Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

বিভিন্ন ধরণের কাঠ

১) সেগুন: স্থায়িত্ব এবং নিরাপত্তার দিক থেকে এটি অসাধারণ কাঠ। প্রাকৃতিক ভাবেই সবচেয়ে ভাল কাঠ। এর স্থায়িত্বকাল সবচেয়ে বেশি। এতে পোকা মাকড় ধরে না। এর টেক্চার বা চেহারা খুব সুন্দর। সাধারণত ফার্নিশার বা আসবাবপত্র তৈরি । এই কাঠের দামও বেশি।
২) দেবদারু: এটিও বেশ ভাল কাঠ। এর ওজন সেগুন থেকে ২০ শতাংশ কম। এই কাঠের পলিশ হয়না। তাই এই কাঠ দিয়ে আসবাব তৈরি করা হয়না তেমন। তবে কাঠের বাড়ি নির্মাণে এই কাঠ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
৪) শাল: শাল কাঠ সেগুন থেকে ৩০ শতাংশ ভারি এবং ৫০ শতাংশ শক্ত। বীম, ফ্লোর ইত্যাদিতে এই কাঠ ব্যবহার করা হয়। ভারি মালামাল উঠা-নামাতে এই কাঠ অনেক সময় ব্যবহার করা হয়। এর স্থায়িকাল অনেক বেশি। এবং পানিতেও খুব বেশি নষ্ট হয়না। তাই বিভিন্ন রাফ কাজে এটি ব্যবহার করা হয়।
৫) ঝাউ: এটি অত বেশি ভাল কাঠ না। তবে কাটা-কাটি, রান্দা করা এবং কাজ করা সহজ। এই কাঠ বেশ মসৃন তল পাওয়া যায়। তবে পলিশ এর চেয়ে রঙ করা ভাল। হালকা আসবাব, তৈরিতে এর ব্যবহার হয়।
৬) প্লাই বোর্ড]: একাধিক পাতলা কাঠের পাত আঠা দিয়ে প্রবল চাপে লাগিয়ে এই বোর্ড তৈরি করা হয়। বিভিন্ন পুরুত্বের এবং বিভিন্ন কাঠের সমন্নয়ে এই বোর্ড তৈরি হয়ে থাকে। কাঠের নাম এবং পুরুত্ব অনুযায়ি এর নাম হয়।
৭) পার্টিকেল বোর্ড:  কাঠ,কৃষি বা অন্যান্য বর্জ্য উপাদান দিয়ে এই বোর্ড তৈরি করা হয়। বর্জ্যগুলি ছোট ছোট টুকরা বা গুড়া করে আঠার সাহয্যে লাগানো হয়। এবং মসৃন পাতের মত করা হয়।

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *