১। শুন্যস্থান পুরণ করঃ-
ক) ----হলো একটি আনুভূমিক মেম্বার।
খ)লিন্টেলের নুন্যতম বিয়ারিং ----- সেমি।
গ)-----ইত্যাদি নিখুত কাঠ,কাঠের লিন্টেল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
ঘ) লিন্টেলের স্প্যান দৈর্ঘ ০-১ মিটার হলে ব্যবহৃত রডের ব্যাস ----মিমি।
ঙ) লিন্টেলের স্প্যান দৈর্ঘ ১-১.৫ মিটার হলে ব্যবহৃত রডের ব্যাস----মিমি
চ) লিন্টেলের স্প্যান দৈর্ঘ ২-৩ মিটার হলে ব্যবহৃত রডের ব্যাস ----মিমি।
ছ) ক্যাভির্টি ওয়ালের ফোকরের উপরে ---- লিন্টেল নির্মান করা হয়।
জ) লিন্টেল সাধারনত ৬ মিমি ব্যাসের রডকে ----হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
উত্তরঃ ক) লিন্টেল খ) ১০ সেমি গ) শাল,শেগুন ঘ)৬ মিমি ঙ) ৮ মিমি চ) ১২মিমি ছ) rcc বুট লিন্টেল জ) স্টিপার।
২। ভিত্তি বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ কোন কাঠামোর নিম্নভাগের যে অংশ মাটির নিচে অবস্থান করে তাকে ভিত্তি বা ফাউন্ডেশন বলে। ইহার মাধ্যমেই সমস্ত স্ট্রাকচার এবং ইহার উপস্থিত সমস্ত কিছুর ভার তলদেশের মাটিতে পৌছে ।
ভিত্তির স্থায়িত্ব দৃঢ় জন্য শক্ত ভুমির বিশেষ প্রয়োজন ।
৩। ভিত্তিতল বলতে কি বুঝ ?
উত্তরঃ কাঠামোর ভার বা ওজন বহন করিবার জন্য মাটি খনন করিয়া সমশক্তি ও প্রয়োজনীয় ভার বহন ক্ষমতা সম্পন্ন মাটির স্তরের উপর যে সমতল পৃষ্ঠ তৈরি করা হয়,তাকে ভিত্তিতল বা ফাউন্ডেশন বেড বলে ।
৪। ভিত্তি ও ভিত্তিতলের মধ্যে পার্থক্য কি ?
উত্তরঃ
ভিত্তি ভিত্তিতল
১। ভিত্তি স্ট্রাকচার এর একটি অংশ । ১। ভিত্তিতল স্ট্রাকচার এর একটি অংশ নয়।
২। স্ট্রাকচার এর সবচেয়ে নিচের অংশ যাহা G,L এর নিচে অবস্থান করে তাকে ভিত্তি বলে । ২। ভিত্তি স্থাপন করার জন্য যে ট্রেন্স কাটা হয় ঐ ট্রেন্স এর তলদেশকে ভিত্তিতল বলে ।
৩। ভিত্তির স্থায়িত্তশীলতা ভিত্তিতলের উপর নির্ভর করে । ৩। ভিত্তি তলের স্থায়িত্তশীলতা মাটির ভার বহন ক্ষমতার উপর নির্ভর করে ।
৫। মাটির ভারবহন ক্ষমতা বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ যেকোন কাঠামোর ভার বহন করে ভিত্তির নিচের মাটি। যে কোন মাটির উপর যে কোন ভার চাপিয়ে দেওয়া যায় না কারন সব মা্টি এক প্রকার নয় এবং যে কোন ভার বহন করার ক্ষমতা রাখে না। হঠাৎ বসন বা ধ্বংস হওয়ার পূর্বে প্রতি বর্গমিটার মাটি সর্বোচ্চ যে ভার বহন করতে পারে তাকে মাটির ভারবহন ক্ষমতা বলে ।
৬। একটি সাধারন ভিত্তির চিত্র অংকন করে বিভিন্ন অংশের নাম লিখ ।
উত্তরঃ নিজে আঁক
৭। কোথায় কোন প্রকার ভিত্তি নির্মান করা হয় ?
উত্তরঃ
১) স্প্রেড ফাউন্ডেশনঃ- যে সমস্ত এলাকায় মাটির ভার বহন ক্ষমতা বেশি এবং মাটির ক্ষয় সাধন কম সে সমস্ত এলাকায় স্প্রেড ফাউন্ডেশন নির্মান করা হয়।
২) রেফট ফাউন্ডেশনঃ-যে সমস্ত এলাকায় মাটি খুব হালকা,নরম ও প্লাস্টিক ধরনের,আবার মাটির ভার বহন ক্ষমতা কম স্প্রেড ফুটিং নির্মান করা খুব অসুবিধা জনক তখন সেখানে রেফট ফাউন্ডেশন নির্মান করা হয়।
৩) পাইল ফাউন্ডেশনঃ- মাটি সরে যাওয়ার আশংকা থাকলে এবং খুব নিকটে শক্ত স্তর পাওয়া না গেলে,নিচে পানি সমস্যা থাকলে তখন সেখানে পাইল ফাউন্ডেশন নির্মান করা হয়।
৪) সিলিন্ডার,ক্যাসনস,পায়ার অ্যান্ড ওয়েল ফাউন্ডেশনঃ-যখন অতি ভারি কাঠামোর লোড পাথর শক্ত স্তরের উপর ন্যাস্ত করবার প্রয়োজন হয় তখন সেই সব ক্ষেত্রে এই জাতীয় বুনিয়াদ নির্মান করা হয়।
৮। মাটির নিরাপদ ভার বহন ক্ষমতা বলতে কি বুঝ? ফ্যাক্টর অব সেফটি কি?
উত্তরঃ মাটিকে যখন ভারবহন করার কাজে ব্যবহার করা হয়,তখন উক্ত মাটি নিরাপদে কি পরিমান ভার বহন করতে পারে তা পরিক্ষা নিরীক্ষা মাধ্যমে বিবেচনা করা হয়।এই নিরাপদ বহন ক্ষমতা মাটির সর্বচ্চ ভার বহন ক্ষমতা হতে কম দেওয়া হয় ,যাতে মাটি কোন অবস্থাতেই ভারবহনে ব্যর্থ না হয়। একেই মাটির নিরাপদ ভার বহন ক্ষমতা বলে।
ফ্যাক্টর অব সেফটি = চুড়ান্ত লোড/নিরাপদ লোড
অর্থাৎ পদার্থের সর্বোচ্চ লোড বহন লোড ক্ষমতা /নিরাপদ লোড ক্ষমতা দ্বারা ভাগ করলে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ফ্যাক্টর অব সেফটি বলে।