মতই , তবে তৈল এর পরিবর্তে পানি ব্যাবহার করা হয়। অনেক সময় একে জল-রঙ বলা হয়। এটি আবহাওয়ার পরিবর্তনে টেকসই না এবং পানিতে নষ্ট হয়ে যায় ।

Card image cap
ভাল রঙ এর বৈশিষ্ট্য
Ashraful Haque - 21 May 2011

১ টেকসই :

অবহাওয়ার কারণে রঙ এর বৈশিষ্ট ঠিক থাকবে। যেমন এর রঙ,  মসৃনতা এবং জীবনকাল দীর্ঘ সময় ধরে ঠিক থাকবে।

২ ছড়ানোর বা ঢাকার ক্ষমতা :

রঙ সব জয়গাই সমান ভাবে ছড়াবে। 

৩ পরিস্কার করার ব্যবস্থা :

পরিস্কার করার ক্ষমতা থাকবে। পরিস্কার করার সময় এর গুণাগুণ ঠিক থাকবে।

৪ পরিবেশ বান্ধব :

পরিবেশ বান্ধব হতে হবে যেন এর ব্যাবহার এ পরিবেশ এর কোনও ক্ষতি না হয়

৫ সৌন্দর্য্য :

অবশ্যই দেখতে সুন্দর হতে হবে। এর ব্যাবহার এর কারণে যেন দেখতে খারাপ না লাগে 

৬ বাস্তবিক এবং সাশ্রয়ী হতে হবে :

দাম অবশ্যই কম হতে হবে এবং ব্যাবহার উপযোগী হতে হবে।

Card image cap
ডাবলি রি-ইনফোর্সমেন্ট ডিজাইন পদ্ধতি
engr.tushar - 19 May 2011

১ম ধাপ:

সিংলী বীম হিসাবে , চওড়া (b)ও উচ্চতা (h) অনুযায়ী Mu বের করতে হবে। যেখানে রড এর অনুপাত ধরতে হবে কোড অনুযায়ী সর্বোচ্চ যা আসে। মনে  ρ = ρmax 

Mu = Ø As fy (d - a/2)

a = As fy / 0.85 fc' b

যদি মূল এই Mu প্রয়োজনীয় দরকারী মোমেন্ট থেকে কম হয় তাহলে ডাবলী হিসাবে ডিজাইন করতে হবে।

২য়  ধাপ:

অতিরিক্ত মোমেন্ট বের করতে হবে-

অতিরিক্ত মোমেন্ট Mu1 = Mu - Mu2

এই অতিরিক্ত মোমেন্ট এর জন্য প্রয়োজনীয় স্টিল এরিয়া বের করতে হবে , As1 = As এবং ধরে নিতে হবে  fs = fy, এইখান থেকে অতিরিক্ত স্টিল As' = Mu1 /Ø fy (d - d' )

৩য়  ধাপ:

এইবার সমস্ত স্টিল বের করতে হবে , As = As' + As2

৪র্থ    ধাপ:

চাপ বল এ স্টীল ইয়েল্ডিং হয় কি হয়না। এবং ঐ স্টীল এর একক বল উপর ভিত্তি করে বল এবং মোমেন্ট হিসাব করতে হবে। যদি স্টীল এর চাপ fy থেকে কম হয় তাহলে পুনরায় হিসাব করতে হবে

A's rev f 's= As trial fy

A's rev = As trial fy / fs'

টান রডের জন্য রিভাইজ / পুন:বিবেচনার দরকার নাই। কারণ টান এলাকাতে  fy হিসাবে করা হয়।

৫ম ধাপ:

সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন রি-ইনফরসমেন্ট অনুপাত ঠিক রাখতে হবে।

৬ষ্ঠ ধাপ:

সঠিক বার বা রডের সাইজ নির্বচন করতে হবে।

Card image cap
আর সি সি (Reinforced cement concrete)
Ashraful Haque - 19 May 2011

কংক্রিট ভঙ্গুর এবং চাপ বল অনেক। কিন্তু এর টন শক্তি খুব দুর্বল। যেহেতু টান বল দুর্বল তাই শক্তি বাড়ানো এবং টান শক্তি বৃদ্ধির জন্য এর ভেতরে স্টিল দেওয়া হয়। বন্ধন শক্তিশালী করার জন্য স্টিল এ প্রয়োজনীয় ডিফর্মেশন থাকতে হবে।  এই রিইনফরসমেনট বার দেওয়ার কারণে একে আর সি সি বলে। 

এর সুবিধা

  • তুলনামূলক এতে চাপ শক্তি বেশি থাকে

  • স্টিল এর চেয়ে ভাল আগুন প্রতিরোধক

  • রক্ষণাবেক্ষণ খরচ খুব কম এবং অনেকদিন টেকসই

  • বাঁধ, পিআর ও ফুটিং এ আর সি সি সবচেয়ে সস্তা

  • যেকোনো আকারে এটি ঢালাই করা যায়

  • এর ডিফলেকসন খুব কম

  • কোংকরিট এর চেয়ে এর চাপবল ১৫ গুণ এবং টানবল ১০০ গুণ

  • স্টিল বেবহার এর কারণে কংক্রিট এর সাইজ কমানো যায়। যেমন প্রথম তলার কলাম

অসুবিধা

  • এতে মেশন,ঢালাই এবং কিউরিং (আদ্রকরণ) লাগে। যা কংক্রিট এর শক্তির উপর প্রভাব ফেলে।

  • কংরিট এর ফর্ম এর খরচ বেশি

  • এর চাপ শক্তি স্টিল এর চেয়ে কম বলে সাইজ বেশি হয়ে থাকে।

  • ক্রাক বা ফাটল দেখা যায়


Header
Info card title

www


Left
Center
Right