World

Featured post

Nov 12

This is a wider card with supporting text below as a natural lead-in to additional content.

Continue reading
Card image cap
Design

Post title

Nov 11

This is a wider card with supporting text below as a natural lead-in to additional content.

Continue reading
Card image cap
Card image cap
১৫ দিনে ৩০ তলা বিল্ডিং
engr.tushar - 11 Jan 2012
মাত্র ১৫ দিনে তৈরি হয়েছে ৩০ তলা বিল্ডিং। বিস্তারিত দেখুন নিচের ভিডিও তে

Card image cap
সাভারের বিল্ডিং ধসের ঘটনা ও অভিমত
engr.tushar - 24 Apr 2013

কিছুক্ষন আগে বাসায় ফিরলাম। পথে ফার্মগেইটে দাড়িয়ে ছিলাম বাসের অপেক্ষায়। ওখানেই চলছে একটি জনসভা।
একজন বেশ বয়স্ক মুরুব্বী মঞ্চে থেকে বক্তৃতা দিচ্ছেন-
" এই হারামীর ইঞ্জিনিয়াররা টাকা খেয়ে বিল্ডিং বানায়। আবার টাকা খেয়ে বিল্ডিং ভাল বলে সার্টিফিকেট দেয়। এই হারামীদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে। "
একজন ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কথাট আমাকে ব্যথিত করেছে। ব্যথিত করেছে দুইটি কারণে
1. ইঞ্জিনিয়ারদের এই ভাবে গালি দেয়ার জন্য
2. ঢালাওভাবে ইঞ্জিনিয়ারদের দোষ দেয়ার জন্য
আমি এখানে দুটি উদাহরণ দিতে চাচ্ছি
1.    ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া আমরা অনেক সময় ঔষধ নিয়ে থাকি। এখন এই ঔষধ খেয়ে কারও যদি কোন ক্ষতি হয় সেই দোষ নিশ্চয়ই ঐ ডাক্তার এর না।
2.    আবার ধরা যাক কোন একড্রাইভার একটি 10 টনের গাড়িতে 20 টন মালামাল তুলেছে এবং গাড়ি রাস্তার মাঝে বিকল হযে দুর্ঘটনা ঘটিয়েছে। সেখানেও নিশ্চয়ই গাড়ি বানানো ইঞ্জিনিয়ারের দোষ হবে না।
একজন প্রকৌশলী হিসাবে আমার বিভিন্ন ধরণের অভিজ্ঞতা আছে। কখনও নিজে দেখা তো কখনও অন্যের মাধ্যমে দেখা। এগুলোর কিছু নিচে দেওয়া হলো
1.    মিস্ত্রিদের উপর ভরষা করে ইঞ্জিনিয়ারের করা ডিজাইন অনুযায়ি না করে মিস্ত্রিদের কতা অনুসারে খরচ কমিয়ে কাজ করে
2.    ইঞ্জিনিয়ারের সুপারভিশন বা পরিদর্শন ছাড়াই বিল্ডিং করে
3.    যত তালার জন্য ডিজাইন করা হয় তার চেয়ে বেশি তলার বিল্ডিং করা হয়। বিল্ডিং এর সার্টিফিকেট পাওয়ার পর। যা ইঞ্জিনয়ার এর পরামর্শ ছাড়া বা ইঞ্জিনিয়ারের অজ্ঞাতসারে
4.    কাজের ডিজাইন হয়তো ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা করা হয়, কিন্তু কাজের মান বা মালামালের মান ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা পরীক্ষা করা হয় না।
ঢাকার বাইরেই সাধারণত বিল্ডিং ধ্বসের ঘটনা বেশি ঘটে। এর কারণ হিসাবে কিছু বিষয় নিচে দেওয়া হলো
1.    বিল্ডিং ডিজাইনে ভুল হতে পারে (যদিও সেই সম্ভাবনা খুবই কম)
2.    ওখানে বিল্ডিং নির্মাণে যত্ন নেয়া হয় না
3.    একটি কাজের জন্য তৈরি বিল্ডিং অন্য কাজে ব্যবহার করা হয়।
4.    বিল্ডিং নির্মাণের সময় ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ দেয়া হয় না
5.    বিল্ডিং মালিকের নিজের ইচ্ছামত রড,সিমেন্ট কমিয়ে দেওয়া
আমি এখানে আমাদের ইঞ্জিনিয়ারদের দ্বায়িত্ব অস্বিকার করছি না। কিন্তু একই সাথে মনে রাখতে হবে শুধু ইঞ্জিনিয়ারদের দোষে যে এমন ঘটে তা নয়। বরং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ইঞ্জিনিয়াররা দায়ি নয়।
আমি সাভারের ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের উপযুক্ত শাস্তি কামনা করছি।
একই সাথে ইঞ্জিনিয়ারদের কাছে অনুরোধ- "আমাদের সবাইকে অবশ্যই এই বিল্ডিং নির্মাণের ক্ষেত্র অনেক বেশি সচেতন হতে হবে। মনে রাখতে হবে ডাক্তার ভুল করলে একজন মারা যায়। কিন্তু ইঞ্জিনিয়ার ভুল করলে বহু প্রাণ যায়।"

Card image cap
বিল্ডিং এর কাজের বিভন্ন ঘাট
engr.tushar - 04 Jan 2014

1. মোবিলাইজেশন: কাজ শুরুর পুর্বে সাইটের কিছু কাজ যেমন- ফেন্সিং বা বেড়া দেওয়া, সাইট অফিস তৈরি, বাথরুম ও টয়লেট তৈরি, লেবারদের থাকার স্থান, পানি ও বিদ্যুত ইত্যাদি

2. মাঠের কাজ: পরিস্কার করা, লেভেল করা, বেঞ্জমার্ক নির্ধারণ ইত্যাদি

3. সাব-স্ট্রাকচার: মাটির নিচের কাজ যেমন-

  • ফাউন্ডেশন
  • শর্ট বা নেক কলাম
  • গ্রেটবীম-টাই বীম
  • পাইল
  • মাটি খনন

4. সুপার স্ট্রাকচার: মাটির উপরের কাজ

  • কলাম
  • ছাদ ও বীম
  • সিড়ি
  • প্যারাপেট

5. রাজের কাজ

  • ইটের দেয়াল
  • প্লাস্টার
  • টাইলস

6. বিভিন্ন ধরণের সার্ভিসের লাইন 

  • ইলেকট্রিক্যাল
  • সেনেটারি ও প্লাম্বিং
  • এয়ার কন্ডিশনিং
  • ফায়ার সার্ভিস

7. ফিনিশিং কাজ

  • রঙের কাজ
  • কাঠের কাজ
  • এলুমিনিয়ামের কাজ
  • ফলস সিলিং এর কাজ
  • মেটাল ওয়ার্ক বা স্টীলের কাজ বা আয়রনের কাজ

8. হ্যান্ড ওভার: 

  • পরিস্কারের কাজ
  • ছোটখাটো ত্রুটি ঠিক করণ
  • সর্বশেষ পরিদর্শণ
  • কাজ বুঝিয়ে দেওয়া

Card image cap
নিজের বাড়ি নিজে তৈরীর আগে করণীয়....
engr.tushar - 30 Sep 2014

বাসস্থান আমাদের তৃতীয় মৌলিক চাহিদা। যার বাপ-দাদার বা নিজের এক খন্ড জমি আছে সবাই চায় সেখানে নিজের মতো করে সুন্দর একটি বাড়ি বানাতে। পৃথিবীতে টোকিওর পর জমির দাম ঢাকায় সবচেয়ে বেশি। কিন্তু আমাদের বাঙালী টিপিক্যাল নেচারের জন্য আমরা বাড়ি বানানোর সময় প্রফেসনালদের সাহায্য নেই না। প্রতিটি বাড়িওয়ালার ভাব হচ্ছে হালার ইন্জিনিয়ার কিছুই জানে না আমিই বেশি জানি। এই বেশি জানার ফলে পরবর্তীতে দেখা যায় বাড়ি তৈরীর পর নানা রকম ইউটিলিটি সমস্যা, মোডিফিকেশন চলে, ভাঙাভাঙি, জোড়াতালি চলে। ফলে বাড়িটি তার সৌন্দর্য হারিয়ে কিম্ভুতকিমাকার রুপ ধারন করে। আসুন দেখী একটি বাড়ি তৈরীর জন্য কার্যক্রমের ধাপ কি???:D

১. প্রথমেই ফাইনান্স এর কথা ভাবুন। অর্থাৎ টাকা কোথা হতে আসবে তা নিশ্চিত করুন। এর জন্য দরকার প্রিলিমিনারী এস্টিমেশন। এর জন্য অভিজ্ঞ সিভিল ইন্জ্ঞিনিয়ারের কাছে যান।

২. প্লানিং করুন। পুরো বাড়ি একবারে করবেন নাকি দুই তলা করে পরে বাকি চার তলা করবেন। গ্যারেজ কার পার্কিং কয়টি রাখবেন। বাড়িটির অকুপেন্সি কেমন হবে আবাসিক হবে নাকি স্কুল হবে, লিফ্ট, জেনারেটর, সাব স্টেশনের প্রভিশন রাখবেন কি রাখবেন না, আশেপাশে ভবিষতে কি রকমের ইমারত নির্মিত হতে পারে, ছাদে বাগান হবে কিনা ইত্যাদি ইত্যাদি।

৩. ভালো স্থপতি দিয়ে বাড়ির প্লান করিয়ে নিন। মনে রাখবেন জমি যত ছোট হোক আর তেড়া বেকা হোক। একজন ভালো স্থপতি সকল সমস্যার সমাধান দিতে পারবেন। জমির প্রতির টুকরার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারেন। এ ছাড়াও স্থপতিকে দিয়ে বাড়ির ফার্ণিচার প্লান ও ইনটেরিওর ডেকোনেশন প্লান করিয়ে নিতে পারেন। 

৪. প্লান পাস হলে সয়েল টেষ্ট করাবেন। হুট করে পাইলিং-এ যাবেন না। সয়ের টেষ্ট রিপোর্ট নিয়ে অভিজ্ঞ সিভিল ইন্জ্ঞিনিয়ারের সাথে আলাপ করুন।

৫. বিল্ডিং-এর স্ট্যাকচারাল ডিজাইনের জন্য অভিজ্ঞ সিভিল ইন্জ্ঞিনিয়ারের কাছে যান। ভূমিকম্প নিয়া ইদানিং সবাই বেশি চিন্তিত। স্ট্যাকচারাল সিসমিক লোডের জন্য ডিজাইন করা যায়। 

৬. প্লাম্বিং এবং ইলেক্ট্রিক্যাল ডিজাইন অভিজ্ঞ ইন্জ্ঞিনিয়ার দ্বারা করে নিন। মনে রাখবেন বাড়ি তৈরির পর প্রাথমিক সমস্যা গুলো প্লাম্বিং এবং ইলেক্ট্রিক ওয়ারিং-এই দেখা যায়। ফলে দেখা যায় ভাঙচুর করতে হচ্ছে বা প্রতিদিন একটি বিরক্তির সৃষ্টি হচ্ছে। এইটা বাড়ি তৈরীর ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

৭. ডিটেইল বিল অফ কোয়ান্টিটি বা বি ও কিউ তৈরী করুন। এবং আপনার পূর্বের আনুমানিক ব্যায়ের সাথে তুলনা করুন। যদি ব্যায় বেড়ে যায় তবে ডিজাইন বা প্লানে কিছু পরিবর্তন এনে ব্যায় কমাতে পারেন। 

৮. কনস্ট্রাকশন-এ শুধু মাত্র কন্ট্রাকটরের উপর নির্ভরশীল না হয়ে একজন সিভিল ইন্জ্ঞিনিয়ারকে ফুল টাইম অথবা পার্ট টাইম সুপারভিশনে রাখুন। 

লজিস্টিক কর্জকর্ম সম্পর্কে কিছু বললাম না। এ দেশে লজিস্টিক কাজকর্ম সিষ্টেম মেনে চলে না। বাড়ি তৈরীর জন্য সুষ্ঠু প্লানিং আর ডিজাইন না করলে পরবর্তীতে নানা অসুবিধার সম্মুখ্খীন হতে হয়। তাই উপযুক্ত প্রফেশনালদের সাথে আলাপ করে বাড়ি তৈরীর কাজে হাত দেবেন। এতে তাদের যা রিমুনেশন দিতে হবে তা আপনার মোট ব্যায়ের বড়োজোর ১-২% হতে পারে।

Card image cap
বৃষ্টি হলেই যে বাড়ি গান গায়!
engr.tushar - 11 Oct 2014

জার্মানির একটি বাড়ির রঙিন দেয়ালে ড্রেইন আর ফানেলের জটিল এক স্থাপনা রয়েছে। এর বিশেষত্ব হচ্ছে, যখন বৃষ্টি নামে তখন পুরো বাড়িটি একটি বাদ্যযন্ত্র হিসেবে কাজ করে। বাড়িটি জার্মানির ড্রেসডেনে অবস্থিত। এই বাজনা বাজাতে সক্ষম বাড়িটি তৈরি করেছেন স্থপতি এনেট পল, ডিজাইনার ক্রিস্টফ রজনার ও আন্দ্রে টেম্পেল। আর এরা সবাই এই ‘মিউজিক্যাল বাড়ি’তে বসবাস করেন। এনেট বলেন তিনি তার সেন্ট পিটার্সবার্গের বাড়ির বাইরের পাইপলাইনে বৃষ্টির ফোঁটা পড়ার ফলে সৃষ্ট সুরেলা শব্দ থেকে এই নতুন বাড়ি তৈরির আইডিয়া পান। বাড়ির আঙ্গিনাতে ঢুকলেই এই বিশেষভাবে তৈরি দেয়ালটি চোখে পড়বে। দেয়ালটির সামনের অংশ হলুদ রঙে রাঙ্গানো। বাড়ির দরজা বা জানালাগুলো অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি। এগুলো আলো দিয়ে নানা ধরণের চমৎকার দৃশ্য উপস্থাপন করতে পারে। এছাড়া কিছু পাইপকে আকৃতি দেয়া হয়েছে জিরাফ আর বানরের মতো। এগুলো প্রাণীজগতকে উপস্থাপন করার জন্য বানানো হয়েছে। যেদিনগুলোতে আকাশ মেঘলা হয়ে থাকে, প্রচুর বৃষ্টি আর ঝড়ো হাওয়া বয়ে যায়, সেদিনগুলো এই ‘মিউজিক্যাল দেয়াল’ এর বাদ্য শোনার জন্য উপযুক্ত দিন। কারণ বৃষ্টির পানি আর ঝড়ো হাওয়া বিশেষভাবে তৈরি এসব ড্রেইন আর পাইপে চমৎকার সুর তোলে। আর পুরো বাড়িটিই তখন হয়ে উঠে একটি বাদ্যযন্ত্র।

Header
Info card title

www