World

Featured post

Nov 12

This is a wider card with supporting text below as a natural lead-in to additional content.

Continue reading
Card image cap
Design

Post title

Nov 11

This is a wider card with supporting text below as a natural lead-in to additional content.

Continue reading
Card image cap
Card image cap
কখন এবং কিভাবে রং করতে হয়
engr.tushar - 21 May 2011

ধাপগুলো নিচে দেওয়া হল

১। সিলিং বা ছাদের তলা

আলোক উৎস থেকে শুরু করতে হবে, যেমন জানালা।

২। দেওয়াল

সিলিং একটি লাইন দিয়ে বাগ করতে হবে। তারপর উপর থেকে ১ বর্গ মিটার এলাকা উপর-নিচ করে রং করতে হবে।

৩। জানালা

ফ্রেম এর আগে শার্শি রং করতে হবে। প্রয়োজনে কাঁচ ঢেকে দিতে হবে।

৪।  দরজা

ফ্রেম আগে রং করতে হবে।

5। ইস্কার্টিং

কার্পেটের উপর বোর্ড জাতীয় কিছু রেখে ছোট ব্রাশ দিয়ে রং করতে হবে। 

৬.কেবিনেট ও শেলভ

ক্রম: পেছনের দিক, পার্শের দিক, শেলভের উপর , ধারগুলি, নিচের অংশ, তলা, দরজার ভেতরের অংশ, দরজার বাহিরের দরজা, ড্রয়ারের সামনের অংশ। 

যেই যন্ত্রপাতি বেশি ব্যবহার হয়।

  1. স্যান্ড পেপার
  2. স্ক্র্যাপার
  3. গরম বাতাস দেওয়ার যন্ত্র
  4. বালতি
  5. রাবার হাত মোজা
  6. ব্রাশ
  7. রোলার, ট্রে এবং সঠিক রোলারের তুলি
  8. রং এর ট্রে ও প্যাড
  9. থান কাপড়
  10. মাস্কিং টেপ
  11. স্টীল ল্যাডার 

কিভাবে রং করতে হয়?

রঙের পুর্বে সার্ফেস ভালভাবে পরিস্কার করে নিতে হবে। ওয়টার পেপার দিয়ে ঘষে তারপর কাপড় বা ব্রাশ দিয়ে পরিস্কার করে দিতে হবে। কাঠের উপর রং করার পুর্বে অবশ্যই ভালভাবে সীজন করে নিতে হবে। কাঠে বা সার্ফেসে কোন ছিদ্র থাকলে তা অবশ্যই বন্ধ করে নিতে হবে। এরপর খুব ভালভাবে প্রাইমার মারতে হবে। প্রাইমারের পুরত্ব যেন সমান হয় এবং মসৃণ হয় তা খেয়াল রাখতে হবে। স্যাতস্যাতে দিনে রঙের কাজ না করাই ভাল। .

গবেষণাতে দেখা গেছে যে প্রাইমার এবং দুই স্তর রঙের পুরুত্ব ৩.৫ থেকে ৫ মিলিমিটার পর্যন্ত হলে ভাল হয়। এর বেশি হলে রং ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং কম হলে খশে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। রোলার বা স্প্রে থেকে ব্রাশের ব্যবহার অনেক ভাল। তাই কমপক্ষে প্রথম স্তার বা প্রাইমার ব্রাশ দিয়ে বা বোর্ড দিয়ে করাই ভাল। সব জায়গাতে দুই কোট না দিলেও চলে। তবে দক্ষিণ ও পশ্চিমে দুই স্তর দেয়া উচিত। কেননা এই দুই দিকে আবহাওয়ার প্রভাব বেশি। 

যে জায়গাতে বৃষ্টি-রোদ-বাতাসের প্রভাব বেশি, সেখানে দুই স্তর রং করতে হবে। 

রঙের স্থায়ীত্বের জন্য প্রাইমারের দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রথম স্তর মারা উচিত। আর দ্বিতীয় স্তর প্রথম স্তরের দুই সপ্তাহের মধ্যে মারা উচিত। তা নাহলে বিভিন্ন ধরণের তেল,ময়লা, ইত্যাদি লেগে যেতে পারে যা স্তরের মধ্যের বাধণে বাধা সৃষ্টি করবে। যা রঙের জন্য ক্ষতিকর। তেল নির্ভর রঙ ৪০ ডিগ্রী ফারেণহাইট তাপমাত্রাতে করা উচিত। এবং পানি রং ৫০ ড্রিগ্রী ফারেণহাইটের নিচে করা উচিত নয়।  দুই ক্ষেত্রই রং করার পর ২৪ ঘন্টার মধ্যে যেন তাপমাত্র খুব বেশি না কমে সেটার চেষ্টা করতে হবে। 

রঙে ভাজ, ফ্যাকাশে, বা উজ্জলতা রক্ষার জন্য অবশ্যই ঠান্ডা দিনের শেষ ভাগে রঙের কাজ পরিহার করতে হবে

ঘণ কুয়াশার সময় রং করলে তা ক্ষতিকর। রঙের মিশ্রণ খুব জরুরী। তবে কোন প্যানেলের মাঝে রঙের কাজ ছাড়া যাবে না। এতে পরবর্তি এবং আগের রঙের মধ্যে একটা লাইনের সৃষ্টি হয়। যা খারাপ দেখায় এবং ক্ষতিকর। ছায়াতে রং করলে তার স্থায়ীত্ব বাড়ে। কেননা শুকানোর সময় বেশি দ্রুত না হলে তার স্থায়ীত্ব বাড়ে। 

রং সবসময় আগুণ থেকে দুরে রাখতে হবে। কাঠের উপর দ্বিতীয় স্তর মারার পর থিনার ভেজা কামড় বা স্পঞ্জ দিয়ে আলতো করে উপরে ঘষতে হবে এক ঘন্টা পর। এতে করে অতিরিক্ত কোন কিছু থাকলে তা উঠে আসবে এবং মসৃণ হবে। থিণার খুবই দাহ্য , তাই খুব সাবধাণে রাখতে হবে। 

কোথায় কোন রং

সীলার

  • যেখানে রং হয়নি এবং করা হবে, সেখানে প্রথমে সীলার মারতে হবে। 

  • টপ কোট থেকে কোন দাগ, ছিদ্র উঠিয়ে ফেলতে হবে। 

  • তৈলাক্ত বা ধোয়া লেগেছে এমন জায়গাতে এক্রেলিক থিণার ব্যবহার করতে হবে। 

  • রং করা জায়গাতে সাধারণত সীলার এর প্রয়োজন পড়ে না। 

  • প্লাস্টার বোর্ডের জন্য এক্রেলিক সিলার ব্যবহার করতে হবে।

  • কাঠের জন্য এক্রেলিক প্রাইমার বা সিলার ব্যবহার করতে হবে। 

  • আশযুক্ত প্লাস্টারের তৈল নির্ভর সীলার ব্যবহার করা উচিতFor fibrous plaster use an oil-based sealer

  • যেই জায়গা আদ্র তাতে অবশ্যই তৈল নির্ভর সীলার ব্যবহার করতে হবে।  

  1. ক্র্যাক, ফাটল বা এয়ার স্পেস থেকে রক্ষা পেতে

  2. আবহাওয়ার প্রভাব থেকে মুক্ত রাখতে

  3. সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি ও স্থায়ীত্ব বৃদ্ধির জন্য। 

  4. ভাল বন্ডিং এর জন্য দুই ফুটের বেশি উচ্চতার দেয়াল না করাই ভাল। 

  5. কাঠের মধ্যে আদ্রতার প্রবেশ এবং ফুলে যাওয়া প্রতিরোধ করে 

  6. যেকোন ধরণের ফিনিশিং কাঠকে সুন্দর করে, পরিস্কারযোগ্য করে এবং সার্ফেসকে রক্ষা করে। 

  7. কাঠের উপর কোনও প্রকার ফিনিশিং (রং, বার্ণিশ) না করলে কাঠ ক্ষয় হয়, ময়লা ধরে, ফুলে যায়, নষ্ট হয় 

  8. কাঠের টেক্চার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন পদ্ধতিতে ফিনিশ করা হয়। 

রং কোনও প্রিজার্ভেটিভ নয়, ফাঙ্গাস পড়ার উপোযগী হলে এটা রক্ষা করতে তেমন পারদর্শী নয়। 

Card image cap
রঙ এর প্রকারভেদ
engr.tushar - 05 Jun 2011

রঙ বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। বিভিন্ন বিষয়ের উপর ভিত্তি করে এক কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। নিচে এইসকল ভাগ নিয়ে আলোচনা করা হল।

১। বাইন্ডার এর উপর ভিত্তি করে

  • তৈল রঙ
  • সেলূলস বা কাষ্ঠতন্তু রঙ
  • ওয়াটার বেইজ রঙ
  • বিভিন্ন ধরনের রঙ

২। ব্যবহারিক কাজের উপর ভিত্তি করে

  • সাধারণ রঙ
  • এসিড এবং ক্ষার প্রতিরোধক রঙ
  • অগ্নি প্রতিরোধক রঙ
  • ছত্রাকানাশক রঙ
  • ইত্যাদি  বিভিন্ন কাজের উপর ভিত্তি করে

৩। প্রচলিত বিভিন্ন ধরনের রঙ

  • অ্যালুমিনিয়াম
  • ক্ষয় প্রতিরোধক
  • আসবেস্টস
  • বিটুমিনাস
  • ব্রঞ্জে
  • প্রোটিন বা কাসেইন
  • সেল্লুলস
  • সিমেন্ট বেইজ
  • কল্লইডল
  • এমালসন
  • এনামেল
  • গ্রাফাইট
  • তৈল
  • প্লাস্টিক
  • সিলিকাতে
  • সিংথেটিক রাবার
  • ওয়েদার কোট
  • এপোক্সী
  • ইত্যাদি


Card image cap
ঘরের মধ্যে রং করার পদ্ধতি
engr.tushar - 24 Jan 2013

ঘরের মধ্যে প্লাস্টার এর উপর সাধারণত রং করা হয়ে থাকে। মুলত প্লাস্টিক পেইন্ট করা হয়। এটি চারটি ধাপে করা হযে থাকে

  • সারফেস প্রিপারেশন
  • প্রাইমার /  আস্তর
  • পুটি
  • রঙের কোট

সারফেস প্রিপারেশন

প্লাস্টার অবশ্যই পর্যাপ্ত শুকনা হতে হবে এবং খুব ভালভাবে কিউরিং হতে হবে। প্লাস্টার করার ৪৫ দিন পরে এখানে কাজ শুরু করা উচিত। যেকোন ধরণের ড্যাম্প, স্যাতস্যাতে, ভেজা বা নষ্ট থাকলে তা ঠিক করে নিতে হবে। এর পার পাথর বা স্যান্ড-স্টোন দিয়ে এটা ভালভাবে ঘষে নিতে হবে। প্লাস্টার করা দেয়াল সমতল হতে হবে। সমতল না থাকলে পাথর দিয়ে ঘষে সমতল করতে হবে। এতে কোন আলগা ময়লা বা অন্য কোন পদার্থ থাকলে তা সরিয়ে ফেলতে হবে। এরপার চুনাপানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে ভাল হয়। এতে করে প্লাস্টার ভালমত শুকিয়ে যায়। এরপার স্যান্ডপেপার বা সিরিজ কাগজ দিয়ে ঘষে নিতে হবে

প্রাইমার বা আস্তর

সারফেস প্রিপারেশন হয়ে গেলে প্রাইমার বা আস্তর দিতে হয়। এক আস্তর দেয়া হয় এই প্রাইমার। মুলত প্লাস্টার এবং রং এর মধ্যে আঠালো সম্পর্ক তৈরি করে এই প্রাইমার। প্রতি গ্যালন এ প্রাইমার ৪৫ স্কয়ার  মিটার আস্তর দেয়া যায়। রোলার বা ব্রাশ দিয়ে প্রাইমার দেয়া হয়। দেয়ার পুর্বে এই প্রাইমার পানি দিয়ে পাতলা করে নেয়া হয়। এর প্রয়োগের ফলে আঠালো সম্পর্ক তৈরি হওয়ার পাশাপাশি এটি সারফেসকে মসৃণ করে, শোষণ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং রং সুন্দরভাবে ও বেশি জায়গায় ছড়িয়ে দেয়।

পুটি

কোন ফাটল বা সমস্যা থাকলে পুটি করা হয়। একে ছিট পুটিও বলা হয়। কমপক্ষে চারদিন এই পুটি শুকিয়ে নিতে হবে। বেশি পুটি যেখানে থাকবে সেখানে স্ক্র্যাপ করে নিতে হবে। সারফেস বা রং এর তলকে আরও মসৃণ করতে এই পুটি করা হয়। ১ গ্যালন প্লাস্টিক পেইন্ট এর সাথে ১ লিটার এনামেল পেইন্ট এবং ২৫ কেজি চক পাউডার মিশিয়ে এই পুটি তৈরি করা হয়।

রঙের কোট

রং ২-৩ বার প্রলেপ দেয়া হয়। প্রথম প্রলেপের পর তা ৭ দিন শুকানোর সময় দিতে হবে। এরপর দ্বিতীয় প্রলেপ দেয়া হয়। এতেও যদি রং ভাল না হয়, যেমন- পরিচ্ছন্ন না হয়ে ছোপ ছোপ থাকে, বা রং হালকা হয় তাহলে দ্বিতীয় প্রলেপের ৩ দিন পর তৃতীয় প্রলেপ দেয়া হয়। প্রথম প্রলেপের সাথে সর্বোচ্চ ২০% পানি মেশানো হয়। দ্বিতীয় প্রলেপের সাথে সর্বোচ্চ ১৫% পানি মেশানো হয়। ড্যাম্প, স্যাতস্যাতে বা ভেজা দেয়ালে পেইন্ট করা যাবে না। আদ্রতা ২০% থেকে ৫০% এর মধ্যে থাকতে হবে। সরাসরি সুর্য্যের আলো যেন পেইন্ট দেয়ার সময় না আসে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

Card image cap
বিভিন্ন ধরণের রঙ
engr.tushar - 08 Jan 2014

বিভিন্ন ধরণের কাজের জন্য বিভিন্ন ধরণের রং ব্যবহার করা হয়। কাজের ধরণ, উপাদানের ধরণ, স্থানের উপর নির্ভর করে এই রং নির্বাচণ। আসুন জেনে নেই সেই সম্পর্কে অল্প কিছু।

আভ্যন্তরীন দেয়াল ও সিলিং

ডিসটেম্পার: ইট, কংক্রিট ও প্লাস্টারের উপর ডিস্টেম্পার করা হযে থাকে। বিভিন্ন ধরনের ডিস্টেম্পার পাওয়া যায়। এক্রেলিক, সিনথেটিক, ড্রাই , ইত্যাদি। এক্রেলিক ডিস্টেম্পার পানি দিয়ে ধোয়া যায়। কিন্তু সিনথেটিক ও ড্রাই ডিস্টেম্পার পানি দিয়ে ওয়াশ করা যায় না। সুতরাং পানি দিয়ে ধোয়া গেলেই যে প্লাস্টিক পেইনট হতে হবে, এমন ধারণা রাকা ঠিক না। 
প্লাস্টিক পেইন্ট : প্লাস্টিক ইমালশন নামেই বেশি পরিচিত। পানি বেইজ রং এটি। এই রং দীর্ঘস্থায়ি এবং ওয়াশেবল। এই প্লাস্টিক পেইন্ট তিন ধরণের।

  • রেগুলার ইমালশন
  • ইকোনোমিক ইমালশন
  • প্রিমিয়ার ইমালশন 

2. বাহিরের দিকে

বাইরের দিয়ে আবহওয়ার প্রভাব থাকে। তাই এই দিকে অন্য ধরণের রং ব্যবহার করা হয়।

সিমেন্ট পেইনট- এটি একটি পানি বেইজ রং। . 

এক্রেলিক ইমালশন- এটা খুবই ভাল। দীর্ঘস্থায়ি ও ওয়াশেবল। এর ব্যবহার বহূল।

টেক্চার প্লাস্টার- এটা ইমালশন বেইজ পেইন্ট। অর্থাৎ এতে পানির বদলে ইমালশন ব্যবহার করা হয়। অন্য ইমালশন পেইন্ট থেকে এই পেইন্ট অনেক ভাল। 

3. কাঠে

বার্ণিশই বেশি ব্যবহুত হয় কাঠে। তবে পলিইউরোথিন ও মেলামাইন রং এর ব্যবহার বর্তমানে বাড়ছে। তবে এই রং বার্ণিশের মত স্বচ্ছ না। 

4. মেটাল বা ধাতবে

লোহার উপর প্লাস্টিক পেইন্ট লাগে না, উঠে আসে। তাই এর জন্য এনামেল পেইন্ট ব্যবহার করা হয়। সিনথেটিক ও সাধারণ , এই দুই ধরণের এনামেল পেইন্ট ব্যবহার করা হয়।

Card image cap
দরজা জানালার রঙের পূর্বে দেখে নিন
engr.tushar - 25 Jan 2014

দরজা জানালার রঙের পূর্বে দেখে নিন

  • দরজার ও জানালার সাটার ঠিকমত কাজ করছে
  • দরজা ও জানালার ফ্রেম লম্ব বা শলে আছে
  • সাটার ও ফ্রেমে কোন ক্র্যাক আছে
  • প্রাইমারি আস্তার দেয়া আছে
  • প্রাইমারি আস্তর এর পর কোন ক্যাক থাকলে পুটি মারতে হবে
  • যেই রং দেওয়া আছে সেটার অনুমোদন আছে কিনা

Card image cap
রঙের সময় যা করা যাবে ও যাবে না
engr.tushar - 21 Feb 2014

করতে হবে:

  1. সার্ফেস বা তলা শুষ্ক থাকতে হবে.
  2. 120 নম্বর ওয়াটার পেপার দিয়ে ভালভাবে ঘষতে হবে। তারপর এটা ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। 
  3. বাহিরের পুরাতন রঙের উপর করার জন্য পুরাতন রঙ তুলে ফেলে পানি দিয়ে ভালভাবে মুছে ফেলতে হবে এবং দুই-তিনদিন রৌদ্রজ্বল দিনে শুকাতে হবে। 
  4. অভ্যন্তরের জন্য রেডিমিক্স পুটি ব্যবহার করতে হবে এবং বাহিরের জন্য সিমেন্ট বেজ পুটি ব্যবহার করতে হবে ফিলার হিসাবে। 
  5. সঠিক রঙের জন্য সঠিক থিনার ব্যবহার করতে হবে।
  6. রঙ ব্যবহারের পুর্বে ভালভাবে তা ঘুটে নিতে হবে
  7. ঘরের মধ্যে বাতাস ও আলো চলাচলের ব্যবস্থা রখতে হবে
  8. এক কোট  বা আস্তর থেকে অন্য আস্তরের মধ্যে যতটুকু সময় প্রয়োজন ততটুকু দিতে হবে। এই আস্তর সিলার,প্রাইমার,পুটি,অথবা রঙ যেকোন কিছু হতে পারে। 
  9. যেকোন রঙ ব্যবহারের পুর্বে এই রঙের নিয়মাবলী ভালভাবে জেনে নিতে হবে। 
  10. রঙের বালতি পুরাটা শেষ না হলে কাজের পর আবার ভালভাবে এর মুখ বন্ধ করতে হবে, যাতে করে এর মধ্যে বাতাস ঢুকতে না পারে। 
  11. রঙের গায়ে লেখা সময়ের মধ্যেই অবশ্যই রঙ ব্যবহার করে ফেলতে হবে। নাহলে পরে ব্যবহার করলে সেই রং স্থায়ী হবে না।

 

করা যাবে না:

  1. ড্যাম্প, স্যাঁতস্যাঁতে, নোনা স্থানে রঙের প্রলেপ বা আস্তর দেয়া যাবে না 
  2. পুর্ববর্তি আস্তর না শুকানো পর্যন্ত বা না রেডি হওয়া পর্যন্ত পরবর্তি আস্তর দেওয়া যাবে না। 
  3. রঙের সাথে প্রয়োজনীয় ও যথাযথ থিনার ছাড়া অন্য কোন কিছু মেশানো যাবে না। যেমন চকপাওডার,চুন ইত্যাদি মেশানো যাবে না। 
  4. কাজের পর ব্রাশ বা রোলার অবশ্যই থিনার দিয়ে বা পানি দিয়ে ভালভাবে ধুয়ে রাখতে হবে। 
  5. স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়াতে রঙের কাজ না করাই ভাল 
  6. রঙ অতিরিক্ত পাতলা করা যাবে না বা বেশি পরিমানে থিনার ব্যবহার করা যাবে না 
  7. রঙের কাজের সময় ধুমপান করা যাবে না। কেননা রঙ একটি দাহ্য পদার্থ। 
  8. রঙ এবং এর আনুসাঙ্গিক মালামাল আগুন থেকে দুরে রাখতে হবে। 
  9. শিশুদের নাগালের বাইরে রাখতে হবে রঙ, থিনার ও অন্যান্য পদার্থ 
  10. হাতে ভারী কিছু থাকা অবস্থায় রঙের কাজ করা যাবে না। 
  11. চোখের মধ্যে রঙের কোনকিছু গেলে অবশ্যই ভালভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে এবং ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। 
  12. রঙের কাজের সময় এবং কাজ শেষ হওয়ার সাথে সাথেই দরজা-জানালা বন্ধ করা যাবে না। ভেতরের গ্যাস বা গন্ধ না যাওয়া পর্যন্ত দরজা-জানালা বন্ধ রাখতে হবে। 
সুত্র: বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ

Header
Info card title

www