Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

যন্ত্রপাতির রক্ষণাবেক্ষণ

হ্যামারের রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি

  • হাতলে (Handle) কোনো ফাটল আছে কিনা চেক করতে হবে। ফাটল থাকলে হাতল পরিবর্তন করতে হবে।
  • খিল বা ওয়েজ দিয়ে হেড বা নেক (Neck) শক্তভাবে যুক্ত আছে কিনা তা চেক করতে হবে। প্রয়োজনে ওয়েজ পরিবর্তন করতে হবে।
  • নিয়মিতভাবে কাঠের হাতলে অল্প পরিমাণে লিনসেড তেল দিয়ে মালিশ করতে হবে যাতে কাঠ শুকিয়ে বা বেঁকে না যায়।
  • যদি ফেস (Face) বা ক্ল (Claw) ক্ষয় বা ভেঙে যায় তাহলে পরিবর্তন করতে হবে।
  • দীর্ঘদিন পর ব্যবহারের ক্ষেত্রে বা কাজ শেষে মাঝে মাঝে লোহার অংশগুলো ভালোমতো তেল দিয়ে মালিশ করে যত্ন সহকারে রেখে দিতে হবে।
  • রাবার ম্যালেটগুলো যাতে ক্ষয় না হয় সেজন্য তেল বা গ্রিজ লাগাতে হবে।

বিভিন্ন প্রকার ‘স’ এর রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি

  • ব্যবহার ক্ষেত্র অনুযায়ী করাত ব্যবহার করা উচিত।
  • কাঠ কাটার করাত দিয়ে কখনও ধাতুর বস্তু কাটা যাবে না।
  • কাজ শুরুর পূর্বে করাতে ধার দিয়ে নিতে হবে।
  • করাত এমন ভাবে ধরে কাটতে হবে যেন এর দাঁতের ক্ষতি না হয়।
  • ভারী টুলস বা বস্তু করাতের ব্লেডের ওপর রাখা যাবে না।
  • আটকিয়ে গেলে করাতে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করা যাবে না। প্রয়োজনে কাটা অংশ ফাঁকা করতে ওয়েজ বা খিল ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • ক্ষতিগ্রস্থ করাতের হাতল পরিবর্তন করতে হবে।
  • করাতের দাঁত ভাল রাখতে ফাইল দিয়ে মাঝে মাঝে ঘষতে হবে।
  • হ্যাক স’ এর কাজ শেষে ব্লেড ঢিলা করে রাখতে হবে।
  • যথাস্থানে সংরক্ষণের জন্য কাজ শেষে ব্লেড খুলে রাখতে হবে।
  • কাঠের সাথে কৌণিকভাবে ধরে কাঠ কাটতে হবে।
  • মরিচার হাত হতে রক্ষার জন্য মাঝে মাঝে মোম পালিশ দিয়ে করাতের দাঁতে মালিশ করতে হবে।

 হ্যান্ড ড্রিল ও পাওয়ার হ্যান্ড ড্রিলের রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি

হ্যান্ড ড্রিল :

  • সকল ধাতু দিয়ে তৈরি পৃষ্ঠে হালকা তেল লাগাতে হবে।
  • গিয়ারের দাঁত একটি ছোট কাপড়ের টুকরা দিয়ে মুছে তেল লাগতে হবে।
  • হ্যান্ড ড্রিল কোনো নিরাপদ শুষ্ক স্থানে বা র‌্যাকে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
  • ড্রিল বিটের উপর কখনও হাতুড়ি বা চিজেল দ্বারা আঘাত করা যাবে না।

হ্যান্ড পাওয়ার ড্রিল :

  • সঠিক মাপের বিট ব্যবহার করতে হবে।
  • ড্রিল বিট সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং মসৃণ রাখতে হবে। বিট মসলা বা মরিচাযুক্ত থাকলে চিপস আটকা পড়ে।
  • তার ও প্লাগ সাবধানতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।
  • তাপ, ধারালো বস্তু ইত্যাদি হতে বৈদ্যুতিক তারকে দূরে রাখতে হবে।
  • ব্যাটারি চালিত পাওয়ার ড্রিল হলে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ব্যাটারি মজুদ রাখতে হবে।
  • কাজ শেষে ড্রিল মেশিনকে হালকা কাপড় দ্বারা মুছে নির্দিষ্ট বাক্সে তুলে রাখতে হবে।

মেজারিং টেপসমূহের রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি

  • টেপ বা ফিতা যেন পানিতে ভিজে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
  • কাপড়ের ফিতার উপর অতিরিক্ত টান প্রয়োগ করা যাবে না ।
  • ইস্পাতের তৈরি টেপকে কখনো পাক দেওয়া বা উল্টা দিকে ভাঁজ দেয়া নিষেধ।
  • ব্যবহার শেষে টেপসমূহকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে যত্নসহকারে উঠিয়ে রাখা উচিত।
  • সম্ভব হলে প্রতিদিন স্টিল টেপের উভয় দিকে মোম লাগতে হবে।

বিভিন্ন প্রকার কাটিং টুলের রক্ষণাবেক্ষণ

  • ক্ষয়প্রাপ্ত কাটার প্রয়োজন মাত্র পরিবর্তন করতে হবে।
  • কাটিং টুলসগুলোকে ধারালো করে রাখতে হবে।
  • কাটিং প্রান্তে হাতুড়ি বা অনুরূপ কিছু দিয়ে আঘাত করা যাবে না।
  • পানি বা আর্দ্র পরিবেশ থেকে দূরে রাখতে হবে।
  • ঘূর্ণায়মান অংশগুলোতে তেল লাগাতে হবে।
  • কাজ শেষে রাখার সময় ময়লা সরিয়ে কাটারে গ্রিজ লাগাতে হবে এবং ধাতব অংশে তেল দিতে হবে যাতে মরিচা না পড়ে।
  • টুল বক্সের বিশেষ অংশে কাটার রাখতে হবে বা কোনো সেলফে রাখতে হবে যাতে পড়ে না যায়।

কংক্রিটের মিক্স‌চার মেশিন রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি

  • প্রতিদিনের কাজের শেষে মিক্সচার মেশিন ভালোমতো পরিষ্কার করে ধুয়ে ফেলতে হবে।
  • নিয়মিতভাবে ব্লেড এবং স্ক্রেপার পরিবর্তন করতে হবে।
  • মেশিনের কোনো রকম ক্ষতি হলে সাথে সাথে মেরামত করতে হবে।
  • মেশিনের ইঞ্জিন ও যন্ত্রাংশ যত্নসহকারে রাখতে হবে।
  • দক্ষ কর্মী দিয়ে মেশিন চালাতে হবে।
  • ড্রামের ভিতর কংক্রিট জমে পিন্ড তৈরি না করে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
  • মেশিনকে খোলা স্থানে, রোদ-বৃষ্টিতে না রেখে নিরাপদ শুষ্ক স্থানে রাখতে হবে।
  • লোহার তৈরি অংশগুলোতে রং করে রাখতে হবে যাতে মরিচা না পড়ে।

ভাইব্রেটর মেশিনের রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি

  • ভাইব্রেটরের হেডে যদি কোনো কংক্রিট লেগে থাকে তা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
  • একটি নরম কাপড় দিয়ে হেড এবং যন্ত্রের অন্যান্য অংশ ধুয়ে ফেলতে হবে।
  • পরিষ্কারের সময় ইঞ্জিনের ভিতর যেন তরল পদার্থ ঢুকতে না পারে।
  • সঠিক এবং নিরাপদ পদ্ধতিতে কাজে ব্যবহার করতে হবে।
  • প্রতিবার কাজ শুরুর পূর্বে এবং পরে ভাইব্রেটিং হেডসহ সবকিছু ঠিক আছে কিনা দেখে নিতে হবে।
  • তেল কম বা না থাকা অবস্থায় ইঞ্জিন চালানো যাবে না। এতে পুরো ইউনিট স্থায়ীভাবে নষ্ট হতে পারে।
  • পরিষ্কার স্থানে আগুন জাতীয় জিনিস, ইউটিলিটিস লাইন হতে নিরাপদ দূরত্বে এবং বাচ্চা ইত্যাদি হতে নিরাপদ স্থানে ভাইব্রেটর ব্যবহার করতে হবে যাতে দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।

বিভিন্ন প্রকার স্পিরিট লেভেলের রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি

  • এটি হালকা এবং স্পর্শকাতর যন্ত্র। তাই সাবধানে ব্যবহার করতে হবে।
  • কাজ করার সময় খেয়াল রাখতে হবে অন্য কোনো বস্তুর দ্বারা এটি আঘাতপ্রাপ্ত না হয়।
  • কোন রকম ময়লা লাগলে সাথে সাথে পরিষ্কার করতে হবে।
  • কাজ শেষে টুল বক্সে যত্নসহ রেখে দিতে হবে।

ট্রাইস্কয়ারের রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি

  • ট্রাইস্কয়ার দ্বারা কোনো বস্তুর উপর আঘাত করা উচিত নয় এবং হাতুড়ির মতো ব্যবহার করা উচিত নয়।
  • একে কার্যক্ষেত্রে যত্নের সাথে ব্যবহার করতে হবে অন্যথায় এর সূক্ষ্মতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
  • কাজ করার সময় যেন হাতল বা ব্লেডে কোনোরূপ চাপ না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
  • কাজ শেষে পানি দিয়ে ধৌত করে নরম কাপড় দ্বারা মুছে টুল বক্সে রেখে দিতে হবে।

ফ্লোটিং মেশিনের রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি

  • সংরক্ষণের জন্য প্রস্তুতকারক কর্তৃক সরবরাহকৃত সকল প্রকার নির্দেশনা এবং সতর্কতা পড়ে নিতে হবে।
  • উপযুক্ত ব্যক্তিগত সুরক্ষা যন্ত্রপাতি (Appropriate Personal Protective Equipment – PPE) যেমন- নিরাপত্তা চশমা, কান রক্ষা, বুট হ্যাট ইত্যাদি পরিধান করে ব্যবহার করতে হবে।
  • কোনো রকম মেরামতের প্রয়োজন পড়লে সাথে সাথে মেরামত করতে হবে।
  • বাতাস চলাচল করে এরকম জায়গায় গ্যাসচালিত মেশিন চালাতে হবে।
  • অপারেটর ছাড়া অন্য কেউ চালানো বা ব্যবহার করা উচিত হবে না।
  • তেল বা গ্যাস ভালোমতো রিফিল করে ব্যবহার করতে হবে।
  • মোটামুটিভাবে জমাট বাঁধা কংক্রিট যেখানে অপারেটরের পা এর ছাপ খুব বেশি পড়বে না তখন ফ্লোটিং মেশিন ব্যবহার করতে হবে।
  • ব্যবহার করার পর ভালোমতো পরিষ্কার করে শুষ্ক স্থানে রেখে দিতে হবে।

 

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *