Editor Choice

Featured post

Nov 12

Continue reading
Top Viewed

Post title

Nov 11

This is a wider card with supporting text below as a natural lead-in to additional content.

Continue reading
Card image cap
Card image cap
রডের এস্টিমেট ( কাছাকাছি )
engr.tushar - 13 Jun 2014

প্রতি ঘণমিটারে সাধারণত কত কেজি রড বা লোহা লাগে তার একটি তালিকা দেওয়া হলো। আশা করি এটা আপনাদের এস্টিমেটের কাজে লাগবে। ডিজাইনের আগে মোটোমোটি (+-50%) এস্টিমেটের জন্য তালিকাটি খুব কাজের

ধরণ
কেজি/ঘণমিটার
 বেইজ
৯০-১৩০
বীম২০৫০-৩০৫০ 
ক্যাপ বীম১৩০৫ 
কলাম২০০-৪০৫০ 
গ্রাউন্ড বীম২৩০-৩৩০ 
ফুটিং৭০-১০০ 
পাইল ক্যাপ১১০-১০৫০ 
প্লেট স্ল্যাব৯০৫-১৩০৫ 
রেফট বা ম্যাট১১০৫ 
রিটেইনিং ওয়াল১১০-১০৫০ 
রিবড ফ্লোর৮০-১২০ 
ওয়ান ওয়ে স্ল্যাব৭০৫-১২০৫ 
টু-ওয়ে স্ল্যাব৬৭-১৩০৫ 
সিড়ি১৩০-১৭০ 
টাই বীম১৩০-১৭০ 
Transfer slabs ১০৫০ 
সাধারণ দেয়াল৭০-১০০ 
বাতাসের প্রেসারের দেয়াল৯০-১০৫০ 

নোট: মাটির নিচে, আবহাওয়ার সাথে সরাসরি থাকলে নিচের মত করে বাড়াতে হবে:

বীম +১০০%; কলাম +১৫%; দেয়াল +৫০%

Card image cap
ক্লোরিনেটেড পলিভিনাইল ক্লোরাইড (সি.পি.ভি.সি)
engr.tushar - 04 Jun 2014
ক্লোরিনেটেড পলিভিনাইল ক্লোরাইড (সি.পি.ভি.সি)
ধরণথার্মোপ্লাস্টিক
ঘনত্ব1.56 g/cm3
মডুলাস অফ ইলাস্টিসিটি (E)2.9-3.4 GPa
টেনসাইল স্ট্রেন্থ (σt)50-80 MPa
ইলংগেশন20-40%
নচ টেষ্ট (আচড়)2-5 kJ/m2
গ্লাস ট্রানজিশন তাপমাত্রা)106 - 115 °C
গলনাঙ্ক395 °C
ভিকাট বি106 to 115 °C
থার্মাল কন্ডাকটিভিটি (k)0.16 W/(m·K)
লিনিয়ার এক্সপানশন কো-ইফিসিয়েন্ট (α)8 x 10−5 /K
স্পেসিফিক তাপ (c)0.9 kJ/(kg·K)
পানি শোষন (ASTM)0.04-0.4

Card image cap
Emarot Solution
engr.tushar - 15 May 2014
প্রতিষ্ঠান: 
Emarot Solution
ঠিকানা: 

Tarabonear Chora, Cox's Bazar, বাংলাদেশ।

ফোন/মোবাইল: 
01815 674 931,01751 680 078
স্থান / location: 
ধরণ বা প্রকার: 

Card image cap
জেনে নিন মিনিমাম পুরুত্ব (ডিফ্লেকশন হিসাব না করা হলে)
engr.tushar - 14 May 2014

ওয়ান ওয়ে স্ল্যাব

১. সিম্পলী সাপোর্ট =  স্প্যান / ২০

২. একদিকে কন্টিনিউয়াস =  স্প্যান / ২৪

৩. দুই দিকেই কন্টিনিউয়াস =  স্প্যান / ২৮

৩. ক্যান্টিলিভার =  স্প্যান / ১০

 

বীম

১. সিম্পলী সাপোর্ট =  স্প্যান / ১৬

২. একদিকে কন্টিনিউয়াস =  স্প্যান / ১৮.৫

৩. দুই দিকেই কন্টিনিউয়াস =  স্প্যান / ২১

৩. ক্যান্টিলিভার =  স্প্যান / ৮

 

উল্লেখ্য :

উপরের হিসাবে ধরা হয়েছে যে কংক্রিট সাধারণ ওজনের কংক্রিট ১৪৫ পাউন্ড/ঘণফুট এবং রিবার ৬০ গ্রেড

ক) যদি লাইট-কংক্রিট হয় ( ৯০-১১৫ পাউন্ড/ঘণফুট) তাহলে উপরের সুত্র থেকে প্রাপ্ত পুরুত্বকে (১.৬৫-০.০০৫ X কংক্রিট একক ওজন) দিয়ে গুণ করতে হবে। 

তবে গুণ করার এই ফ্যাক্ট ১.০৯ এর নিচে হতে পারবে না। কংক্রিট এর একক ওজন ৯০ থেকে ১১৫ এর মধ্যে।

খ) যদি রিবার গ্রেড ৬০ থেকে অন্য হয় তাহলে (০.৪+ রিবার পি.এস.আই/১০০,০০০)

 

উদাহরণ:

বীমের স্প্যাণ ৩৭ ফুট, কংক্রিট এর একক ওজন ১১০ এবং একদিকে কন্টিনিউয়াস। রিবার ব্যবহার করা হযেছে ৮০ গ্রেড, বিমের পুরুত্ব বা থীকনেস কমপক্ষে কত ??

১. সাধারণ কংক্রিট ও ৬০ গ্রেডের জন্য উচ্চতা ৩৭X১২/১৮.৫ = ২৪ ইঞ্চ

ক) ফ্যাক্টর = ১.৬৫-০.০০৫ X ১১০ = ১.১

খ) ফ্যাক্টর = ০.৪+৮০,০০০/১০০,০০০ = ১.২

সুতরাং উচ্চতা হবে ২৪ X ১.১ X ১.২ = ৩৮.৬৮ ‍‍‍~ ৩৮.৫ ইঞ্চ

Card image cap
কংক্রিট মিক্স ডিজাইন
engr.tushar - 27 Apr 2014

কংক্রিট এর মধ্যে মুল উপাদান থাকে সিমেন্ট, বালি ও পাথর। আর এদের সহায়ক হিসাবে থাকে পানি ও এডমিক্সার। ইঞ্জিনিয়ারিং এর ভাষাতে সিমেন্ট হলো বন্ডিং এজেন্ট। বালি হলো ফাইন এগ্রিগেট এবং পাথর হলো কোর্স এগ্রিগেট। পানি সিমেন্টের সাথে বিক্রিয়া করে সিমেন্ট+বালি+পাথরকে একটি উপাদানে বেধে ফেলে। পুরো উপাদান হয়ে পাথরের মত শক্ত। কিন্তু এগুলো কি ইচ্ছা মতো মেশানো যায় ?? না যায় না। সিমেন্ট,বালি,পাথর,পানি ও এডমিক্সার এর অনুপাতের উপরই নির্ভর করে কংক্রিট এর ক্ষমতা। 

আমরা সাধারণ ভাষাতে সিমেন্ট:বালি:পাথর এভাবে বলে থাকি। যেমন 1:2:3 অথবা 1:1.5:3 অথবা 1:2:4। কিন্তু এই অনুপাতই সবকিছু না। সিমেন্ট-পানির অনুপাত একটি গুরুত্বপুর্ণ বিষয়। আবার পাথরের মধ্যে বিভিন্ন সাইজের পাথরের মিশ্রণও খুব গুরুত্বপুর্ণ। যেমন ধরুন সকল পাথর যদি 20 মিলি সাইজের হয়, তাহলে কিন্তু ভাল হবে না। এর চেয়ে ছোট সাইজের মিশ্রণ থাকতে হবে পাথরের মধ্যৈ। এই জন্যই কিন্তু পাথরের সাইজ এর সাথে একটি কথা যুক্ত থাকে। তা হলো " ডাউন গ্রেডেড"। অর্থাৎ এর চেয়ে ছোট সাইজের পাথর এবং সেটাও সঠিক ভাবে থাকে হবে। 

এই মিশ্রণের অনুপাত বের করার পদ্ধতিকেই মিক্স ডিজাইন বলে।

মিক্স ডিজাইনের জন্য বিভিন্ন গবেষক (বৃন্দ) বিভিন্ন পদ্ধতি দিয়েছেন। বর্তমানে এসি.আই মিক্স ডিজাইন বেশি ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও কিছু পদ্ধতি আছে। যদিও সেগুলি বেশ পুরাতন। যেমন:

1.খুব কম পরিমান ফাকা বা ভয়েডের অবস্থান। এতে খেয়াল রাখা হতো যেন মিক্সার এর মধ্যে শুন্যতা না থাকে। অর্থাৎ এতে ঘণত্ব বেশি থাকতো। এটি বেশ পুরানো পদ্ধতি

2. ফুলার পদ্ধতি: এটিও ঘণত্ব বাড়ানোর একটি পদ্ধতি। ফুলার ও থমসন এই পদ্ধতি আবিস্কার করেন। তারা সুত্র দেন- p=100 X root(d/D)

p=d এর চেয়ে ছোট উপাদানের শতকরা হার

d= ছোট উপাদানের সাইজ

D= বড় উপাদানের সাই। 

20 মিমি যদি বড় সাইজের হয়, 4.75 যদি ছোট সাইজের হয়, তাহলে 4.75 এর চেয়ে ছোট সাইজের উপাদান থাকতে হবে 50 শতাংশ।

3.তালবোট-রিচার্ড পদ্ধতি:এতে সিমেন্টের অনুপাত নির্ধারণ করে মিক্স করা হয়। তবে এই পদ্ধতি খুব বেশি জনপ্রিয় নয়

4. ফাইননেস মডুলাস পদ্ধতি: সুত্রটি নিম্নরুপ

p=100(A-B)/(A-C)

P=ফাইন এগ্রিগেটের অনুপাত মোট এগ্রিগেটের সাথে

A= কোর্স এগ্রিগেটের ফাইননেস মডুলাস

B= টেবিল অনুসারে , সিমেন্টের সাথে সম্পর্কিত সর্বোচ্চ অনুমোদিত ফাইননেস মডুলাস

C= ফাইন এগ্রিগেটের ফাইননেস মডুলাস

5. এ.সি.আই পদ্ধতি: এটিই সবচেয়ে বেশি ব্যবহুত হয়। এই বিষয়ে আমাদের পুর্বে একটি লেখা দেয়া হযেছিল।

Card image cap
মালিকের অবহেলাতে বাড়ির দুর্দশা
engr.tushar - 28 Sep 2014

একটা বিল্ডিং ডিজাইনে যে পরিমাণ ফ্যাক্টর অফ সেফটি ধরা হয়, তাতে তা কলাপ্স করার সম্ভাবনাই থাকে না।
কিন্তু তারপরেও এতো বিল্ডিং কেন ধসে পড়ছে???? আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে এর একটা এনালাইসিস।

এবার আসুন দেখি ফ্যাক্টর অফ সেফটি গুলো কিভাবে আসছে-----
১) সয়েল টেস্ট রিপোর্টের মাটির বিয়ারিং কেপাসিটিতে ২-৩ পর্যন্ত ফ্যাক্টর অফ সেফটি ধরা থাকে।
২) লোড কম্বিনেশনে ডেড লোড আর লাইভ লোডে যথাক্রমে ১.২ ও ১.৬ ফ্যাক্টর অফ সেফটি ধরা থাকে।
৩) ঝড় তুফান আর ভূমিকম্পের সাথে সর্বোচ্চ লাইভ লোড পাবার সম্ভাবনাও খুবই কম, তাই লোড কম্বিনেশনেও একটা সুবিধা পাওয়া যায়।
৪) মোমেন্ট হিসাবেও একটা ফ্যাক্টর অফ সেফটি ধরা থাকে।
৫) ভালো ডিজাইনাররা ডিজাইনে ঢালাইয়ের স্ট্রেন্থ ২৫০০ পিএসআই ধরলেও বাস্তবে ৩০০০ পিএসআই কনক্রিট স্ট্রেন্থের সাজেস্ট করেন।
৬) অনেক ডিজাইনার আবার কলাম/বিম ডিজাইনে যা রড আসে তার চেয়ে একটা বা দুটা রড বেশি দেন।
তাহলে বলেন, বিল্ডিং কেন ধসে??????

এখন আসেন দেখি, পাবলিকের পইতালি কিভাবে একটা বিল্ডিং ডিজাইনকে দুর্বল করে--------
১)মালিকের পইতালি—
যদি ডিজাইনে পাইল দেন, তাহলে হুদাই ঘ্যানর ঘ্যানর করবে এই বলে, “ ভাই পাইলটা কি কুনো ভাবেই বাদ দেয়া যায় না???” আপনে যদি “না” করেন তাহলে জমির মালিক অতি জ্ঞানী হইলে আপনারে এভয়েড করে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার দিয়া থাম্ব রুলে পাইল বাদ দিয়ে বিল্ডিং বানাবে।
আপনে বিল্ডিং এর বিম/কলামে যে রড যে কয়টা দিতে বলবেন, সে পাশের বাড়ির কলামের রডের সাথে তুলনা করে তার চেয়ে কম রড দিবে। আর সাথে তো তত্ত্বাবধায়ক উপদেষ্টা মি রাজমিস্ত্রি ওরফে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার তো আছেই।
মালিক আর রাজমিস্ত্রির এহেন মাদবুরি উপরের বর্ণিত ১,২,৩,৪ আর ৬ নং ফ্যাক্টর অফ সেফটিকে দুর্বল করে ফেলবে।
সাধারণত সিমেন্টের গুনাগুণ সর্বোচ্চ দুই মাস পর্যন্ত মোটামোটি ভালো থাকতে পারে, যদি আপনে তা ভালো করে সংরক্ষণ করতে পারেন। কিন্তু অধিকাংশ সময়ে ডেম সিমেন্ট দিয়েই অনেকে ঢালাই করে। এটা ৫ নং ফ্যাক্টর অফ সেফটিকে দুর্বল করে ফেলবে।

২) মি রাজমিস্ত্রি ওরফে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের পইতালি
এদের টলটলা ঢালাই মসলা না হলে মন ভরে না, তাই ঢালাইয়ের বন্ধু কাম শত্রু অতিরিক্ত পানি দিয়ে মসলা মিশাবে যা ৫ নং ফ্যাক্টর অফ সেফটিকে দুর্বল করে ফেলবে।
ডিজাইনারের অবর্তমানে অতি আগ্রহে জমির মালিকের টাকা সেইভ করার জন্য বিভিন্ন সময় রডের ডিজাইন চেঞ্জ করবে এবং সিমেন্ট কম দিবে। কিন্তু ঢালাইয়ের মালটা ভালো করে মিশাবে না কিংবা কাস্টিং করার সময় ভালো করে কম্পেক্ট করবে না। এতে করে ফ্যাক্টর অফ সেফটিগুলো আবার দুর্বল হবে।

আবার আপনে ডিজাইন করাবেন কমার্শিয়াল বিল্ডিং কিন্তু সেখানে ভাড়া দিবেন ফ্যাক্টরি, কিংবা ডিজাইনারকে বলবেন ৬ তালা করবেন কিন্তু বাস্তবে করবেন ৯ তালা, সেক্ষেত্রে আপনার অতি মুনাফা লোভ সবগুলা ফ্যাক্টর অফ সেফটিগুলো খেয়ে ফেলবে।

সুতরাং বুঝতেই পারতাছেন আপনাদের উস্তাদি প্রতি ধাপে ধাপে কিভাবে ফ্যাক্টর অফ সেফটিগুলো
খেয়ে ফেলে।
যার কাজ তাকে করতে দিন এবং দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে বিল্ডিং বানান।

Card image cap
বর্জ্যপানি ব্যবস্থাপনা (ই.টি.পি)
engr.tushar - 17 Apr 2014

 

ইফলুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট (ই. টি. পি) , পানি শোধণের জন্য খুব গুরুত্বপুর্ণ। টেক্সটাইল, টেনারি, ক্যামিক্যাল, ফার্মাসি , ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের জন্য এটি বাধ্যতামুলক। পরিবেশবাদীরা এখন এই বিষয় নিয়ে বেশ সক্রিয়।

এই প্লান্ট ধাপে ধাপে কিভাবে কাজ করে তা নিচে দেখানো হলো।

 

বর্জ্য পানি বিভিন্ন জায়গা থেকে

প্রাথমিক ফিল্টার

ঠান্ডাকরণ এবং মিশ্রণ

এসিড বা ক্ষার দিয়ে নিষ্ক্রিয় করণ

ক্যামিকেল কো-অগুলেশন

তৈল/চর্বি স্থিতিকরণ ও আলাদাকরণ

প্রেসার ফিল্টার

মুক্ত করা বা বের করে দেওয়া

নিচে ধাপগুলির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেয়া হলো

প্রাথমিক ফিল্টার: এই ধাপে পানির সাথের কোন সলিড বা শক্ত আবর্জনা থাকলে তা বেছে ফেলে দেয়া হয়।

ঠান্ডাকরণ ও মিশ্রণ : ফ্যানের সাহায্যে বিভিন্ন ধরণের বর্জ্য পানি একসাথে মেশানো হয় ও বাতাস দিয়ে ঠান্ডা করা হয়

নিষ্ক্রিয়করণ : ঠান্ডা হওয়ার পর এই পানিকে নিউট্রালাইজেশন ট্যাংক এ পাম্প এর সাহায্যে পাঠানো হয়, এই ট্যাংকের মধ্যে এসিড বা ক্ষার দিয়ে নিষ্ক্রিয করা হয়। পি.এইচ মিটার দিয়ে এর মাণ নির্ণয় করা হয়।

কো-অগুলেন্ট: এই পদ্ধতিতে পানিকে কিছুটা জেল এর মত অবস্থায় নেয়া হয়।

সেটল ট্যাংক বা স্থিতিকরণ: বিভিন্ন ধরনের তেল,চর্বি, জিবাস্ম আলাদা করা হয় .

প্রেসার ফিল্টারr: চাপশক্তির সাহায্যে ফিল্টার করা হয়

কার্বণ ফিল্টার: এটি কখনও কখনও ব্যবহার করা হয়, কখনও হয় না

ড্রেইন আউট : পাণি বিশুদ্ধ বা নিরাপদ হওয়ার পর ড্রেনের মাধ্যমে বের করে দেয়া হয়

Card image cap
ঢালাই লোহা, পাকা লোহা ও স্টীল
engr.tushar - 24 Mar 2014

বিভিন্ন ধরণের লোহা ও স্টীলের তুলনামুলক বৈশিষ্ঠ্য

গুনাগুণ

কাষ্ট আইরণ

রট আইরণ

স্টীল

গঠণ

অশোধিত আইরণ বা লোহা, এতে 2.5%-4.5% লোহা থাকে

শোধন করা লোহা এইটা, এতে 0.2% কার্বণ থাকে

এটি কাষ্ট ও রট আইরণ এর মধ্যবর্তি অবস্থা, এতে 0.1-1.1% কার্বণ থাকে।

কাঠামো

ক্রিস্টালাইন

ফাইবার জাতীয়

গ্রাণুলার

আপেক্ষিক  ভর

7-7.5 হয়ে থাকে

7.8 এর মত

7.85 এর মত

মেল্টিং পয়েন্ট

1250 ডিগ্রি সে:

150 ডিগ্রি সে:

1300-1400 সে:

হার্ডনেস / মজবুত

বেশ শক্ত। তাপ দিয়ে এবং হঠাৎ ঠান্ডা করে আরও মজবুত করা যায়

এটা মজবুত করা যায় না

এটা মজবুত করা যায় এবং টেম্পার্ড করা যায়।

আল্টিমেট শক্তি (এম.পি.এ)

চাপ-600-700

টাণ-120-150

চাপ-200

টাণ-400

চাপ-180-350

টাণ- 310-700

হঠাৎ আঘাতে

এটা হঠাৎ আঘাত সহ্য করতে পারে না

মাঝারি পারে, কিন্তু বেশি হলে পারে না

এটার ইমপ্যাক্ট লোড বা হঠাৎ আঘাত সহ্য ক্ষমতা অনেক

চৌম্বকীয়

একে চৌম্বক বানানো যায় না

স্থায়ী চৌম্বক করা যায় না, কিন্তু অস্থায়ী করা যায়

স্থায়ী চৌম্বক বানানো যায়।

Card image cap
মিন্টু ভাইয়ের উড়োজাহাজ, একটি স্বপ্ন ও দীর্ঘশ্বাস
engr.tushar - 23 Mar 2014

রাঙামাটির পাহাড়ঘেরা এক চিলতে উপত্যকার মাঝের একটি গ্রাম। সেই গ্রামের ছেলে মিন্টু চৌধুরী। ছয় ভাই। নিতান্ত দরিদ্র তাদের পরিবার। পাহাড় ঘেরা গোল আকাশের পেটে বিমান উড়ে যেত, ছোট্ট মিন্টু বিহ্বল হয়ে চেয়ে দেখতেন। তার ভাইগুলিও দেখতেন। তাদের মাঝে স্বপ্ন বুনা শুরু হ’ল সেই থেকে। প্রকৃতির অসাধারণ এক সত্যি কাহিনীর রচনায়ন!

বুয়েট অটোমোবাইল শপের টেকনিশিয়ান মিন্টু চৌধুরী। হালকা গড়ন, পেটা শরীর। সারাক্ষণ কাজের মধ্যে থাকা একজন মানুষ। সেই কবে শখ করেছিলেন উড়োজাহাজ বানাবেন, এতদিনে বানিয়েই ছাড়লেন। সেই উড়োজাহাজ এখন আকাশে উড়তে পারে!

স্বপ্নের শুরু আজ থেকে বহু বছর আগেই। তাও কম করে বছর বিশেক। সুযোগ আসার সাথে সাথে প্রথম দিকে সিদ্ধান্ত নিলেন পাওয়ার গ্লাইডার বানাবেন। ইঞ্জিনচালিত পাওয়ার গ্লাইডার। কিন্তু সামান্য টেকনিশিয়ানের পদে চাকরি করে অত টাকা কোথায় পাবেন আর! এগিয়ে এসেছিলেন একজন। দেড়-দুই লাখ টাকা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন যুক্তরাজ্য-প্রবাসী বাঙালি ওয়াকী আবদুল্লাহ। মিন্টু ভাই ভাবলেন, বাকী আর লাখ-দুয়েক তিনি যোগাড় করতে পারলেই এবার হয়ে যাবে তার দীর্ঘদিনের স্বপ্নের উড়োজাহাজ। শুরু করলেন কাজ। কাজ চালানোর মতো ইঞ্জিন প্রথমে কোথাও পাননি। ইঞ্জিন ছাড়াই চেষ্টা করলেন গ্লাইডার নিয়ে আকাশে ভাসতে। ইঞ্জিন ছাড়া উড়তে হলে যেটা করতে হবে- হই এটাকে কোনভাবে টেনে উড়াতে হবে কিংবা উঁচু কোন জায়গা থেকে গ্লাইডার নিয়ে লাফ দিতে হবে। কিন্তু কোটি মানুষের ঢাকায় সে জায়গাটুকু কোথায়!

গ্লাইডার নিয়ে মিন্টু ভাই চলে গেলেন তার গ্রামের বাড়িতে। লোকচক্ষুর আড়ালে তার গ্রাম। সেখানে স্পীড-বোট দিয়ে হ্রদের পানির উপর টেনে প্রথম আকাশে ডানা মেলে মিন্টু ভাইয়ের স্বপ্ন! বেশ উপরে উঠে খুলে দেন নীচের স্পীড-বোটের সাথে আটকানো বাঁধন। খুব সুন্দর পাখির মতোই মসৃণ ভাবে ভেসে চললেন অনেকদূর। আগ্রহ বহুগুণে বেড়ে গেল মিন্টু ভাইয়ের!

2

খোঁজা শুরু করলেন ইঞ্জিন। বহু জায়গায় যান কিন্তু কেউ ইঞ্জিন দিতে রাজী হয়না। সবার কেবল তাদের নিজেদের নামে এটিকে হাত করার অল্প-বেশি পায়তারা। শেষ পর্যন্ত ওয়ালটনের এক প্রকৌশলীর সাহায্যেই পান একটা ইঞ্জিন। বেশকিছু মডিফিকেশন করে সেটি লাগালেন আগের কাঠামোর সাথে।

নানান জায়গাতে ধরনা দেয়া শুরু করলেন একটা পরীক্ষামূলক উড্ডয়নের অনুমতি পাওয়ার জন্য। সরকারী ফ্লাইং ক্লাবে চেষ্টা করেছেন অসংখ্যবার। সিভিল এভিয়েশন থেকে পর্যবেক্ষক এনে নিরীক্ষা করালেন তার উড়োজাহাজটি। তারা সবদিক ঠিক বলে মেনে নিলেও এটা যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যান্ডার্ড হয়নি বলে অনুমতি দিতে অসম্মতি প্রকাশ করেন।

মিন্টু ভাই জানান আপত্তি, তার যুক্তি, “বাংলাদেশে থেকে আমরা বাংলাদেশের জন্য একটা স্ট্যান্ডার্ড বিবেচনা করবো। যেহেতু এই কাজ এর আগে হয়নি সেহেতু এটাকে মানদণ্ড হিসেব করেই আদর্শ পরিমাপ ঠিক করা হোক। তারা যেটা ব্যাবহার করে আমিও সেটাই ব্যাবহার করেছি। হয়তো পার্টস বেশকিছু বাইরে থেকে আনা, তবুও কেন স্ট্যান্ডার্ড বলা হবেনা? শেষ পর্যন্ত তারা এই মত দেন, এটা উড়াবার জন্য সরকারের নিবন্ধন লাগবে।” মিন্টু ভাই এবার ছোটাছুটি শুরু করলেন উড়োজাহাজের নিবন্ধনের জন্য। ‘মা এভিয়েশন’ নাম নিয়ে লাইসেন্সের জন্য মিন্টু ভাইয়ের সেই ছুটোছুটি আজও চলছে। তাদের এখন যুক্তি হচ্ছে, এটা আকাশে উড়লে তো বিদেশী কোন সংস্থা আমাদেরকে আর সাহায্য দেবেনা, আমরা তো স্বনির্ভর হয়ে গেলাম তাদের কাছে সেক্ষেত্রে। সুতরাং…

এরমধ্যে মিডিয়াতে বেশ কয়েকবার রিপোর্ট করা হয় এই উড়োজাহাজ নিয়ে। সেখানে গুরুত্ব পায় কেবল যুক্তরাজ্য-প্রবাসী ওয়াকী আবদুল্লাহ’র নাম। মিন্টু ভাইয়ের স্বপ্ন কিংবা তার এই মেধাসত্ত্বকে চরমভাবে অগ্রাহ্য করা হলে তার আগ্রহে বেশ অনেকটাই ভাটা পড়ে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীও বেশ কয়েকবার মিন্টু ভাইয়ের উড়োজাহাজটি তাদেরকে দিয়ে দেবার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তার এত কষ্টের ফল, মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে যেটা উড়ালেন সেটা তিনি দিয়ে দিতে চাননি।

অনেক জায়গাতে ধরনা দিয়েও যখন মিন্টু ভাই উড়োজাহাজটি আকাশে উড়াবার অনুমতি পাননি তখন গোপনেই সেটি করতে চলে যান তার প্রিয় রাঙামাটির প্রত্যন্ত অঞ্চলে। সাধের উড়োজাহাজকে নিয়ে। মাত্র ৩৩ মিটারের মধ্যেই ইঞ্জিন সহ নিজে নিজেই আকাশে ডানা মেলে মিন্টুর স্বপ্ন। চালকের আসনে বসে প্রায় ১৫ মিনিট ধরে আকাশে উড়ে বেড়ান তিনি। উত্তেজনার বশে ভুলেই গিয়েছিলেন সতর্কতামুলক হেলমেট পরিধান করতে! মিন্টু ভাই স্মরণ করলেন প্রথমবার আকাশে উড়বার কথা। উড়াবার মাস দুয়েক আগেই ছুটি নিয়ে নিয়েছিলেন। ধরেই নিয়েছিলেন উড়োজাহাজটি উড়াতে যেয়ে মারা পড়বেন। ২০০৮ সালে সেকারণে একমাস ধরে বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী মিন্টু ভাই ঘুরে এসেছিলেন দেশের নানা তীর্থস্থানগুলি। ‘০৮ এর শেষের দিকে এরপর আকাশে ওড়েন তার স্বপ্ন নিয়ে! মৃত্যু অবধারিত মেনে নিয়েই।

উড়োজাহাজটি ৫ হাজার ফুট উচ্চতা পর্যন্ত উঠতে পারে। সাধারণত ২৫ হাজার ফুটের উপরে ‘এয়ার পকেট’ নামে একধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়, একারণে এটির ক্ষেত্রে সেই অতিরিক্ত ঝামেলার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এটিতে করে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাওয়া সম্ভব মাত্র ৩০ মিনিটেই, আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলে কেবল আধা লিটার জ্বালানী ব্যাবহার করেই। জ্বালানী বাবদ খরচ হবে মাত্র ৫০ টাকা! “পৃথিবীর ইতিহাসে এত কম শক্তির ইঞ্জিনে কোন আকাশযান উড়াবার আর কোন রেকর্ড বর্তমানে নেই”- দাবী করেন মিন্টু ভাই। মিন্টু ভাইয়ের উড়োজাহাজের সবচেয়ে বড় গুন এটি খুব সহজেই যে কেউ চালাতে পারবে। কেবল দুই হাতের মাধ্যমেই এটিকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

মিন্টু ভাইয়ের উড়োজাহাজের সিট থেকে সাইলেন্সর সবকিছুই তার নিজের ডিজাইন করা। সাইলেন্সর থেকে শুরু করে সিট কিংবা স্টিয়ারিং বা কন্ট্রোল বার ডিজাইন এই ধরণের পাওয়ার গ্লাইডারের ক্ষেত্রে অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। মিন্টু ভাই দিনের পর দিন এগুলোর উন্নয়ন করেছেন। ব্যর্থ হয়েছেন, বারবার। তবুও হাল ছেড়ে দেননি। নানান দেশের অনেক লেখকের বহু বই পড়ে তিনি এগুলোর ডিজাইন করেন। প্রধানত এই পাখাটা কোনকারনে যদি ইঞ্জিন বন্ধ হয়েও যাই তবুও যেন আকাশে ভেসে থাকে এটা মাথায় রেখে ডেলটা টাইপের পাখাকেই নির্বাচন করেন। কাঠামো আর পতাকার রঙ করেন বাংলাদেশের পতাকার লাল-সবুজের রঙে। এটি চওড়ায় ৩২ ফুট এবং ১৪ ফুট লম্বা। দেখতে নীচের ছবিটির মতো। পাখাটি প্যারাসুট কাপড়ের। এই ডেল্টা পাখার গতানুগতিক নকশাও তিনি পরিবর্তন করেছেন। এই কারণে ইঞ্জিন বন্ধ হলেও বিমানটি বাজপাখির মতো অনেকক্ষণ ভেসে থাকবে। বর্তমানে যে কাঠামো ব্যাবহার করা হচ্ছে সেটির ওজন হচ্ছে ২০ কেজি। সবমিলিয়ে গড়পড়তা ওজনের মানুষসহ মিন্টু ভাইয়ের উড়োজাহাজের ওজন ১২০ কেজি।

3

“এ যাবত সারা পৃথিবীতে ৩৩ টা দেশ বানিয়েছে এই ধরণের উড়োজাহাজ। আমাদের সম্ভাবনা ছিল ৩৪ নম্বর হিসেবে এই গৌরবের দাবীদার হওয়া”-দীর্ঘশ্বাস ফেলে মিন্টু ভাইয়ের হতাশা।

মিন্টু ভাইয়ের ইচ্ছা, ১১ সিটের একটা হালকা বিমানে এটাকে রূপ দেয়া। আপাতত যেই মডেলটা তৈরি আছে সেটি চলে ১৫০ সিসি ইঞ্জিনে। সবচেয়ে মজার ব্যাপারটি হচ্ছে, ইঞ্জিনের পুরো শক্তির মাত্র শতকরা ২৫ ভাগই যথেষ্ট আকাশে উড়বার জন্য। এবারে উড়োজাহাজের শক্তি আরও একটু বাড়াবেন ৯ হর্স পাওয়ারের ২৯০০ আর.পি.এম. এর ইঞ্জিন ব্যাবহার করে-এমনটাই ইচ্ছা মিন্টু ভাইয়ের। প্রথম যেই ইঞ্জিনচালিত উড়োজাহাজটি মিন্টু ভাই আকাশে ওড়ান সেটি বানাতে খরচ হয়েছিল ৩ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা। বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হলে সেক্ষেত্রে দাম কমে ২ থেকে আড়াই লক্ষের মধ্যেই তৈরি করা যাবে।

উড়োজাহাজের প্রপেলার তৈরিও করেছেন মিন্টু ভাই নিজে, বেশকিছু বই-গবেষণা পত্রের সাহায্য নিয়ে। সময় লেগেছিল পুরো এক মাস। সাধারণত এসব কাজে ম্যাপল কাঠ ব্যাবহার করা হয়। মিন্টু ভাই ব্যাবহার করেছেন সেগুন কাঠ। তিনটা খণ্ডকে আলাদা আলাদা করে সহজে নকশা করে একসাথে মিলিয়ে। প্রপেলারটা বানাতেও অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে তাকে। অসংখ্যবার চেষ্টা করে এটির চূড়ান্ত করতে সক্ষম হন তিনি। তার কাছে এটি এখন অমূল্য সম্পদ! ২০০৮ সালে ভারতে ভূপেন্দর সিং নামে একজন কাঠমিস্ত্রি একটি প্রপেলার তৈরি করেন। গণমাধ্যমে এটির খবর আসে। মিন্টু ভাইয়ের জেদ চেপে যাই। সে কাঠমিস্ত্রি হলে তিনি কেন পারবেননা। জেদ থেকেই করেন বাঁধা অতিক্রম। অনেক সফল মানুষের জীবনের সংগ্রাম কাহিনী খুঁজে বের করে পড়েছেন তিনি, হয়েছেন অনুপ্রাণিত।

4

একদা বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক এম. এ. তাহের আলী এই ধরণের উড়োযানের ব্যাপারে বেশ নিয়মিত কাজ করতেন। গবেষণা চলত। বর্তমান সময়ে সেই ঐতিহ্য অনেকটাই মিইয়ে গেছে। মিন্টু ভাই চান সেই আগের-দিন ফিরে আসুক, চর্চা হোক এধরণের মৌলিক জ্ঞানের। বুয়েটে কাজ করার সুবাদে নানান ডিপার্টমেন্টের হয়ে নানান প্রোজেক্টে কাজ করেছেন মিন্টু ভাই, এখনও করছেন। তার উপরে নির্ভরশীলতার ব্যাপারে অনেকেই এখন ভরসা করে থাকেন। মিন্টু ভাই করেছেন নানান চাকরি। প্রথম অস্ট্রেলিয়ানদের সাথে, পরে ফ্রান্স এবং সর্বশেষ চাইনিজদের সাথে রাউজান তাপ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে। এরপর বুয়েটে প্রবেশ করেন। সেই থেকে এখানেই আছেন ভালোলাগা থেকেই।

লোভকে এড়িয়ে এখনও কালিঝুলি মাখা ল্যাবে সবাইকে দিক-নির্দেশনা দিয়ে যান এই মানুষটি। নানা ধরণের শর্তে নানারকমের প্রস্তাব পেয়েছেন সরকারি বেসরকারি নানা প্রতিষ্ঠান থেকে, উড়োজাহাজটি তাদের দিয়ে দেবার জন্য। উনি দেননি, তার একটাই কথা, “আমার পরিশ্রম, আমার স্বপ্ন আমি কাউকে দিবনা”।

এক সন্তানের জনক মিন্টু ভাই। মেয়েটি পড়ে উচ্চ-মাধ্যমিকে। নাম মিথিলা। তিনজনের সুখের সংসার। যদিও এই উড়োজাহাজের টানে পরিবারের প্রতিও তিনি অনেক অবজ্ঞা করেছেন। মাসের শেষে বেতনের টাকা অকাতরে ঢেলেছেন উড়োজাহাজের পিছনে, নেশার বশেই। মিন্টু ভাইয়ের শেখার নেশা মারাত্মক। ছোট-বড় সকলের থেকে প্রতিনিয়ত শিখতে চান তিনি। কোন ব্যাপারেই তার আগ্রহের শেষ নেই। তবে বিশেষ আগ্রহ এই উড়োজাহাজকে ঘিরেই।

মিন্টু ভাই অপেক্ষা করছেন, রিটায়ার্মেন্টে যাবার। বর্তমান উড়োজাহাজটির সব যন্ত্রাংশ খুলে যত্নে সাজিয়ে রেখেছেন। আর ৫ বছর চাকরি আছে তার। জীবনের শেষ ইচ্ছা পেনশনের টাকা আর কিছু মিলিয়ে উড়োজাহাজটি একবার সবাইকে জন-প্রকাশ্যে উড়িয়ে ঘুরবেন। হয়তো নিয়ম ভঙ্গের জন্য তাকে জেলের ঘানি টানতে হবে, তবুও তার কোন দ্বিধা নেই। শেষ বয়সে এসে তিনি তার জীবনকে পর্যন্ত উড়োজাহাজের জন্য উৎসর্গ করতেও রাজী।

মিন্টু ভাইয়ের জীবনে এখন একটাই স্বপ্ন, বাংলাদেশে অথবা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে তাকে একটি জায়গা দেয়া হোক। সেখানে তিনি গবেষণা করবেন। তিনি ব্যবসা করতে আগ্রহী না, নিতান্ত বাধ্য না হলে। সরকার এটা নিয়ে ব্যবসা করুক, কিংবা কোন প্রতিষ্ঠান, তাতে মিন্টু ভাইয়ের কোন মাথা ব্যথা নেই। তিনি স্বপ্ন দেখেন কেবল একটি গবেষণাগারের। সেখানে আগ্রহী আর দরিদ্র শিক্ষার্থীরা উড়োজাহাজ নিয়ে গবেষণা করবে, তারা বিশ্বমানের উড়োজাহাজ বানাবে, এই আমাদের দেশেই।

আমাদের দেশে এই অসাধারণ মিন্টুদের স্বপ্নগুলো বাঁচিয়ে রাখা আজ বড্ড বেশি প্রয়োজন!

ফটো: আনিস ইসলাম, যন্ত্রকৌশল বিভাগ, বুয়েট।
বিশেষ কৃতজ্ঞতাঃ ইমতিয়াজ আহমেদ, যন্ত্রকৌশল বিভাগ, বুয়েট।

সুত্র: http://buetech.com/bn/2014/03/19/%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%81-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A7%9C%E0%A7%8B%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9C/

Card image cap
আর্কিটেক্ট ও ইঞ্জিনিয়ারের তুলনা
Ashraful Haque - 21 Mar 2014

The details required by an architect are as under:

  • Size of space including length, width or any other geometrical dimensions, which are according to the space.
  • North line, position of building, road, street adjoining the plot or space that is to be built up.
  • Width of street or road, whether road is scheduled road, district road, village road or internal road of city.
  • Position of plot with road i.e. parallel to the road or at right angle or any other angle.
  • Position of area, locality and surrounding nature of the area.
  • Requirement of house owner or client department.                             

An architect figure out how's a building should looks like, visual appeal of the house or building and defines the building style. Architect have the vision and thought of dreams. He knows how to adjust or the sequence/ arrangement of spaces, the materiality of it. An architect with his experience helps in dividing the spaces before hand is useful. He with his experience helps in dividing the spaces more efficiently as required by the client. This also ascertains that whole space is efficiently used. One gets to know the feel of the place and space functions. An architect is able to explain what the final look and feel of the spaces would be.  Architect acts as an invigilator of the construction and clarifies misconceptions. A practicing architect helps in designing the house within the constraints of building byelaws thus avoiding any illegal constructions that may create problems at the time of getting the completion certificate. An architect coordinates the requirements of various consultants like the structural engineer, mechanical engineer and electrical and plumbing, along with the code requirements for safety and accessibility.
                              
An architect also prepare  the details like front elevation, right and left side elevation,  sections, details of  joinery, boundary wall, terrace plan and internal details of building component i.e. stair, kitchen, toilet etc according to the need/requirement at site of work. He prepares floor pattern, false ceiling drawing, air conditioner duct, cabinet details etc. He prepare electric plan showing the position of fans, bulbs/ florescent tubes, exhaust fans and electric switches including main control, inverter, switches and plug etc. He prepares the drawings of public amenities showing sewer line, water supply line, pipe duct, manhole and water tank etc. He prepares the color scheme and interior designing according to the use of space and liking of house owner. In public buildings, an architech also prepares the details in the drawings showing boundary wall, roads, footpath, parks, playgrounds and other public amenities.


structural engineer designs the building structure for both load bearing and non-load bearing components according to the drawings supplied by the architect.

The drawings required to engineer for designing are as under:

  • Plan of the building i.e. basement, ground floor, first floor plan and so on according to the purposed construction scheme.
  • Elevations, sections etc.
  • Use of building.
  • Future scope i.e. addition of more stories in future.
  • Situation of building i.e. near to high way, railway track or any industrial unit.
  • Types of soil, salt analysis of soils and bearing capacity of soil.
  • In big projects, bridges and dams etc some more details of soil are required such as local topography, ground water level, flood level and sear strength of soil etc.            

structural engineer by making investigation, evaluation, planning and design the structure of buildings, bridges and dams etc to safely resist vertically and horizontal loads which includes gravity, earth pressure, wind and seismic forces. During design, he takes factor of safety so that the structures remain safe during normal use and during earthquake or wind forces or natural calamities.

Structural engineer design all type of structure where as architect work only on the buildings not on the bridges, dam etc. 
                     
At the time of designing, structural engineer calculate the load coming on the each component of the structure/ building. He also considers the load for any future additions if any. Besides the dead load and live load, he also calculate the wind pressure, earth pressure, seismic forces, rainy storm, snowfall and the forces bear by the structure during natural calamites. He design the structure/ building meeting requirement according to codes pertaining to the strength of the structure, structural connections and the calculations required to demonstrate these things and make sure that structure remain safe. Astructural engineer for the most part is not more careful about accessibility, other trades or finish materials. He often barely involved in how the building looks at all since many/ most building hide the structural elements.

However, a good structural engineer in the right situation can work with the architect to enhance the space with exposed structural elements.
                              
According to the loading intensity, nature of soil structural engineer prepares the foundation plan and foundation details of various components of building showing their depth, width for excavation. He prepare the details of brick masonry steps in foundation for load bearing walls, non load bearing walls and brick pillars. He also prepares the details of R.C.C columns footing, R.C.C wall footing including showing the arrangement of M.S. steel bars. He prepares the drawings showing the details of M.S. steel of plinth bend, door level bend, roof slab design, column, beam, fascia and wall according to loading intensity, wind forces and seismic forces. In case of bridges, dam’s etc structural engineer prepares the details of all components with respect to the loading condition.
      
In case of building construction, structural engineer’s scope is some what limited than architect. That is not to say it is not important, just that he spends less over all time on the project than the architect does, and deals with fewer elements of the projects. He has narrower, but important focus in some aspects, engineers and architects think quite alike but have different approaches but both attempt to solve problems.

Card image cap
নির্মানাধীন ভবনের লে-আউট দেয়া
engr.tushar - 19 Mar 2014

৫) নির্মানাধীন ভবনের লে-আউট দেয়া

যেকোন কাজ শুরু করার আগে কাজের একটি রূপরেখা বা লে-আউট তৈরী করা খুবই দরকার। যেমন ধরুনঃ কোন দর্জি যখন পোষাক তৈরী করে তখন কাপড় কাটার আগে কাপড়ের উপর একধরণের দাগ দিয়ে নেয়। পরে সেই দাগ অনুসারে কাপড় কাটে সেলাই করবার জন্য। এই কাপড় কাটবার আগে দাগ দিয়ে নেয়া কে ওই পোষাকের জন্য লে-আউট দেয়া বলা হয়। ঠিক তেমনি কাগজ়ে আকা ভবনের নকশাকে প্রকৃত মাপ জোপের মাধ্যমে জমিতে স্থানান্তর করাকে প্রকৌশলবিদ্যায় ভবনের লে-আউট দেয়া বোঝায়।

ভবনের নকশা, কাগজের উপর ছোট স্কেলে আকা থাকে।এখানে ডয়িং এর কাগজটিকে বাস্তব ভুমির ছোট সংষ্করণ বলা যেতে পারে।কাগজ়ে আকা নকশাটিকে প্রকৃত স্কেলে জমিতে চিহ্নিত করতে হয়, যাতে সহজেই প্রতিটি কলামের সঠিক অবস্থান, নির্মানাধীন ভবনের ওরিয়েন্টেশন এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়- ভবনটি সীমানার ভিতরে আছে কিনা তা নির্ণয় করা যায়।

ড্রয়িং হলো প্রকৌশলীদের যোগাযোগের জন্য একটি আন্তর্জাতিক ভাষা।কোন ভবনের লে-আউট দেয়ার জন্য যে ড্রয়িং তৈরী করা হয় সেখানে সাধারনত a,b,c,d…… ও 1,2,3,4…… এই দুই ধরণের গ্রীডলাইন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। a,b,c,d…… গ্রীড লাইনগুলো একে অপরের সমান্তরাল আবার 1,2,3,4…… গ্রীড লাইনগুলোও পরষ্পর পরষ্পরের সমান্তরাল হয়ে থাকে। কিন্তু a,b,c,d…… গ্রীড লাইনগুলো 1,2,3,4…… গ্রীড লাইনের সাথে সমকোণ তৈরী করে। এই দুই ধরণের গ্রীড লাইনের ছেদ বিন্দুটিতে সাধারণতঃ কলাম বা দেয়ালের অবস্থান করে থাকে।

 

লে-আউট দেয়ার প্রধান কাজ হলো ড্রয়িং থাকা উপরে বর্ণিত ঐ সমস্ত গ্রীডলাইনগুলোকে বাস্তব মাপজোপের মাধ্যমে প্রকৃত জমিতে স্থানান্তর করা। কয়েকটি ধাপের মাধ্যমে সেই কাজটি প্রকৌশলীরা করে থাকেন-

  • প্রথমে একটি বেসলাইন (Baseline) বা সীমারেখা নির্ধারণ করতে হয়। সীমারেখাটি সাধারণতঃ পার্শ্ববতী কোনো ভবন বা রাস্তার মধ্যরেখা (centerline) এর সমান্তরালে একটি নির্দিষ্ট দুরুত্বে চিহ্নিত করা হয়।
  • বেসলাইনের সমান্তরাল করে ড্রয়িং এ অঙ্কিত বিভিন্ন গ্রীডলাইনগুলো (a,b,c,d……) কে ভূমিতে স্থানান্তর করা হয়। কিছু অস্থায়ী বাঁশের খুটির সাহায্যে এই সমস্ত গ্রীডলাইনগুলোকে চিহ্নিত করা হয়।
  • এরপর যেকোন একটি সুবিধামত গ্রীডলাইনের (1,2,3,4……) সাথে সমকোণে রেখে আরেকটি গ্রীডলাইন চিহ্নিত করা হয়।
  • একইভাবে লম্ব বরাবর যে গ্রীডলাইন পাওয়া গেল সেগুলো সমান্তরাল করে আগের মত আবার নতুন গ্রীডলাইন বসানো হয়।
  • সাময়িক বা অস্থায়ী খুটির বদলে কংক্রীটের খুটি ব্যবহার করে গ্রীডলাইনগুলোকে স্থায়ী করে রাখা হয় যাতে ভবিষ্যতে যেকোন প্রয়োজনে গ্রীডলাইনগুলো অস্তিত্ব পাওয়া যায়।
  • লেভেল মেশিনের সাহায্যে রাস্তার চুড়ার তলের উপর ভিত্তি করে ভবনের প্লিন্থ লেভেল নির্ধারণ করতে হয়। প্লিন্থ লেভেলের চিহ্নটি এমন এক স্থানে রাখতে হয় যেখানে সহজে যাওয়ার ব্যবস্থা আছে, সহজে দেখা যায় ও ভবন নির্মানের শেষ পর্যন্ত যেই স্থানের অস্তিত্ব থাকবে।  
  • পরষ্পর লম্ব দুইটি গ্রীডলাইনের ছেদবিন্দু থেকে কলাম ও ফাউণ্ডেশনের সাইজ, অবস্থান এবং গভীরতা নির্ধারণ করা হয়।
  • কাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে পরষ্পর লম্ব চারটি গ্রীডলাইনের দ্বারা আবদ্ধ বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ বারবার পরীক্ষা করতে হয় যাতে উক্ত গ্রীডলাইনগুলোর মাঝে ৯০ ডিগ্রি থাকে। কারণ আমরা জানি একটি পূর্ণাংগ বর্গক্ষেত্রের কর্ণ দুইটি সবসময় সমান থাকে।

ভবনের লে-আউট দেয়া ভবন নির্মানের বেশ গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি আসলে গণিতের জ্যামিতি বিষয়ের একটি পরিপূর্ণ ব্যবহারিক ঘটনা। ভবনে লে-আউট দিয়ে কাজ করলে বিভিন্ন সুবিধা পাওয়া যায় যেমনঃ

  • ভবন নির্মানের ক্ষেত্রে ভুল হবার সম্ভাবনা কম হয়।
  • ভবন নির্মান কাজে ব্যবহৃত ফোরম্যান বা মিস্ত্রি সঠিক-সুন্দর ভাবে ও নির্বিঘ্নে কাজ চালিয়ে যেতে পারে।
  • নির্মান কাজের বিভিন্ন পর্যায়ে কলামের অবস্থান পূনঃপরীক্ষার জন্য স্থায়ী লে-আউটের প্রয়োজন হয়।
  • ভবনের নকশা বা আসল  জমিতে কোন রকম সমস্যা থাকলে লে-আউট চলাকালীন সময়ে সংশোধন করা যেতে পারে।

 

 

ভবনের লে-আউট দেয়ার জন্য আজ কাল টোটাল ষ্টেশনের বহুল ব্যবহার চোখে পড়ছে। বাংলাদেশে বেশ কিছু ডিজিটাল সার্ভে কোম্পানী আছে যারা টোটাল ষ্টেশনের মাধ্যমে নির্ভুলভাবে ইমারতের লে-আউট দিয়ে থাকে।তারপরও নিচে লে-আউট দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানের নাম দেয়া হলঃ

-       টোটাল ষ্টেশন বা লেভেল মেশিন

-       নাইলনের সুতা

-       পেরেক

-       হাতুড়ি

-       অস্থায়ী বাঁশের খুটি

-       স্থায়ী কঙ্ক্রীটের খুটি

-       স্টীলের একটি বড় সমকোনী ত্রিভুজ

-       স্টীল টেপ (১০০ ফুট)

-       মাঝারি সাইজের প্লাম্ব বব বা ওলোন

Card image cap
আমাদের ফেইসবুক পেইজ
Ashraful Haque - 18 Mar 2014

আমাদের ফেইসবুক পেইজ http://fb.com/need4engineer এ লাইক ও শেয়ার করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।


Header
Info card title

www


Left
Center
Right