রোলার কম্প্যাক্টেড কংক্রিট

  • রোলার কম্প্যাক্টেড কংক্রিট, অনেক সময় রোলক্রিট বলা হয়ে থাকে। মাটি সরানো বা পেভিং কাজের থেকে এই ধারণা নেয়া হয়েছে। স্বল্প সিমেন্টের কংক্রিট ব্যবহুত হয়।

  • এটি যেই তলে ব্যবহুত হবে সেখানে দেওয়ার পর রোলার দিয়ে চাপ দিয়ে কম্প্যাক্ট করা হয়।

  • উচ্চ ঘনত্বের কংক্রিট ব্লক তৈরি হয়।

  • এই কংক্রিট সাধারনত কংক্রিট পেভমেন্ট এ ব্যবহুত হয়।

পারভিয়াস কংক্রিট

  • পারভিয়াস কংক্রিট এ ছিদ্রের জাল থাকে। যার ভেল বাতাস বা পানি এর মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে পারে। যার ফলে সার্ফেস পানি বা ভুপৃষ্টের পানি নিচে চলে যেতে পারে যা সাধারণ কংক্রিট পারে না।

  • সকল অথবা কিছু সংখ্যক ফাইন এগ্রিগেট পরিত্যগের মাধ্যমে এই কংক্রিট তৈরি করা হয়। অবশিষ্ট এগ্রিগেট সামান্য পরিমান পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট দিয়ে আবদ্ধ করা হয়।

  • সেটিং পর পর এতে ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ পরিমান ফাকা / ফাপা অংশ থাকে যা পানি প্রবাহে সাহায্য করে।

Shotcrete ( শটক্রিট )

  • চাপানো বাতাস দিয়ে কংক্রিট কাঠামোতে দেয়া হয়। একে শটক্রিট বলে।

  • এটি হোস পাইপ এবং বায়ুচালিত শটক্রিট নোজল দিয়ে উচ্চ বেগে কাঠামোতে দেয়া হয়। যার ফলে দেয়ার সময় এই কমপ্যাক্ট হয়ে যায়।

  • যেকোন আকৃতির কাঠামোতে এটি ব্যবহার করা যায়।

  • এটি খাড়া মাটি বা পাথরে খুব ব্যবহুত হয়, করণ এতে ফর্মওয়ার্ক লাগে না।

  • টানেল এ পাথরের সাপোর্ট বা ভারবহন এ কখনও কখনও ব্যবহার করা হয়।

  • যেখানে সিপেজ একটি বড় বিষয়, সেখানে এটি ব্যবহুত হয়।

সেলফ কমপ্যাক্টিং কংক্রিট

এই কংক্রিট এ কোন ভাইব্রেশন লাগে না। নিজস্ব ভারেই এটি কমপ্যাক্ট হয়ে থাকে। একে অনেক সময় সেলফ কনসোলিডেটেড কংক্রট বা ফ্লোইং কংক্রিট বলে। এই উচ্চ ক্ষমতার কংক্রিট। কিন্তু এই কংক্রিট এর কার্যউপযোগীতা বেশি। 

এর প্রকারভেদ:

  • অত্যন্ত তারল্য, প্রবাহ ছকে সাধারণত ৬৫০-৭৫০ মি:মি:

  • কোন ভাইব্রেটর এর দরকার পড়ে না

  • সহজে স্থাপন করা যায়

  • পানিপাত হয়না এবঙ এগ্রিগেড এর বিচ্ছিন্নকরণও হয়না

লাইট ওয়েট কংক্রিট (হালকা কংক্রিট)

  • এই কংক্রিট এর একক আয়তনে ভর তুলনামুলক কম হয়। এই কংক্রিট এ যে এগ্রিগেট ব্যবহার করা হয়, তার ওজন কম হয়ে থাকে।

  • এর ঘনত্ব ২৪০ কেজি/ঘনমিটার (১৫ পাউন্ড/ঘনফুট) থেকে ১৮৫০ কেজি/ঘনমিটার (১১৫ পাউন্ড/ঘনফুট) light weight concrete is 240 kg/m³ (15pcf) -1850 kg/m³ (115 pcf).

  • ৭ এম.পি.এ বা ১০০০ পি.এস.আই থেকে ৪০ এম.পি.এ বা ৫৮০০ পি.এস.আই পর্যন্ত এর স্ট্রেন্থ বা শক্তি হয়ে থাকে।

এয়ার এনট্রেইন কংক্রিট

  • এই কংক্রিট আবিস্কার কংক্রিট প্রযুক্তিতে একটি বড় আবিস্কার। যেখানা freezing and thawing (বরফ হওয়া ও গলে যাওয়া )ক্রমশ হয় সেখানে এই কংক্রিট ব্যবহার করা হয়। .

  • বাতাশ প্রবেশ্য মিশ্রণ মিশিয়ে তৈনি করা হয়।

এই কংক্রিট নিচের কাজ করে থাকে।

  1. এটি পানির সার্ফেস টান কমিয়ে ফেলে যার কারনে বুদ বুদ তৈরি হয়।

হাই পারফরমেন্স কংক্রিট

এই কংক্রিট এ নিম্নের গুনাগুন থাকে

  • উচ্চ শক্তি
  • উচ্চ কার্যউপযোগীতা
  • দীর্ঘস্থায়ী টেকসই
  • সেগ্রিগেশন বা ছড়িয়ে পড়া ছাড়াই
  • অল্প সময়েই শক্তি অর্জন করে
  • দীর্ঘস্থায়ী মেকানিকাল গুনাগুন
  • তরল বা গ্যাস এর চলাচল.
  • ঘনত্ব
  • হাইড্রেশন এর তাপমাত্রা
  • টিকে থাকার ক্ষমতা.
  • আয়তন ঠিক রাখা, বা আয়তনের খুব বেশি পরিবর্তন হয় না
  • অনুকুল পরিবেশ এ টেকশই

প্রস্তুত পদ্ধতি

হাই স্ট্রেন্থ কংক্রিট

এই কংক্রিট এর চাপ শক্তি ৬০০০ পি.এস.আই এর বেশি হয়ে থাকে।

৩৫% বা তার নিচে এর পানির অনুপাত হয়ে থাকে।

সিলিকা গ্যাস ব্যবহার করা হয় সিমেন্ট এর মুক্ত ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড এর পরিবর্তন, যা কংক্রিট এর সিমেন্ট-এগ্রিগেট বন্ধন শক্তি কমিয়ে ফেলে।

কম পানি এবং সিলিকা গ্যাস ব্যবহার এর কারণে এর কার্যউপযোগীতা কমে যায়। যার কারণে এর ব্যবহার করা সমস্যা হয়। এ জন্য এতে সুপার প্লাস্টিসাইজার ব্যবহার করা হয়।

হাই স্ট্রেন্থ কংক্রিট এ অবশ্যই ভাল শক্তির এগ্রিগেট ব্যবহার করতে হবে।

নরমাল বা সাধারণ কংক্রিট

শুধুমাত্র পানি, সিমেন্ট এবং এগ্রিগেট দিয়ে তৈরি কংক্রিটকে নরমাল বা সাধারণ কংক্রিট বলে। এর সেটিং টাইম ৩০-৯০ মিনিট, নির্ভর করে আবওহাওয়ার উপর, সিমেন্ট এর সুক্ষতার বা মিহিতার উপর। ৭ দিন থেকে এর শক্তি গঠন হওয়া শুরু করে এবং এই সময় শক্তি হয় সাধারণত ১০ এম.পি.এ (১৪৫০ পি.এস.আই) থেকে ৪০ এম.পি.এ ( ৫৮০০ পিএসআই)। ২৮ দিনে ৭৫% থেকে ৮০% শক্তি পাই। ৯০ দিনে ৯৫% শক্তি পায়।

সাধারণ কংক্রিট এর গুনাগুন:

১) এর স্ল্যাম্প সাধারণত ১-৪ ইঞ্চ হয়ে থাকে

২) ঘনত্ব ১৪০ থেকে ১৭৫ পি.এস.এফ ( প্রতি ঘনফুট পাউন্ড) হয়ে থাকে

৩) চাপ সহ্য ক্ষমতা অনেক কিন্তু টান সহ্য ক্ষমতা খুবই কম।

ডি.পি.সি ( ড্যাম্প প্রুফ কোর্স)

DPC ( Damp proof course )

এটি অভেদ্য উপাদান দিয়ে তৈরি একটানা স্তর

Dampness in Buildings

  • আভ্যন্তরিণ দেয়াল এর জন্য শুধুমাত্র আনুভুমিক ডি.পি.সি ব্যবহার করা হয়। ( বিটুমিন এর ক্ষেত্রে ১৭৫ কেজি প্রতি বর্গ সেন্টিমিটার বল)

  • তিন আস্তর বিটুমিন দেয়া হয়।

পৃষ্ঠাসমূহ