Editor Choice

Featured post

Nov 12

Continue reading
Top Viewed

Post title

Nov 11

This is a wider card with supporting text below as a natural lead-in to additional content.

Continue reading
Card image cap
Card image cap
এ২ কাগজকে ভাজ করে এ৪ ফাইলে রাখা
engr.tushar - 12 Aug 2017

ধাপ-০১

ধাপ-০২

ধাপ-০৩

ধাপ-০৪

ধাপ-০৫

ধাপ-০৬

ধাপ-০৭

ধাপ-০৮

ধাপ-০৯

Card image cap
সিভিল প্রশ্ন ব্যাংক-০৬
engr.tushar - 12 Aug 2017

৫১।     হাতুরীর ওজন, পাইলের ওজনের কত  % এর কম হওয়া উচিত?
উত্তরঃ     ৫০%। 
৫২।      তাহুরীর ওজন সাধারণতঃ ২ থেকে ৪টন এবং ষ্ট্রোক দৈষ্য/পতন দৈঘ্য সাধারণত -------- মিটার হযে থাকে।
উত্তরঃ     ১.৫মিটার।
৫৩।     কেইসন কি. 
উত্তরঃ পানির নীচে যথাস্থানে ভিত্তি স্থঅপনের জন্র যে কাঠামো ব্যবহৃত হয় তাহাকে কেইসন বলে। 
৫৪।     ভিত্তির গভীরতা নূন্যতম কত ধরিতে হয়?
    ৪৫ সেন্টিমিটার/৬০ সেন্টিমিটার/ ৯০ সেন্টিমিটার
উত্তরঃ     ৯০ সেন্টিমিটার
৫৫।     সর্বমোট লোডকে মাটির নিরাপদ ভারবহন ক্ষমতা দ্বারা ভাগ করিলে ভিত্তির কি পাওয়া যায়?
    দৈর্ঘ্য/প্রস্থ/গভীরতা
উত্তরঃ     প্রস্থ।
৫৬।    যে পাইল, পাইল বসানোর স্থানে ঢালাই করা হয়, তাহাকে ---------- পাইল বলে।
    প্রিকাষ্ট, খ) অর সি সি পাইল, গ) কাস্ট ইন-সিটু
উত্তরঃ কাস্ট ইন-সিটু
৫৭।     ------- এক প্রকার অস্থঅয়ী বেষ্টনী যাহা নদী, হৃদ ইত্যাদি এলাকায় নির্মাণ কাজ চলাকালে পানি প্রবেশে বাঁধা দান করে। 
ক) শীট পাইল, খ) ড্যাম, গ) কফার ড্যাম
উত্তরঃ     কফার ড্যাম
৫৮। পানির নীচে যথাস্থানে ভিত্তি স্থাপনের জন্র যে কাঠামো ব্যবহৃত হয় তাহাকে ----------- বলে।
উত্তরঃ  কেইসন/সিলিন্ডার/কফার ড্যাম।
ভিত্তির কংক্রিট
৫৯। কংক্রিট কয় প্রকার ও কি কি। 
উত্তরঃ     কংক্রিট চার প্রকারঃ
ক) লাইম কয়ক্রিট 
খ) সিমেন্ট কংক্রিট
গ) আর সি সি কংক্রিট
ঘ) প্রি ষ্টেপাসড কংক্রিট
৬০। কোনটি কোর্স এগ্রিগেট?
    ক) বালি, খ) খোয়া, গ) সুরকি, ঘ) সিমেন্ট
 

Card image cap
সিভিল প্রশ্ন ব্যাংক-০৫
engr.tushar - 18 Aug 2017

৪১। শূন্যস্থান পূরণ করঃ 
ক) ---------------- পাইল মাটির অভ্যন্তরের শক্ত স্থর পর্যন্ত পৌছান হয়।
খ) ---------- পাইল শক্ত স্তর পর্যন্ত প্রবেশ করানো হয় না।
গ) ------------- পাইল রিটেইনিং ওয়াল হিসাবে কাজ করে। 
ঘ) আনুভ’মিক টানা বলকে প্রতিরোধ করার জন্য ---------- পাইল ববহার করা হয়।
ঙ) -------- পাইল সাধারণতঃ কাঠের হইয়া থাকে।
চ) কাঠের পাইলে দৈঘ্য সাধারণতঃ পাইলে উপরের প্রান্তের ব্রাসের ------- গুণ হইয়া থাকে। 
ঞ) বর্তমানে পাইল ভিত্তির ব্রবহার --------------।
উত্তর 
৪২। বিয়ারিং, খ) ফ্রিকশন, গ) শীট, ঘ) অ্যাংকোর, ঙ) ফোল্ডার, চ) ২০, ছ) টিম্বার, জ) ২০ টন, ঝ) কাষ্ট-ইন-সিটু, ঞ) সর্বাধিক।
৪৩।       নরম মাটি বা পানি অতক্রম করিয়া যে পাইল কঠিন স্তরে কাঠামাের লোডকে ট্রান্সফার করে তাহাকে -------- পাইল বলে।
ক) টিম্বার পাইল, খ) বিয়ারিং পাইল, গ) শীট পাইল।
উত্তরঃ বিয়ারিং পাইল।
৪৪। পদার্থের সর্বোচ্চ লোভ বহন ক্ষমতাকে নিরাপদ লোড বহন ক্ষমতা দ্বারা ভাগ করিলে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাহাকে ------- বলে। 
৪৫। ভার বহন পদ্ধতি অনুযায়ী                    
ক) ৩ প্রকার খ) ৪ প্রকার, গ) প্রকার
উত্তরঃ ৩ প্রকার।
৪৬। মূন্যস্থান পূরন কর।
ক) তীর্যকভাবে যে পাইল ড্রাইভ করা হয় তাহাকে ------------ পাইল বলে।
খ) কংক্রিট ডেক্স অথবা অন্য যে কোন ওয়াটার ফ্রন্ট ষ্ট্রাকচার জাহাজ ব্রারেজ অথবা যে কােন ভাসমান বস্তুর আঘাতে ক্ষতিগ্রষ্থ না হয় তজ্জন্য যে পাইল এর সাহায্যে এই ওয়াটার ফ্রন্ট স্ঠ্রাকচারকে রক্ষা করা হয় তাহাকে ----------- পাইল বলে।
গ) কংক্রিট পাইল-------------- প্রাকর।
ঘ) যেখানে স্থায়ীভাবে অবস্থা করিবে সেখানে ------------ পাইল তৈরী করা হয় না। 
ঙ) যদি একই পাইল ক্যাপ এর অধীনে অনেকগুলো থা০-
৪৭। ক) ব্যাটার, খ) ফ্যান্ডার, গ) দুই, ঘÑ প্রি-কাষ্ট, ঙ) গ্রুপিং অব পাইল
৪৮। পাইল বসানোর পদ্ধতি কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ পাইল সাধারণতঃ চার পদ্ধতিতে বসান যায়। যেমনঃ
    ক) ড্রপ- হ্যামার দ্বারা
    খ) স্টীম হ্যামার দ্বারা 
    গ) ওয়াটার জেট দ্বারা 
    ঘ) বোরিং দ্বারা
৪৯। সিংগেল একটিং হ্যামার দ্বারা প্রতি মিনিটে পাইলের উপর কত বার আঘাত করা যায়? 
ক) ২০-৩০ বার
খ) ৩০-৪০ বার
গ) ৪০-৫০ বার
ঘ) ৫০-৬০ বার 
উত্তরঃ     ৫০-৬০ বার
৫০।     ডাকরা এটি ষ্টীল হ্যামার দ্বারা প্রতি মিটিটে পাইলের উপর কত বার আঘাত করা যায়?
উত্তরঃ     প্রতি মিনিটে ১০০-২০০ বার।
 

Card image cap
সিভিল প্রশ্ন ব্যাংক-০৪
engr.tushar - 16 Aug 2017

৩১।     বহুতল বিশিষ্ট ইমারতের জন্য নিরাপদ সহক কত ধরা হয়?
উত্তরঃ     ১-২/১.৫-২/২.৫-৩
৩২।     উপকূলীয় অঞ্চলে ইমারতের উচ্চতা প্রস্থের কত গুণের কম হইলে উয়িন্ড লোড বিবেচনা করা হয় না। 
উত্তরঃ     ২
৩৩।     এআইএসসি কোড অনুযায়ী কাঠামোর উন্মুক্ত পার্শে¦ বায়ুচাপের পরিমান কত ধরা হয়?
    ক) ৭৮ কেজি/বর্গমিটার  খ) ৯৮ কেজি/বর্গমিটার , গ) ১০৮ ে কেজি/বর্গমিটার  
উত্তরঃ    ৯৮ কেজি/বর্গমিটার
৩৪।    সরাসরি লোড প্রযোগ করিয়া ামটির ভার বহন ক্ষমতা নির্ণয়ের ক্ষেত্রে যে টিম্বার বাল্ব ব্যবহার করা হয় তার প্রস্থচ্ছেদ কত?
উত্তরঃ     ৩০ সেন্টিমিটার দ্ধ৩০ সেন্টিমিটার
অগভীর ভিত্তি
৩৫।     অগভীর ভিত্তি বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ     ভিত্তির গভীরতা, ভিত্তির প্রস্থের সমান বা কম হইলে তাহাকে অগভীর ভিত্তি বলে। অন্য কথায় যে ভিত্তি খনন করিয়া নির্মাণ করা হয় তাকে অগভীর ভিত্তি বলে।
৩৬। কাঠামোর এলাকায় মেঝের ন্রায় সমস্ত এলাকা জুড়িয়া মোটা আরসিসি স্লাব নির্মান করিয়া নির্মাণ করা হয়। 
ক) কলাম ফুটিং ভিত্তি। 
খ) স্প্রেড ফুটিং ভিত্তি
গ) র‌্যাফট ভিত্তি
উত্তরঃ র‌্যাফট ভিত্তি।

 ৩৭।     শূন্যস্থা পূরন কর-
ক) যে সমস্ত এলাকায় বেলে মাটি বা নরম মাটির অভ্যন্তরে স্বল্প গভীরতায় শ্কত স্থর পাওয়্যা যায় সেখানে অধিক লোড সম্পন্ন কাঠামোর লোডকে শ্কত স্থরে স্থানান্তর করার জন্য ভিত্তি ব্যবহার করা হয়। 
খ) পায়ারের ব্যাস, পায়ারের উচ্চতার-------------- অংশের চেয়ে কম হইবে না। 
গ) আর্গ্রতার পরিবর্তনে ------------- সয়েল এর সংকোচন প্রসারণ ঘটে। 
ঘ) পায়ার ভিত্তি সাধারণত ------------- হইয়া থাকে। 
ঙ) আন্ডার বীম পাইলে --------- এর সংখ্যা বৃদ্ধি করিয়া বহুতলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করা যায়। 
চ) বিত্তির গভীরতা ভিত্তির প্রষ্থের সমান বা কম হইলে তাহাকে Ñ------- ভিত্তি বলে। 
ছ) আন্ডার বীম পইলে একটি অতিরিক্ত বাল্ব প্রদান করিলে ভার বহন ক্ষমতা ------------- বৃদ্দি পায়। 
উত্তরঃ
৩৮। ক) পায়ার ভিত্তি, খ) ১/১২ গ) ব্লাক কটন, ঘ) গোলাকার, ঙ) বাল্ব, চ) আগভীর, ছ) ৫০%।
৩৯। বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ ভিত্তির গভীরতা উপহার প্রস্থের তুলনায় অনেক কম বেশী হইলে উহাকে বলে।
৪০। ব্যবহার অনুযায়ী পাই কত প্রকার ও কি কি?
ক) বিয়ারিং পাইল 
খ) শীট পাইল 
গ) ফ্রিকশন পাইল
ঘ) অ্যাংকোর পাইল
ঙ) ব্যাটার পাইল 
চ) ফোন্ডার পাইল 
ছ) কম্পাকশন পাইল 

Card image cap
সিভিল প্রশ্ন ব্যাংক-০৩
engr.tushar - 12 Aug 2017

২১।     অত্যন্ত শুক্তমাটি, অত্যন্ত নরম মাটি এবং আদ্র সংশক্তিহীন মাটির ক্ষেত্রে কোন পদ্ধতি অনরুপযোগী?
উত্তরঃ     আগর বোরি পদ্ধতি। 
২২।     আগর বোরিয় পদ্ধতিতে কত সেন্টিমিটার পর পর মাটির নমুনা সংগ্রহ করা হয়?
উত্তরঃ ৩০ সেন্টিমিটার।
২৩।     পারকুশন বোরিং পদ্দতিতে ব্যবহৃত ওয়াশ পাইপের ব্যাস কত?
উত্তরঃ     ২.৫ সেন্টিমিটার।
২৪।     পাথুরে মাটি অথবা বোল্ডার যুক্ত মাটির বোলার মাটি তদন্তের পদ্ধতিতে গুলোর মধ্যে কোনটি প্রযোজ্য?
উত্তরঃ     ক) কোর ড্রিলিং
    খ) ওয়াশ বোরিং
    গ) পারকুশন বোরিং
    ঘ) আগর বোরিং
উত্তরঃ পারকুশন                                    
২৫।     সূত্রটির বিভিন্ন নোটেশনের ব্যাখ্যা লেখ।
উত্তরঃ     বিভিন্ন নোটেশনের ব্যাখ্যাঃ
    ফুটিং = এর ন্যূনতম গভীরতা, মিটার 
    মাটির নিরাপদ ভার বহন ক্ষমতা কেজি/বর্গমিটার
    মাটির একক ওজন, কেজি/ঘনমিটার
    মাটির স্থিরতা কেজি, ডিগী 
২৬।     বহুতল বিশিষ্ট ইমরাত নির্মাণের ক্ষেত্রে মাটি পরীক্ষার জন্র কোন পদ্ধতি বেশি ব্যবহৃত হয়?
উত্তরঃ     ওয়াশ বোরিং (Wash boring) পদ্ধতি। 
২৭।     মাটির নিরাপদ ভার বহন ক্ষমতা নির্ণয়ের ক্ষেত্রে নিরাপদ সহগ কত ধরা হয়?
    ক) ২ অথবা ৩, খ) ৩ অথবা ৪
    গ) ৪ অথবা ৫,  ঘ) ৫ অথবা ৬
২৮।     ডিজাইনের সময় কোনটিতে লাইভ লোড ৭৫ কেজি/বর্গমিটার ধরা হয়?
পাবলিক বিল্ডিং/কর্মশালা/বেলকনি। 
উত্তরঃ     কর্মশালা। 
২৯।     কয়টি কারণে স্প্রেড ফুটিং হইতে পারে?
৩টি/৪টি/৫টি
উত্তরঃ     ৪টি 
৩০।     কোনটি ডেড লোড?
    টেবিল চেয়ার/আরসিসি স্লাব/বাতাসের চাপ।
উত্তরঃ     আরসিসি স্লাব
 

Card image cap
সিভিল প্রশ্ন ব্যাংক-০২
engr.tushar - 12 Aug 2017

১১।     প্রতি ঘনমিটার বিটুমিন এর ওজন কত?
উত্তরঃ     ১০৪০ কেজি।
১২।     মাটির ভার বহন ক্ষমতার একক কি?
উত্তরঃ  কেজি/বর্গমিটার।
১৩।     শুকনা এবং দৃঢ়বদ্ধ মোটা বালি বিশিস্ট মাটির নিরাপদ ভার বহন ক্ষমতা কত?
উত্তরঃ    ৪.৫ কেজি/বর্গ সেন্টিমিটার
১৪।     মাটির ভার বহন ক্ষমতা নির্ণয়ের জন্র টেষ্ট সিলিন্ডার পদ্ধাতি কোথায় ব্যবহৃত হয়?
উত্তরঃ     কাদা ও বেলে মাটি অনেক গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত থাকিলে সে ক্ষেত্রে  যেমন: ব্রীজ, টাওয়ার, বাঁধ ইত্যাদি)। 
১৫।     টেষ্ট সিলিন্ডার পদ্ধতির জন্য কত ব্যাসের দুইমুখ খোলা ফাঁপা লোহার পাইপ ব্যবহৃত হয়?
উত্তরঃ    ১ থেকে ১.৫ মিটার।
১৬।     মাট তদন্ত এর পদ্ধতিগুলো কি কি.
উত্তরঃ     মাটি তদন্ত এর পদ্ধতি সমূহ- 
    ১)  পরিদর্শন (Inspection) 
    ২) গর্ত পরীক্ষঅ বা ওপেন প্রায়াল পিট (Test Pit) 
    ৩) শলাকা পদ্ধতি (Probing) 
    ৪) ছিদ্র পরীক্ষা (Boring) 
        ক) আগর বোরিং (Auger boring)
        খ) ওয়াশ বোরিং (Wash boring) 
        গ) পারকুশন বোরিং (Percussion boring) 
        ঘ) কোর  ড্রিলিং (Core Drilling) 
        ঙ) টেষ্ট সিলিন্ডার (Test Cylinder) 
৫। জিও ফিজিক্যাল পদ্ধতি (Geo Physical method) 
        ক) সিসমিক রিফ্রাকশন (Seismic refraction) 
        খ) ইলেকট্রক্যাল (Electrical resistivity method) 
৬ । সাব সারফেস সাইন্ডিং (Sub surface sounding) 

১৭.       মাটি তদন্তের জন্য Probing পদ্ধতিতে যে ষ্টীল বার ব্যবহার করা হয় তার ব্যাস কত?
উত্তরঃ     ২৫-৪০ মিমি। 
১৮।     কাদা মাটি অথবা বেলে মাটি সাধারণত ইমারত নির্মাণ করার জণ্য কোন পদ্থতিতে সাব সয়েলের বৈশিষট্য পরীক্ষা করা সুবিধা জনক?
    ক) পোষ্ট হোল আগর পদ্ধতি
    খ) ওয়াস বোরিং পদ্ধতি
    গ) জিও ফিজিক্যাল পদ্ধতি
    ঘ) কোর ড্রিলিং পদ্ধতি
১৯।     কত মিটার গভীরতা পর্যন্ত আগর বোরিং পদ্ধতি স্বচ্ছন্দে ব্যবহার করা যাইতে পারে? 
    উত্তরঃ ১৫মিটার।
২০।     নরম মাটি, কঠিন মাটি, সংশক্তিপূর্ণ মাটি এং মিহি বালির ক্ষেত্রে মাটি তদন্ত এর পদ্ধতিগুলোর মদ্যে কেনটি প্রযোজ্য?
উত্তরঃ    আগর বোরিং।
 

Card image cap
সিভিল প্রশ্ন ব্যাংক-০১
engr.tushar - 12 Aug 2017

ফাউন্ডেশন কি?
১।     ফাউন্ডেশন কি?
উত্তরঃ     কাঠামোর সর্বনিম্ন অংশকে ভিত্তি বা বুনিয়াদ বা ফাউন্ডেশন বলে?
২।     ভিত্তি প্রধানত কয় প্রকার কি কি?
উত্তরঃ     ভিত্তি প্রধানত দুই প্রকার। যথাঃ
    ক) অগভীর ভিত্তি
    খ) গভীর ভিত্তি
৩।     কাঠামোর উপ্র ক্রিয়ারত লোডগুলো কি কি?
উত্তরঃ     কাঠামোর উপর তিন প্রকার লোড ক্রিয়া করে-
    ক) ডেড লোড (Dead load), খ) লাইভ লোড (Live Load), গ) উইন্ড লোড
৪।      কোনটি ডেড লোড?
    ক) কোঠামোর উপর অস্থঅয়ী ভাবে চাপানো লোড
    খ) কাঠামোর নিজস্ব ওজন 
    গ) অস্থঅয়ী ও স্থায়ী লোড
উত্তরঃ     কাঠামোর নিজস্ব ওজন।     
৫।     লাইভ লোড বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ     কাঠামোর উপর অস্থঅয়ী ভাবে চাপানো লাডকে লাইভ লোড বলে। 
৬।     প্রতি ঘনমিটার dry sand এর ওজন কত?
উত্তরঃ     ১৬০০। 
৭।     প্রতি ঘনমিটার RCC এর ওজন কোনটি?
উত্তরঃ     ২৪০০ কেজি/২২৪০ কেজি/১৯২০ কেজি। 
৮।     AISC এর পূর্ন অভিব্যক্তি লেখ।
উত্তরঃ     American Institute of Steel Construction
৯।     ঢালু ছাদের উন্মুক্ত পার্শ্বে ন্যূনতম বায়ুর চাপ কত ধারা হয়?
উত্তরঃ     ৫০ kg/m2
১০।    সিমেন্টের ক্ষেত্রে ডেড লোড কত ধরা হয়?
উত্তরঃ     ১০৪০ কেজি/ঘনমিটার।

Card image cap
nadeem door & color
engr.tushar - 06 Aug 2017

সকল প্রকার কাঠ এবং বোর্ড'র দরজা,সিলিং,ইন্টেরিয়র,সিড়ির রেলিং,ও যাবতীয় কাঠ,বোর্ড,বেতের আসবাব পত্র,নতুন বা পুরাতন,রং/বার্নিশ/পলিশ করা হয়।

এছাড়াও যাবতীয় দরজা ও ফার্নিচার অর্ডার অনূযায়ী সরবরাহ করা হয়।

বিঃ দ্রঃ -আমাদের আছে একটি দক্ষ কর্মী বাহিনী।

সেই সাথে দীর্ঘ (২০বছর) কাজের অভিজতা।

Phon--01932203282

Card image cap
মার্কিন মহাসড়ক থেকে বিদ্যুৎ, উদ্ভাবক বাংলাদেশ পুলিশের উৎপল
engr.tushar - 06 Aug 2017

শহর ছাড়িয়ে জনমানবশূন্য প্রান্তর দিয়ে চলে গেছে মহাসড়ক। সেই সড়ক ধরে দূর গন্তব্যে ছুটে চলেছে গাড়ি। সড়কের দুপাশে নেই বিদ্যুৎ সুবিধা দেয়ার মত কোনো অবকাঠামো।

এসময় হঠাৎই গাড়ির ব্যাটারি, অতি প্রয়োজনীয় স্মার্টফোনটির চার্জ গেলো ফুরিয়ে কিংবা দুর্ঘটনার শিকার একটি গাড়ির কারণে লেগে গেলো ট্রাফিক জ্যাম। অথচ ট্রাফিক পুলিশের কাছে এই জ্যামের খবরই পৌঁছালো না। কারণ বিদ্যুৎ ব্যবস্থার অভাবে ওই সড়কটি আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থার পর্যবেক্ষণকারী সব প্রযুক্তি সুবিধার বাইরে।

বর্তমানে এরকম সংকটের সমাধান সৌর বিদ্যুতের প্যানেল। তবে এই ব্যবস্থা বেশ ব্যয়বহুল। তাই পিচঢালা মহাসড়কটিকেই মহাউপকারী বিদ্যুৎ শক্তির উৎসে পরিণত করলে কেমন হয়? আপাততঃ কল্পবিজ্ঞান মনে হলেও এই কল্পনাকেই সত্যে পরিণত করার উপায় দেখালেন বাংলাদেশ পুলিশের কর্মকর্তা উৎপল দত্ত।

কালোপিচের রাস্তায় সূর্যের প্রখর তাপ এবং যানবাহনের চাকার ঘষায় উৎপাদিত তাপকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে লাগিয়ে তিনি পেয়েছেন প্রাথমিক সাফল্য।

মহাসড়ক-রানওয়ের উপরিভাগের তাপ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে তার এই উদ্ভাবনী প্রযুক্তিকে সেরা উদ্ভাবন হিসেবে স্বীকৃতি জানিয়েছে আমেরিকান সোসাইটি অব সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স এবং মার্কিন ট্রান্সপোর্টেশন রিসার্চ বোর্ড।

পুলিশের সহকারী কমিশনার উৎপল দত্ত

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া উৎপল দত্ত ৩০তম বিসিএস-এ উত্তীর্ণ হয়ে পুলিশের সহকারী কমিশনার হিসেবে যোগ দেন। ৪ বছর দেশে দায়িত্ব পালনের পর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় অত্যাধুনিক সংস্করণে আগ্রহী উৎপল পড়তে যান যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস ইউনিভার্সিটিতে। বিশ্ববিদ্যালয়টির সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক সামের দেসোওকির তত্ত্বাবধানে এই প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন তিনি।

টেক্সাসে শুরু করা উদ্ভাবনী উদ্যোগগুলোর জন্য তাকে আরও কিছুদিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে হবে। তাই ছুটির মেয়াদ বাড়াতে কয়েকদিন হলো দেশে এসেছেন পুলিশের এই তরুণ অফিসার।

রাজারবাগ পুলিশ লাইনে চ্যানেল আই অনলাইনের সঙ্গে কথোপকথনে নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনে নিজের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি, বাংলাদেশের ট্রাফিক ব্যবস্থায় প্রযুক্তি নির্ভরতা বাড়িয়ে অপচয় রোধের সম্ভাবনার কথা।

মার্কিন মুলুকে উৎপলের ‘পিই-কুল’
উৎপল জানান, বিগত দেড় দশক ধরে তাপশক্তি থেকে বিদ্যুৎশক্তি উৎপাদনে প্রচুর গবেষণা চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় রাস্তার উপরিভাগ থেকে শক্তি সংগ্রহের একটি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন তিনি। এই প্রযুক্তির কাগুজে নাম ‘পেভমেন্ট এনার্জি হারভেস্টিং অ্যান্ড কুলিং (পিই-কুল) সিস্টেম’।

তিনি বলেন, ‘এর সাহায্যে রাস্তার সার্ফেস (উপরিভাগ) থেকে তাপশক্তি আহরণ করে আহরিত শক্তিকে থার্মো ইলেকট্রিক জেনারেটরের মাধ্যমে অবিরত বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা সম্ভব হয়েছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের বাস্তবতা তুলে ধরে সেদেশে উচ্চশিক্ষা নিতে যাওয়া এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, বিস্তৃত হাইওয়ের সবজায়গায় সেন্সর, ক্যামেরা, পর্যবেক্ষণ টুলসের মতো অত্যাধুনিক ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট প্রযুক্তি স্থাপন বেশ কঠিন। অন্যদিকে বিপুল অর্থেরও প্রয়োজন আছে।

রাস্তার উপরিভাগের এই তামার পাত দিয়েই তাপ চলে যাবে থার্মো ইলেকট্রিক জেনারেটর এবং হিট সিংকে। উৎপাদিত হবে বিদ্যুৎ।

এমন অবস্থায় রাস্তাকেই বিদ্যুৎ যোগানের উৎসে পরিণত করতে এরকম উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার উদ্ভাবিত ডিভাইসটি একটি নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনকারী ডিভাইস। যা দৈনিক গড়ে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত একনাগাড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে। রাস্তার তাপকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণ নতুন একটি গবেষণাক্ষেত্র। আমরা যে মডেল বা প্রোটোটাইপ উদ্ভাবন করেছি সেটা প্রথমে কম্পিউটার সিম্যুলেশনের মাধ্যমে দাঁড় করিয়েছিলাম। উদ্ভাবিত ডিভাইসটির তিনটি অংশ: এনার্জি হার্ভেস্টার, থার্মো ইলেকট্রিক জেনারেটর এবং হিট সিংক।
ডিভাইসটি পরীক্ষামূলকভাবে মহাসড়কের ধারে স্থাপন করা হয়। রাস্তার পিচের এক ইঞ্চি নিচে এনার্জি হার্ভেস্টারটি (তামার প্লেট) থাকবে। এটা রাস্তার তাপ গ্রহণ করে ঠিক রাস্তার পাশে মাটির এক-দেড় ফুট নিচে থাকা মূল অংশে পৌঁছে দেবে। ডিভাইসের দ্বিতীয় স্তরে থাকবে থার্মো ইলেকট্রিক জেনারেটর এবং এর নিচেই হিট সিংক। রাস্তার উপরিভাগের তাপ এবং মাটির নিচের ঠান্ডা এই দুই এর পার্থক্যকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করবে থার্মো ইলেকট্রিক জেনারেটর।’

আপাততঃ যে সাফল্য
ল্যাবে এবং রাস্তায় ডিভাইসটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সাফল্য পেয়েছেন উৎপল। তিনি জানান, গবেষণায় দেখা গেছে ডিভাইসটি রাস্তার প্রতি বর্গফুট উপরিভাগ থেকে ৩০০-৩৫০ মিলিওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে।

প্রাথমিক পর্যায়ে এই সাফল্য যে কম নয় সেটাই স্বীকৃতি পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বড় দুটি উদ্ভাবনী প্রযুক্তি প্রতিযোগিতায়। আমেরিকান সোসাইটি অব সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স এর ইনোভেশন কনটেস্টে তাই দুই ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে বাংলাদেশের এই পুলিশ কর্মকর্তার উদ্ভাবনী উদ্যোগটি। একই সঙ্গে মার্কিন ট্রান্সপোর্টেশন রিসার্চ বোর্ডের এয়ারপোর্ট কোঅপারেটিভ রিসার্চ প্রোগ্রামেও সেরা ডিজাইন হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।

বাংলাদেশের ট্রাফিক ব্যবস্থায় তিনি চান প্রযুক্তির উন্মেষ 
বুয়েট থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে দেশের জন্য দায়িত্ব পালনের দায় থেকেই পুলিশে যোগ দেন বলে জানান উৎপল।

নিজের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাকে পেশা জীবনে কাজে লাগিয়ে ট্রাফিক ব্যবস্থায় প্রযুক্তি বিপ্লব ঘটিয়ে দেশের জনবল-অর্থের অপচয় কমাতে চান তিনি।

ট্রাফিক ব্যবস্থা বদলে নিজের স্বপ্নের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ঢাকায় পুরো ট্রাফিক কন্ট্রোল করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। উন্নত দেশের আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি নিয়ে আমার আগ্রহ বরাবরই আছে। আসলে আমার এই ডিভাইসটি তো মাত্র শুরুর একটি পদক্ষেপ। উন্নত দেশের মতো আমাদের দেশের সড়কেও যদি ট্রাফিক পর্যবেক্ষণ সেন্সর স্থাপন করা যায় তাহলে সড়কে শৃঙ্খলা সহজ হয়ে যাবে। ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের মহাসড়ক জটেও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে পুলিশ।’

”এখনো ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে আমার গবেষণা শেষ হয়নি। আরও সময় নিয়ে বিদ্যুৎ সংকট দূর করা, দেশের অর্থ অপচয় কমিয়ে রাস্তায় একটি ভালো ব্যবস্থাপনা দাঁড় করাতে পারলে রাষ্ট্রের কাজে আসে এমন কাজে লেগে থাকতে চাই।’’

সুত্র: চ্যনেল আই অনলাইন

Card image cap
গুরুত্বপুর্ণ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যালকুলেশন
engr.tushar - 05 Aug 2017

Usefull Civil Engineering Calculation

CONCRETE GRADE:
M5 = 1:4:8
M10= 1:3:6
M15= 1:2:4
M20= 1:1.5:3
M25= 1:1:2

Weight of Engineering Materials

1.Bitumen - 1340 Kg / M3

2.Cement- 1440 Kg / M3

3.Gold - 19224 Kg / M3

4.Ice -913 Kg / M3

5.Wrought Iron -7700 Kg / M3

6.Pig Iron - 7200 Kg / M3

7.Cast Iron - 7650 Kg / M3

8.Lead - 11374 Kg / M3

9.A.C Sheets- 17 kg / M2

10.Petrol – 690 Kg / M3

CLEAR COVER TO MAIN REINFORCEMENT:
1.FOOTINGS : 50 mm
2.RAFT FOUNDATION.TOP : 50 mm
3.RAFT FOUNDATION.BOTTOM/SIDES : 75 mm
4.STRAP BEAM : 50 mm
5.GRADE SLAB : 20 mm
6.COLUMN : 40 mm
7.SHEAR WALL : 25 mm
8.BEAMS : 25 mm
9.SLABS : 15 mm
10.FLAT SLAB : 20 mm
11.STAIRCASE : 15 mm
12.RET. WALL : 20/ 25 mm on earth
13.WATER RETAINING STRUCTURES : 20/30 mm

WEIGHT OF ROD PER METER LENGTH:
DIA WEIGHT PER METER

6mm = 0.222Kg
8mm = 0.395 Kg
10mm = 0.616 Kg
12mm = 0.888 Kg
16mm = 1.578 Kg
20mm = 2.466 Kg
25mm = 3.853 Kg
32mm = 6.313 Kg
40mm = 9.865 Kg

1bag cement-50kg
1feet-0.3048m
1m-3.28ft
1sq.m-10.76sq.ft
1cu.m-35.28cu.ft
1acre-43560sq.ft
1cent-435.6sq.ft
1hectare-2.47acre
1acre-100cent-4046.724sq.m
1ground-2400sq.ft
1unit-100cu.ft- 2.83cu.m 1square-100sq.ft

1 M LENGTH STEEL ROD I ITS VOLUME
V=(Pi/4)*Dia x DiaX L=(3.14/4)x D x D X 1 (for
1m length) Density of Steel=7850 kg/ cub meter
Weight = Volume x Density=(3.14/4)x D x D X
1×7850 (if D is in mm ) So = ((3.14/4)x D x D X
1×7850)/(1000×1000) = Dodd/162.27

 DESIGN MIX:
M10 ( 1 : 3.92 : 5.62)
Cement : 210 Kg/ M 3
20 mm Jelly : 708 Kg/ M 3
12.5 mm Jelly : 472 Kg/ M 3
River sand : 823 Kg/ M 3
Total water : 185 Kg/ M 3

Fresh concrete density: 2398 Kg/M 3
M20 ( 1 : 2.48 : 3.55)
Cement : 320 Kg/ M 3
20 mm Jelly : 683 Kg/ M 3
12.5 mm Jelly : 455 Kg/ M 3
River sand : 794 Kg/ M 3
Total water : 176 Kg/ M 3
Admixture : 0.7%

Fresh concrete density: 2430 Kg/ M 3
M25 ( 1 : 2.28 : 3.27)
Cement : 340 Kg/ M 3
20 mm Jelly : 667 Kg/ M 3
12.5 mm Jelly : 445 Kg/ M 3
River sand : 775 Kg/ M 3
Total water : 185 Kg/ M 3
Admixture : 0.6%
Fresh concrete density: 2414 Kg/ M 3
Note: sand 775 + 2% moisture, Water185 -20.5 =
164 Liters,
Admixture = 0.5% is 100ml
M30 ( 1 : 2 : 2.87)
Cement : 380 Kg/ M 3
20 mm Jelly : 654 Kg/ M 3
12.5 mm Jelly : 436 Kg/ M 3
River sand : 760 Kg/ M 3
Total water : 187 Kg/ M 3
Admixture : 0.7%
Fresh concrete density: 2420 Kg/ M 3
Note: Sand = 760 Kg with 2% moisture(170.80+15.20)
M35 ( 1 : 1.79 : 2.57)
Cement : 410 Kg/ M 3
20 mm Jelly : 632 Kg/ M 3
12.5 mm Jelly : 421 Kg/ M 3
River sand : 735 Kg/ M 3
Total water : 200 Kg/ M 3
Admixture : 0.7%
Fresh concrete density: 2400 Kg/ M 3
Note: sand = 735 + 2%, Water = 200- 14.7 =
185.30,
Admixture = 0.7%
M40 ( 1 : 1.67 : 2.39)
Cement : 430 Kg/ M 3
20 mm Jelly : 618 Kg/ M 3
12.5 mm Jelly : 412 Kg/ M 3
River sand : 718 Kg/ M 3
Water Cement ratio : 0.43
Admixture : 0.7%
Note: Sand = 718 + Bulk age 1%
M45 ( 1 : 1.58 : 2.26)
Cement : 450 Kg/ M 3
20 mm Jelly : 626 Kg/ M 3
12.5 mm Jelly : 417 Kg/ M 3
River sand : 727 Kg/ M 3 + Bulk age 1%
Water Cement ratio : 0.43
Admixture : 0.7%
M50 ( 1 : 1.44 : 2.23)
Cement : 450 Kg/ M 3
20 mm Jelly : 590 Kg/ M 3
12.5 mm Jelly : 483 Kg/ M 3
River sand : 689 Kg/ M 3 + Bulk age 12%
Water Cement ratio : 0.36 (188 Kg)
Admixture : 1.20%3
Micro silica : 30 Kg
Super flow 6.7% of cement
1 cubic meter contains 500 bricks
The Standard size of the 1st class brick is 190mmx 90mm x90mm and motor joint should be 10mm thick
So brick with motor=200 x 100 x 100.
Volume of 1st class brick = 0.19 x 0.09 X 0.09 =0.001539 cu.m
Volume of 1st class brick with motor =0.2 x 0.1 x0.1=0.002 cu.m
No. on bricks per 1cu.m= 1/volume of1st class brick with motor =1/0.002 = 500 no's of bricks

STANDARD CONVERSION FACTORS
INCH = 25.4 MILLIMETRE
FOOT = 0.3048 METRE
YARD = 0.9144 METRE
MILE = 1.6093 KILOMETER
ACRE = 0.4047 HECTARE
POUND = 0.4536 KILOGRAM
DEGREE FARENHEIT X 5/9 – 32 = DEGREE CELSIUS
MILLIMETRE= 0.0394 INCH
METRE = 3.2808FOOT
METRE = 1.0936YARD

A rope having length 100cm.You can form any shape using this rope (Example: Triangle, Rectangle, etc.,). Which shape will covers maximum area

1 Newton = o.101971 kg
1 mm2 = 0.01 cm2
1 cm2 = 100 mm2
1 mm2 = 20 N
100 mm2 = 2000N
1 cm2 = 2000N
2000 N = 203.942 kg
So 20 N/ mm2 = 203.942 kg / cm2
RATIO IS 1:1.5:3
then volume is 1+1.5+3=5.5 and the total volume for using mix=1.57 m3 then cement required

Card image cap
পানির নিচে রাস্তা ভাল
engr.tushar - 05 Aug 2017

তিলোত্তমা নগর

আমাদের প্রিয়তম ঢাকা

 বৃষ্টিস্নাত শহর

জলের নিচে গাড়ির চাকা

ঢাকার রাস্তা এখন আর চোখে পড়ে না, সবই যেন জলঢাকা। মানে জলে ঢাকা। যেদিকে তাকায় শুধু জল আর জল। জলের আবার অনেক রকমফের। বৃষ্টির জল, নর্দমার জল, সুয়ারেজ লাইনের জল আরও কত কি! আর সেই জলে নাকানিচুবানি খাচ্ছেন ঢাকার বর্তমান দুই মেয়র আনিস ও সাইদ ভাই। জলাবদ্ধতার জন্য কেউ কেউ আবার ‘যত দোষ নন্দ ঘোষ’ এর মত বর্তমান সরকারের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে বেজায় খুশি। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে ঢাকার রাস্তায় এখন প্রাইভেট গাড়ির সাথে সাথে প্রাইভেট নৌকা চালাবে মানুষ। চট্টগ্রামের এক সরকারি অফিসের কর্মকর্তারা তো আরেক কাঠি সরেস। তাঁরা একবারে নৌকা কিনেই ছেড়েছে চলাচলের জন্য।

 

আসলে দোষ কার সে সব তর্কে না জড়ানোয় ভাল হবে এই অধমের। কারণ দোষ যদি কারো থেকেই থাকে তাহলে আসামীর কাঠগড়ায় আমরা সবাই থাকব। শুধু একা সরকার নয়। জলাবদ্ধতা, জলমগ্নতা, যানজট বা পাহাড়ধসের মত ঘটনা এখন এমন এক পর্যায়ে পৌছেছে যে শুধু প্যারাসিটামল দু’বেলা খেলে রোগ সারবে বলে মনে হয় না। বরং রোগটাকে যথাযথ ভাবে ভিতর থেকে চিহ্নিত করে রোগ সারাবার সময় এখন এসে গিয়েছে।

 

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে দীর্ঘ এক যুগ বাংলাদেশে নির্মাণশিল্পে প্রকৌশলী হিসাবে কাজ করেছি। দেশ বিদেশের অনেক প্রকৌশলীর সাথে কাজ করবার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। কাজ করতে গিয়ে ভুল শুদ্ধ যা শিখেছি তা সবই একটি ইঞ্জিনিয়ারিং ব্লগ www.need4engineer.com লিখে গিয়েছি। যাতে ভবিষ্যত প্রজন্ম ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে উন্নত জগত গঠন (আই,ই,বি এর শ্লোগান) করতে পারে। বর্তমানে অষ্ট্রেলিয়ার মত প্রথম সারির দেশে এসেও নির্মানশিল্পে প্রকৌশলী হিসাবে কাজ করে চলেছি। এতে করে বিভিন্ন দেশের প্রযুক্তির উৎকর্ষতা ও অভিজ্ঞতা লব্ধ জ্ঞানের সম্মিলনে রঙ্গিন হচ্ছে মনের ক্যানভাস। সেই জায়গা থেকে দু’একটি ধারণা সবার সাথে ভাগ করে নিতে চাই। তাতে সমস্যার সমাধান রাতারাতি হবে এমনটি নয়। বরং এই ধারণাগুলো নিয়ে দেশ বান্ধব বা পরিবেশ সহনশীল পরিকল্পনা ও প্রযুক্তির প্রয়োগ করা যেতে পারে।  

 ইদানিং কালে বাংলাদেশে কয়েক দিন ধরেই রেইন ওয়াটার হারভেষ্টিং ট্যাঙ্কের  কথা বেশ শোনা যাচ্ছে। অনেকেই বলছেন এতেই নাকি ঢাকার জলাবদ্ধতা দূর হবে। আমি বিষয়টির সাথে আংশিক সহমত পোষণ করি। আমি জলাবদ্ধতাকে তিনটি ভিন্ন দিক থেকে দেখি।

এক, রাস্তা বা ড্রেনে বাড়ির আঙ্গিনা থেকে অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি আসা বন্ধ করা। তার জন্য রেইন ওয়াটার হারভেষ্টিং ট্যাঙ্ক   নিঃসন্দেহে ভাল উদ্যোগ।

দুই, বৃষ্টির পানি সরাসরি রাস্তা বা ড্রেনে পড়লে সেই পানি কে দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যাবস্থা করা, তার জন্য দরকার পলিথিন-প্লাষ্টিক মুক্ত ড্রেন, প্রাকৃতিক ঢাল রক্ষা করে অবকাঠামো নির্মাণ ও খালগুলো কে পূনঃরোদ্ধার করা।

তিন, সরকারি প্রকৌশল সংস্থাগুলোর (যেমনঃ ওয়াসা, রাজউক, সিটি কর্পোরেশন, সড়ক ও জনপথ, এল জি ই ডি, পানি উন্নয়ন বোর্ড, ডেসকো, বিটিআরসি, তিতাস গ্যাস ইত্যাদি) সমন্বয় আর সুদূর প্রসারী চিন্তাভাবনা করে কাজ করা।  

১) বাংলাদেশে কয়েক দিন ধরেই রেইন ওয়াটার হারভেষ্টিং ট্যাঙ্কের  কথা বেশ শোনা যাচ্ছে। এটি বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোডে আসা খুবই প্রয়োজন।  শুধু জলাবদ্ধতা দূরীকরণই নয় বরং ভূ-গর্ভস্তরে পানির স্তর ঠিক রাখার জন্যও এটির দরকার। কারণ প্রতিদিন হাজার হাজার গ্যালন পানি ঢাকা ওয়াসা ভূগর্ভ থেকে উত্তোলন করে ঢাকাবাসির পানির চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে। মাটির নিচে পানির স্তর বেশি নেমে গেলে ভূমিকম্প বা অন্যান্য প্রাকৃতিক দূর্যোগে ঢাকার শহরের ভূমি দেবে যাবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। অষ্ট্রেলিয়ায় কাজ করতে গিয়ে দেখেছি একটি ভবনের প্ল্যান পাশ করবার সময় অন সাইট ষ্টর্ম ওয়াটার ডিটেনশন ট্যাঙ্কের (রেইন ওয়াটার হারভেষ্টিং ট্যাঙ্কের মত) নকশা সরকারী সংস্থায় জমা দিতে হয়। অষ্ট্রেলিয়ার প্রকৌশলীরা হিসাব করেন, যে ভূমিতে ভবন নির্মাণ করা হবে সেই ভূমি টি তো এখন সবুজ মাঠ, এই অবস্থায় যদি সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয় (ওই অঞ্চলের ১০০ বছরের সর্বোচ্চ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত ও সর্বোচ্চ সময় ধরে বৃষ্টিপাতের তথ্য ব্যবহার করা হয়) তাহলে সেই পানির কত শতাংশ ওই সবুজ ভূমি শুষে নিবে আর কত শতাংশ পানি বর্তমান ড্রেনেজ ব্যবস্থায় যাবে। এখন ওই ভূমি তে ভবন নির্মাণ করা হলে বৃষ্টির সম্পূর্ণ পানিই ড্রেনেজ ব্যবস্থায় চলে যাবে, বৃষ্টির পানির কোনো অংশই মাটি শুষে নেবার সুযোগ পাবে না। ফলে বর্তমান ড্রেনেজ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়বে। এভাবে একের পর এক খালি জমিতে বাড়ী নির্মাণ করা হলে তো আর রক্ষা নেই। অল্প বৃষ্টিতেই ড্রেনের পানি উপচিয়ে রাস্তায় চলে আসবে, সৃষ্টি হবে জলমগ্নতা। সে কারণেই ভবনের নির্মাণের সময় মাটির নিচে অন সাইট ষ্টর্ম ওয়াটার ডিটেনশন ট্যাঙ্কের প্রচলন হয়েছে। অর্থ্যাৎ বৃষ্টির সময় যে পানিটুকু মাটি শুষে নিত সেই পানি কিছু সময়ের জন্য এই ট্যাঙ্কে ধরে রাখা হয়। এই পানি দিয়ে টয়লেট ফ্ল্যাশ, গাছে পানি দেয়া, গাড়ি ধোয়া এমনকি বড় বড় ভবনের এসির কুলিং টাওয়ারেও ব্যবহার করা যায়। অনেকে বলেন বৃষ্টির পানি পান করবারও উপযুক্ত। দৈনন্দিন এই সব পানির চাহিদা মিটিয়ে অন সাইট ষ্টর্ম ওয়াটার ডিটেনশন ট্যাঙ্কের  অতিরিক্ত পানি যখন বৃষ্টিপাত থাকে না বা ড্রেনেজ ব্যবস্থার পানি নিষ্কাশন হয়ে গিয়েছে বোঝা গেলে পাম্প করে ড্রেনেজ ব্যবস্থায় দেওয়া যেতে পারে। 

এ সংক্রান্ত তথ্য বিস্তারিত জানতে নিচের লিঙ্ক দেখা যেতে পারে

https://www.sydneywater.com.au/web/groups/publicwebcontent/documents/document/zgrf/mdcw/~edisp/dd_070266.pdf

http://www.melton.vic.gov.au/Services/Building-Planning-Transport/Engineering/Infrastructure-planning

অনেকে হয়ত বলবেন, এতে করে আমার জায়গা নষ্ট হচ্ছে বা আমার বাড়ি বানাতে খরচ বেড়ে যাচ্ছে। প্রকৌশলী হিসাবে এতটুকু বলতে পারি এই ট্যাঙ্কের খরচ পুরো বাড়ি বানানোর খরচের সামান্য অংশ। আমরা এমনিতেই মাটির নিচে খাবার পানি সংরক্ষণের জন্য ট্যাঙ্ক ও সেপটিক ট্যাঙ্ক বানিয়ে থাকি। সমাজ বা দেশের স্বার্থে আরেকটি ট্যাঙ্ক না হয় বানালাম। রবীন্দ্রনাথ খুব সুন্দর করে বলেছেন,

ছোট ছোট বালু কণা, বিন্দু বিন্দু জল,

 গড়ে তোলে মহাদেশ সাগর অতল”

শুধু সরকার নয়, সবার মিলিত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাই পারে এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে।

 

২) এতো গেল বৃষ্টির পানি রাস্তায় যাতে না আসে বা জলমগ্নতা থেকে মুক্তির উপায়ের একটি ধারণা। কিন্তু জলাবদ্ধতার দূরীকরণের কি হবে? অর্থ্যাৎ রাস্তা বা ড্রেনে পানির প্রবেশ হয়ত কমে গেল কিন্তু বৃষ্টির কারণে পানি রাস্তা থেকে দ্রুত নিষ্কাশনের কি উপায়। সে প্রশ্ন থেকেই যায়। কাজের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি একটি শিক্ষা আমরা সবাই জেনেছি। সেটি হল, প্রকৃতিকে বশে রেখে অবকাঠামো বা ভবন, রাস্তা-ঘাট নির্মাণ করতে হয়, প্রকৃতির সাথে পাল্লা দিয়ে নয়। কারণ প্রকৃতির বা পরিবেশের ক্ষতি করলে প্রকৃতি খুব ধীরে ধীরে কিন্তু খুব বড় ধরণের প্রতিশোধ নেয়। তখন কিছু করার থাকে না।

 

এক্ষেত্রে বলবো হাজার হাজার বছর ধরে প্রাকৃতিক ভাবে ভূমিতে যে ঢাল (Natural Slope) তৈরি হয়েছে সেটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া। এর মাধ্যমে পানি তার নিজ ধর্মগুণে উচু স্থান থেকে নীচু স্থান যেমন নদী, নালা, খাল, বিলে চলে আসবে। বর্তমানে বাড়ি ঘর বা অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের কারণে অনেকসময় সেই প্রাকৃতিক ঢাল আমরা নষ্ট করে ফেলি। এছাড়া খাল ভরাট করা,খাল দখল করে বাড়ি বা রিসোর্ট নির্মাণ তো আছেই। অর্থ্যাৎ পানি নেমে যাবার জায়গাটিকে ও প্রাকৃতিক ঢাল কে খুব যত্ন করে নষ্ট করা হচ্ছে সরকারের নাকের ডগায়। যার কারণে বৃষ্টির পানি রাস্তা থেকে সরে যাবার স্বাভাবিক গতিপথ হারাচ্ছে। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতার। সরকারের দ্বায়িত্ব হচ্ছে হারানো খাল পুনরুদ্ধারে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া।

 

এখানেই শেষ নয় কিছু সংখ্যক অসৎ ব্যাক্তিবর্গ পাহাড় কেটে সমতল করে বাড়ি বানানোর অপচেষ্টা করে চলেছেন প্রতি নিয়ত। এতে করে প্রায় প্রতি বছরই বর্ষার সময় পাহাড়ধসে লাশের পাহাড় গড়ে ওঠে আমাদের সামনে। শুধু অষ্ট্রেলিয়া নয় পার্শবর্তী দেশ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল, নেপাল বা ভুটান বেড়াবার সময় দেখেছি পাহাড়ে প্রাকৃতিক ঢাল রক্ষা করে কী সুন্দর সুন্দর বাড়ি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। আর সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ তো খুব চমৎকার সমতল ভূমি। এখানে প্রাকৃতিক ঢাল রক্ষা করা আরও সহজ।

 

৩) বৃষ্টির পানি রাস্তা দিয়ে তো শুধু খাল বিলে যায় না, ড্রেন দিয়েই যায় বেশিরভাগ। পরিচ্ছন্ন কর্মীরা যখন ড্রেন পরিষ্কার করেন তখন দেখা যায় প্রচুর চিপসের প্যাকেট,প্লাস্টিক বোতল, পলিথিন বা অন্যান্য অপচণশীল আবর্জনা দিয়ে ড্রেন বন্ধ থাকে। এটি কিন্তু পুরোটায় আমাদের মানসিক রুগ্নতার লক্ষণ। সরকার এখানে একেবারেই দায়ী নয়। কিছুদিন আগে আনিসুল হক মেয়র হওয়ার পর ফুটপাতের উপর কিছু ধাতব ডাষ্টবিন বসিয়েছিল সিটি কর্পোরেশন। কিন্তু হায় সেটি কেও ধ্বংস করেছি আমরা আমজনতা। ডাষ্টবিন রক্ষা করবার মানসিকতা গড়ে না উঠলে ডাষ্টবিনে ময়লা ফেলার মানসিকতা গড়ে উঠবে কিভাবে।

 

সেক্ষেত্রে এমন একটি ড্রেনেজ সিস্টেম প্রণয়ন করতে প্রকৌশলীদের যাতে রাস্তার কোন ময়লা ড্রেনের ভিতর প্রবেশ করে ড্রেন বন্ধ করতে না পারে।

 

৪) অনেক তত্ত্ব নিয়ে কপচাকপচি করেছি। এইবার একটি গল্প বলে শেষ করি। এক ভদ্রলোক বিয়ে করবেন। বিয়ের দিন বরযাত্রার আগে ভদ্রলোক দেখলেন তাঁর অমন সাধের সালোয়ারটি দুই ইঞ্চি বড় হয়েছে। তাই তিনি ড্রয়িংরুমে গিয়ে বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের কে সালোয়ারটি দুই ইঞ্চি ছোট করতে বলে বাথরুমে ঢুকলেন। বাড়ির এই ছেলেটির মেজাজ সবাই জানে। তাই কালবিলম্ব না করে ভদ্রলোকের মা, ছোট বোন, ভাবী আলাদা আলাদা ভাবে সালোয়ারটি দুই ইঞ্চি করে ছোট করলেন। ফলে যা হওয়ার তাই হলো, দুই ইঞ্চি বড় হওয়ার বদলে এখন সালোয়ারটি চার ইঞ্চি ছোট হয়ে গিয়েছে। ভদ্রলোকের তো মেজাজ সেইরকম খারাপ। কী আর করা তিনি পাঞ্জাবীর পকেটে হাত ঢুকিয়ে পায়চারী করছেন । পাঞ্জাবীর পকেটে হাত দিতেই একটি কাগজ হাতে পড়ল। তাতে দর্জির লেখা সবসময় সমন্বয় করে কাজ করবেন। সমন্বয়হীনতা অনিষ্ঠের মূল।

 

আমাদের দেশে নানান সরকারী প্রকৌশল সংস্থা রয়েছে – তাদের কাজের একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্র আছে। তাতে কোন সমস্যা নেই। সমস্যা হলো শুধু সমন্বয়হীনতায় একই রাস্তা যখন বারে বারে খোড়া খুড়ি চলতেই থাকে। শুধুমাত্র নিজেদের মধ্যে সমন্বয় থাকলেই একটি অঞ্চলে পরবর্তি একশ বছরে কতগুলো সুউচ্চ ভবন হবে,কত বাসিন্দা সেই ভবনগুলোতে থাকবে আর তাতে করে ড্রেনেজ, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও রাস্তার উপর কতটুকু চাপ পড়বে বা কী ধরণের সমস্যা হবে বা সমস্যা হলে তার সমাধান বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীগন ও অন্যান্য কর্মকর্তারা এক টেবিলেই করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে উন্নত নাগরিক সুবিধা প্রতিটি ব্যক্তি পেতে পারেন। আর সেটি না হলে জাতীয় পত্রিকার প্রথম পাতায় বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে “পানির নিচে রাস্তা ভাল” ছবিটি দেখতে হবে বৃষ্টি হলেই।  

 

পরিশেষে এতটুকু বলতে পারি, জলাবদ্ধতা একটি প্রকৌশলগত সমস্যা। এর সমাধান প্রকৌশলীদেরকে করতে হবে। আমাদের দেশে অনেক বড় বড় নামকরা দেশবরেণ্য কিংবদন্তিতুল্য প্রকৌশলী রয়েছেন। সেই সমস্ত নবীন ও প্রবীন প্রকৌশলীদের নিয়ে (আবারও বলছি শুধুমাত্র প্রকৌশলীদের নিয়ে) জাতীয় কমিটি গঠণ এই সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে বলে আমার বিশ্বাস। আর সেই সাথে দরকার আমাদের মত সাধারণ মানুষের শুধু একটু সচেতনতা।                 

Card image cap
পানির নিচে রাস্তা ভাল
engr.tushar - 05 Aug 2017

তিলোত্তমা নগর

আমাদের প্রিয়তম ঢাকা

 বৃষ্টিস্নাত শহর

জলের নিচে গাড়ির চাকা

ঢাকার রাস্তা এখন আর চোখে পড়ে না, সবই যেন জলঢাকা। মানে জলে ঢাকা। যেদিকে তাকায় শুধু জল আর জল। জলের আবার অনেক রকমফের। বৃষ্টির জল, নর্দমার জল, সুয়ারেজ লাইনের জল আরও কত কি! আর সেই জলে নাকানিচুবানি খাচ্ছেন ঢাকার বর্তমান দুই মেয়র আনিস ও সাইদ ভাই। জলাবদ্ধতার জন্য কেউ কেউ আবার ‘যত দোষ নন্দ ঘোষ’ এর মত বর্তমান সরকারের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে বেজায় খুশি। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে ঢাকার রাস্তায় এখন প্রাইভেট গাড়ির সাথে সাথে প্রাইভেট নৌকা চালাবে মানুষ। চট্টগ্রামের এক সরকারি অফিসের কর্মকর্তারা তো আরেক কাঠি সরেস। তাঁরা একবারে নৌকা কিনেই ছেড়েছে চলাচলের জন্য।

 

আসলে দোষ কার সে সব তর্কে না জড়ানোয় ভাল হবে এই অধমের। কারণ দোষ যদি কারো থেকেই থাকে তাহলে আসামীর কাঠগড়ায় আমরা সবাই থাকব। শুধু একা সরকার নয়। জলাবদ্ধতা, জলমগ্নতা, যানজট বা পাহাড়ধসের মত ঘটনা এখন এমন এক পর্যায়ে পৌছেছে যে শুধু প্যারাসিটামল দু’বেলা খেলে রোগ সারবে বলে মনে হয় না। বরং রোগটাকে যথাযথ ভাবে ভিতর থেকে চিহ্নিত করে রোগ সারাবার সময় এখন এসে গিয়েছে।

 

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে দীর্ঘ এক যুগ বাংলাদেশে নির্মাণশিল্পে প্রকৌশলী হিসাবে কাজ করেছি। দেশ বিদেশের অনেক প্রকৌশলীর সাথে কাজ করবার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। কাজ করতে গিয়ে ভুল শুদ্ধ যা শিখেছি তা সবই একটি ইঞ্জিনিয়ারিং ব্লগ www.need4engineer.com লিখে গিয়েছি। যাতে ভবিষ্যত প্রজন্ম ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে উন্নত জগত গঠন (আই,ই,বি এর শ্লোগান) করতে পারে। বর্তমানে অষ্ট্রেলিয়ার মত প্রথম সারির দেশে এসেও নির্মানশিল্পে প্রকৌশলী হিসাবে কাজ করে চলেছি। এতে করে বিভিন্ন দেশের প্রযুক্তির উৎকর্ষতা ও অভিজ্ঞতা লব্ধ জ্ঞানের সম্মিলনে রঙ্গিন হচ্ছে মনের ক্যানভাস। সেই জায়গা থেকে দু’একটি ধারণা সবার সাথে ভাগ করে নিতে চাই। তাতে সমস্যার সমাধান রাতারাতি হবে এমনটি নয়। বরং এই ধারণাগুলো নিয়ে দেশ বান্ধব বা পরিবেশ সহনশীল পরিকল্পনা ও প্রযুক্তির প্রয়োগ করা যেতে পারে।  

 

১) বাংলাদেশে কয়েক দিন ধরেই রেইন ওয়াটার হারভেষ্টিং ট্যাঙ্কের  কথা বেশ শোনা যাচ্ছে। এটি বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোডে আসা খুবই প্রয়োজন।  শুধু জলাবদ্ধতা দূরীকরণই নয় বরং ভূ-গর্ভস্তরে পানির স্তর ঠিক রাখার জন্যও এটির দরকার। কারণ প্রতিদিন হাজার হাজার গ্যালন পানি ঢাকা ওয়াসা ভূগর্ভ থেকে উত্তোলন করে ঢাকাবাসির পানির চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে। মাটির নিচে পানির স্তর বেশি নেমে গেলে ভূমিকম্প বা অন্যান্য প্রাকৃতিক দূর্যোগে ঢাকার শহরের ভূমি দেবে যাবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। অষ্ট্রেলিয়ায় কাজ করতে গিয়ে দেখেছি একটি ভবনের প্ল্যান পাশ করবার সময় অন সাইট ষ্টর্ম ওয়াটার ডিটেনশন ট্যাঙ্কের (রেইন ওয়াটার হারভেষ্টিং ট্যাঙ্কের মত) নকশা সরকারী সংস্থায় জমা দিতে হয়। অষ্ট্রেলিয়ার প্রকৌশলীরা হিসাব করেন, যে ভূমিতে ভবন নির্মাণ করা হবে সেই ভূমি টি তো এখন সবুজ মাঠ, এই অবস্থায় যদি সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয় (ওই অঞ্চলের ১০০ বছরের সর্বোচ্চ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত ও সর্বোচ্চ সময় ধরে বৃষ্টিপাতের তথ্য ব্যবহার করা হয়) তাহলে সেই পানির কত শতাংশ ওই সবুজ ভূমি শুষে নিবে আর কত শতাংশ পানি বর্তমান ড্রেনেজ ব্যবস্থায় যাবে। এখন ওই ভূমি তে ভবন নির্মাণ করা হলে বৃষ্টির সম্পূর্ণ পানিই ড্রেনেজ ব্যবস্থায় চলে যাবে, বৃষ্টির পানির কোনো অংশই মাটি শুষে নেবার সুযোগ পাবে না। ফলে বর্তমান ড্রেনেজ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়বে। এভাবে একের পর এক খালি জমিতে বাড়ী নির্মাণ করা হলে তো আর রক্ষা নেই। অল্প বৃষ্টিতেই ড্রেনের পানি উপচিয়ে রাস্তায় চলে আসবে, সৃষ্টি হবে জলমগ্নতা। সে কারণেই ভবনের নির্মাণের সময় মাটির নিচে অন সাইট ষ্টর্ম ওয়াটার ডিটেনশন ট্যাঙ্কের প্রচলন হয়েছে। অর্থ্যাৎ বৃষ্টির সময় যে পানিটুকু মাটি শুষে নিত সেই পানি কিছু সময়ের জন্য এই ট্যাঙ্কে ধরে রাখা হয়। এই পানি দিয়ে টয়লেট ফ্ল্যাশ, গাছে পানি দেয়া, গাড়ি ধোয়া এমনকি বড় বড় ভবনের এসির কুলিং টাওয়ারেও ব্যবহার করা যায়। অনেকে বলেন বৃষ্টির পানি পান করবারও উপযুক্ত। দৈনন্দিন এই সব পানির চাহিদা মিটিয়ে অন সাইট ষ্টর্ম ওয়াটার ডিটেনশন ট্যাঙ্কের  অতিরিক্ত পানি যখন বৃষ্টিপাত থাকে না বা ড্রেনেজ ব্যবস্থার পানি নিষ্কাশন হয়ে গিয়েছে বোঝা গেলে পাম্প করে ড্রেনেজ ব্যবস্থায় দেওয়া যেতে পারে।

 

অনেকে হয়ত বলবেন, এতে করে আমার জায়গা নষ্ট হচ্ছে বা আমার বাড়ি বানাতে খরচ বেড়ে যাচ্ছে। প্রকৌশলী হিসাবে এতটুকু বলতে পারি এই ট্যাঙ্কের খরচ পুরো বাড়ি বানানোর খরচের সামান্য অংশ। আমরা এমনিতেই মাটির নিচে খাবার পানি সংরক্ষণের জন্য ট্যাঙ্ক ও সেপটিক ট্যাঙ্ক বানিয়ে থাকি। সমাজ বা দেশের স্বার্থে আরেকটি ট্যাঙ্ক না হয় বানালাম। রবীন্দ্রনাথ খুব সুন্দর করে বলেছেন,

ছোট ছোট বালু কণা, বিন্দু বিন্দু জল,

 গড়ে তোলে মহাদেশ সাগর অতল”

শুধু সরকার নয়, সবার মিলিত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাই পারে এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে।

 

২) এতো গেল বৃষ্টির পানি রাস্তায় যাতে না আসে বা জলমগ্নতা থেকে মুক্তির উপায়ের একটি ধারণা। কিন্তু জলাবদ্ধতার দূরীকরণের কি হবে? অর্থ্যাৎ রাস্তা বা ড্রেনে পানির প্রবেশ হয়ত কমে গেল কিন্তু বৃষ্টির কারণে পানি রাস্তা থেকে দ্রুত নিষ্কাশনের কি উপায়। সে প্রশ্ন থেকেই যায়। কাজের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি একটি শিক্ষা আমরা সবাই জেনেছি। সেটি হল, প্রকৃতিকে বশে রেখে অবকাঠামো বা ভবন, রাস্তা-ঘাট নির্মাণ করতে হয়, প্রকৃতির সাথে পাল্লা দিয়ে নয়। কারণ প্রকৃতির বা পরিবেশের ক্ষতি করলে প্রকৃতি খুব ধীরে ধীরে কিন্তু খুব বড় ধরণের প্রতিশোধ নেয়। তখন কিছু করার থাকে না।

 

এক্ষেত্রে বলবো হাজার হাজার বছর ধরে প্রাকৃতিক ভাবে ভূমিতে যে ঢাল (Natural Slope) তৈরি হয়েছে সেটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া। এর মাধ্যমে পানি তার নিজ ধর্মগুণে উচু স্থান থেকে নীচু স্থান যেমন নদী, নালা, খাল, বিলে চলে আসবে। বর্তমানে বাড়ি ঘর বা অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের কারণে অনেকসময় সেই প্রাকৃতিক ঢাল আমরা নষ্ট করে ফেলি। এছাড়া খাল ভরাট করা,খাল দখল করে বাড়ি বা রিসোর্ট নির্মাণ তো আছেই। অর্থ্যাৎ পানি নেমে যাবার জায়গাটিকে ও প্রাকৃতিক ঢাল কে খুব যত্ন করে নষ্ট করা হচ্ছে সরকারের নাকের ডগায়। যার কারণে বৃষ্টির পানি রাস্তা থেকে সরে যাবার স্বাভাবিক গতিপথ হারাচ্ছে। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতার। সরকারের দ্বায়িত্ব হচ্ছে হারানো খাল পুনরুদ্ধারে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া।

 

এখানেই শেষ নয় কিছু সংখ্যক অসৎ ব্যাক্তিবর্গ পাহাড় কেটে সমতল করে বাড়ি বানানোর অপচেষ্টা করে চলেছেন প্রতি নিয়ত। এতে করে প্রায় প্রতি বছরই বর্ষার সময় পাহাড়ধসে লাশের পাহাড় গড়ে ওঠে আমাদের সামনে। শুধু অষ্ট্রেলিয়া নয় পার্শবর্তী দেশ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল, নেপাল বা ভুটান বেড়াবার সময় দেখেছি পাহাড়ে প্রাকৃতিক ঢাল রক্ষা করে কী সুন্দর সুন্দর বাড়ি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। আর সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ তো খুব চমৎকার সমতল ভূমি। এখানে প্রাকৃতিক ঢাল রক্ষা করা আরও সহজ।

 

৩) বৃষ্টির পানি রাস্তা দিয়ে তো শুধু খাল বিলে যায় না, ড্রেন দিয়েযায় বেশিরভাগ। পরিচ্ছন্ন কর্মীরা যখন ড্রেন পরিষ্কার করেন তখন দেখা যায় প্রচুর চিপসের প্যাকেট,প্লাস্টিক বোতল, পলিথিন বা অন্যান্য অপচণশীল আবর্জনা দিয়ে ড্রেন বন্ধ থাকে। এটি কিন্তু পুরোটায় আমাদের মানসিক রুগ্নতার লক্ষণ। সরকার এখানে একেবারেই দায়ী নয়। কিছুদিন আগে আনিসুল হক মেয়র হওয়ার পর ফুটপাতের উপর কিছু ধাতব ডাষ্টবিন বসিয়েছিল সিটি কর্পোরেশন। কিন্তু হায় সেটি কেও ধ্বংস করেছি আমরা আমজনতা। ডাষ্টবিন রক্ষা করবার মানসিকতা গড়ে না উঠলে ডাষ্টবিনে ময়লা ফেলার মানসিকতা গড়ে উঠবে কিভাবে।

 

সেক্ষেত্রে এমন একটি ড্রেনেজ সিস্টেম প্রণয়ন করতে প্রকৌশলীদের যাতে রাস্তাকোন ময়লা ড্রেনের ভিতর প্রবেশ করে ড্রেন বন্ধ করতে না পারে।

 

৪) অনেক তত্ত্ব নিয়ে কপচাকপচি করেছি। এইবার একটি গল্প বলে শেষ করি। এক ভদ্রলোক বিয়ে করবেন। বিয়ের দিন বরযাত্রার আগে ভদ্রলোক দেখলেন তাঁর অমন সাধের সালোয়ারটি দুই ইঞ্চি বড় হয়েছে। তাই তিনি ড্রয়িংরুমে গিয়ে বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের কে সালোয়ারটি দুই ইঞ্চি ছোট করতে বলে বাথরুমে ঢুকলেন। বাড়ির এই ছেলেটির মেজাজ সবাই জানে। তাই কালবিলম্ব না করে ভদ্রলোকের মা, ছোট বোন, ভাবী আলাদা আলাদা ভাবে সালোয়ারটি দুই ইঞ্চি করে ছোট করলেন। ফলে যা হওয়ার তাই হলো, দুই ইঞ্চি বড় হওয়ার বদলে এখন সালোয়ারটি চার ইঞ্চি ছোট হয়ে গিয়েছে। ভদ্রলোকের তো মেজাজ সেইরকম খারাপ। কী আর করা তিনি পাঞ্জাবীর পকেটে হাত ঢুকিয়ে পায়চারী করছেন । পাঞ্জাবীর পকেটে হাত দিতেই একটি কাগজ হাতে পড়ল। তাতে দর্জির লেখা সবসময় সমন্বয় করে কাজ করবেন। সমন্বয়হীনতা অনিষ্ঠের মূল।

 

আমাদের দেশে নানান সরকারী প্রকৌশল সংস্থা রয়েছে – তাদের কাজের একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্র আছে। তাতে কোন সমস্যা নেই। সমস্যা হলো শুধু সমন্বয়হীনতায় একই রাস্তা যখন বারে বারে খোড়া খুড়ি চলতেই থাকে। শুধুমাত্র নিজেদের মধ্যে সমন্বয় থাকলেই একটি অঞ্চলে পরবর্তি একশ বছরে কতগুলো সুউচ্চ ভবন হবে,কত বাসিন্দা সেই ভবনগুলোতে থাকবে আর তাতে করে ড্রেনেজ, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও রাস্তার উপর কতটুকু চাপ পড়বে বা কী ধরণের সমস্যা হবে বা সমস্যা হলে তার সমাধান বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীগন ও অন্যান্য কর্মকর্তারা এক টেবিলেই করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে উন্নত নাগরিক সুবিধা প্রতিটি ব্যক্তি পেতে পারেন। আর সেটি না হলে জাতীয় পত্রিকার প্রথম পাতায় বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে “পানির নিচে রাস্তা ভাল” ছবিটি দেখতে হবে বৃষ্টি হলেই।  

 

পরিশেষে এতটুকু বলতে পারি, জলাবদ্ধতা একটি প্রকৌশলগত সমস্যা। এর সমাধান প্রকৌশলীদেরকে করতে হবে। আমাদের দেশে অনেক বড় বড় নামকরা দেশবরেণ্য কিংবদন্তিতুল্য প্রকৌশলী রয়েছেন। সেই সমস্ত নবীন ও প্রবীন প্রকৌশলীদের নিয়ে (আবারও বলছি শুধুমাত্র প্রকৌশলীদের নিয়ে) জাতীয় কমিটি গঠণ এই সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে বলে আমার বিশ্বাস। আর সেই সাথে দরকার আমাদের মত সাধারণ মানুষের শুধু একটু সচেতনতা।                 


Header
Info card title

www


Left
Center
Right