কনসিল বীম

কনসীল বীম এর অন্য একটি নাম হলো হিডেন বীম। স্ল্যাবের সমান পুরুত্বের বীমকে কনসীল বীম বলা হয়ে থাকে।

মুলত ফ্লাট স্ল্যাবে কলাম বরাবর যেভাবে স্ট্রীপ চিন্তা করে অতিরিক্ত রিইনফোর্সমেন্ট দেয়া হয়, এমন চিন্তা থেকেই এই কনসীল বীমের ধারণা এসেছে। তবে ইঞ্জিনিয়ারিং এ এই কনসীল বীম হিসাবে আসলে তেমন কিছু নেই।

200 মিমি এর নিচের পুরত্বের কোন ছাদে এই জাতীয় বীম ব্যবহার করা উচিত না। তবে সবসময়ই এই কনসীল বীম পরিহার করে চলা উচিত।

যদি করতেও হয় তাহলে শুধু বীম নয়, পুরো স্ল্যাব সহ মডেলটি এনালাইসিস করতে হবে।

কনসীল বীমের জন্য কলামের পাঞ্চিং শেয়ার অবশ্যই চেক করে নিতে হবে। 

মাটি কাটার সময় লক্ষনীয় কিছু বিষয়

  1. পয়:নিষ্কাশন, গ্যাস, ইলেকট্রিক , পানি সরবরাহ বা অন্য কোন দরকারি লাইন জমির মধ্যে দিয়ে আছে কিনা
  2. মাটি কাটার পুর্বে খনন জায়গা ঠিকমত প্রতিরোধক বা নিরাপত্তামুলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কিনা
  3. খনন করার জন্য নির্বাচিত স্থানের চতুর্দিকে নিরাপত্তা রেইলিং দেয়া আছে কিনা
  4. খননকৃত মাটি খননজায়গা থেকে কমপক্ষে এক মিটার দুরে রাখতে হবে
  5. ভারি মেশিন খনন জায়গা থেকে কমপক্ষে ছয় মিটার দুরে থাকতে হবে
  6. বিপদ-সংকেত মুলক সাইন বোর্ড থাকতে হবে খনন যায়গার প্রবেশের কাছে
  7. প্রবেশ ও বাহির হওয়ার জায়গা বা রাস্তা থাকতে হবে।

নির্মাণ কাজের পর্যায়ক্রমিক ধাপ (অধ্যায়-৩)

ইংরেজীতে একটা কথা আছে-“A stitch in time saves nine” অর্থ্যাৎ কিনা যাকে বলে সময়ের এক ফোঁড় আর অসময়ের দশ ফোঁড়। জীবনের চলার পথে মানুষকে প্রতিটি কাজ সঠিক সময়ে সঠিক ক্রমানুসারে করতে হয়। না হলে পা পিছলে আছাড় খাবার ভয় থাকে। সেরকমই শুধু ইটের পর ইট গাঁথলে বাড়ি তৈরী হয় না। এর জন্য প্রয়োজন বিভিন্ন ধরণের কর্মকান্ড। কোনো কোনো কাজ শুরু হয় আরেকটি কাজ শেষ হবার পর আবার কোনো কোনোটি আরেকটি কাজের সাথে সমান্তরালে চলতে থাকে। কোন কাজ কখন শুরু হবে তা নির্ধারণের জন্য আসলে একটি নির্মানক্রমের প্রয়োজন হয়। এই নির্মানক্রম কে ইংরেজিতে প্রকৌশলীরা ‘কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স’ বলে থাকেন।

শাবিপ্রবির ড্রোন আকাশে

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আকাশে পরীক্ষা মূলকভাবে ড্রোন থেকে ছবি তোলা হয়েছে।

দরজা জানালার রঙের পূর্বে দেখে নিন

দরজা জানালার রঙের পূর্বে দেখে নিন

  • দরজার ও জানালার সাটার ঠিকমত কাজ করছে
  • দরজা ও জানালার ফ্রেম লম্ব বা শলে আছে
  • সাটার ও ফ্রেমে কোন ক্র্যাক আছে
  • প্রাইমারি আস্তার দেয়া আছে
  • প্রাইমারি আস্তর এর পর কোন ক্যাক থাকলে পুটি মারতে হবে
  • যেই রং দেওয়া আছে সেটার অনুমোদন আছে কিনা

ঢাকা বসবাসের সবচেয়ে অযোগ্য শহর

বিশ্বে বসবাসের সবচেয়ে অযোগ্য শহর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। গত বছরও এই মন্দ তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল দ্বিতীয়।
বসবাসের অযোগ্যতার দিক দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শহরের একটি তালিকা তৈরি করেছে ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিট। অপরাধের মাত্রা, সংঘাতের ঝুঁকি, স্বাস্থ্যসেবার মান, বাধানিষেধের মাত্রা, তাপমাত্রা এবং বিদ্যালয় ও যোগাযোগব্যবস্থা বিবেচনায় নিয়ে মূল্যায়ন করা হয়েছে শহরগুলোর বসবাসের ভালো-মন্দ দিক। এসব বিষয়ের ওপর মোট ১০০ পয়েন্টের সূচকের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে তালিকা।

ভাড়া দেয়ার পুর্বে ভাড়াটিয়ার সাথে চেইক করে নিন

চুক্তি নামা : নিচের বিষয়গুলি চুক্তিনামাতে উল্লেখ থাকতে হবে।

  • তারিখ
  • বাড়ির মালিক ও ভাড়াটিয়ার নাম
  • বাড়ির ঠিকানা
  • ভাড়ার নিয়মাবলী
  • ভাড়ার মুল্য বা টাকার পরিমাণ
  • সিকিউরিটি মানি / ডিপোজিট

এডভান্স ভাড়া: অনেক সময় অগ্রীম ভাড়াও নেয়া হয়ে থাকে। এক থেকে তিন মাস পর্যন্ত সাধারাণত ভাড়া এডভান্স হয়ে থাকে। সিকিউরিটি মানি ফেরতযোগ্য। বাড়ির কোন ক্ষতি হলে বাড়ির মালিক এই ভাড়া কেটে রাখতে পারবেন।

সিভিল কাজের চুক্তিনামা

 

সিভিল কাজের চুক্তিনামা

প্রথমপক্ষ: নিয়োগদাতা নিডফর ইঞ্জিনিয়ার লি:, কখগ গুলশান, ঢাকা। উহার প্রতিনিধি প্রকৌশলী মো: আশারাফুল হক প্রকল্প সমন্বয়কারী

দ্বিতীয় পক্ষ: সাব কন্ট্রাকটর মেসার্স কখগ , কখগ গুলশান, ঢাকা, যাহার মালিক মো: কখগ

এই মর্মে জানানো যাচ্ছে যে, নিডফর ইঞ্জিনিয়ার এর , গুলশান ক্লাবের, ৪ বেজমেন্ট এবং ২৫ তলা ভবনের সিবিল নির্মান কাজসহ আনুসাঙ্গীক কাজ নিম্নে বর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে আপনার প্রতিষ্ঠানের নামে চুক্তি নামা করা হলো।

পৃষ্ঠাসমূহ