Author: Rumon Kamal

পানির নিচে রাস্তা ভাল

“তিলোত্তমা নগর আমাদের প্রিয়তম ঢাকা  বৃষ্টিস্নাত শহর জলের নিচে গাড়ির চাকা” ঢাকার রাস্তা এখন আর চোখে পড়ে না, সবই যেন জলঢাকা। মানে জলে ঢাকা। যেদিকে তাকায় শুধু জল আর জল। জলের আবার অনেক রকমফের। বৃষ্টির জল, নর্দমার জল, সুয়ারেজ লাইনের জল আরও কত কি! আর সেই জলে নাকানিচুবানি খাচ্ছেন ঢাকার বর্তমান দুই মেয়র আনিস ও

নির্মানাধীন ভবনের লে-আউট দেয়া

৫) নির্মানাধীন ভবনের লে-আউট দেয়া যেকোন কাজ শুরু করার আগে কাজের একটি রূপরেখা বা লে-আউট তৈরী করা খুবই দরকার। যেমন ধরুনঃ কোন দর্জি যখন পোষাক তৈরী করে তখন কাপড় কাটার আগে কাপড়ের উপর একধরণের দাগ দিয়ে নেয়। পরে সেই দাগ অনুসারে কাপড় কাটে সেলাই করবার জন্য। এই কাপড় কাটবার আগে দাগ দিয়ে নেয়া কে ওই

সাইট মোবিলাইজেশন ও ভূমি জরিপ (অধ্যায় ৪)

সাইট মোবিলাইজেশন প্রকৌশলীদের মধ্যে বহুল ব্যবহৃত শব্দ। বাংলা একাডেমীর অভিধান অনুযায়ী ‘মোবিলাইজ’শব্দটির বাংলা অর্থ হলো-“ব্যবহার বা দ্বায়িত্বে নিয়োজনের জন্য একত্র করা বা যুদ্ধার্থে সমবেত করা।”প্রকৌশলীদের কাছে নির্মানাধীন যেকোন সাইট অনেকটা যুদ্ধক্ষেত্রের মতো। একটি ভবন নির্মাণ করতে বহু প্রতিকূল পরিবেশ-পরিস্থিতি পার হতে হয়। তাই যুদ্ধে জয়লাভের জন্য প্রয়োজন বিভিন্ন ধরণের লোকবল, মালামাল ও যন্ত্রপাতীর সমাবেশ। এই

নির্মাণ কাজের পর্যায়ক্রমিক ধাপ (অধ্যায়-৩)

ইংরেজীতে একটা কথা আছে-“A stitch in time saves nine” অর্থ্যাৎ কিনা যাকে বলে সময়ের এক ফোঁড় আর অসময়ের দশ ফোঁড়। জীবনের চলার পথে মানুষকে প্রতিটি কাজ সঠিক সময়ে সঠিক ক্রমানুসারে করতে হয়। না হলে পা পিছলে আছাড় খাবার ভয় থাকে। সেরকমই শুধু ইটের পর ইট গাঁথলে বাড়ি তৈরী হয় না। এর জন্য প্রয়োজন বিভিন্ন ধরণের

সবুজ প্রযুক্তিতে সবুজ ভবন

‘দখিন দুয়ারি ঘরের রাজা,   পূব দুয়ারী তাহার প্রজা। পশ্চিম দুয়ারীর মুখে ছাই,    উত্তর দুয়ারীর খাজনা নাই।’ বাড়ি নির্মাণ বিষয়ে খনার এ বচনটি বহুল প্রচলিত। ঘর বাঁধার স্বপ্ন মানুষ অনেক আগে থেকেই দেখে আসছে। মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলোর মধ্যে খাদ্য-বস্ত্রের পরেই যে চাহিদাটি বহু যুগ যুগ ধরে মুখ্য হয়ে ওঠে, সেটি হল তার বাসস্থান-বাড়ি। শুধু ইটের উপর

বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড

বাংলাদেশ নেশনাল বিল্ডিং কোড, সংক্ষেপে বি,এন,বি,সি । বাংলাদেশে বিল্ডিং নির্মাণ করতে গেলে এই কোড অনুসারা করতে হয়। স্থপতি থেকে শুরু করে সকল ধরণের প্রকৌশলিদেরই এই কোড মেনে চলতে হয়। এই কোড শুরুতে শুধু গাইড হিসাবে প্রকাশ পেলেও পরে তা সরকারী গেজেট আকারে প্রকাশ পায়। বি.এন.বি.সি ৯৩ বর্তমানে ব্যবহুত হয়। প্রকৌশলীদের সুবিধার জন্য নিচে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং

ভবনের ফাটল নিয়ে কিছু কথা

“আমার ভবনের কয়েকটি জায়গায় ক্র্যাক দেখা দিয়েছে। কি করি বলুন তো? আচ্ছা ক্র্যাক কেন হয়?” এরকম প্রশ্ন প্রকৌশলীদেরকে প্রায়ই শুনতে হয়। এই প্রশ্ন করাটা যেমন সহজ কিন্তু এর উত্তর দেওয়াটা তেমনি কঠিন। ইংরেজিতে ক্র্যাক (Crack) শব্দের বাংলায় অর্থ করলে দাঁড়ায় ‘ফাটল বা চিড়’। আর এই ক্র্যাক যদি কোন ভবনে দেখা দেয় তাহলে মাথা ফাটাফাটি থেকে

পানির স্তর ও সিপেজ চাপ নিয়ন্ত্রণ

  অনেকেই বলে থাকেন মাটির ভেতর যদি পানি না থাকত তাহলে সয়েল মেকানিক্স বিষয়টি পড়বার দরকার পড়তো না। দেখা যায় মাটির ধারণ ক্ষমতা,  সেটেলমেন্ট, সিপেজ, পাইল ডিজাইন ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে পানি একটি মুখ্য ভূমিকা রাখে। আসলেই কি তবে মাটির ভেতরকার পানি প্রকৌশলীদের বিরক্তির কারণ? মাটির মধ্যে পানি না থাকলেই ভাল হতো? এ প্রশ্ন অবান্তর। কারণ