Raksand এর ব্লগ

নির্মানাধীন ভবনের লে-আউট দেয়া

৫) নির্মানাধীন ভবনের লে-আউট দেয়া

যেকোন কাজ শুরু করার আগে কাজের একটি রূপরেখা বা লে-আউট তৈরী করা খুবই দরকার। যেমন ধরুনঃ কোন দর্জি যখন পোষাক তৈরী করে তখন কাপড় কাটার আগে কাপড়ের উপর একধরণের দাগ দিয়ে নেয়। পরে সেই দাগ অনুসারে কাপড় কাটে সেলাই করবার জন্য। এই কাপড় কাটবার আগে দাগ দিয়ে নেয়া কে ওই পোষাকের জন্য লে-আউট দেয়া বলা হয়। ঠিক তেমনি কাগজ়ে আকা ভবনের নকশাকে প্রকৃত মাপ জোপের মাধ্যমে জমিতে স্থানান্তর করাকে প্রকৌশলবিদ্যায় ভবনের লে-আউট দেয়া বোঝায়।

সাইট মোবিলাইজেশন ও ভূমি জরিপ (অধ্যায় ৪)

সাইট মোবিলাইজেশন প্রকৌশলীদের মধ্যে বহুল ব্যবহৃত শব্দ। বাংলা একাডেমীর অভিধান অনুযায়ী মোবিলাইজশব্দটির বাংলা অর্থ হলো-ব্যবহার বা দ্বায়িত্বে নিয়োজনের জন্য একত্র করা বা যুদ্ধার্থে সমবেত করা।প্রকৌশলীদের কাছে নির্মানাধীন যেকোন সাইট অনেকটা যুদ্ধক্ষেত্রের মতো। একটি ভবন নির্মাণ করতে বহু প্রতিকূল পরিবেশ-পরিস্থিতি পার হতে হয়। তাই যুদ্ধে জয়লাভের জন্য প্রয়োজন বিভিন্ন ধরণের লোকবল, মালামাল ও যন্ত্রপাতীর সমাবেশ। এই সমস্ত কিছুর একত্রীকরণই হলো সরঞ্জাম সন্নিবেশকরণ বা সাইট মোবিলাইজেশন।

নির্মাণ কাজের পর্যায়ক্রমিক ধাপ (অধ্যায়-৩)

ইংরেজীতে একটা কথা আছে-“A stitch in time saves nine” অর্থ্যাৎ কিনা যাকে বলে সময়ের এক ফোঁড় আর অসময়ের দশ ফোঁড়। জীবনের চলার পথে মানুষকে প্রতিটি কাজ সঠিক সময়ে সঠিক ক্রমানুসারে করতে হয়। না হলে পা পিছলে আছাড় খাবার ভয় থাকে। সেরকমই শুধু ইটের পর ইট গাঁথলে বাড়ি তৈরী হয় না। এর জন্য প্রয়োজন বিভিন্ন ধরণের কর্মকান্ড। কোনো কোনো কাজ শুরু হয় আরেকটি কাজ শেষ হবার পর আবার কোনো কোনোটি আরেকটি কাজের সাথে সমান্তরালে চলতে থাকে। কোন কাজ কখন শুরু হবে তা নির্ধারণের জন্য আসলে একটি নির্মানক্রমের প্রয়োজন হয়। এই নির্মানক্রম কে ইংরেজিতে প্রকৌশলীরা ‘কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স’ বলে থাকেন।

সবুজ প্রযুক্তিতে সবুজ ভবন

দখিন দুয়ারি ঘরের রাজা,   পূব দুয়ারী তাহার প্রজা।

পশ্চিম দুয়ারীর মুখে ছাই,    উত্তর দুয়ারীর খাজনা নাই।

বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড

বাংলাদেশ নেশনাল বিল্ডিং কোড, সংক্ষেপে বি,এন,বি,সি । বাংলাদেশে বিল্ডিং নির্মাণ করতে গেলে এই কোড অনুসারা করতে হয়। স্থপতি থেকে শুরু করে সকল ধরণের প্রকৌশলিদেরই এই কোড মেনে চলতে হয়। এই কোড শুরুতে শুধু গাইড হিসাবে প্রকাশ পেলেও পরে তা সরকারী গেজেট আকারে প্রকাশ পায়। বি.এন.বি.সি ৯৩ বর্তমানে ব্যবহুত হয়।

প্রকৌশলীদের সুবিধার জন্য নিচে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড এর লিংক দেয়া হল। আশা করি সকলেরই এই বইটি কাজে লাগবে।

ডাউনলোড করার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন। আপনাদের যেকোন মতামত আমাকে আরও বেশি উৎসাহিত করবে।

পানির স্তর ও সিপেজ চাপ নিয়ন্ত্রণ

 

অনেকেই বলে থাকেন মাটির ভেতর যদি পানি না থাকত তাহলে সয়েল মেকানিক্স বিষয়টি পড়বার দরকার পড়তো না। দেখা যায় মাটির ধারণ ক্ষমতা,  সেটেলমেন্ট, সিপেজ, পাইল ডিজাইন ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে পানি একটি মুখ্য ভূমিকা রাখে। আসলেই কি তবে মাটির ভেতরকার পানি প্রকৌশলীদের বিরক্তির কারণ? মাটির মধ্যে পানি না থাকলেই ভাল হতো? এ প্রশ্ন অবান্তর। কারণ পানির অপর নাম জীবন। পানি না থাকলে গাছ-পালা, শষ্য, প্রাণীজীবন কিছুই বেচে থাকত না। তাই মাটির ভেতর পানি থাকবেই আর সেই পানি কে আমলে নিয়ে বা নিয়ন্ত্রণ করাই প্রকৌশলীদের কাজ।