Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!

ইঁদুরের গর্ত থাকায় ভেঙে পড়েছে কুড়িগ্রামের বাঁধ

বন্যার পানির তোড়ে ভেঙ্গে পড়েছে কুড়িগ্রামের টগরাইহাটের এই রেলসেতু।ছবির কপিরাইট ফোকাস বাংলা
Image captionবন্যার পানির তোড়ে ভেঙ্গে পড়েছে কুড়িগ্রামের টগরাইহাটের এই রেলসেতু।

ইঁদুরের গর্ত আর উইপোকার ঢিবির কারণে কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর ওপর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ দুর্বল হয়ে ভেঙে পড়েছে এবং বানের জলে ভেসে গিয়েছে।

জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা বিবিসিকে জানিয়েছেন, বাঁধের ভেতরের দিকে অসংখ্য ইঁদুরের গর্ত রয়েছে যা বাঁধের কাঠামোকে দুর্বল করে দিয়েছে।

এর ফলে এবার বন্যার পানির চাপে সদর এবং রাজারহাট উপজেলায় দুটি অংশের প্রায় ৮০ মিটার বাঁধ ভেসে গিয়েছে।

সরকারি কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার ১৩২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে, যা অতীতের রেকর্ডকে ভঙ্গ করেছে।

বাঁধের যে অংশ দুটি ভেঙে পড়েছে সেখানে দুইপাশে পানির উচ্চতার তফাৎ ১০ ফুটেরও বেশি ছিল বলে জানাচ্ছেন উপসহকারী প্রকৌশলী মো,আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, "এমনিতেই বাঁধ ছিল দুর্বল, তাই পানির চাপ আর সহ্য করতে পারেনি।"

কুড়িগ্রামের বিভিন্ন জায়গায় সড়কে পানি ওঠায় সড়ক ও রেল যোগাযোগও বন্ধ হয়েছে।

গাইবান্ধায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ রক্ষায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা সহায়তা করছে।ছবির কপিরাইট ফোকাস বাংলা
Image captionগাইবান্ধায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ রক্ষায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা সহায়তা করছে।

ইঁদুর সমস্যার কথাটিকে স্বীকার করে নিয়ে কুড়িগ্রামের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বাঁধের কাঠামোগত দুর্বলতার পেছনে তিনটি কারণ উল্লেখ করেন।

তিনি জানান, প্রথমত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ওপর এবং আশেপাশে হাজার হাজার মানুষ বসবাস করছেন। এদের অনেকেই বাঁধের মাটি কেটে বাড়িঘর তুলেছেন।

বাঁধের আশেপাশের ধান শুকোতে দেয়া হয়, ফলে খাবারের আশায় হাজার হাজার ইঁদুর বাসা তৈরি করেছে বাঁধের ভেতরে।

বাঁধের ভেতরে অনেক জায়গায় বড় বড় উইপোকার ঢিবিও রয়েছে বলে তিনি জানান।

এসব সমস্যা থাকার পরও গত প্রায় ১৫ বছর ধরে এসব বাঁধে বড় ধরনের কোন মেরামত বা সংস্কার হয়নি বলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন।

সুত্র: বিবিসি http://www.bbc.com/bengali/news-40924854?ocid=socialflow_facebook

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *