বালির সুক্ষ্মতা গুণাঙ্ক বা (F.M)নির্ণয়

সুক্ষ্মতা গুণাঙ্ক বা ফাইননেস মডুলাস(F.M) বালির আকার সম্পর্কে ধারণা প্রদান করে।বালি যত মিহি হয় তার সুক্ষ্মতা গুণাঙ্ক তত কম হয়, এবং যত স্থুল হয় সুক্ষ্মতা গুণাঙ্ক তত বেশি হয়।

অটোক্যাড ভার্সন পরিবর্তন

 

এই সফ্টওয়্যার দিয়ে সহজেই আটৌক্যাড এর ভার্সন পরিবর্তন করা যায়। শুধু তাই নয় অটোক্যাড থেকে অন্য ফরম্যাট যেমন পি.ডি.এফ, ছবি, ডি.এক্স.এফ সহ বিভিন্ন ফরম্যাট এ পরিবর্তন করা যায়। তবে অন্য ফরম্যাট এ পরিবর্তন করতে গেলে টাকা দিয়ে কিন্তু হবে। কিন্তু ভার্সন পরিবর্তন এর জন্য টাকা দিয়ে কেনার দরকার নেই। ফ্রী করা যাবে।

আর এই সফটওয়্যার এর সাইজ ও অনেক ছোট। আপনারা চাইলেই এটি নামিয়ে নিতে পারবেন নেট থেকে।

সফটওয়্যার এর লিংক : http://goo.gl/08afrF

ট্যাগ

খুব তারাতাড়ি সমাধান দরকার।

আমি ৪৪০০০০ বগ ফিট জায়গা ভরাট করেছি, উচ্চতা ৫ ফিট , কিন্তু সমস্যা হলো এখানে বালির পরিবরতে মাটি দিয়ে ভরাট করতে হয়েছে সময়ের অভাবে...এখন এই খানে কিছু জায়গায় নরম আছে,এবং অনেক জায়গায় নিচে নরম আছে...এই খানে এখন একটা কারখানা হবে.এবং এইখানে অনেক লোড আসবে আর তাহলে তো মাটি ফেইল করবে এখন মাটি সরিয়ে বালি দেবারও কোন উপায় নাই... তাহলে উপায় কি????????????????????? দয়াকরে সবাই একটা করে মতামত দিন...খুব তাড়াতাড়ি দরকার......... Please ADMIN এর কাছে আমার অনুরোধ রইলো... Please give me many many advice for my problem............ Best Regards Md. Abdur Rahman.

বার্জার ক্র্যাক ভরাট পেষ্ট

ক্র্যাক ভরাট পেষ্ট

ভেতরের ও বাহিরের প্লাষ্টার ক্র্যাক ফিলিং এর কাজে ব্যবহার হয়।

এর সংগে কোনও কিছু মেশাতে হয় না। সরাসরি ক্র্যাক ফিলিং এ ব্যবহার করা যায়। 

যে সকল জায়গাতে ব্যবহার করা যাবে

৫ মিলিমিটার পর্যন্ত ক্র্যাকে এটি ব্যবহার করা যাবে। 

ব্যবহার বিধি

তেল,গ্রীজ, ময়লা ইত্যাদি পরিস্কার করতে হবে

ক্র্যাক পরিস্কার করতে হবে, কোনাগুলি পরিস্কার হতে হবে। এতে জমানো পানি থাকা চলবে না। 

ক্র্যাক সার্ফেস ভালভাবে শুকিয়ে নিতে হবে। 

হেয়ারলাইন ক্র্যাক অবশ্যই ১ মিলিমিটার পর্যন্ত করতে হবে। 

ট্যাগ

একটি ভবন তৈরির কাজের “কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স” !

আমাদের সমাজ জীবনে সকল কাজ করতে হয় একটি নির্দীষ্ট ক্রম অনুসরন করে । ঠিক তেমনি একটি ভবন তৈরির ক্ষেএেও একটি নির্দীষ্ট ক্রম অনুসরন করতে হয় । যাকে প্রকৌশলীদের ভাষায় “কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স” বলা হয় । “কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স” কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একটি হলো “কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজ”, আর অপরটি হলো “সৌন্দর্য বর্ধণ বা ফিনিশিং কাজ” । একটি ভবনের কাজের “কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স” নিন্মে তুলে ধরা হলো :

# কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজ :

প্রথম ধাপ : সাইট মোবিলাইজেশন বা সাইটে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সন্নিবেশ করা ,

দ্বিতীয় ধাপ : ভূমি জরিপ করে ভূগর্ভস্থ মাটি পরীক্ষা করা,

ঢাকার মেট্রো রেইল ষ্টেশনের অত্যাধুনিক ও আন্তজার্তিক মানের ডিজাইন করেছে বিশ্বখ্যাত ব্রিটিশ কোম্পানি

খুব সম্ভবত বাংলাদেশের কোন মেইনস্ট্রিম নিউজ পেপারের কানে এখনো এই খবরটি পৌছাঁয়নি। এই নোটে আমি যে ছবি দুটো দিয়েছি, সেগুলোও খুব বেশী বাংলাদেশী দেখেন নি। কারন খবরটি একেবারেই টাটকা। খবরটি প্রকাশ হয়েছে ২৪ ঘন্টাও হয়নি, এবং তা অনলাইনের দুয়েকটা অপরিচিত-বিদেশী ম্যাগাজিনে। আমি আজ সকালেই প্রথম দেখলাম। তাই সঙ্গতকারনেই, ব্যাপকভাবে এর প্রচার এখনো শুরু হয়নি। অথচ খবরটা আমাদের জন্য জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পৃথিবীতে যত ধরনের পাবলিক ট্রান্সপোর্ট পদ্ধতি রয়েছে, মেট্রো রেইল, মতান্তরে মনো রেইল হচ্ছে তার ভেতর সবচাইতে আধুনিক (এবং এ কারনেই সবচাইতে ব্যয়বহুল) পদ্ধতি। তাই শুরু থেকেই মেট্রোরেইল নিয়ে আমরা অসম্ভব রকম আশাবাদী

ট্যাগ