তিনশ ফুট সড়কে রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান

  • বৃহস্পতিবার বেলা ১০টা থেকে সড়কের বসুন্ধরা কনভেনশন সিটির সামনে থেকে এ অভিযান শুরু হয়।

    অভিযানে ১০০ ফুট খাল খনন প্রকল্প এলাকায় গড়ে তোলা কয়েকটি ভবন ভেঙে দেওয়া হয়। এসব ভবনে বিভিন্ন রেস্তোরাঁ গড়ে তোলা হয়েছিল। এছাড়া পুলিশ হাউজিংয়ের সামনেও দুটি ভবন ভাঙা হয়েছে অভিযানে।
    বুধবার থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানায় নির্মাণাধীন একটি ভবনের সামনের সীমানা দেয়াল ভেঙে দেওয়া হয়।

    রাজউকের কর্মকর্তারা আরও একটি ভবনের সামনের সীমানা দেয়াল অভিযানের দ্বিতীয় দিনে ভাঙার কাজ শুরু হবে বলে সেদিন জানালেও বৃহস্পতিবারের অভিযানে সেসব বাড়ির দেয়াল ভাঙা হয়নি।

    রাউজকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এবং কুড়িল-পূর্বাচল লিংক রোডের উভয় পার্শ্বে ১০০ ফুট চওড়া খাল খনন প্রকল্পের পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম জানান, প্রথমে সড়কের উত্তর পাশে খালের জায়গা খালি করবেন তারা।

     

    “সড়কের উত্তরপাশটা প্রায় ফাঁকা। সে কারণে সেখানে আগে উচ্ছেদ করে আমরা খাল খননকাজ শুরু করতে চাই।”

     

    বসুন্ধরা গ্রুপের লোকজন বাড়িতে থাকা যন্ত্রপাতি সরিয়ে নিতে মৌখিকভাবে সময় চেয়েছেন বলেও জানান তিনি।

    “আমরা যেখানে অভিযান চালাব, সেখানে কিছু ভারী যন্ত্রপাতি আছে। তারা আমাদের কাছে মৌখিকভাবে সময় চেয়েছেন এসব যন্ত্রপাতি সরিয়ে নেওয়ার জন্য।”

    কুড়িল-পূর্বাচল তিনশ ফুট সড়কের দুপাশে প্রায় ১৫০টির মতো স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে বলে জানান নুরুল ইসলাম। এসব স্থাপনা পুরোপুরি উচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে বলে জানান তিনি।

    রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাসির উদ্দিন আহমেদসহ কর্মকর্তা-কর্মচারী, ১০০ ফুট খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেডের কর্মকর্তা এবং সদস্যরা অভিযানে অংশ নেন।

ট্যাগ