World

Featured post

Nov 12

This is a wider card with supporting text below as a natural lead-in to additional content.

Continue reading
Card image cap
Design

Post title

Nov 11

This is a wider card with supporting text below as a natural lead-in to additional content.

Continue reading
Card image cap
Card image cap
সুন্দর বাড়ি
engr.tushar - 08 Apr 2012

প্রকৌশলীরা সভ্যতার অনেক পরিবর্তন করে। নতুন নতুন চিন্তা আর আবিস্কার সভ্যতাকা সামনে নিয়ে যায়। আবার আমাদের অনেক স্বপ্ন পুরণও করে প্রৌকশলীরা। এমনই এক সুন্দর স্বপ্নের বাড়ি নিচে দেয়া হলো

Card image cap
বাড়ি নির্মাণে কতিপয় প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহঃ
engr.tushar - 03 May 2012

 

১) বাড়ি নির্মাণের পূর্বে করনীয় নিয়মাবলি সম্পর্কে ধারণা নেওয়া উচিত।

২) বাড়ি নির্মাণ খরচ নিরূপণ করা।

৩) নির্মাণ সামগ্রী সম্পর্কে ধারণা নেওয়া ।

৪) বাড়ি নির্মাণের সময় সাধারণ ভুলত্রুটি দূরীকরণ ও সাবধানতা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া ।

৫) নির্মাণ ব্যাব - পনা  সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা।

৬) ভবন / বাড়ী নির্মাণ মেরামত এবং নোনা ধরা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়ে ধারণা নিতে হবে  

৭) ভাল রাজমিস্ত্রি নিয়োগ করা উচিত।

৮) একজন রাজমিস্ত্রি প্রতিটি কাজ একজন সাইট ইঙ্গিনিয়ার প্রত্যক্ষ সুপারভিসন থাকা উচিত।

Card image cap
বাড়ি নির্মাণে কতিপয় প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহঃ
engr.tushar - 03 May 2012

 

সাইট/ প্লট লে-আউট দেয়ার সময় সতর্কতাঃ 

১) সঠিকভাবে লে-আউট দেয়া না হলে বিল্ডিং –এর আকৃতি পরিবর্তিত হয়ে যাবে যা পরবতিতে ঠিককরা দুঃসাধ্য ব্যাপার।

২) লে-আউট দেওয়ার সময় বাড়ি বাহিরের মাপ ঠিক আছে কিনা ভালভাবে নজর দিতে হবে।

         সাইটে / প্লটে মাটি কাটার সময়ে সতরকতাঃ

১) মাটি কাটার সময় পার্শের দেয়ালগুলো সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিতে হবে।

২) প্রয়োজনে সাইটের অবস্থান অনুযায়ী বল্লি অথবা শিট পাইলিং ব্যাবহার করা যেতে পারে।

         সাইটে/প্লটে পাইলিং করার সময় সতরকতাঃ

১) ডিজাইন অনুযায়ী পাইলগুলো স্থাপন করতে হবে।

২)এ ক্ষেত্রে সেন্টার ঠিক রেখে পাইলিং করতে হবে তা না হলে কলামের অবস্থান ঠিক থাকবেনা।

৩)আমাদের দেশে প্রধানত কাস্ত-ইন-সিটু পাইল ব্যাবহার হয়।

Card image cap
বাড়ি নির্মাণে কতিপয় প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহঃ-৩
engr.tushar - 03 May 2012

 

ফাউন্দেশন ঢালাইয়ের কাজে সতর্কতাঃ    

১)কলাম ফুটিং / কম্বাইড ফুটিং –এর ঢালায়ের আগে অনেকে গর্তের মধ্যে পলিথিন দিয়ে থাকেন।

২) কিন্তু গর্তে পলিথিন দেওয়া ঠিক নয় কারন পলিথিন মাটি ও ফাউন্দেসন –এর মধ্যে সংযোগ স্থাপনে বাধা হয়ে দাড়ায় । এবং ভূমিকম্পের সময় বিল্ডিং উল্টে যাবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

        গাঁথুনির কাজঃ

১) ইটের মার্কা উপরের দিকে থাকবে।

২) একেবারে ৪.৫০ ফুটের বেশি গাঁথুনি দেওয়া চলবে না ।

৩) দুই ইটের মাঝখানে পরিপূর্ণ ভাবে মসলা দিতে হবে।

৪) ইটগুলো ভালভাবে ভিজিয়ে নিতে হবে । যাতে তা মসলার পানি শোষণ না করে।

Card image cap
ভাড়া দেয়ার পুর্বে ভাড়াটিয়ার সাথে চেইক করে নিন
engr.tushar - 21 Jan 2014

চুক্তি নামা : নিচের বিষয়গুলি চুক্তিনামাতে উল্লেখ থাকতে হবে।

  • তারিখ
  • বাড়ির মালিক ও ভাড়াটিয়ার নাম
  • বাড়ির ঠিকানা
  • ভাড়ার নিয়মাবলী
  • ভাড়ার মুল্য বা টাকার পরিমাণ
  • সিকিউরিটি মানি / ডিপোজিট

এডভান্স ভাড়া: অনেক সময় অগ্রীম ভাড়াও নেয়া হয়ে থাকে। এক থেকে তিন মাস পর্যন্ত সাধারাণত ভাড়া এডভান্স হয়ে থাকে। সিকিউরিটি মানি ফেরতযোগ্য। বাড়ির কোন ক্ষতি হলে বাড়ির মালিক এই ভাড়া কেটে রাখতে পারবেন।

চাবি: এটি খুব গুরুত্বপুর্ন। ভাড়াটিয়াকে চাবি বুঝিয়ে দিতে হবে এবং প্রতিটি চাবির সাথে ট্যাগ লাগাতে হবে। যেমন প্রধাণ ফটক, বেড-১, স্টৌর, ইত্যাদি। 

মিটার রিডিং: ভাড়া দেয়া-নেয়ার সময় ইলেক্ট্রিক মিটার এর রিডিং অবশ্যই দুই পক্ষকেই লিখে রাখতে হবে। প্রতি ভাড়াটিয়ার জন্য অবশ্যই আলাদা আলাদা মিটার থাকতে হবে। 

অন্যান্য: ভাড়াটিয়াকে বাড়িওয়ালার কিছু যন্ত্রপাতি সম্পর্কে বলে দিতে হবে। যেমন গিজার, পানির মিটার, ইলেক্ট্রিক লাইন, ইত্যাদি। ভাড়াটিয়া দেখে নিবে যে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা আছে কিনা, উভয় পক্ষের মোবাইল নাম্বার উভয় পক্ষের কাছে থাকতে হবে। 

আশেপাশের পরিবেশ সম্পর্কে ভাড়াটিয়ার খবর নেওয়া উচিত। বাড়িওয়ালা পরিবেশ সম্পর্কে ভাড়াটিয়াকে অবহিত করবেন। 

Card image cap
সাইট মোবিলাইজেশন ও ভূমি জরিপ (অধ্যায় ৪)
engr.tushar - 08 Feb 2014

সাইট মোবিলাইজেশন প্রকৌশলীদের মধ্যে বহুল ব্যবহৃত শব্দ। বাংলা একাডেমীর অভিধান অনুযায়ী মোবিলাইজশব্দটির বাংলা অর্থ হলো-ব্যবহার বা দ্বায়িত্বে নিয়োজনের জন্য একত্র করা বা যুদ্ধার্থে সমবেত করা।প্রকৌশলীদের কাছে নির্মানাধীন যেকোন সাইট অনেকটা যুদ্ধক্ষেত্রের মতো। একটি ভবন নির্মাণ করতে বহু প্রতিকূল পরিবেশ-পরিস্থিতি পার হতে হয়। তাই যুদ্ধে জয়লাভের জন্য প্রয়োজন বিভিন্ন ধরণের লোকবল, মালামাল ও যন্ত্রপাতীর সমাবেশ। এই সমস্ত কিছুর একত্রীকরণই হলো সরঞ্জাম সন্নিবেশকরণ বা সাইট মোবিলাইজেশন।

বলা যায়, সাইট মোবিলাইজেশন হলো নির্মাণ কাজের প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই পর্যায়ের সাথে ভূমি জরিপ পর্যায়টি অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে জড়িত। এই ধাপ দুইটিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর প্রকৌশলীদের  নজর দিতে হয়- যেগুলোকে উপ-পর্যায় আকারে নিচে দেয়া হলো-

৪.১ সন্নিবেশকরণ বা সাইট মোবিলাইজেশনঃ

৪.১.১ এই সময় সাইট শুরু করার আগে কাজের তালিকানুযায়ী প্রয়োজনীয় মালামাল, জনবল, যন্ত্রপাতীর তালিকা তৈরী করতে হয় এবং সেই সমস্ত সরঞ্জামগুলো কে সাইটে একত্রিত করা হয়।

৪.১.২ প্রস্তাবিত ভবনের নকশা দেখে শ্রমিকদের থাকার ঘর ও বাথরূম বা টয়লেট, বিভিন্ন ধরণের মালামাল রাখার স্থান, স্টোররূম, অফিস ঘরের জন্য এমনভাবে জায়গা নির্ধারণ করা হয় যেন পরবর্তিতে ভবন নির্মানের ক্ষেত্রে কোনরকম অসুবিধা না হয়। জায়গা নির্বাচনের পরপরই ঐ সমস্ত ঘর নির্মাণ করে ফেলতে হয়।

৪.১.৩ এছাড়া নিরাপত্তার জন্য বেষ্টনী ও বিভিন্ন ধরণের সরকারি সেবা যেমনঃ বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাসের ব্যবস্থা করাও এই পর্যায়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ।  

৪.২ ভূমি জরিপঃ

৪.২.১ প্রস্তাবিত সাইটে কিভাবে বা কোন রাস্তা ব্যবহার করে মালামাল আসবে এবং সেই সব মালামাল প্রাথমিক অবস্থায় কোথায় নামানো হবে তা নির্ধারণ করা হয় এই পর্যায়ে।

৪.২.২ এই সময়ে প্রস্তাবিত সাইটে প্রাথমিক জরিপ করে দেখা হয় যে, আশেপাশের ভবন থেকে প্রস্তাবিত ভবনের দূরত্ব কতটুকু। সেই সাথে ঐ সমস্ত ভবনের ভিত্তি তল বা ফাউণ্ডেশন লেভেল বর্তমান ভূমি থেকে কত নিচে আছে তাও খতিয়ে দেখা হয়।  

৪.২.৩  প্রস্তাবিত সাইটের আশেপাশে কোথায় বা কতদূরে নালা বা নর্দমা আছে তা জরিপ করা হয়। বেজমেন্ট নির্মাণের জন্য এই সমস্ত তথ্য জানাটা খুবই জরুরী। কারণ,  পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নিলে বেজমেন্টের মাটি কাটার সময় এই সমস্ত নালা বা নর্দমা ভেঙ্গে গিয়ে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

৪.২.৪ এছাড়া ভূমির অভ্যন্তরে মাটি পরীক্ষার রিপোর্ট থেকে ভূমির অভ্যন্তরে পানির গভীরতা কতদূরে তা জেনে নেয়া হয় এবং সেই অনুযায়ী বেজমেন্ট নির্মাণের জন্য মাটি কাটার পদ্ধতি নির্ধারণ করতে হয়।

Card image cap
সহজে বাড়ি নির্মান- KSRM
engr.tushar - 06 Mar 2014

সহজে জেনে নিন বাড়ি তৈরির প্রক্রিয়া

১) ভালো জমি চেনা

বাড়ি বানানোর পরিকল্পনায় আপনার প্রথম ধাপ হবে উপযুক্ত জমি বেছে নেয়া। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, আর সিদ্ধান্তটি নেবার আগে আপনার অবশ্যই কয়েকটি 

জরুরি বিষয় মাথায় রাখা উচিত। বিষয়গুলো হচ্ছে:

 

  • আপনার জমিটি খুব উঁচু জায়গায় হলে বাড়ির ফাউন্ডেশন তৈরি করতে অতিরিক্ত খরচ, পরিশ্রম ও সময় লাগতে পারে
  • আপনার জমি খুব নিচু জায়গায় হলে সুয়্যারেজের সমস্যা আর পানিবদ্ধতা দেখা দিতে পারে
  • আপনার জমির মাটিতে বালির পরিমাণ বেশি হলে ফাউন্ডেশন মজবুত হবে না
  • আপনার জমিটি উঅচ-এর অন্তর্ভুক্ত কিনা তা নিশ্চিত করুন

 

নিজের ও প্রিয়জনদের জন্য একটি সুন্দর বাড়ি নির্মাণের স্বপ্ন আমরা সবাই দেখি। বাড়ি নির্মাণের স্বপ্নকে বাস্তব করার জন্য চাই পূর্ব-পরিকল্পনা আর প্রস্তুতি। সেই প্রস্তুতির একটা বড় অংশ হচ্ছে বাড়ি নির্মাণের জন্য কী কী করতে হয় তা আগে থেকে জেনে নেয়া। আপনার বাড়ি নির্মাণের কাজগুলো আরেকটু সহজ করে দেবার জন্যই কেএসআরএম-এর এই উদ্যোগ। বাড়ি নির্মাণের জন্য শুষ্ক, সমতল জমি সবচেয়ে উপযোগী। বিভিন্ন ধরনের জমির বৈশিষ্ট্য জেনে নেবার জন্য অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ নিন।

২) জমির এলাকার ব্যাপারে জেনে নেয়া

এছাড়াও যে এলাকাতে আপনার বাড়িটি হবে সে এলাকার ব্যাপারে আপনার কিছু তথ্য 

জেনে নেয়া জরুরি:

 

  • যে এলাকায় জমিটি কিনছেন সে এলাকাটি কি আপনার অফিস আর আপনার সন্তানের স্কুল/কলেজের কাছাকাছি?
  • যে এলাকায় জমি কিনছেন সেখানে কি আপনার প্রয়োজনীয় সুবিধাগুলো (যেমন বাজার / ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, হাসপাতাল/ক্লিনিক) পাওয়া যাবে?
  • যে এলাকায় জমি কিনছেন সেখানে কি উন্নত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা আছে?

 

৩) জমি কেনা

জমি নির্বাচন করার পর আপনার জমির বর্তমান মালিকের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। আইনগতভাবে জমি হস্তান্তর করার জন্য:

 

  • বিক্রেতাকে বলুন বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে মিউটেশন ফর্ম সংগ্রহ করে তা সঠিকভাবে পূরণ করে জমা দিতে। ফর্মটি ভূমি মন্ত্রণালয় অফিস বা তাদের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে (http://www.minland.gov.bd)
  • জমিটির হালনাগাদ ভূমিকর দেয়া আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন
  • বিক্রেতার কাছে জমিটির ভায়া দলিল আছে কিনা প্রশ্ন করুন। থাকলে তা ভালোভাবে পড়ে দেখুন এবং একজন ভালো উকিলকে দলিলগুলো দেখিয়ে তার পরামর্শ নিন।
  •  বাংলাদেশ সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে জমির তফসিল অনুযায়ী বিক্রেতা স্বাক্ষর করে জমি আপনার নামে হস্তান্তর করে দিবেন। আপনার স্বাক্ষর করে জমির মালিকানা 
  • নিয়ে নিন। আপনাকে জমির দলিল ও খতিয়ান দেয়া হবে। যদি জমিটির মালিকানা সরকারের কাছে থাকে, তাহলে তা পুরোপুরি কিনে নেয়া সম্ভব নয়। কিন্তু সরকারি জমি ৯৯ বছর পর্যন্ত ইজারা বা লিজ নেয়া যায়। সেই লিজের জন্য আপনার সাব-রেজিস্ট্রার অফিস থেকে অরিজিনাল অ্যালটমেন্ট লেটার সংগ্রহ করতে হবে।

 

৪) বাড়ি নির্মাণ

এবার আপনার বাড়ি নির্মাণের পালা। আর্কিটেক্ট আর ইঞ্জিনিয়াররা বাড়ি নির্মাণের ব্যাপারে আপনার বিশ্বস্ত বন্ধু এবং অভিজ্ঞ পরামর্শক হিসেবে কাজ করবেন। আপনার সরকারি অফিস থেকে বিভিন্ন ধরনের অনুমোদন আর দলিলপত্র সংগ্রহ করতে হবে, যেগুলোর বিবরণ নিচে দেয়া আছে। উলেখ্য যে, আপনি ঢাকার বাইরে অবস্থিত হলে রাজউক-এর বদলে আপনার সিটি করপোরেশনের বা পৌরসভার কাছ থেকে দলিলগুলো নিতে হবে। বাড়ি নির্মাণের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে আপনার যে কাজগুলো করতে হবে তা হচ্ছে:

প্রথমে কোনো অভিজ্ঞ ভূমি জরিপ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আপনার জমি জরিপ করিয়ে নিন। নিখুঁত জরিপের জন্য এখন ডিজিটাল জরিপ ব্যবস্থাও পাবেন।

আপনার জমির মাটির ধরনের ওপর আপনার বাড়ি নির্মাণের প্যান নির্ভর করবে, তাই সয়েল টেস্ট প্রথমেই করিয়ে নেয়া ভালো

রাজউক-এর সাথে রেজিস্টার করা কোনো আর্কিটেক্ট বা আর্কিটেকচার ফার্মের কাছে আপনার জমির দলিলপত্র আর ভূমি জরিপের তথ্য জমা দিতে হবে

আর্কিটেক্ট আপনাকে একটি হাউজ প্যান / বু প্রিন্ট দেবেন রাজউক অফিস থেকে এই প্যানের অনুমোদন নিয়ে আসতে হবে। আপনার হয়ে আর্কিটেক্টও এই কাজটি করতে পারেন

প্যান পাশ হয়ে যাবার পর আপনার বাড়ি নির্মাণকাজের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হবে। এ পর্যায়ে এসে:

  • একজন স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারের সাথে কথা বলুন
  • স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার আর্কিটেক্টের প্যান অনুসরণ করে আপনার বাড়ির স্ট্রাকচার ডিজাইন দেবেন সে ডিজাইন অনুযায়ী আপনার বাড়ির কাজ শুরু হবে

৫) বাড়ি নির্মাণের প্রয়োজনীয় উপকরণগুলো

বাড়ি নির্মাণের জন্য আপনার রড, সিমেন্ট, বালু, ইট-জাতীয় নির্মাণ সামগ্রীর প্রয়োজন হবে। আরো প্রয়োজন হবে কনট্র্যাকটর আর শ্রমিকের। শ্রমিক আর নির্মাণ সামগ্রীর ব্যাপারে আপনার ইঞ্জিনিয়ারের কাছ থেকে অবশ্যই পরামর্শ নিন। যেকোনো প্রয়োজনে ইঞ্জিনিয়ারের সাহায্য চাইতে দ্বিধা করবেন না। আজকাল বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান আছে যেগুলো সবধরনের নির্মাণ সেবাই দিয়ে থাকে।ইঞ্জিনিয়ার আর আর্কিটেক্টরা বাড়ি নির্মাণের ব্যাপারে আপনার বিশ্বস্ত বন্ধু আর পরামর্শক হিসেবে কাজ করবেন। রড আপনার বাড়ি দাঁড়িয়ে থাকবে রডের কাঠামোর ওপর, তাই ভালো রড বেছে নিতে ভুলবেন না। প্রশ্ন হচ্ছে, যে রড কিনছেন সেটা যে ভালো তা বুঝবেন কী করে? ভালো রডের কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে, যেগুলো সাধারণ রডে থাকে না। এ বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে:

টেকসই আর মজবুত: রডে ইল্ড স্ট্রেংথ (Yield Strength) নামে একটা বৈশিষ্ট্য থাকে। এটা হচ্ছে রডের চাপ সহ্য করার ক্ষমতা। যে রডে ইল্ড স্ট্রেংথ যতো বেশি, সে রড বাড়ি নির্মাণের জন্য ততো ভালো। বর্তমানে বাজারে সবচেয়ে ভালো রডে ৫০০ এমপিএ (৭২৫০০ পিএসআই) ইল্ড স্ট্রেংথ থাকে। ভূমিকম্পজনিত ক্ষয়-ক্ষতি থেকে বাড়িকে রক্ষা করার ব্যাপারেও রড সাহায্য করে। যে রড কিনছেন সেটা আর্থকোয়েক রেজিস্ট্যান্ট কিনা তা আগে থেকে জেনে নেয়া ভালো।ভালো ঝালাই উপযোগিতা: সাধারণ রডে ঝালাই করার সময় বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এদের মধ্যে একটা হচ্ছে এমব্রিট্ল টেন্ডেন্সি, বা রড ভঙ্গুর হয়ে যাবার প্রবণতা। সাধারণ রড ঝালাই এর পর ঠান্ডা হবার সময় বেঁকেও যেতে পারে। এতে নির্মাণকাজে অসুবিধা হয়। রড কেনার সময় অবশ্যই এমন রড বেছে নিন যেটাতে এই সমস্যাগুলো নেই। এমন রড বেছে নিন যেটাতে কার্বন কনটেন্ট কম আছে। এ ধরনের রড সহজে বাট-ওয়েল্ড বা ল্যাপ-ওয়েল্ড করা যায়, যাতে আপনার নির্মাণে সময় বাঁচবে। ক্ষয় প্রতিরোধ ক্ষমতা: ভালো রড থার্মো-মেকানিক্যাল ট্রিটমেন্ট প্রসেস-এ তৈরি করা হয়। এ কারণে রডে ক্ষতিকারক টরসোনাল রেসিডিউয়াল স্ট্রেস (Torsional Residual Stress) থাকে না। এ ধরনের রডে ক্ষয় প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি থাকে।

ডাক্টিলিটি: আপনার বাড়ি নির্মাণে যে কংক্রিট ব্যবহার হবে সেটাকে দীর্ঘ দিন মজবুত রাখার জন্য আপনার ডাক্টাইল রড প্রয়োজন। ভালো, ডাক্টাইল রড কংক্রিটে ফাটল ধরতে দেয় না। আধুনিক কোয়েনচিং অ্যান্ড ট্যাম্পারিং প্রসেস অনুসারে তৈরি করা রডে ডাক্টিলিটি বেশি থাকে। রড কেনার সময় আপনি এটাও জেনে নিতে পারেন যে রডের কার্বন কনটেন্ট কতখানি, কারণ কম কার্বন কনটেন্ট-এর রড বেশি ডাক্টাইল হয়।

ধারাবাহিকতা: আপনি একবারে অনেকগুলো রড কিনবেন। তাই এসময় খেয়াল রাখা উচিত যে সবগুলো রডই সমমানের কিনা। ভালো রড উৎপাদনের সময় প্রতিবার কোয়েনচিং অ্যান্ড টেম্পারিং (ছ্ঞ - ছঁবহপযরহম ধহফ ঞধসঢ়বৎরহম) প্রসেস একইভাবে অনুসরণ করা হয়। রডের উপাদানেও পরিবর্তন হয় না। ভালো রডেসম্পূর্ণ সোজা: কনস্ট্রাকশন সাইটে রড সোজা করা বেশ সময়সাপেক্ষ আর পরিশ্রমের কাজ। তাই কেনার সময়ই আপনার খেয়াল রাখা উচিত রড সম্পূর্ণ সোজা আছে কিনা। সাশ্রয়: আপনার বেছে নেয়া রডে যদি ইল্ড স্ট্রেংথ, ডাক্টিলিটি আর ঝালাই ক্ষমতা বেশি থাকে, তাহলে নির্মাণের সময় আপনার খরচ কমে আসবে। শ্রমিকদের সময় বাঁচবে আর পরিশ্রম কম করতে হবে। বালি বালিকণার আকার ৫ মিলিমিটারের কম আছে কি না তা দেখে নিন। বাড়ি তৈরির এ উপাদানটির জন্য নদীতীরের বালি সবচেয়ে সহজলভ্য উৎস। তবে বালিতে কোনো ধরনের ধুলো, কাদা, চিড় ও জৈব অপদ্রব্য থাকলে হবে না। আর বালির গুণমান আপনি নিজেই খুব সহজে যাচাই করে নিতে পারবেন

হাতের মুঠিতে সামান্য বালি নিয়ে কিছুক্ষণ ঘষে ফেলে দিন। মুঠ খুলে দেখুন। ভালো মানের বালি হাতের তালুতে আটকে থাকবে না

একটি কাচের জগ বা মিনারেল ওয়াটারের খালি বোতলে সামান্য বালি নিয়ে তাতে এর দ্বিগুণ পরিমাণ পানি ঢালুন। জগ বা বোতলের মুখ বন্ধ করে সেটিকে ভালোভাবে ঝাঁকান। এরপর এক ঘণ্টা রেখে দিন। বালির মান অনুযায়ী সেখানে আলাদা আলাদা স্তর তৈরি হবে, যা আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে। 

সুরকি- পাথরচূর্ণ ও কাঁকর/নুড়িপাথর কংক্রিট স্থাপনা নির্মাণের স্থূল উপকরণ বা সুরকি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এগুলোর আকার ৪০, ২০ বা ১০ মিলিমিটার হয়ে থাকে। বাড়ির স্ল্যাব , 

বিম ও কলাম তৈরিতে ২০ মিলিমিটার ও ১০ মিলিমিটারের উপকরণই বেশি ব্যবহার হয়ে থাকে। সুরকি শক্ত, দৃঢ় ও টেকসই হতে হবে। পাশাপাশি কাদা, মাটি, লতাপাতা, শ্যাওলা ও 

বাইরের উপাদানমুক্ত হওয়াও জরুরি। এছাড়া দেখতে বেশি চ্যাপ্টা ও লম্বা টুকরো যতোটা সম্ভব বাদ দিতে হবে।পানি সাধারণত মিউনিসিপ্যালিটি থেকে সরবরাহকৃত খাবার উপযোগী পানিই নির্মাণ কাজে  ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত। এছাড়া ব্যবহৃত পানিতে তেল, অ্যাসিড, লবণ বা জৈব অপদ্রব্য আছে কি না, সেটিও আপনি নিজে পরখ করে দেখতে পারেন। সামুদ্রিক পানি বা মাটির গভীরের পানি নির্মাণকাজের জন্য একেবারেই উপযোগী নয়।

ইট

ভালো স্থাপনার জন্য দরকার শক্ত, দৃঢ় এবং সম্পূর্ণভাবে পোড়া ইট। ভালো ইটের নিচের বৈশিষ্ট্যগুলো রয়েছে। 

 

  • l ভালো ইটের উপরিভাগে গুঁড়ো মাটি থাকে না এবং সেটি সাধারণত একই আকার, আকৃতি ও রংয়ের হয় 
  • l দুটো ইট একসাথে আঘাত করলে বিশেষ এক ধরনের ধাতব শব্দ হয়
  • l আনুমানিক এক মিটার উচ্চতা থেকে ফেলা হলে ভাঙবে না
  • l ইটের উপরিতল হতে হবে পুরোপুরি সমতল ও ফাটলমুক্ত

 

সিমেন্ট

 

  • এক ব্যাগ সিমেন্টের ওজন সাধারণত ৫০ কেজি হয়ে থাকে।
  • সিমেন্ট প্রাথমিকভাবে জমাট বাঁধতে গড়পড়তা ৩০ মিনিটের মতো লাগে।
  • পুরোপুরি জমাট বাঁধতে কখনই ১০ ঘণ্টার বেশি সময় লাগবে না। 
  • সিমেন্ট হাতে নিয়ে বুড়ো আঙুলের সাহায্যে ঘষলে সেটিকে ময়দার মতো মসৃণ মনে হবে 
  • সিমেন্ট লম্বা সময়ের জন্য সংরক্ষণ করা উচিত নয়। সংরক্ষণের সময় তিন মাস পার হলে সিমেন্টের কার্যক্ষমতা শতকরা ২০ ভাগ কমে যায় 
  • ফ্যাক্টরি থেকে এনে দুই মাসের বেশি সময় ধরে সংরক্ষণ করা সিমেন্ট ব্যবহারের আগে অবশ্যই পরীক্ষা করিয়ে নিতে হবে
  • সিমেন্ট ব্যাগ সরাসরি মেঝের ওপর রাখা ঠিক নয়। মেঝেতে কাঠের তক্তা বিছিয়ে তার ওপর সিমেন্ট ব্যাগ রাখা উচিত

 

৫) বাড়িতে গ্যাস, বিদ্যুৎ আর পানির সংযোগ নেয়া

বাড়িতে বসবাস শুরু করার আগে আপনার অবশ্যই গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে হবে। এখানেও উলেখ্য যে আপনি যে বাড়িটি নির্মাণ করছেন সেটি ঢাকার বাইরে হলে আপনার রাজউক-এর বদলে সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার সাহায্য নিতে হবে। গ্যাস সংযোগ নেবার জন্য এক এক করে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

 

  • আপনার কাছাকাছি কোনো গ্যাস কর্তৃপক্ষের অফিস থেকে আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করুন
  • অফিসে এনলিস্টেড কনট্র্যাকটর পাওয়া যাবে। তাদের একজনের সাথে যোগাযোগ করুন
  • ফর্ম সঠিকভাবে পূরণ করে জমা দিন। ফর্মে কনট্র্যাকটরের নাম উলেখ করতে ভুলবেন না
  • ফর্মের সাথে আপনার জমির দলিল, খতিয়ান আর জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি জমা দিন এই ধাপগুলো সঠিকভাবে শেষ হলে কনট্র্যাকটর আপনার বাড়িতে গ্যাস সংযোগ দেয়ার 
  • ব্যবস্থা করবেন। 

 

বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার জন্য:

  •  প্রথমে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের অফিস বা ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করুন
  •  ফর্ম সঠিকভাবে পূরণ করে তা প্রয়োজনীয় দলিলপত্রের সাথে জমা দিন। 

প্রয়োজনীয় দলিলগুলো হচ্ছে:

 

  •  আপনার সদ্য তোলা দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি
  •  জমির মালিকানা দলিলের সত্যায়িত কপি
  • রাজউক অনুমোদিত প্যানের কপি
  • রাজউক অনুমোদিত হোল্ডিং নম্বর আর নামজারি কাগজের বা মিউটেশন ফর্মের সত্যায়িত কপি
  • যেখানে সংযোগ দেয়া হবে, মানে আপনার বাড়িটি, যেন সহজে খুঁজে পাওয়া যায় সেজন্য লোকেশন ম্যাপ (হাতে আঁকা হলেও চলবে)

 

আপনার কাগজপত্র নির্ভুলভাবে জমা দেয়ার পর আপনার বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা করা হবে। বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যাপারে আরো জানতে ডেসকো’র ওয়েবসাইট ভিজিট করুন: http://desco.org.bd ।  

বাড়িতে পানি সংযোগ নিতে হলে আপনার যা যা করতে হবে তা হচ্ছে:

ওয়াসা অফিস থেকে পানি সংযোগের ফর্ম সংগ্রহ করুন।

ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সাথে জমা দিন। যে 

কাগজপত্র লাগবে সেগুলো হচ্ছে:

  • l আপনার পরিচয়পত্রের ফটোকপি
  • l জমির খতিয়ানের কপি
  • l যেখানে সংযোগ দেয়া হবে, মানে আপনার বাড়িটি, যেন সহজে খুঁজে পাওয়া যায় সেজন্য লোকেশন ম্যাপ (হাতে আঁকা হলেও চলবে)
  • l অন্যান্য ফর্ম আর কাগজপত্র জমা দেবার পর ওয়াসা সেগুলো প্রসেস করতে কিছু সময় নেবে। প্রসেসিং শেষে আপনার নামে ডিমান্ড নোট ইস্যু করা হবে ডিমান্ড নোট অনুসারে নির্ধারিত ফি ব্যাংকে জমা দিন

পানি সংযোগের জন্য রাস্তায় খননকাজের প্রয়োজন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে আপনার রাজউক, সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে আশা করি এই তথ্যগুলো জানাতে 

আপনার বাড়ি নির্মাণের কাজটি 

আরেকটু সহজ হয়ে উঠবে। আপনার 

বাড়ি যেন হয় মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী। শেকড় থেকে শিখরে

করপোরেট অফিস

কবির মঞ্জিল, এসকে মুজিব রোড, আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম

ফোন: ০৩১-৭১১৫০১-৫, ২৫১৩৭৯১-৪, ফ্যাক্স: ০৩১-২৫২৫৩২৫, ২৫১৩৭৯০

ই-মেইল: marketing@kabirsteel.com

বইটি পাওয়া যাবে : www.ksrm.com.bd/images/Home-Building-Made-Easy.pdf

Card image cap
মালিকের অবহেলাতে বাড়ির দুর্দশা
engr.tushar - 28 Sep 2014

একটা বিল্ডিং ডিজাইনে যে পরিমাণ ফ্যাক্টর অফ সেফটি ধরা হয়, তাতে তা কলাপ্স করার সম্ভাবনাই থাকে না।
কিন্তু তারপরেও এতো বিল্ডিং কেন ধসে পড়ছে???? আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে এর একটা এনালাইসিস।

এবার আসুন দেখি ফ্যাক্টর অফ সেফটি গুলো কিভাবে আসছে-----
১) সয়েল টেস্ট রিপোর্টের মাটির বিয়ারিং কেপাসিটিতে ২-৩ পর্যন্ত ফ্যাক্টর অফ সেফটি ধরা থাকে।
২) লোড কম্বিনেশনে ডেড লোড আর লাইভ লোডে যথাক্রমে ১.২ ও ১.৬ ফ্যাক্টর অফ সেফটি ধরা থাকে।
৩) ঝড় তুফান আর ভূমিকম্পের সাথে সর্বোচ্চ লাইভ লোড পাবার সম্ভাবনাও খুবই কম, তাই লোড কম্বিনেশনেও একটা সুবিধা পাওয়া যায়।
৪) মোমেন্ট হিসাবেও একটা ফ্যাক্টর অফ সেফটি ধরা থাকে।
৫) ভালো ডিজাইনাররা ডিজাইনে ঢালাইয়ের স্ট্রেন্থ ২৫০০ পিএসআই ধরলেও বাস্তবে ৩০০০ পিএসআই কনক্রিট স্ট্রেন্থের সাজেস্ট করেন।
৬) অনেক ডিজাইনার আবার কলাম/বিম ডিজাইনে যা রড আসে তার চেয়ে একটা বা দুটা রড বেশি দেন।
তাহলে বলেন, বিল্ডিং কেন ধসে??????

এখন আসেন দেখি, পাবলিকের পইতালি কিভাবে একটা বিল্ডিং ডিজাইনকে দুর্বল করে--------
১)মালিকের পইতালি—
যদি ডিজাইনে পাইল দেন, তাহলে হুদাই ঘ্যানর ঘ্যানর করবে এই বলে, “ ভাই পাইলটা কি কুনো ভাবেই বাদ দেয়া যায় না???” আপনে যদি “না” করেন তাহলে জমির মালিক অতি জ্ঞানী হইলে আপনারে এভয়েড করে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার দিয়া থাম্ব রুলে পাইল বাদ দিয়ে বিল্ডিং বানাবে।
আপনে বিল্ডিং এর বিম/কলামে যে রড যে কয়টা দিতে বলবেন, সে পাশের বাড়ির কলামের রডের সাথে তুলনা করে তার চেয়ে কম রড দিবে। আর সাথে তো তত্ত্বাবধায়ক উপদেষ্টা মি রাজমিস্ত্রি ওরফে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার তো আছেই।
মালিক আর রাজমিস্ত্রির এহেন মাদবুরি উপরের বর্ণিত ১,২,৩,৪ আর ৬ নং ফ্যাক্টর অফ সেফটিকে দুর্বল করে ফেলবে।
সাধারণত সিমেন্টের গুনাগুণ সর্বোচ্চ দুই মাস পর্যন্ত মোটামোটি ভালো থাকতে পারে, যদি আপনে তা ভালো করে সংরক্ষণ করতে পারেন। কিন্তু অধিকাংশ সময়ে ডেম সিমেন্ট দিয়েই অনেকে ঢালাই করে। এটা ৫ নং ফ্যাক্টর অফ সেফটিকে দুর্বল করে ফেলবে।

২) মি রাজমিস্ত্রি ওরফে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের পইতালি
এদের টলটলা ঢালাই মসলা না হলে মন ভরে না, তাই ঢালাইয়ের বন্ধু কাম শত্রু অতিরিক্ত পানি দিয়ে মসলা মিশাবে যা ৫ নং ফ্যাক্টর অফ সেফটিকে দুর্বল করে ফেলবে।
ডিজাইনারের অবর্তমানে অতি আগ্রহে জমির মালিকের টাকা সেইভ করার জন্য বিভিন্ন সময় রডের ডিজাইন চেঞ্জ করবে এবং সিমেন্ট কম দিবে। কিন্তু ঢালাইয়ের মালটা ভালো করে মিশাবে না কিংবা কাস্টিং করার সময় ভালো করে কম্পেক্ট করবে না। এতে করে ফ্যাক্টর অফ সেফটিগুলো আবার দুর্বল হবে।

আবার আপনে ডিজাইন করাবেন কমার্শিয়াল বিল্ডিং কিন্তু সেখানে ভাড়া দিবেন ফ্যাক্টরি, কিংবা ডিজাইনারকে বলবেন ৬ তালা করবেন কিন্তু বাস্তবে করবেন ৯ তালা, সেক্ষেত্রে আপনার অতি মুনাফা লোভ সবগুলা ফ্যাক্টর অফ সেফটিগুলো খেয়ে ফেলবে।

সুতরাং বুঝতেই পারতাছেন আপনাদের উস্তাদি প্রতি ধাপে ধাপে কিভাবে ফ্যাক্টর অফ সেফটিগুলো
খেয়ে ফেলে।
যার কাজ তাকে করতে দিন এবং দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে বিল্ডিং বানান।

Header
Info card title

www