construction

ম্যাট ও ফুটিং

• কংক্রিট এর প্রান্তে দিনের শেষে স্টপার দিতে হবে

• কাজ শুরুর পুর্বে কংক্রিট জয়েন্টের দুর্বল কংক্রিট বা সিমেন্ট সরিয়ে ফেলতে হবে

• কংক্রিট ফিনিশিং এর সময় উপর, নিচ এবং পার্শের কভার ঠিকমত রাখতে হবে.

• গুনা তার এর কোনও অংশ যেন কভার এর মধ্যে না থাকে।

• এক থেকে দেড় ঘন্টা পরে কলামের গোড়া থেকে লেটেন্স সরিয়ে ফেলতে হবে। ঢালাই এর সময় কলামের ভেতরে ভাইব্রেটর মারতে হবে।
• ম্যাটের উপরের জালির সাথে কলামের রিং শক্ত করে বাধতে হবে।

• সম্ভব হলে ফুটিং এর সাথেই কলাম স্টার্টার (অল্প অংশ) ঢালাই করা উচিত।

পাইল ক্যাপ চেইক লিষ্ট

পাইল ক্যাপ চেইক লিষ্ট

• পাইলের উপর থেকে দুর্বল কংক্রিট সরিয়ে ফেলুন

• শাটার এর সকল ছিদ্র বা ফাকা বন্ধ করতে হবে

• সব সাইট শলে (সঠিক উলম্ব) রাখতে হবে

• সাটার এর সাপোর্ট ভালভাবে চেইক করতে হবে যাতে করে সাটার ঢালাই এর সময় খুলে না যায় বা ঢালাই মোটা না হয়

• সাটারে কংক্রিট ঢালার লেভেল মার্কিং করতে হবে

• কলামের রডের আনুভুমিক সাপোর্ট কংক্রিট লেভেল এর উপরে থাকতে হবে

• ক্লিয়ার কভার ভালমত চেইক করতে হবে

একটি ভবন তৈরির কাজের “কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স” !

আমাদের সমাজ জীবনে সকল কাজ করতে হয় একটি নির্দীষ্ট ক্রম অনুসরন করে । ঠিক তেমনি একটি ভবন তৈরির ক্ষেএেও একটি নির্দীষ্ট ক্রম অনুসরন করতে হয় । যাকে প্রকৌশলীদের ভাষায় “কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স” বলা হয় । “কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স” কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একটি হলো “কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজ”, আর অপরটি হলো “সৌন্দর্য বর্ধণ বা ফিনিশিং কাজ” । একটি ভবনের কাজের “কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স” নিন্মে তুলে ধরা হলো :

# কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজ :

প্রথম ধাপ : সাইট মোবিলাইজেশন বা সাইটে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সন্নিবেশ করা ,

দ্বিতীয় ধাপ : ভূমি জরিপ করে ভূগর্ভস্থ মাটি পরীক্ষা করা,

নির্মানাধীন ভবনের লে-আউট দেয়া

৫) নির্মানাধীন ভবনের লে-আউট দেয়া

যেকোন কাজ শুরু করার আগে কাজের একটি রূপরেখা বা লে-আউট তৈরী করা খুবই দরকার। যেমন ধরুনঃ কোন দর্জি যখন পোষাক তৈরী করে তখন কাপড় কাটার আগে কাপড়ের উপর একধরণের দাগ দিয়ে নেয়। পরে সেই দাগ অনুসারে কাপড় কাটে সেলাই করবার জন্য। এই কাপড় কাটবার আগে দাগ দিয়ে নেয়া কে ওই পোষাকের জন্য লে-আউট দেয়া বলা হয়। ঠিক তেমনি কাগজ়ে আকা ভবনের নকশাকে প্রকৃত মাপ জোপের মাধ্যমে জমিতে স্থানান্তর করাকে প্রকৌশলবিদ্যায় ভবনের লে-আউট দেয়া বোঝায়।

নির্মাণ কাজের পর্যায়ক্রমিক ধাপ (অধ্যায়-৩)

ইংরেজীতে একটা কথা আছে-“A stitch in time saves nine” অর্থ্যাৎ কিনা যাকে বলে সময়ের এক ফোঁড় আর অসময়ের দশ ফোঁড়। জীবনের চলার পথে মানুষকে প্রতিটি কাজ সঠিক সময়ে সঠিক ক্রমানুসারে করতে হয়। না হলে পা পিছলে আছাড় খাবার ভয় থাকে। সেরকমই শুধু ইটের পর ইট গাঁথলে বাড়ি তৈরী হয় না। এর জন্য প্রয়োজন বিভিন্ন ধরণের কর্মকান্ড। কোনো কোনো কাজ শুরু হয় আরেকটি কাজ শেষ হবার পর আবার কোনো কোনোটি আরেকটি কাজের সাথে সমান্তরালে চলতে থাকে। কোন কাজ কখন শুরু হবে তা নির্ধারণের জন্য আসলে একটি নির্মানক্রমের প্রয়োজন হয়। এই নির্মানক্রম কে ইংরেজিতে প্রকৌশলীরা ‘কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স’ বলে থাকেন।

আর সি সি কাজের জন্য গুরুত্বপুর্ণ কিছু লক্ষনীয় বিষয়

ফর্মওয়ার্ক বা সাটারিং:

মাটি কাটার সময় লক্ষনীয় কিছু বিষয়

মাটি কাটার সময় কয়েকটি বিষয়ের দিকে নজর দিতে হবে

কনস্ট্রাকশন সেইফটি / নিরাপত্তা

কনস্ট্রাকশনের কারণে দুর্ঘটনা অনেক সময় হয়ে থাকে। ডিজাইনের কারণে অথবা কাজের সময় অবহেলার কারণে। আগে কনস্ট্রাকশন কাজের সময় অনেক দুর্ঘটনা হতো। তাই বর্তমানে কনস্ট্রাকশনের কাজের সময় একটি স্লোগান প্রচলতি করা হয়েছে "সেফটি ফার্ষ্ট " বা "নিরাপত্তাই প্রধাণ"। আমাদের কনস্ট্রাকশন করার সময় এই নিরাপত্তার দিকে ভালভাবে খেয়াল রাখতে হবে। আর এর জন্য কিছু করণীয় নিচে দেয়া হলো।

সাইনবোর্ড তৈরি : সাইটের কাজের সময় বিভিন্ন ধরণের সাইনবোর্ড তৈরি করার প্রয়োজন হতে পারে এদের কিছু উদারণ দেয়া হলো

সাইটের বাহিরের জন্য

বিল্ডিং এর কাজের বিভন্ন ঘাট

1. মোবিলাইজেশন: কাজ শুরুর পুর্বে সাইটের কিছু কাজ যেমন- ফেন্সিং বা বেড়া দেওয়া, সাইট অফিস তৈরি, বাথরুম ও টয়লেট তৈরি, লেবারদের থাকার স্থান, পানি ও বিদ্যুত ইত্যাদি

2. মাঠের কাজ: পরিস্কার করা, লেভেল করা, বেঞ্জমার্ক নির্ধারণ ইত্যাদি

3. সাব-স্ট্রাকচার: মাটির নিচের কাজ যেমন-

  • ফাউন্ডেশন
  • শর্ট বা নেক কলাম
  • গ্রেটবীম-টাই বীম
  • পাইল
  • মাটি খনন

4. সুপার স্ট্রাকচার: মাটির উপরের কাজ

মোবিলাইজেশন

কনস্ট্রাকশন কাজের প্রথম ধাপ হলো মোবিলাইজেশন। কনস্ট্রাকশন কাজের শুরু করার আগে এই মোবিলাইজেশন করতে হয়। এর সাথে বিভিন্ন কিছু জড়িত। যথা

1. অস্থায়ি ফেন্সিং বা বাউন্ডারি

2. লেবার শেড বা লেবারদের থাকার যায়গা

3. সাইট অফিস

4. স্টোর বা মালামাল রাখার যায়গা

5. বিদ্যুত , পানি , সেনিটারি লাইন ও বাথরুম-টয়লেটের ব্যবস্থা করা

6. যস্ত্রপাতি জোগাড় করা

7. কনস্ট্রাকশন ডকুমেন্ট বা কগজপত্র

8. অন্যান্য (পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, হাটা চলার স্থান নির্বাচন)