Editor Choice

Featured post

Nov 12

Continue reading
Top Viewed

Post title

Nov 11

This is a wider card with supporting text below as a natural lead-in to additional content.

Continue reading
Card image cap
Card image cap
কংক্রিট মিক্স ডিজাইন-উদাহরণ (এ.সি.আই)
engr.tushar - 17 Mar 2014

কলামের জন্য কংক্রিট তৈরি করতে হবে। যার স্ট্রেন্থ হবে 4000  পি.এস.আই, এগ্রিগেটের সাইজ 20 মিমি ডাউন গ্রেড বা 3/4 ডাউন গ্রেড, এগ্রিগেটের ড্রাই রডেড ওজন 1600 কেজি/ঘনমিটার. বালির এফ.এম 2.8. সিমেন্ট টাইপ - সাধারণ পোর্টল্যান্ড সিমেন্টসমাধান: (এ. সি. আই অনুসারে)সাধারণ কাজের জন্য নন-এয়ার এনট্রেইনিং কংক্রিট ব্যবহার করতে হয়। আপেক্ষিক ঘনত্ব সিমেন্ট, কোর্স এগ্রিগেট ও ফাইন এগ্রিগেট এর যথাক্রমে 3.15, 2.68 এবং 2.64।

কনস্ট্রাকশনের ধরণস্লাম্প
(mm)(inches)
Reinforced foundation walls and footings25 - 751 - 3
Plain footings, caissons and substructure walls25 - 751 - 3
Beams and reinforced walls25 - 1001 - 4
Building columns25 - 1001 - 4
Pavements and slabs25 - 751 - 3
Mass concrete25 - 501 - 2

উপরের টেবিল থেকে পাই স্ল্যাম্প হতে হবে 25-100 মিমি। আমরা ধরে নিলাম স্ল্যাম্প 90 করবো

 

প্রতি ঘণমিটারে পানির প্রয়োজন

স্ল্যাম্প

9.5 mm
(0.375 in.)

12.5 mm
(0.5 in.)

19 mm
(0.75 in.)

25 mm
(1 in.)

37.5 mm
(1.5 in.)

50 mm
(2 in.)

75 mm
(3 in.)

100 mm
(4 in.)

বাতাস / বায়ু মুক্ত কংক্রিট

25 - 50

207

199

190

179

166

154

130

113

75 - 100

228

216

205

193

181

169

145

124

150 - 175

243

228

216

202

190

178

160

-

বাতাসের পরিমান (শতকরা)32.521.510.50.30.2

এখানে আমাদের এগ্রিগেট সাইজ 19 মিমি, স্লাম্প 90 সুতরাং উপরের চার্ট থেকে প্রতি ঘনমিটারে পানি লাগবে 205 কেজি এবং বাতাস হবে 2 শতাংশ

28 দিনে স্ট্রেন্থ এম.পি.এ(পি.এস.আই)সিমেন্ট-পানি অনুপাত ওজন অনুসারে
নন-এয়ার এনট্রেইনড /  বাতাস মুক্ত
41.4 (6000)0.41
34.5 (5000)0.48
27.6 (4000)0.57
20.7 (3000)0.68
13.8 (2000)0.82

সিমেন্ট-পানির অনুপাতের চার্ট (উপরের চার্টটি) থেকে আমরা পাই 0.57, সুতরাং প্রতি ঘনমিটারে সিমেন্ট লাগে 205/0.57=359.65 কেজি

বিভিন্ন ধরণের ফাইন এগ্রিগেটের এফ.এম ও কোর্স এগ্রিগেটের সাইজের উপর ভিত্ত করে প্রকি একক ঘনআয়তনে কোর্স এগ্রিগেটের পরিমান 
এগ্রিগেটের নমিনাল সর্বোচ্চ আকার ফাইন এগ্রিগেটের এফ.এম
2.402.602.803.00
9.5 mm (0.375 inches)0.500.480.460.44
12.5 mm (0.5 inches)0.590.570.550.53
19 mm (0.75 inches)0.660.640.620.60
25 mm (1 inches)0.710.690.670.65
37.5 mm (1.5 inches)0.750.730.710.69
 50 mm (2 inches)0.780.760.740.72

উপরের চার্ট থেকে পাই প্রতিঘনমিটার এর কোর্সএগ্রিগেটের পরিমান হবে 0.62 ঘনমিটার। যেহুতে বলা আছে যে এগ্রিগেটের ওজন 1600 কেজি/ঘনমিটার, সুতরাং প্রয়োজনীয় এগ্রিগেটের ওজন 0.62 X 1600=992 কেজি। উপরের প্রাপ্ত তথ্যাদি থেকে আমরা পাই

সিরিয়ালমালামালওজন (কেজি) প্রতি ঘনমিটার এআয়তন (ঘন সেমি) প্রতি ঘনমিটার এঘনফুট প্রতি ঘণমিটারে
1সিমেন্ট359.65

(359.65/3.15) X 10^3

=114.17X 10^3
4.03
2পানি205205  X 10^37.24
3পাথর992

(992/2.68) X 10^3

=370 X 10^3

13.07
4বাতাস2%20 X 10^30.71
বালি বা ফাইন এগ্রিগেট ছাড়া মোট আয়তন709.17 X 10^3 25.04
সুতরাং বালির আয়তন(1000-709.17) X 10^3=290.83  X 10^310.27

উপরের তালিকাটি শুষ্ক কংক্রিট এর জন্য, কিন্ত ভেজা কংক্রিট বা জমাট বাধা কংক্রিট এর জন্য হিসাব করতে হবে 54 শতাংশ বেশি।

প্রতি ঘনমিটার কংক্রিটে সিমেন্ট লাগবে 4.03 X 1.54 = 6.21 ঘণফুট = 4.97 ব্যাগ

বালি লাগবে 10.27 X 1.54 ঘনফুট = 15.82 সি.এফ.টি

পাথর লাগবে 13.07 X 1.54 = 20.12 সি.এফ.টি

Card image cap
বিআরটিসি (বুয়েট) টেষ্টিং সার্ভিস পাওয়ার জন্য করণীয়
engr.tushar - 14 Mar 2014

১. টেষ্ট এর নাম উল্লেখসহ “পরিচালক, বিআরটিসি, বুয়েট” বরাবরে চিঠি লেখা (যোগাযোগের জন্য চিঠিতে অবশ্যই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা/প্রকৌশলীর মোবাইল নম্বরটি লেখা) 

২. চিঠিটি বিআরটিসি অফিসে (কাউন্সিল ভবনের নীচ তলা, সংযুক্ত ক্যাম্পাস ম্যাপটি দেখুন) জমা দিয়ে বিআরটিসি নম্বর নেয়া 

৩. ল্যাবরেটরীতে টেষ্ট স্যাম্পল জমা দেয়ার সময় স্যাম্পলের গায়ে বিআরটিসি নম্বরটি অবশ্যই লেখা 

৪. আপনার টেষ্ট স্যাম্পল সংশ্লিষ্ট ল্যাবরেটরী থেকে রিসিভ করানো 

৫. বিআরটিসি নম্বর সহ চিঠিটি টেষ্ট-ইন-চার্জের রুমে (রুম নং ৪০৮, ৪র্থ তলা, পুরকৌশল ভবন) এনে,

  • টেষ্ট ফি জেনে নেয়া এবং ব্যাংক ডিপোজিট সিøপ সংগ্রহ করা 
  • টেষ্ট রিপোর্ট পাওয়ার সম্ভাব্য তারিখ জেনে নেয়া 

৬. ব্যাংক ডিপোজিট সিøপটি সোনালী ব্যাংক, বুয়েট শাখায় টাকা জমা দিয়ে রশিদের অংশ সংগ্রহে রাখা এবং চিঠিতে টাকা জমা দেওয়ার স্ক্রল নম্বর সহ অন্যান্য তথ্য (সীল দেওয়া অংশে) পূরণ করে কনক্রিট ল্যাবে রক্ষিত বক্সে চিঠিটি রাখতে হবে। 

৭. টাকা জমা দেওয়ার রশিদ দেখিয়ে নির্ধারিত দিনে টেষ্ট রিপোর্ট রুম নং ৪০৮, ৪র্থ তলা, পুরকৌশল ভবন থেকে সংগ্রহ করা (টেষ্ট রিপোর্ট প্রস্তুত আছে কিনা সে বিষয়ে বিআরটিসি নম্বর উল্লেখ করে নিম্নের নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে) 

৮. টেষ্ট রিপোর্ট পাওয়ার পর পরই রিপোর্টিং এ কোন রকম ভুল ভ্রান্তি আছে কিনা তা ভালভাবে দেখে নেয়া। 

 

যোগাযোগের জন্যঃ 

প্রফেসর ডঃ মোঃ সামছুল হক, টেষ্ট-ইন-চার্জ, পুরকৌশল বিভাগ 

মোবাইলঃ ০১৮১৯ ৫৫৭৯৬৪ 

ফোনঃ ৯৬৬ ৫৬৫০-৮০/৭২২৬; ফ্যাক্সঃ ৯৬৬ ৫৬৩৯ 

ওয়েবঃ http://www.buet.ac.bd/ce/ 

বিআরটিসি অফিস সময়সূচী 

শনিবার থেকে বুধবার সকাল ৯টা হতে বিকাল ৫টা 

বৃহষ্পতিবার সকাল ৯টা হতে দুপুর ১টা 

Card image cap
বুয়েটের ম্যাটেরিয়াল টেস্টিং এর জন্য চিঠির নমুনা
engr.tushar - 14 Mar 2014

Date: _____________ 

 

Director 

BRTC 

BUET 

Dhaka – 1000 

 

ATTN: MME Dept 

 

Subject: Request for conducting _________________ test 

 

Dear Sir, 

 

We request you to conduct the following tests. The samples are in sealed/unsealed condition. 

(a) _______________________ 

(b) _______________________ 

 

All test fees will be paid as per your rules and regulations. 

 

 

Kind Regards, 

 

_______________ 

 

Name: ___________________________ 

Designation: ______________________ 

Company Name: __________________________________________________ 

Company Address: ________________________________________________ 

Telephone Number: ________________ 

Mobile Number: ___________________ 

Card image cap
তিন তরুণ প্রকৌশলীর রেললাইন নিরাপত্তা
engr.tushar - 13 Mar 2014

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রেল পরিবহন। টানা হরতাল এবং অবরোধে রেললাইনের বিভিন্ন স্থানে স্লিপার তুলে ফেলে রেললাইন অকার্যকর করা হয়ে উঠেছিল নৈমিত্তিক ঘটনা। দেশের বিস্তৃত প্রায় সাড়ে চার হাজার কিলোমিটার রেলপথে পুলিশ পাহারা বসিয়ে এ ধরনের নাশকতা রোধ করার চিন্তাটা অনেকটাই অবাস্তব। এর বাইরে রেল কর্তৃপক্ষের কাছে এমন কোনো প্রযুক্তি নেই, যার মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে জানা সম্ভব রেললাইনের কোনো অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না। ঠিক এই ধরনের একটি পরিস্থিতিতেই রেলপথ কী করে সুরক্ষিত রাখা যায়, তেমন চিন্তা থেকেই একদল তরুণ উদ্ভাবন করেছে এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবেই জানা সম্ভব রেল লাইনের কোনো অংশে স্লিপার অপসারিত হয়েছে কি না।

এই উদ্ভাবনের পেছনে যে দলটি কাজ করেছে, তার মধ্যে রয়েছেন মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) প্রাক্তন দুই শিক্ষার্থী আসিফ ইকবাল রাতুল ও ইসতাকুর রহমান এবং সেখানকার বর্তমান শিক্ষার্থী মো. আলভী নূর। রেললাইন অপসারণ শনাক্তকরণ ডিভাইসের এই প্রজেক্টটির নাম তারা দিয়েছে 'প্রজেক্ট সেফলাইন'। প্রজেক্ট সেফলাইন মূলত আরডুইনো-নির্ভর জিএসএম মডিউল সংযুক্ত একটি ডিভাইস। যদি রেললাইনের কোন স্লিপার অপসারিত হয় তবে এটি সাথে সাথে তা শনাক্ত করতে পারে এবং ঠিক কোথায় স্লিপারটি অপসারিত হয়েছে তার অবস্থান এসএমএস-এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থা এবং স্টেশনে সাথে সাথেই জানিয়ে দিতে সক্ষম হবে।

প্রজেক্ট সেফলাইন কীভাবে কাজ করে সে সম্পর্কে জানতে চাইলে আসিফ ইকবাল রাতুল বলেন, 'পুরো সিস্টেমটি মূলত কাজ করে ক্লোজ-লুপ সিস্টেমে লুপ-কারেন্ট ব্যাবহার করে। এখানে পরিপূর্ণ রেললাইনটি একটি ক্লোজ-সার্কিট হিসেবে কাজ করে। রেললাইনের কোনো স্লিপার অপসারিত হলে রেললাইনটি ওপেন-সার্কিটে পরিণত হয় এবং সিস্টেমের আরডুইনো বোর্ড তা নির্ণয় করে। এরপরই নির্দিষ্ট জোনের আরডুইনো বোর্ডটি ওই জোনের 'রেললাইন স্লিপার অপসারিত হয়েছে' এমন একটি সতর্কীকরণ বার্তাসহ পূর্বনির্ধারিত মোবাইল নম্বরসমূহে এসএমএস পাঠানোর জন্য জিএসএম মডিউলকে নির্দেশ দিবে। সাথে সাথেই জিএসএম মডিউল মোবাইল নম্বরসমূহে এসএমএস পাঠিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দেবে। এইভাবে তিন মিনিট অন্তর অন্তর সিস্টেমটি রেললাইন ওপেন কি না তা পরীক্ষা করে এবং এসএমএস পাঠাতে থাকে। ফলে সার্বক্ষণিকভাবেই মনিটর করা সম্ভব হয় রেললাইনের কোনো স্থানে কোনো সমস্যা রয়েছে কি না।'
রাতুল জানান, প্রজেক্ট সেফলাইনের সিস্টেমটি তৈরির পর তারা একটি 'ডামি রেললাইন' তৈরি করে পুরো সিস্টেমের কার্যকারিতা পরীক্ষা করেন এবং তাতে সন্তোষজনক ফলাফল পাওয়া যায়। বাংলাদেশে রেল স্টেশনগুলোর দূরত্ব একটি থেকে অন্যটি বেশি না হওয়ায় প্রাথমিকভাবে প্রতিটি স্টেশনে একটি করে মডিউল বসালেই গোটা দেশের পুরো রেলপথ একটিমাত্র নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব বলে জানান তিনি। তবে রেল স্টেশনগুলোর মধ্যেকার দূরত্ব ৫ কিলোমিটারের বেশি হলে এর মধ্যবর্তী স্থানে বাড়তি মডিউল স্থাপন করতে হবে বলে জানান তিনি। কেবল নাশকতাই নয়, যেকোনো দুর্ঘটনার কারণে স্লিপার অপসারিত হওয়ার ঘটনা এই সিস্টেমের মাধ্যমে সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব জানিয়ে প্রজেক্টের আরেক সদস্য ইসতাকুর রহমান বলেন, 'এই সিস্টেমটি সারাদেশের রেললাইনকে নিরাপদ রাখতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সক্ষম। আর এই সিস্টেম স্থাপন এবং রক্ষণাবেক্ষণও খুব বেশি ব্যয়বহুল নয়। তাই রেল কর্তৃপক্ষ এই ডিভাইসগুলোকে স্থাপন করলে তা সার্বিকভাবে রেললাইনের নিরাপত্তায় একটি মাইলফলক হিসেবেই গণ্য হবে।'
এই প্রজেক্টের তিন সদস্যের পড়ালেখাই অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে। নিজেদের পড়ালেখার পাশাপাশি নানা ধরনের প্রজেক্ট নিয়েই ব্যস্ত সময় কাটে তাদের। রেললাইন নিরাপদ রাখার এই প্রজেক্টটি তারা সম্পূর্ণ নিজেদের খরচেই করেছেন দেশের নিরাপত্তার স্বার্থেই। ভবিষ্যতে প্রযুক্তিগত আরও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্রত নিয়েই কাজ করে যাচ্ছেন তারা। সারাবিশ্ব যেভাবে প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশও যে পিছিয়ে নেই, সেটি প্রমাণ করাও তাদের অন্যতম লক্ষ্য। প্রাতিষ্ঠানিক এবং আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা পেলে দেশকে আরও এমন অনেক উদ্ভাবনে উদ্ভাসিত করতে পারবেন বলে আত্মবিশ্বাসী এই তরুণদল। সুত্র: http://www.ittefaq.com.bd/index.php?ref=MjBfMDNfMTJfMTRfNF80MV8xXzExNTEwMQ%3D%3D

 

 

 

 

 

 

 

Card image cap
ফাউন্ডেশনের কার্যকারিতা
engr.tushar - 13 Mar 2014

ফাউন্ডেশন একটি বিল্ডিং বা কাঠামোর জন্য অনেক গুরুত্বপুর্ণ। কিন্তু কেন এই ফাউন্ডেশন ? এটি না করলে কি হতো ? আসুন ফাউন্ডেশনের কার্যকারীতা সম্পর্কে কিছু জানি

  • ভার বহনের তিব্রতা কমানোর জন্য। যেমন ধরুন একটি কলামে লোড আসলো ৩৮৪ কিলো পাউন্ড। এবং এই কলামের সাইজ ধরে নিলাম ১৬ ইঞ্চি এবং ১২ ইঞ্চ। এখন তাহলে কলামের ক্ষেত্রফল ১৬ X ১২ = ১৯২ বর্গ ইঞ্চ। তাহলে প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে লোড আসলো ৩৮৪/১৯২ = ২ কিলো পাউন্ড বা ২০০০ পাউনড। এখন এই লোড যদি সরাসরি মাটির উপর দেয়া হয়, তাহলে মাটি সেই লোড নিতে পারবে না। কলাম মাটি ভেদ করে বা ছিদ্র করে নিচে চলে যাবে। ধরি মাটির বিয়ারিং ক্যাপাসিটি ২ টি.এস.এফ বা ২ X ২০০০ = ৪০০০ প্রতি বর্গ ফুটে বা  ৪০০০/১৪৪ = ২৮ পাউন্ড প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে। সুতরাং এখানে দেখতে পাচ্ছি যে মাটির ক্ষমতার চেয়ে কলামের অর্পিত  বিল্ডিং এর লোড ২০০০/২৮ = ৭২ গুন বেশি। সুতরাং এই তিব্রতা কমানোর জন্য কলামের সাইজ ৭২ গুন বাড়িয়ে দিতে হবে। তাই ফাউন্ডেশনের আকার হবে ৭২ X ১৯২ = ২৩০৪ বর্গ ইঞ্চ বা ২৩০৪/১৪৪ = ১৬ বর্গফুট।
  • সমভাবে লোড ছড়ানো। যেমন ধরুন দুইটি কলাম আছে এবং একটি কলামের লোড অপেক্ষা অন্য কলামের লোড বেশি। কম্বাইন ফাউন্ডেশন এ এই দুইটি কলামের লোড একটি ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সমভাবে ছড়িয়ে দেয়া হয়। অথবা একাধিক কলামের বিভিন্ন লোড ম্যাট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে মাটিতে সমভাবে ছড়ানো হয়, যদিও বিভিন্ন কলামের লোড বিভিন্ন হয়।
  • ফাউন্ডেশন একটি সমান পাটাতন তৈরি করে যার উপর কাঠামোটি দাড় করানো হয়। 
  • এটি কাঠামোকে মাটির সাথে আটকে রাখে। যাতে করে আনুভুমিক লোড (ভুমিকম্প, বাসাতের লোড বা কম্পনের) এর কারণে কাঠামোটি সরে না যায়
  • কাঠামোর তলার মাটিকে সরে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। এতে করে কাঠামো ঝুকি মুক্ত হয়।

Card image cap
সাইট ব্যবস্থাপনার কিছু বিষয়
engr.tushar - 09 Mar 2014

অপচয় ,চুরি এবং নষ্ট হওয়া প্রতিরোধ করা বা নিয়ন্ত্রন করার উপর সাইট ব্যবস্থাপনার বিষয়টি বেশি গুরুত্বপুর্ণ। এই বিষয়টির উপর সাইটের খরচের পরিমান বেশি নির্ভর করে। তাই সঠিকভাবে এই বিষয়কে গুরুত্ব দেয়া আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপুর্ণ। নিচে এই বিষয়ে কয়েকটি সাধারণ উপায় দেয়া হলো।

  • কংক্রিটের বালি, মর্টার আলাদা জায়গায় এবং নিরাপদ দুরত্বে রাখতে হবে। সম্ভব হলে যেখানে কাজ করা হবে তার কাছাকাছি রাখতে হবে। বালি ও মর্টার রাখার  জন্য পাটাতন তৈরি করে নিতে পারলে ভাল হয়। এই জন্য পরিস্কার ফ্লোর বা দুর্বল কংক্রিটের ভিত বা বিছানা করা যেতে পারে। এতে করে এর মধ্যে ময়লার মিশ্রণ রোধ হবে। 
  • সিমেন্ট বাহিরে না রেখে ভেতরে রাখা ভাল। তবে প্রয়োজনে বাইরে রাখতে হলে ভাল করে সেড বা আচ্ছাদন করে নিতে হবে। ভেতরে বা বাইরে উভয় ক্ষেত্রেই একটু উচু কোন তলার উপর রাখতে হবে সিমেন্ট। কাঠের পাটাতান, ইটের বিছানা, কংক্রিটের বিছানা বা অন্য কোন উপায়ে এই ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এতে করে পানি থেকে বাচানো যাবে। কেননা বৃষ্টি বা ফ্লোর ধোয়ার সময় সাধারণত সমস্যা হয়ে থাকে। তাই এই বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে। বাহিরের আচ্ছাদন পলিথিন দিয়ে করা যেতে পারে। তবে সেই ক্ষেত্র খুব সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
  • ইট রাখতে হবে কোন সুষ্ক জায়গাতে। যাতে করে বৃষ্টির সময় অনবরত ভিজতে না পারে। কাদা-মাটি থেকেও ইটকে দুরে রাখতে হবে এবং ড্যাম্প যেন না হয় সেই জন্য আলো-বাতাস চলাচলের স্থানে রাখাই ভাল
  • ছোট প্রজেক্টের জন্য হাতে বা মিক্সার মেশিনে কংক্রিট তৈরি করা যেতে পারে। তবে বড় ঢালাই এর ক্ষেত্র অবশ্যই রেডিমিক্স কংক্রিট ব্যবহার করতে হবে। এবং রেডিমিক্স এর জন্য পাম্প ব্যবহার করতে হবে। পাম্প ছাড়া কংক্রিট ঢালতে গেলে মানুষ অনেক লাগবে এবং এর ফলে রিক্স হবে বেশি , সময বেশি লাগবে এবং কংক্রিটের গুণাগুণ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।
  • কোন মালামাল কোন সময় লাগবে তার একটা তালিকা তৈরি করে নিতে হবে। এতে করে সঠিক সময়ে সঠিক মালামাল পাওয়া যাবে। নতুবা কাজের সময় বিভিন্ন ধরণের বাধা সৃষ্টি হবে। বি.ও.কিউ করে নিতে পারলে খুব ভাল হয়। এবং এর সাথে সাথে বিস্তারিত এস্টিমেট করতে পারলে কাজের গতি এবং টাকার যোগান সহজ হয়।
  • রাবিশ বা ময়লার জন্য একটি নির্দিষ্ট স্থান নির্বাচন করতে হবে। সময়মত এই রাবিশ বা ময়লা সরিয়ে ফেলতে হবে।
  • কাঠ ও এলুমিনিয়ামের ফ্রেম বা অন্য কোন উপাদান এর জন্য নিরাপত্তা বাঁধ দিতে হবে। তা না হলে লোহার বা শক্ত কোন কিছু আনা-নেওয়ার সময় এর ধারগুলো নষ্ট হয়ে যায়। এই বাধ কাঠ বা রাবার বা অন্য কোন কিছু দিয়ে করা যেতে পারে। কাঠের ফ্রেমের জন্য সাধারণত কাঠের পাতলা বাটাম ব্যবহার করা হয়।
  • বিভিন্ন মালামালের হিসাব দৈনিক করতে হবে এবং মাসিক প্রতিবেদন তৈরি করতে হবে। 
  • মালামাল পরিকল্পনা অনুযায়ি ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা সেই বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।
  • দামি মালামাল অবশ্যই সুরক্ষিত স্থানে রাখতে হবে। তা না হলে চুরি বা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • ইলেক্ট্রিক্যাল কাজের সময় তার চুরি একটি বড় সমস্যা। সেই জন্য তার টানার পর সেগুলির দিকে নিয়মিত খেয়াল রাখতে হবে।
  • সাইট যথাসম্ভব পরিস্কার রাখতে হবে। এতে করে কাজের পরিবেশ ভাল থাকে ও কাজের পরিমান বেড়ে যায়।
  • সাইটে ফাস্ট এইড বক্স রাখতে হবে। এতে দুর্ঘটনার ফলে ক্ষতির পরিমান কিছুটা কমবে।
  • নিয়মিত প্রজেক্ট ইতিহাস লিখতে হবে। এই ইতিহাস বা কার্যবিবরণির মধ্যে থাকবে প্রতিদিন কাজের সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

Card image cap
বিভিন্ন ধরনের সিমেন্ট এর গঠন এবং কার্যকারিতা
engr.tushar - 08 Mar 2014

সিমেন্ট এর প্রকারগঠনউদ্দেশ্য
র‍্যাপিড হার্ডেনিং
লাইম বা চুনের পরিমান বেশি
খুব তাড়াতাড়ি শক্ত হয়। যেখানে দ্রত ফর্মওয়ার্ক সরিয়ে ফেলতে হয় সেখানে এটি ব্যবহার করা হয়।
কুইক সেটিং
সামান্য পরিমান এলুমিনিয়াম সালফেট বাড়ানো হয় এবং জিপসাম এর পরিমান কমানো হয়।
অল্প সময়ে কাজ শেষ করার জন্য। সাধারণত পানির মধ্যে এই ধরণের সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়।
লো হিট
ট্রাই ক্যালসিয়াম এলুমিনেট এর পরিমান কমিয়ে
অনেক বড় ঢালাই এর কাজে, যেমন ড্যাম বা বাধ নির্মাণ
সালফেট রেজিসটিং
ট্রাই ক্যালসিয়াম এলুমিনেট এর পরিমান ৬ শতাংশের নিচে নিয়ে আসা
অত্যাধিক সালফেট এর সংস্পর্শে থাকার সম্ভাবনা থাকলে, পানি বা মাটির নিচে সাধারণত । যেমন ক্যানেল এর ধার, রিটেইনিং ওয়াল ইত্যাদি
ব্ল্যাস্ট ফার্ণেস স্ল্যাগ
৬০ শতাংশ স্ল্যাগ সহ ক্লিংকার গ্রিন্ডিং করে
খরচ কমাতে এর ব্যবহার করা হয়
হাই এলুমিনা
বাইঅক্সাইট এবং চুন এর মিশ্রনে, এর সেটিং টাইম সাড়ে তিন থেকে পাঁচ ঘন্টা
উচ্চ তাপ, ঠান্ডা-গরম এবং এসিডিক আবহাওয়া থাকলে
হোয়াইট
আয়রন অক্সাইড মুক্ত কাচামাল ব্যবহার করে
স্থাপত্যিক সৌন্দর্য্য এর জন্য
কালার্‌ড
সাধারণ সিমেন্ট এর সাথে বিভিন্ন খনিজ পদার্থ ব্যবহার করে
ডেকোরেটিভ বা সৌন্দর্য্য এর জন্য
পোজ্জলানিক
পোর্টল্যান্ড সিমেনট এর সাথে পৌজ্জালানিক ক্লিংকার ব্যবহার করে
পানিতে ব্যবহার করার জন্য
এয়ার এনট্রেইনিং
ক্লিংকার গুড়া বা গ্রিনডিং করার সময় খনিজ এবং অপরিশোধিত রেজিন, আঠা, সোডিয়াম লবন ইত্যাদি ব্যবহার করে
অল্প পানি ব্যবহার করেও কার্যউপযোগিতা বাড়ানো
হাইড্রোগ্রাফিক
পানিরোধী বিভিন্ন কেমিক্যাল ব্যবহার করে
কার্য্যউপযোগিতা এবং স্ট্রেন্থ অনেক বেশি

Card image cap
সহজে বাড়ি নির্মান- KSRM
engr.tushar - 06 Mar 2014

সহজে জেনে নিন বাড়ি তৈরির প্রক্রিয়া

১) ভালো জমি চেনা

বাড়ি বানানোর পরিকল্পনায় আপনার প্রথম ধাপ হবে উপযুক্ত জমি বেছে নেয়া। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, আর সিদ্ধান্তটি নেবার আগে আপনার অবশ্যই কয়েকটি 

জরুরি বিষয় মাথায় রাখা উচিত। বিষয়গুলো হচ্ছে:

 

  • আপনার জমিটি খুব উঁচু জায়গায় হলে বাড়ির ফাউন্ডেশন তৈরি করতে অতিরিক্ত খরচ, পরিশ্রম ও সময় লাগতে পারে
  • আপনার জমি খুব নিচু জায়গায় হলে সুয়্যারেজের সমস্যা আর পানিবদ্ধতা দেখা দিতে পারে
  • আপনার জমির মাটিতে বালির পরিমাণ বেশি হলে ফাউন্ডেশন মজবুত হবে না
  • আপনার জমিটি উঅচ-এর অন্তর্ভুক্ত কিনা তা নিশ্চিত করুন

 

নিজের ও প্রিয়জনদের জন্য একটি সুন্দর বাড়ি নির্মাণের স্বপ্ন আমরা সবাই দেখি। বাড়ি নির্মাণের স্বপ্নকে বাস্তব করার জন্য চাই পূর্ব-পরিকল্পনা আর প্রস্তুতি। সেই প্রস্তুতির একটা বড় অংশ হচ্ছে বাড়ি নির্মাণের জন্য কী কী করতে হয় তা আগে থেকে জেনে নেয়া। আপনার বাড়ি নির্মাণের কাজগুলো আরেকটু সহজ করে দেবার জন্যই কেএসআরএম-এর এই উদ্যোগ। বাড়ি নির্মাণের জন্য শুষ্ক, সমতল জমি সবচেয়ে উপযোগী। বিভিন্ন ধরনের জমির বৈশিষ্ট্য জেনে নেবার জন্য অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ নিন।

২) জমির এলাকার ব্যাপারে জেনে নেয়া

এছাড়াও যে এলাকাতে আপনার বাড়িটি হবে সে এলাকার ব্যাপারে আপনার কিছু তথ্য 

জেনে নেয়া জরুরি:

 

  • যে এলাকায় জমিটি কিনছেন সে এলাকাটি কি আপনার অফিস আর আপনার সন্তানের স্কুল/কলেজের কাছাকাছি?
  • যে এলাকায় জমি কিনছেন সেখানে কি আপনার প্রয়োজনীয় সুবিধাগুলো (যেমন বাজার / ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, হাসপাতাল/ক্লিনিক) পাওয়া যাবে?
  • যে এলাকায় জমি কিনছেন সেখানে কি উন্নত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা আছে?

 

৩) জমি কেনা

জমি নির্বাচন করার পর আপনার জমির বর্তমান মালিকের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। আইনগতভাবে জমি হস্তান্তর করার জন্য:

 

  • বিক্রেতাকে বলুন বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে মিউটেশন ফর্ম সংগ্রহ করে তা সঠিকভাবে পূরণ করে জমা দিতে। ফর্মটি ভূমি মন্ত্রণালয় অফিস বা তাদের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে (http://www.minland.gov.bd)
  • জমিটির হালনাগাদ ভূমিকর দেয়া আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন
  • বিক্রেতার কাছে জমিটির ভায়া দলিল আছে কিনা প্রশ্ন করুন। থাকলে তা ভালোভাবে পড়ে দেখুন এবং একজন ভালো উকিলকে দলিলগুলো দেখিয়ে তার পরামর্শ নিন।
  •  বাংলাদেশ সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে জমির তফসিল অনুযায়ী বিক্রেতা স্বাক্ষর করে জমি আপনার নামে হস্তান্তর করে দিবেন। আপনার স্বাক্ষর করে জমির মালিকানা 
  • নিয়ে নিন। আপনাকে জমির দলিল ও খতিয়ান দেয়া হবে। যদি জমিটির মালিকানা সরকারের কাছে থাকে, তাহলে তা পুরোপুরি কিনে নেয়া সম্ভব নয়। কিন্তু সরকারি জমি ৯৯ বছর পর্যন্ত ইজারা বা লিজ নেয়া যায়। সেই লিজের জন্য আপনার সাব-রেজিস্ট্রার অফিস থেকে অরিজিনাল অ্যালটমেন্ট লেটার সংগ্রহ করতে হবে।

 

৪) বাড়ি নির্মাণ

এবার আপনার বাড়ি নির্মাণের পালা। আর্কিটেক্ট আর ইঞ্জিনিয়াররা বাড়ি নির্মাণের ব্যাপারে আপনার বিশ্বস্ত বন্ধু এবং অভিজ্ঞ পরামর্শক হিসেবে কাজ করবেন। আপনার সরকারি অফিস থেকে বিভিন্ন ধরনের অনুমোদন আর দলিলপত্র সংগ্রহ করতে হবে, যেগুলোর বিবরণ নিচে দেয়া আছে। উলেখ্য যে, আপনি ঢাকার বাইরে অবস্থিত হলে রাজউক-এর বদলে আপনার সিটি করপোরেশনের বা পৌরসভার কাছ থেকে দলিলগুলো নিতে হবে। বাড়ি নির্মাণের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে আপনার যে কাজগুলো করতে হবে তা হচ্ছে:

প্রথমে কোনো অভিজ্ঞ ভূমি জরিপ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আপনার জমি জরিপ করিয়ে নিন। নিখুঁত জরিপের জন্য এখন ডিজিটাল জরিপ ব্যবস্থাও পাবেন।

আপনার জমির মাটির ধরনের ওপর আপনার বাড়ি নির্মাণের প্যান নির্ভর করবে, তাই সয়েল টেস্ট প্রথমেই করিয়ে নেয়া ভালো

রাজউক-এর সাথে রেজিস্টার করা কোনো আর্কিটেক্ট বা আর্কিটেকচার ফার্মের কাছে আপনার জমির দলিলপত্র আর ভূমি জরিপের তথ্য জমা দিতে হবে

আর্কিটেক্ট আপনাকে একটি হাউজ প্যান / বু প্রিন্ট দেবেন রাজউক অফিস থেকে এই প্যানের অনুমোদন নিয়ে আসতে হবে। আপনার হয়ে আর্কিটেক্টও এই কাজটি করতে পারেন

প্যান পাশ হয়ে যাবার পর আপনার বাড়ি নির্মাণকাজের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হবে। এ পর্যায়ে এসে:

  • একজন স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারের সাথে কথা বলুন
  • স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার আর্কিটেক্টের প্যান অনুসরণ করে আপনার বাড়ির স্ট্রাকচার ডিজাইন দেবেন সে ডিজাইন অনুযায়ী আপনার বাড়ির কাজ শুরু হবে

৫) বাড়ি নির্মাণের প্রয়োজনীয় উপকরণগুলো

বাড়ি নির্মাণের জন্য আপনার রড, সিমেন্ট, বালু, ইট-জাতীয় নির্মাণ সামগ্রীর প্রয়োজন হবে। আরো প্রয়োজন হবে কনট্র্যাকটর আর শ্রমিকের। শ্রমিক আর নির্মাণ সামগ্রীর ব্যাপারে আপনার ইঞ্জিনিয়ারের কাছ থেকে অবশ্যই পরামর্শ নিন। যেকোনো প্রয়োজনে ইঞ্জিনিয়ারের সাহায্য চাইতে দ্বিধা করবেন না। আজকাল বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান আছে যেগুলো সবধরনের নির্মাণ সেবাই দিয়ে থাকে।ইঞ্জিনিয়ার আর আর্কিটেক্টরা বাড়ি নির্মাণের ব্যাপারে আপনার বিশ্বস্ত বন্ধু আর পরামর্শক হিসেবে কাজ করবেন। রড আপনার বাড়ি দাঁড়িয়ে থাকবে রডের কাঠামোর ওপর, তাই ভালো রড বেছে নিতে ভুলবেন না। প্রশ্ন হচ্ছে, যে রড কিনছেন সেটা যে ভালো তা বুঝবেন কী করে? ভালো রডের কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে, যেগুলো সাধারণ রডে থাকে না। এ বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে:

টেকসই আর মজবুত: রডে ইল্ড স্ট্রেংথ (Yield Strength) নামে একটা বৈশিষ্ট্য থাকে। এটা হচ্ছে রডের চাপ সহ্য করার ক্ষমতা। যে রডে ইল্ড স্ট্রেংথ যতো বেশি, সে রড বাড়ি নির্মাণের জন্য ততো ভালো। বর্তমানে বাজারে সবচেয়ে ভালো রডে ৫০০ এমপিএ (৭২৫০০ পিএসআই) ইল্ড স্ট্রেংথ থাকে। ভূমিকম্পজনিত ক্ষয়-ক্ষতি থেকে বাড়িকে রক্ষা করার ব্যাপারেও রড সাহায্য করে। যে রড কিনছেন সেটা আর্থকোয়েক রেজিস্ট্যান্ট কিনা তা আগে থেকে জেনে নেয়া ভালো।ভালো ঝালাই উপযোগিতা: সাধারণ রডে ঝালাই করার সময় বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এদের মধ্যে একটা হচ্ছে এমব্রিট্ল টেন্ডেন্সি, বা রড ভঙ্গুর হয়ে যাবার প্রবণতা। সাধারণ রড ঝালাই এর পর ঠান্ডা হবার সময় বেঁকেও যেতে পারে। এতে নির্মাণকাজে অসুবিধা হয়। রড কেনার সময় অবশ্যই এমন রড বেছে নিন যেটাতে এই সমস্যাগুলো নেই। এমন রড বেছে নিন যেটাতে কার্বন কনটেন্ট কম আছে। এ ধরনের রড সহজে বাট-ওয়েল্ড বা ল্যাপ-ওয়েল্ড করা যায়, যাতে আপনার নির্মাণে সময় বাঁচবে। ক্ষয় প্রতিরোধ ক্ষমতা: ভালো রড থার্মো-মেকানিক্যাল ট্রিটমেন্ট প্রসেস-এ তৈরি করা হয়। এ কারণে রডে ক্ষতিকারক টরসোনাল রেসিডিউয়াল স্ট্রেস (Torsional Residual Stress) থাকে না। এ ধরনের রডে ক্ষয় প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি থাকে।

ডাক্টিলিটি: আপনার বাড়ি নির্মাণে যে কংক্রিট ব্যবহার হবে সেটাকে দীর্ঘ দিন মজবুত রাখার জন্য আপনার ডাক্টাইল রড প্রয়োজন। ভালো, ডাক্টাইল রড কংক্রিটে ফাটল ধরতে দেয় না। আধুনিক কোয়েনচিং অ্যান্ড ট্যাম্পারিং প্রসেস অনুসারে তৈরি করা রডে ডাক্টিলিটি বেশি থাকে। রড কেনার সময় আপনি এটাও জেনে নিতে পারেন যে রডের কার্বন কনটেন্ট কতখানি, কারণ কম কার্বন কনটেন্ট-এর রড বেশি ডাক্টাইল হয়।

ধারাবাহিকতা: আপনি একবারে অনেকগুলো রড কিনবেন। তাই এসময় খেয়াল রাখা উচিত যে সবগুলো রডই সমমানের কিনা। ভালো রড উৎপাদনের সময় প্রতিবার কোয়েনচিং অ্যান্ড টেম্পারিং (ছ্ঞ - ছঁবহপযরহম ধহফ ঞধসঢ়বৎরহম) প্রসেস একইভাবে অনুসরণ করা হয়। রডের উপাদানেও পরিবর্তন হয় না। ভালো রডেসম্পূর্ণ সোজা: কনস্ট্রাকশন সাইটে রড সোজা করা বেশ সময়সাপেক্ষ আর পরিশ্রমের কাজ। তাই কেনার সময়ই আপনার খেয়াল রাখা উচিত রড সম্পূর্ণ সোজা আছে কিনা। সাশ্রয়: আপনার বেছে নেয়া রডে যদি ইল্ড স্ট্রেংথ, ডাক্টিলিটি আর ঝালাই ক্ষমতা বেশি থাকে, তাহলে নির্মাণের সময় আপনার খরচ কমে আসবে। শ্রমিকদের সময় বাঁচবে আর পরিশ্রম কম করতে হবে। বালি বালিকণার আকার ৫ মিলিমিটারের কম আছে কি না তা দেখে নিন। বাড়ি তৈরির এ উপাদানটির জন্য নদীতীরের বালি সবচেয়ে সহজলভ্য উৎস। তবে বালিতে কোনো ধরনের ধুলো, কাদা, চিড় ও জৈব অপদ্রব্য থাকলে হবে না। আর বালির গুণমান আপনি নিজেই খুব সহজে যাচাই করে নিতে পারবেন

হাতের মুঠিতে সামান্য বালি নিয়ে কিছুক্ষণ ঘষে ফেলে দিন। মুঠ খুলে দেখুন। ভালো মানের বালি হাতের তালুতে আটকে থাকবে না

একটি কাচের জগ বা মিনারেল ওয়াটারের খালি বোতলে সামান্য বালি নিয়ে তাতে এর দ্বিগুণ পরিমাণ পানি ঢালুন। জগ বা বোতলের মুখ বন্ধ করে সেটিকে ভালোভাবে ঝাঁকান। এরপর এক ঘণ্টা রেখে দিন। বালির মান অনুযায়ী সেখানে আলাদা আলাদা স্তর তৈরি হবে, যা আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে। 

সুরকি- পাথরচূর্ণ ও কাঁকর/নুড়িপাথর কংক্রিট স্থাপনা নির্মাণের স্থূল উপকরণ বা সুরকি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এগুলোর আকার ৪০, ২০ বা ১০ মিলিমিটার হয়ে থাকে। বাড়ির স্ল্যাব , 

বিম ও কলাম তৈরিতে ২০ মিলিমিটার ও ১০ মিলিমিটারের উপকরণই বেশি ব্যবহার হয়ে থাকে। সুরকি শক্ত, দৃঢ় ও টেকসই হতে হবে। পাশাপাশি কাদা, মাটি, লতাপাতা, শ্যাওলা ও 

বাইরের উপাদানমুক্ত হওয়াও জরুরি। এছাড়া দেখতে বেশি চ্যাপ্টা ও লম্বা টুকরো যতোটা সম্ভব বাদ দিতে হবে।পানি সাধারণত মিউনিসিপ্যালিটি থেকে সরবরাহকৃত খাবার উপযোগী পানিই নির্মাণ কাজে  ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত। এছাড়া ব্যবহৃত পানিতে তেল, অ্যাসিড, লবণ বা জৈব অপদ্রব্য আছে কি না, সেটিও আপনি নিজে পরখ করে দেখতে পারেন। সামুদ্রিক পানি বা মাটির গভীরের পানি নির্মাণকাজের জন্য একেবারেই উপযোগী নয়।

ইট

ভালো স্থাপনার জন্য দরকার শক্ত, দৃঢ় এবং সম্পূর্ণভাবে পোড়া ইট। ভালো ইটের নিচের বৈশিষ্ট্যগুলো রয়েছে। 

 

  • l ভালো ইটের উপরিভাগে গুঁড়ো মাটি থাকে না এবং সেটি সাধারণত একই আকার, আকৃতি ও রংয়ের হয় 
  • l দুটো ইট একসাথে আঘাত করলে বিশেষ এক ধরনের ধাতব শব্দ হয়
  • l আনুমানিক এক মিটার উচ্চতা থেকে ফেলা হলে ভাঙবে না
  • l ইটের উপরিতল হতে হবে পুরোপুরি সমতল ও ফাটলমুক্ত

 

সিমেন্ট

 

  • এক ব্যাগ সিমেন্টের ওজন সাধারণত ৫০ কেজি হয়ে থাকে।
  • সিমেন্ট প্রাথমিকভাবে জমাট বাঁধতে গড়পড়তা ৩০ মিনিটের মতো লাগে।
  • পুরোপুরি জমাট বাঁধতে কখনই ১০ ঘণ্টার বেশি সময় লাগবে না। 
  • সিমেন্ট হাতে নিয়ে বুড়ো আঙুলের সাহায্যে ঘষলে সেটিকে ময়দার মতো মসৃণ মনে হবে 
  • সিমেন্ট লম্বা সময়ের জন্য সংরক্ষণ করা উচিত নয়। সংরক্ষণের সময় তিন মাস পার হলে সিমেন্টের কার্যক্ষমতা শতকরা ২০ ভাগ কমে যায় 
  • ফ্যাক্টরি থেকে এনে দুই মাসের বেশি সময় ধরে সংরক্ষণ করা সিমেন্ট ব্যবহারের আগে অবশ্যই পরীক্ষা করিয়ে নিতে হবে
  • সিমেন্ট ব্যাগ সরাসরি মেঝের ওপর রাখা ঠিক নয়। মেঝেতে কাঠের তক্তা বিছিয়ে তার ওপর সিমেন্ট ব্যাগ রাখা উচিত

 

৫) বাড়িতে গ্যাস, বিদ্যুৎ আর পানির সংযোগ নেয়া

বাড়িতে বসবাস শুরু করার আগে আপনার অবশ্যই গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে হবে। এখানেও উলেখ্য যে আপনি যে বাড়িটি নির্মাণ করছেন সেটি ঢাকার বাইরে হলে আপনার রাজউক-এর বদলে সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার সাহায্য নিতে হবে। গ্যাস সংযোগ নেবার জন্য এক এক করে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

 

  • আপনার কাছাকাছি কোনো গ্যাস কর্তৃপক্ষের অফিস থেকে আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করুন
  • অফিসে এনলিস্টেড কনট্র্যাকটর পাওয়া যাবে। তাদের একজনের সাথে যোগাযোগ করুন
  • ফর্ম সঠিকভাবে পূরণ করে জমা দিন। ফর্মে কনট্র্যাকটরের নাম উলেখ করতে ভুলবেন না
  • ফর্মের সাথে আপনার জমির দলিল, খতিয়ান আর জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি জমা দিন এই ধাপগুলো সঠিকভাবে শেষ হলে কনট্র্যাকটর আপনার বাড়িতে গ্যাস সংযোগ দেয়ার 
  • ব্যবস্থা করবেন। 

 

বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার জন্য:

  •  প্রথমে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের অফিস বা ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করুন
  •  ফর্ম সঠিকভাবে পূরণ করে তা প্রয়োজনীয় দলিলপত্রের সাথে জমা দিন। 

প্রয়োজনীয় দলিলগুলো হচ্ছে:

 

  •  আপনার সদ্য তোলা দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি
  •  জমির মালিকানা দলিলের সত্যায়িত কপি
  • রাজউক অনুমোদিত প্যানের কপি
  • রাজউক অনুমোদিত হোল্ডিং নম্বর আর নামজারি কাগজের বা মিউটেশন ফর্মের সত্যায়িত কপি
  • যেখানে সংযোগ দেয়া হবে, মানে আপনার বাড়িটি, যেন সহজে খুঁজে পাওয়া যায় সেজন্য লোকেশন ম্যাপ (হাতে আঁকা হলেও চলবে)

 

আপনার কাগজপত্র নির্ভুলভাবে জমা দেয়ার পর আপনার বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা করা হবে। বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যাপারে আরো জানতে ডেসকো’র ওয়েবসাইট ভিজিট করুন: http://desco.org.bd ।  

বাড়িতে পানি সংযোগ নিতে হলে আপনার যা যা করতে হবে তা হচ্ছে:

ওয়াসা অফিস থেকে পানি সংযোগের ফর্ম সংগ্রহ করুন।

ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সাথে জমা দিন। যে 

কাগজপত্র লাগবে সেগুলো হচ্ছে:

  • l আপনার পরিচয়পত্রের ফটোকপি
  • l জমির খতিয়ানের কপি
  • l যেখানে সংযোগ দেয়া হবে, মানে আপনার বাড়িটি, যেন সহজে খুঁজে পাওয়া যায় সেজন্য লোকেশন ম্যাপ (হাতে আঁকা হলেও চলবে)
  • l অন্যান্য ফর্ম আর কাগজপত্র জমা দেবার পর ওয়াসা সেগুলো প্রসেস করতে কিছু সময় নেবে। প্রসেসিং শেষে আপনার নামে ডিমান্ড নোট ইস্যু করা হবে ডিমান্ড নোট অনুসারে নির্ধারিত ফি ব্যাংকে জমা দিন

পানি সংযোগের জন্য রাস্তায় খননকাজের প্রয়োজন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে আপনার রাজউক, সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে আশা করি এই তথ্যগুলো জানাতে 

আপনার বাড়ি নির্মাণের কাজটি 

আরেকটু সহজ হয়ে উঠবে। আপনার 

বাড়ি যেন হয় মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী। শেকড় থেকে শিখরে

করপোরেট অফিস

কবির মঞ্জিল, এসকে মুজিব রোড, আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম

ফোন: ০৩১-৭১১৫০১-৫, ২৫১৩৭৯১-৪, ফ্যাক্স: ০৩১-২৫২৫৩২৫, ২৫১৩৭৯০

ই-মেইল: marketing@kabirsteel.com

বইটি পাওয়া যাবে : www.ksrm.com.bd/images/Home-Building-Made-Easy.pdf

Card image cap
বিশ্বের সবচেয়ে বসবাসের ব্যয়বহুল শহর
engr.tushar - 04 Mar 2014

এতোদিন ধরে জাপানের টোকিও শহর ছিল সবচেয়ে ব্যায়বহুল শহর। এখানে থাকা-খাওয়া-চলাচল-কেনাকাটা সবকিছুই ছিল ব্যায় বহুল। কিন্তু এই প্রথম এই ব্যায়বহুল তালিকা থেকে ছিটকে পড়েছে এই শহরটি। এর জায়গাতে দখল করে নিয়েছে সিঙ্গাপুর। ইকোনোমিস্টের জরিপে ১৩১ দেশের মধ্যে সিঙ্গাপুরের স্থান প্রথম। এর পরেই আছে যথাক্রমে

  1. সিঙ্গাপুর
  2. প্যারিস
  3. অসলো
  4. জুরিক
  5. সিডনী
  6. ক্যারাকাস,জেনেভা, মেলবোর্ণ ও টোকিও
  7. কোপেনহেগেন
আর সবচেয়ে কম ব্যায়বহুল শহরের তালিকাতে আছে
  1. দামেস্ক ও কাঠমুন্ডু
  2. নয়াদিল্লী
  3. করাচী
  4. মুম্বাই
১৬০ টি দ্রব্য ও সার্ভিসের প্রায় ৪০০ মুল্যের উপর ভিত্তি করে এই তালিকা প্রণয়ন করা হয় বছরে দুইবার। খাদ্য, পানীয়, পোশাষাক, নিজস্ব জিনিষপত্র, বাড়ি ভাড়া, লেখা-পড়া, বিনোদন সহ বিভিন্ন ধরণের বিষয় থাকে এই খরচ হিসাবের তালিকাতে।

Card image cap
কি পরিমান লাইটের উজ্জ্বলতা প্রয়োজন
engr.tushar - 03 Mar 2014

বাসা বাড়ির বিভিন্ন অংশের জন্য লাইটের উজ্জলতার প্রয়োজন 

অংশউজ্জলতা ( লাক্স )
বাসা বাড়ি 
সাধারণ ঘর৫০
ড্রেসিংটেবিল সহ ঘর১৫০
রান্না ঘর২০০
ডাইনিং রুম১০০
সাধারণ গোসলখানা১০০
সেভিং, মেকাপ সহ গোসলখানা৩০০
সিড়ি ঘর১০০
লাউঞ্জ১০০
গ্যারেজ ও পোর্চ৭০
সেলাই এর ঘর৬০০
পড়ার জন্য১৫০
নিয়মিত পড়ার ঘর৩০০
হোটেল 
প্রবেশ হল১৫০
রিসিপশন বা অভ্যর্থনা৩০০
ডাইনিং রুম১০০
লাউঞ্জ১৫০
সাধারণ শোয়ার ঘর১০০
ড্রেসিং টেবিল, হেড বেড লাইট সহ শোয়ার ঘর১৫০
লেখার টেবিল৩০০
করিডর বা বারান্দা৭০
সিড়ি১০০
লন্ড্রি২০০
রান্না ঘর (খাদ্য সংরক্ষণ )১০০
রান্না ঘর (কাজের জায়গা )২৫০
লিফ্ট৭০
টয়লেট ও চেঞ্জরুম১০০
গোসলখানা১০০
গোসলখানা ও টয়লেটের আয়নার উপরে৩০০

Card image cap
বি.এন.বি.সি 93 অনুসারে পানির ট্যাংকের কিছু তথ্য
engr.tushar - 02 Mar 2014

Table 8.6.2

  Sizes of Storage Tank Drainage Pipes

Tank Capacity (V)

in Litres (l)

Diameter of Drainage Pipe

(mm)

 V  ≤ 2800

2800 < V  ≤ 5500

 5500 < V  ≤ 11000

11000 < V  ≤ 19000

19000 < V  ≤ 28000

 28000 <V

25

38

50

63

75

100

 Table 8.6.3

 Sizes of Overflow Pipes for Storage Tank

Maximum Discharge (Q) of Water Supply Pipe into Storage Tank

(l/min)

Diameter of Overflow Pipe

(mm)

Q  ≤  190

190 < Q  ≤  570

570 < Q  ≤  760

 760 < Q  ≤  1500

1500 < Q  ≤  2650

2650 < Q  ≤  3800

3800 < Q

50

63

75

100

125

150

200

Card image cap
পানি ব্যবহারের পরিমাণ
engr.tushar - 25 Feb 2014
 ব্যবহারের ধরণ বর্ণনাজনপ্রতি দৈণিক প্রয়োজন (লিটার)
পুর্ণ সুবিধাহিসাবি বা বাধাগ্রস্থ সুবিধা
আবাসিক

একক পরিবার

এপার্টমেন্ট বা বাসা

মেস, হোষ্টেল

সাধারণ আবাসিক বা নিম্নবিত্ত পরিবার

আবাসিক হোটেল

৪০০

২২৫

১৩৫

-

৩০০

১৩৫

১৩৫

৭০

৭০

১৩৫

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা (প্রাইমারি,হাইস্কুল,ইত্যাদি)

স্কুল পুর্ব (শিশু বা বাচ্চা)

৭০

৫০

৪৫

৩৫

প্রতিষ্ঠান

শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র

প্রাপ্ত বয়স্ক পরিচর্যা কেন্দ্র (সুস্থ মানুষ)

প্রাপ্ত বয়স্ক পরিচর্যা কেন্দ্র (পঙ্গু বা মানসিক অসুস্থ)

মানসিক পরিচর্যা কেন্দ্র

১৮০

১৮০

১২০

১২০

১০০

১০০

৭০

৭০

 স্বাস্থ্য সেবা

 সাধারণ

ইমার্জেন্সি বা নিবীড় পরিচর্যা

 ৪৫০

৩৫০

 ২২৫

১৩৫

 হল বা গ্যালারী

 বড় আকারের এবং সীট বা বসার জায়গা স্থায়ী

ছোট আকারের এবং সীট বা বসার জায়গা স্থায়ী

বড় আকারের এবং সীট বা বসার জায়গা অস্থায়ী

ছোট আকারের এবং সীট বা বসার জায়গা অস্থায়ী

খেলাধুলার সুবিধা সহ

 ৯০

৯০

 ৪৫

৪৫

 বাণিজ্যিক ভবন ও অফিস

 অফিস

ছোট দোকান ও মার্কেট

বড় দোকান ও মার্কেট

গ্যারেজ ও পেট্রোল স্টেশন

গুরুত্বপুর্ণ সেবা প্রতিষ্ঠান

 ৪৫

৪৫

৭০

৭০

৭০

 ৩০

৩০

৪৫

৪৫

৪৫

 ইন্ডাস্ট্রি বা কারখানা

 কম  ঝুঁকিপুর্ণ

মাঝারী ঝুঁকিপুর্ণ

 ৪০

৪০

 ২৫

২৫

 গুদাম

 কম অগ্নী ঝুঁকিপুর্ণ

মাঝারী অগ্নী ঝুঁকিপুর্ণ

 ১০

১০

 ৬

 ঝুঁকিপুর্ণ ভবন

 বিষ্ফোরক ঝুঁকিপুর্ণ

ক্যামিক্যাল ঝুঁকিপুর্ণ

 ৮

 ৫


Header
Info card title

www


Left
Center
Right