Category: Blog

ইমারতের বুনিয়াদ নির্মাণ

উদ্দেশ্য: ইমারতের বুনিয়াদ নির্মাণ কৌশল আয়ত্ত করা। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও মালামাল: যন্ত্রপাতি: বাসুলি কর্নি ওলন মাটাম স্পিরিট লেভেল কড়াই বালতি মগ বালি চালনি হ্যামার পেরেক রড কাটার ছেনি (কোল্ড চিজেল বা হ্যাক স’) রড বাঁকা করার জি আই পাইপ বা হ্যান্ডেল রড সোজা করার হ্যান্ডেল মালামাল: ইট বালি সিমেন্ট পানি ফর্ম ওয়ার্ক তৈরির প্রয়োজনীয় কাঠ

ইমারতের লে-আউট দেওয়া

উদ্দেশ্য : যে কোনো ইমারতের লে-আউট দেওয়ার কৌশল অর্জন করা। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও মালামাল: মেজারিং টেপ কোদাল ওলন মাটাম হাতুড়ি কাঠের খুঁটি সুতলি পেরেক চুন দালানের নকশা কাজের ধারাবাহিক ধাপসমূহ: সর্বপ্রথম লে-আউটের ড্রইংকে ভালো করে পর্যবেক্ষণ করে মাপ অনুযায়ী সীমানা চিহ্নিত করতে হবে। সীমানা থেকে প্রধান দেয়াল বা লম্বা দেয়ালের দূরত্ব নিরূপণ করে এর কেন্দ্ররেখা

বিদ্যুৎ পরিবাহী-অপরিবাহী পদার্থ

বিদ্যুৎ পরিবাহী পদার্থের তালিকা বিদ্যুৎ পরিবাহী পদার্থের তালিকা নিম্নরূপ – ক্রমিক নং পরিবাহী পদার্থের তালিকা 20∘20∘C তাপমাত্রায় রোধাঙ্ক (ρρ) মাইক্রো ওহম-সে.মি.(μΩ−cmμΩ−cm) হিসেবে প্রতি ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড এ তাপমাত্রা সহগুণাঙ্ক(αα) ১। রূপা (As) ১.৬৬ ০.০০৪ ২। তামা (Cu) ১.৭২ ০.০০৪২৮ ৩। অ্যালুমিনিয়াম (Al) ২.৮৩ ০.০০৪৩৫ ৪। সোনা (Ag) ২.৪৮ ০.০০৩৭৭ ৫। টাংস্টেন (Tn)    ৫.৫ ০.০০৫১ ৬। দস্তা

থাই অ্যালুমিনিয়াম (Thai Aluminium)

থাই অ্যালুমিনিয়াম মূলত অ্যালুমিনিয়াম সংকর যা বিভিন্ন আকার-আকৃতির নানা কাজে ব্যবহার উপযোগী করে তৈরি করা হয় এবং যাকে এক্সটুডিড অ্যালুমিনিয়াম বা অ্যালুমিনিয়াম এক্সটুশন বলে। আমাদের দেশে এই সামগ্রী প্রথম থাইল্যান্ড থেকে আমদানি করা হয়, যা থাই অ্যালুমিনিয়াম নামে খ্যাতি লাভ করেছে। থাই অ্যালুমিনিয়াম-এর ব্যবহার ক্ষেত্র সাধারণ দরজা, স্লাইডিং দরজা, জানালার ফ্রেম বা অ্যালুমিনিয়াম জয়েনারি (Aluminium

ফল্স সিলিং (False Ceiling)

ফল্স সিলিং এমন একটি সিলিং যা উপরের ফ্লোর স্লাবের চেয়ে নিচু হয় যা সার্ভিস বা ডাক ওয়ার্কের জন্য আড়াল তৈরি করে বা উপরের অসুন্দর নির্মাণ অংশ ঢেকে রাখে। এটি ঝুলন্ত সিলিং হতে পারে। আবার সিলিং এর সাথে যুক্ত হতে পারে। বর্তমান সময়ে অফিস, শোরুম বা বেজমেন্টে এর ব্যবহার বেশি। ফল্স সিলিং-এর প্রকারভেদ ফল্স সিলিং-এর ফিনিশিং

সিরামিক ব্রিকস ও টাইলস্ এর ব্যবহার ক্ষেত্র

সিরামিক ব্রিকস-এর ব্যবহার ক্ষেত্র: ১. লোড বিয়ারিং এবং ফেসিং ওয়ালে ব্যবহৃত হয় যেখানে প্লাস্টারিং ও রং করার প্রয়োজন পড়ে না। চিত্র ১০ হোল ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিক, স্ট্যান্ডার্ড সাইজ সলিড ব্রিক ২. উল্লম্ব এবং পার্শ্ব ভার বহন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য স্টিলের রড ব্যবহার করে গাঁথুনি করতে। চিত্র  : মাল্টিকোরড ব্রিক, ৩ হোল রিইনফোসিং ব্রিক ৩. সৌন্দর্যের জন্য

সিরামিক ব্রিকস ও টাইলস-এর গুণাগুণ

সিরামিক ব্রিকস-এর গুণাগুণ   : পানি শোষণ ক্ষমতা ৫% থেকে ১০ % হয়ে থাকে। সাধারণ ইট অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী। ক্রাশিং স্ট্রেন্থ ৩৫০০ থেকে ৫০০০ পাউন্ড/ইঞ্চি২ সকল ইটের মাপ সঠিক ও নিখুঁত। এর রং এক ধরনের এবং কিনারাগুলো ধারালো হয়। সাধারণ ইট অপেক্ষা বেশি আকর্ষণীয়। দেয়াল তৈরিতে প্লাস্টার বা পয়েন্টিং-এর প্রয়োজন হয় না। রঙিন সিরামিক ইট ব্যবহার করে

টাইলস এর কাজের পদ্ধতি

১. ফ্লোর মাপা: যাতে টাইলস, মর্টার, গ্রাউট, বেকিং বোর্ড ইত্যাদি পরিমাণমতো যোগার রাখা যায়। ২. নিচের স্তর তৈরি করা: নিচের জিনিস যেমন বাথরুমের ফিটিংস বসানোর হোল বা ছিদ্র, লেভেলিং-এর জন্য সিমেন্ট বোর্ডকে প্রয়োজনমতো তৈরি করে নিতে হবে। ৩. এবার টাইলসের লে-আউট চূড়ান্ত করতে হবে। ৪. টাইলসকে প্রয়োজনমতো কাটতে হবে। ৫. কাটা টাইলস স্থাপন করতে হবে।

খিলান বা আর্চ (Arch)

ওয়েজ আকৃতির ইট বা পাথরের ব্লককে মসলার সাহায্যে বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে দেয়ালের কোনো ফোকর বা দরজা-জানালার উপর এর উপরের ভার বহন করার জন্য বা সৌন্দর্যের জন্য অর্ধগোলাকৃতি বা ধনুকাকৃতির যে কাঠামো নির্মাণ করা হয় তাকে আর্চ বা খিলান বলে। আর্চের তালিকা আর্চকে বিভিন্নভাবে শ্রেণিবিভাগ করা যায়। যথা:- আকৃতি অনুসারে। কেন্দ্রের সংখ্যা অনুসারে। নির্মাণ উপকরণ অনুসারে।

অ্যাবাটমেন্ট ও পায়ার (Abutment & Pier)

অ্যাবাটমেন্ট সেতুর দুই প্রান্তের রিটেইনিং ওয়ালের অনুরূপ কাঠামো। এটা সেতু কাঠামোর ভার বহনসহ দু’পার্শ্বের পাড়কে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করে। পায়ার হলো একাধিক স্প্যান বিশিষ্ট সেতু বা কালভার্টের মধ্যবর্তী খুঁটিসমূহ। অ্যাবাটমেন্ট ও পায়ার অ্যাবাটমেন্ট (Abutment) : সেতু বা কালভার্টের শেষ প্রান্তের দেয়ালের বা সাপোর্টকে অ্যাবাটমেন্ট বলে। এটা সেতুর ওজন এবং এতে আগত সকল লোডের ওজন