ব্লগ/রচনা

ভাল ইটার বৈশিষ্ট্য

বিভিন্ন ধরনের ইট রয়েছে। তবে কাদা মাটির ইটাই বেশি পরিচিত ইট হিসাবে। নিচে এদের কিছু বৈশিষ্ট্য দেয়া হলো

১। খুব বেশি পানি শোষণ করবে না
২। নখ দিয়ে আঁচড় দেয়া যাবে না
৩। এর ধারগুলো সমান এবন একই ধরনের হবে।
৪। মসলা ধরার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ সরন্ধ্র  থাকবে
৫।  4000 পি এস আই এর বেশি বার বহন এর ক্ষমতা থাকবে
৬। ৩ ঘণ্টা পানিতে চুবিয়ে রাখলে গলে যাবে না
৭। হাটুর দিয়ে আঘাত করলে ধাতব্য শব্দ দিবে
৮। রঙ টকটকে হবে
৯। সাধারণ আকার হবে ৯.৫" X ৪.৫" X ২.৭৫"

আধুনিক বাথরুম

বিভিন্ন ধরনের বাথরুম আসবাব এবং উপকরন এর কারণে বর্তমান গোসলখানা আগের চেয়ে অন্যরকম। নিচের ছবি দেখে কিছুটা বোঝা যাবে।

New concept of Modern Bathrooms

আধুনিক গোসলখানা

FAR এবং MGC আবাসিক বাড়ি এবং হোটেল এর জন্য

সারণী-৩ (ক)
ইমারতের জন্য রাস্তার স্বাভাবিক প্রস্থ, ফোর এরিয়া অনুপাত (FAR) এবং সর্বোচ্চ ভুমি আচ্ছাদন (MGC) ঃ
[Type: A (A১-A৫)আবাসিক বাড়ী ও হোটেল

 

প্লটের পরিমান
ব:মি: বা উহার নীচে

ইমারতের শ্রেণী- A৪) [১] 
(আবাসিক বাড়ি)

ইমারতের শ্রেণী- (A৫) [২]
(আবাসিক হোটেল)

ট্যাগ

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং

সংজ্ঞা:

ডিজাইন, কনস্ট্রাকশন এবং রক্ষণাবেক্ষন এর প্রকৌশলী বিজ্ঞান।
প্রকৌশল জ্ঞান এর মা বলা হয়। সবচেয়ে পুরান, বড় এবং সকল প্রকৌশল জ্ঞানের সমন্বয়।

এর ভাগগুলি নিচে দেয়া হলো:

ড্যাম্প

সংজ্ঞা :

দেয়াল, ফ্লোর,ছাদ  ইত্যাদি দিয়ে বিল্ডিং এর মধ্যে পানি প্রবেশ করা এবং ভেজা ভেজা ভাব থাককে  ড্যাম্প বলে।

বিল্ডিং এর উপর এর প্রভাব:

  1. কাঠ নষ্ট করে

  2. ধাতুতে মরিচা ধরায়

  3. ইলেক্ট্রিক তার এর ইনসুলেশন নষ্ট করে

  4. কার্পেট ও আসবাবপত্র ক্ষয় হয়

  5. ওয়াল এবং মেঝেতে দাগ পড়ে

রঙ এর গঠন তন্ত্র

রঙ

ধাতু, কাঠ আথবা প্লাসটার কে রক্ষা করার জন্য রঙ ব্যাবহার করা হয়। সৌন্দর্য্য বৃদ্ধির জন্যও এটি ব্যাবহার করা হয়।

রঙ এর গঠন তন্ত্র

তৈল রঙ এর মৌলিক উপাদান :

কখন এবং কিভাবে রং করতে হয়

ধাপগুলো নিচে দেওয়া হল

১। সিলিং বা ছাদের তলা

আলোক উৎস থেকে শুরু করতে হবে, যেমন জানালা।

২। দেওয়াল

সিলিং একটি লাইন দিয়ে বাগ করতে হবে। তারপর উপর থেকে ১ বর্গ মিটার এলাকা উপর-নিচ করে রং করতে হবে।

৩। জানালা

ফ্রেম এর আগে শার্শি রং করতে হবে। প্রয়োজনে কাঁচ ঢেকে দিতে হবে।

৪।  দরজা

ফ্রেম আগে রং করতে হবে।

ট্যাগ

বার্নিশ, প্লাস্টার এবং ডিস্টেম্পার

বার্নিশ

এটি স্বচ্ছ তরল, যা রঙ এর মতই প্রতিরোধক হিসাবে কাজ করে। রঙ এবং বার্ণিশ এর মধ্যে পার্থক্য হলো, বার্ণিশ এর বস্তুর আসল রং দেখায় (যেই বস্তুর উপর দেয়া হয় এবং অনেক সময় কিছুটা পরিবর্তন ও চকচকে হয়)।

সাধারণত রঙ এর মধ্যে যেই উপাদান থাকে, বার্ণিশ এও একই উপাদান থাকে।

বার্ণিশ সাধারণত কাঠে ব্যাবহার করা হয়। সুকবা তৈল , রজন এবং থিনার দিয়ে তৈরি।

ভাল রঙ এর বৈশিষ্ট্য

১ টেকসই :

অবহাওয়ার কারণে রঙ এর বৈশিষ্ট ঠিক থাকবে। যেমন এর রঙ,  মসৃনতা এবং জীবনকাল দীর্ঘ সময় ধরে ঠিক থাকবে।

২ ছড়ানোর বা ঢাকার ক্ষমতা :

রঙ সব জয়গাই সমান ভাবে ছড়াবে। 

৩ পরিস্কার করার ব্যবস্থা :

পরিস্কার করার ক্ষমতা থাকবে। পরিস্কার করার সময় এর গুণাগুণ ঠিক থাকবে।

৪ পরিবেশ বান্ধব :

পরিবেশ বান্ধব হতে হবে যেন এর ব্যাবহার এ পরিবেশ এর কোনও ক্ষতি না হয়

৫ সৌন্দর্য্য :

অবশ্যই দেখতে সুন্দর হতে হবে। এর ব্যাবহার এর কারণে যেন দেখতে খারাপ না লাগে 

৬ বাস্তবিক এবং সাশ্রয়ী হতে হবে :

দাম অবশ্যই কম হতে হবে এবং ব্যাবহার উপযোগী হতে হবে।