প্রথম শ্রেণীর ইটের বৈশিষ্ট্যসমুহ নিম্নরুপ

প্রথম শ্রেণীর ইটের বৈশিষ্ট্যসমুহ নিম্নরুপ:

 

  • উৎকৃষ্ট মানের ইট বা প্রথম শ্রেণীর ইট আকারে সুষম্। এর তলগুলো সমান,কিনার ও কোণগুলো সুক্ষ্ণ এবং পাশগুলো সমান্তরাল।

 

  • এগুলোর বাংলাদেশী মানসম্মত পরিমাপ (240X112X70) মিমি থেকে একটু কম-বেশি হতে পারে।

 

বালির সুক্ষ্মতা গুণাঙ্ক বা (F.M)নির্ণয়

সুক্ষ্মতা গুণাঙ্ক বা ফাইননেস মডুলাস(F.M) বালির আকার সম্পর্কে ধারণা প্রদান করে।বালি যত মিহি হয় তার সুক্ষ্মতা গুণাঙ্ক তত কম হয়, এবং যত স্থুল হয় সুক্ষ্মতা গুণাঙ্ক তত বেশি হয়। 

 

অটোক্যাড ভার্সন পরিবর্তন

 

এই সফ্টওয়্যার দিয়ে সহজেই আটৌক্যাড এর ভার্সন পরিবর্তন করা যায়। শুধু তাই নয় অটোক্যাড থেকে অন্য ফরম্যাট যেমন পি.ডি.এফ, ছবি, ডি.এক্স.এফ সহ বিভিন্ন ফরম্যাট এ পরিবর্তন করা যায়। তবে অন্য ফরম্যাট এ পরিবর্তন করতে গেলে টাকা দিয়ে কিন্তু হবে। কিন্তু ভার্সন পরিবর্তন এর জন্য টাকা দিয়ে কেনার দরকার নেই। ফ্রী করা যাবে।

আর এই সফটওয়্যার এর সাইজ ও অনেক ছোট। আপনারা চাইলেই এটি নামিয়ে নিতে পারবেন নেট থেকে।

বার্জার ক্র্যাক ভরাট পেষ্ট

ক্র্যাক ভরাট পেষ্ট

ভেতরের ও বাহিরের প্লাষ্টার ক্র্যাক ফিলিং এর কাজে ব্যবহার হয়।

এর সংগে কোনও কিছু মেশাতে হয় না। সরাসরি ক্র্যাক ফিলিং এ ব্যবহার করা যায়। 

যে সকল জায়গাতে ব্যবহার করা যাবে

৫ মিলিমিটার পর্যন্ত ক্র্যাকে এটি ব্যবহার করা যাবে। 

ব্যবহার বিধি

তেল,গ্রীজ, ময়লা ইত্যাদি পরিস্কার করতে হবে

ক্র্যাক পরিস্কার করতে হবে, কোনাগুলি পরিস্কার হতে হবে। এতে জমানো পানি থাকা চলবে না। 

ক্র্যাক সার্ফেস ভালভাবে শুকিয়ে নিতে হবে। 

একটি ভবন তৈরির কাজের “কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স” !

আমাদের সমাজ জীবনে সকল কাজ করতে হয় একটি নির্দীষ্ট ক্রম অনুসরন করে । ঠিক তেমনি একটি ভবন তৈরির ক্ষেএেও একটি নির্দীষ্ট ক্রম অনুসরন করতে হয় । যাকে প্রকৌশলীদের ভাষায় “কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স” বলা হয় । “কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স” কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একটি হলো “কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজ”, আর অপরটি হলো “সৌন্দর্য বর্ধণ বা ফিনিশিং কাজ” । একটি ভবনের কাজের “কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স” নিন্মে তুলে ধরা হলো :

# কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজ :

প্রথম ধাপ : সাইট মোবিলাইজেশন বা সাইটে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সন্নিবেশ করা ,

দ্বিতীয় ধাপ : ভূমি জরিপ করে ভূগর্ভস্থ মাটি পরীক্ষা করা,

“পর্চা”, “দাগ”, “খতিয়ান”, “মৌজা”, “জমা খারিজ”, “নামজারি”, “তফসিল” কাকে বলে??? এবং জেনে নিন ভূমি বিষয়ক জরুরী সব তথ্য..

“নামজারী” কাকে বলে?

ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।

“জমা খারিজ”কাকে বলে?

যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।

 

ঢাকার মেট্রো রেইল ষ্টেশনের অত্যাধুনিক ও আন্তজার্তিক মানের ডিজাইন করেছে বিশ্বখ্যাত ব্রিটিশ কোম্পানি

খুব সম্ভবত বাংলাদেশের কোন মেইনস্ট্রিম নিউজ পেপারের কানে এখনো এই খবরটি পৌছাঁয়নি। এই নোটে আমি যে ছবি দুটো দিয়েছি, সেগুলোও খুব বেশী বাংলাদেশী দেখেন নি। কারন খবরটি একেবারেই টাটকা। খবরটি প্রকাশ হয়েছে ২৪ ঘন্টাও হয়নি, এবং তা অনলাইনের দুয়েকটা অপরিচিত-বিদেশী ম্যাগাজিনে। আমি আজ সকালেই প্রথম দেখলাম। তাই সঙ্গতকারনেই, ব্যাপকভাবে এর প্রচার এখনো শুরু হয়নি। অথচ খবরটা আমাদের জন্য জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পৃথিবীতে যত ধরনের পাবলিক ট্রান্সপোর্ট পদ্ধতি রয়েছে, মেট্রো রেইল, মতান্তরে মনো রেইল হচ্ছে তার ভেতর সবচাইতে আধুনিক (এবং এ কারনেই সবচাইতে ব্যয়বহুল) পদ্ধতি। তাই শুরু থেকেই মেট্রোরেইল নিয়ে আমরা অসম্ভব রকম আশাবাদী

পৃষ্ঠাসমূহ